জনতার মঞ্চে ১৬ মিনিটের ভাষণে তারেক রহমান-‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান’
মো.শামসুল আলম খান, কালের আলো:
অধীর অপেক্ষার অবসান হয়েছে। দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশের মাটি স্পর্শ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকায় আয়োজিত এক বিশাল গণসংবর্ধনা নেতাকর্মীদের পাশাপাশি দেশের সর্বস্তরের মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ১৬ মিনিটের অবিস্মরণীয় এক ভাষণ দিয়েছেন। নিজের ভাষণে তিনি বর্ণবাদবিরোধী আমেরিকান নেতা মার্টিন লুথার কিংয়ের বিখ্যাত উক্তি ‘আই হ্যাভ অ্যা ড্রিম’ এর অনুকরণে দেশ ও জাতিকে নিয়ে একটি নতুন স্লোগান ধারণ করার কথা বলেছেন। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান ফর দ্যা পিপল, ফর দ্যা কান্ট্রি। ইনশাল্লাহ, আমরা সেই প্ল্যান বাস্তবায়ন করব।’
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটে লাল গালিচার ওপর দিয়ে হেঁটে রাজধানীর পূর্বাচলে ‘৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়েতে’ আয়োজিত গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানের মঞ্চে ওঠেন তারেক রহমান। দেশবাসীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে মাত্র ১৬ মিনিটের একটি সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা দেন। গোছানো, স্পষ্ট ও প্রাঞ্জল বক্তব্য রূপান্তরিত হয় ভাষণে। যেখানে তিনি তুলে ধরেন মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বীরত্বগাঁথার কথা। উঠে আসে দেশের মানুষের অধিকার, শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা আর ভাগ্যের উন্নয়নের কথা। বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, ‘প্রিয় বাংলাদেশ। উপস্থিত মুরুব্বিবর্গ, মঞ্চে উপস্থিত জাতীয় নেতৃবৃন্দ, আমার সামনে উপস্থিত প্রিয় ভাই ও বোনেরা এবং মিডিয়ার মাধ্যমে সমগ্র বাংলাদেশ থেকে যারা দেখছেন এই অনুষ্ঠান; প্রিয় ভাই-বোনেরা, প্রিয় মা-বোনেরা আসসালামু আলাইকুম।’
দলের পক্ষ থেকে দেওয়া গণসংবর্ধনায় তারেক রহমান বলেন, ‘ভাই-বোনেরা, মার্টিন লুথার কিংয়ের নাম শুনেছেন আপনারা। নাম শুনেছেন তো? মার্টিন লুথার কিং-এর একটি বিখ্যাত ডায়ালগ আছে- ‘আই হ্যাভ অ্যা ড্রিম’। আজ এই বাংলাদেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে আপনাদের সবার সামনে আমি বলতে চাই, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের একজন সদস্য হিসেবে আপনাদের সামনে আমি বলতে চাই- ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান, ফর দ্য পিপল অব মাই কান্ট্রি, ফর মাই কান্ট্রি। এই পরিকল্পনা দেশের মানুষের স্বার্থে, দেশের উন্নয়নের জন্য, দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য।’
প্রিয় নবীর ন্যায়পরায়ণতার আলোকে দেশ পরিচালনার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, যদি সেই প্ল্যান, সেই কার্যক্রম, সেই পরিকল্পনাকে বাস্তবায়ন করতে হয়- প্রিয় ভাই-বোনেরা, এই জনসমুদ্রে যত মানুষ উপস্থিত আছেন এবং সারা বাংলাদেশে গণতন্ত্রের পক্ষে যত মানুষ আছেন, প্রত্যেকটি মানুষের সহযোগিতা আমার লাগবে। প্রত্যেকটি মানুষের সহযোগিতা আমাদের লাগবে। আপনারা যদি আমাদের পাশে থাকেন, আপনারা যদি আমাদেরকে সহযোগিতা করেন, ইনশাআল্লাহ আমরা ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হব। তারেক রহমান বলেন, ‘আসুন আমরা আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের দরবারে হাত তুলে প্রার্থনা করি। হে রাব্বুল আলামিন, হে একমাত্র মালিক, হে একমাত্র পরওয়ারদিগার, হে একমাত্র রহমত দানকারী, হে একমাত্র সাহায্যকারী-আজ আপনি যদি আমাদেরকে রহমত দেন, তাহলে আমরা এই দেশের মানুষ কঠোর পরিশ্রম করার মাধ্যমে আমাদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে পারব। আজ যদি আল্লাহর রহমত এই দেশ এবং এই দেশের মানুষের পক্ষে থাকে; আল্লাহর সাহায্য, আল্লাহর দয়া এই দেশের মানুষের উপরে থাকে ইনশাআল্লাহ আমরা আমাদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সক্ষম হব’। তিনি বলেন, ‘প্রিয় ভাই-বোনেরা, আসুন আমরা সকলে মিলে প্রতিজ্ঞা করি- ইনশাআল্লাহ আগামী দিনে দেশ পরিচালনার দায়িত্বে যারা আসবে, আমরা সকলে নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যে ন্যায়পরায়ণতা, সেই ন্যায়পরায়ণতার আলোকে দেশ পরিচালনার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।
আল্লাহর রহমতে মাতৃভূমিতে ফিরে আসতে পেরেছি
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নিজের বক্তব্যের শুরুতে তারেক রহমান বলেন, ‘আজ প্রথমেই আমি রাব্বুল আলামিনের দরবারে হাজারো লক্ষ-কোটি শুকরিয়া জানাতে চাই। রাব্বুল আলামিনের অশেষ রহমতে আজ আমি আমার প্রিয় মাতৃভূমিতে ফিরে আসতে পেরেছি, আপনাদের দোয়ায় আপনাদের মাঝে আসতে পেরেছি।’ তিনি বলেন, ‘আমাদের এই প্রিয় মাতৃভূমি ১৯৭১ সালে লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছিল। ঠিক একইভাবে ৭৫-এ আবার ৭ই নভেম্বর আধিপত্যবাদীদের হাত থেকে রক্ষার জন্য সেদিন সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে দেশকে রক্ষা করা হয়েছিল। একইভাবে পরবর্তীতে ৯০-এ স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে এ দেশের জনগণ, এ দেশের খেটে খাওয়া মানুষ তাদের গণতান্ত্রিক অধিকারকে ছিনিয়ে এনেছিল। কিন্তু তারপরেও ষড়যন্ত্রকারীদের ষড়যন্ত্র থেমে থাকেনি।’ তিনি আরও বলেন, আমরা তারপর দেখেছি ২০২৪ সালে.. ৭১ সালে এই দেশের মানুষ যেমন স্বাধীনতা অর্জন করেছিল, ২০২৪ সালে এ দেশের ছাত্র-জনতাসহ সর্বস্তরের মানুষ; কৃষক, শ্রমিক, গৃহবধূ, নারী-পুরুষ, মাদ্রাসার ছাত্রসহ দল-মত নির্বিশেষে, শ্রেণি-পেশা নির্বিশেষে সব মানুষ সেদিন ৫ই আগস্ট এই দেশের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বকে রক্ষা করেছিল।
একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তোলার দৃপ্ত অঙ্গীকার
আজ বাংলাদেশের মানুষ কথা বলার অধিকার ফিরে পেতে চায়, তারা তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পেতে চায় উল্লেখ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, বাংলাদেশের মানুষ চায় তারা তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী ন্যায্য অধিকার পাবে। তিনি বলেন, আজ সময় এসেছে সকলে মিলে দেশ গড়ার। এই দেশে যেমন পাহাড়ের মানুষ আছে, এই দেশে একইভাবে সমতলের মানুষ আছে। এই দেশে মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, হিন্দুসহ বিভিন্ন ধর্মের মানুষ বসবাস করে। আমরা চাই, সকলে মিলে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলব— যেই বাংলাদেশের স্বপ্ন একজন মা দেখেন। অর্থাৎ, একটি নিরাপদ বাংলাদেশ আমরা গড়ে তুলতে চাই। যে বাংলাদেশে একজন নারী, একজন পুরুষ, একজন শিশু- যেই হোক না কেন, নিরাপদে ঘর থেকে বের হলে যেন নিরাপদে ঘরে আবার ফিরে আসতে পারে।
তারেক রহমান বলেন, এই দেশের জনসংখ্যার অর্ধেক নারী, ৪ কোটিরও বেশি তরুণ প্রজন্মের সদস্য, ৫ কোটির মতো শিশু, ৪০ লাখের মতো প্রতিবন্ধী মানুষ রয়েছেন, কয়েক কোটি কৃষক-শ্রমিক রয়েছেন। এই মানুষগুলোর একটি প্রত্যাশা আছে এই রাষ্ট্রের কাছে, এই মানুষগুলোর একটি আকাঙ্ক্ষা আছে এই দেশের কাছে। আজ আমরা সকলে যদি ঐক্যবদ্ধ হই, আজ আমরা যদি সকলে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই, তাহলে আমরা এই লক্ষ-কোটি মানুষের সেই প্রত্যাশাগুলো পূরণ করতে পারি ইনশাআল্লাহ।
বক্তব্যে উঠে এলো একাত্তর ও চব্বিশ
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ৭১’ সালে আমাদের শহীদরা নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন এরকম একটি বাংলাদেশ গঠনের জন্য। বিগত ১৫ বছর স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে শত শত, হাজারো মানুষ গুম-খুনের শিকার হয়েছে; শুধু রাজনৈতিক দলের সদস্য নয়, নিরীহ মানুষও প্রতিবাদ করতে গিয়ে অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হয়েছে, জীবন দিয়েছে। ২০২৪ সাল, মাত্র সেদিনের ঘটনা- আমরা দেখেছি আমাদের তরুণ প্রজন্মের সদস্যরা কীভাবে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছে দেশের এই স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বকে রক্ষা করার জন্য।
ওসমান হাদি চেয়েছিল মানুষের জন্য গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হোক
তারেক রহমান বলেন, কয়েকদিন আগে এই বাংলাদেশের ২৪-এর আন্দোলনের এক সাহসী প্রজন্মের সদস্য ওসমান হাদিকে হত্যা করা হয়েছে; ওসমান হাদি শহীদ হয়েছে। ওসমান হাদি চেয়েছিল এই দেশের মানুষের জন্য গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হোক, এই দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠিত হোক, এই দেশের মানুষ তাদের গণতান্ত্রিক এবং অর্থনৈতিক অধিকার ফিরে পাক। আজ ২৪-এর আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন-ওসমান হাদিসহ, ৭১-এ যারা শহীদ হয়েছেন এবং বিগত স্বৈরাচারের সময় বিভিন্নভাবে গুম-খুনের শিকার হয়েছেন— এই মানুষগুলোর রক্তের ঋণ যদি শোধ করতে হয়, আসুন আমরা আমাদের সেই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলব। যেখানে আমরা সকলে মিলে কাজ করব, যেখানে আমরা সকলে মিলে আমাদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশকে গড়ে তুলব।
আধিপত্যবাদী শক্তির গুপ্তচরেরা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত, আমাদেরকে ধৈর্যশীল হতে হবে
বিভিন্ন আধিপত্যবাদী শক্তির গুপ্তচরেরা বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্রে এখন লিপ্ত রয়েছে জানিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমাদেরকে ধৈর্যশীল হতে হবে, আমাদেরকে ধৈর্য ধারণ করতে হবে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের যে সদস্যরা আছেন, তোমরাই আগামী দিন দেশকে নেতৃত্ব দেবে, দেশকে গড়ে তুলবে। এই দায়িত্ব তরুণ প্রজন্মের সদস্যদের আজ গ্রহণ করতে হবে যাতে করে এই দেশকে আমরা সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে পারি। শক্ত ভিত্তির ওপরে, গণতান্ত্রিক ভিত্তিকে শক্তিশালী করে এবং অর্থনৈতিক ভিত্তির ওপরে যাতে এই দেশকে আমরা গড়ে তুলতে পারি।’
যেকোনো মূল্যে দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা করতে হবে
দেশের শন্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা করতে হবে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, আমার সাথে আজকে মঞ্চে এখানে বহু জাতীয় নেতৃবৃন্দ বসে আছেন। আসুন আজকে আমরা দু’হাত তুলে আল্লাহর দরবারে দোয়া করি। আল্লাহর রহমত আমরা চাই। যে সকল জাতীয় নেতৃবৃন্দ এই মঞ্চে আছেন এবং মঞ্চের বাইরে যে সকল জাতীয় আরও নেতৃবৃন্দ আছেন- আমরা সকলে মিলে এই দেশকে নেতৃত্ব দিয়ে আমাদের বাংলাদেশের জনগণের প্রত্যাশিত সেই বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে চাই। আমাদেরকে যেকোনো মূল্যে এই দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা করতে হবে। যেকোনো উসকানির মুখে আমাদেরকে ধীর-শান্ত থাকতে হবে। আমরা দেশে শান্তি চাই।
তিনি বলেন, আজ আপনারা জানেন এখান থেকে আমি আমার মা, দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার কাছে যাব। একটি মানুষ, যে মানুষটি এই দেশের মাটি ও এই দেশের মানুষকে নিজের জীবনের থেকেও বেশি ভালোবেসেছেন- তার সাথে কী হয়েছে, আপনারা প্রত্যেকটি মানুষ সে সম্পর্কে অবগত আছেন। সন্তান হিসেবে আপনাদের কাছে আমি চাইব- আজ আল্লাহর দরবারে আপনারা দোয়া করবেন যাতে আল্লাহ উনাকে তৌফিক দেন, উনি যাতে সুস্থ হতে পারেন।
সন্তান হিসেবে আমার মন আমার মায়ের বিছানার পাশে
তারেক রহমান বলেন, সন্তান হিসেবে আমার মন আমার মায়ের বিছানার পাশে পড়ে আছে সেই হাসপাতালের ঘরে। কিন্তু সেই মানুষটি যাদের জন্য নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছেন- অর্থাৎ আপনারা, এই মানুষগুলোকে আমি কোনোভাবেই ফেলে যেতে পারি না। এবং সেজন্যই আজ হাসপাতালে যাওয়ার আগে আপনাদের প্রতি এবং টেলিভিশনগুলোর মাধ্যমে যারা সমগ্র বাংলাদেশে আমাকে দেখছেন- আপনাদের সকলের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার জন্য আজ আমি এখানে দাঁড়িয়েছি।
তিনি বলেন, আসুন আমাদেরকে আজ নিশ্চিত করতে হবে— আমরা যে ধর্মের মানুষই হই, আমরা যে শ্রেণির মানুষই হই, আমরা যে রাজনৈতিক দলেরই সদস্য হই অথবা একজন নির্দলীয় ব্যক্তি হই-আমাদেরকে নিশ্চিত করতে হবে যেকোনো মূল্যে আমরা আমাদের এই দেশের শান্তি-শৃঙ্খলাকে ধরে রাখব। যেকোনো মূল্যে যেকোনো বিশৃঙ্খলাকে পরিত্যাগ করতে হবে। যেকোনো মূল্যে আমাদেরকে নিশ্চিত করতে হবে যাতে মানুষ নিরাপদ থাকতে পারে। শিশু হোক, নারী হোক, পুরুষ হোক- যেকোনো বয়স, যেকোনো শ্রেণি, যেকোনো পেশা, যেকোনো ধর্মের মানুষ যেন নিরাপদ থাকে। এই হোক আমাদের চাওয়া আজকে।
সবাই মিলে করব কাজ-গড়ব সুন্দর বাংলাদেশ
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, আসুন সবাই মিলে আজ আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই। সবাই মিলে করব কাজ গড়ব সুন্দর বাংলাদেশ। ইনশাআল্লাহ। বক্তব্যের শেষ দিকে তারেক রহমান বলেন, আপনাদের সকলের কাছে দোয়া চেয়ে, আবারো সকলকে যেকোনো মূল্যে দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার আহ্বান জানিয়ে, যেকোনো বিশৃঙ্খলাকে পরিহার করে ধৈর্যের সাথে মোকাবিলা করার আহ্বান জানিয়ে আমার বক্তব্য শেষ করছি। আবারো আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি আজকে আমাকে এভাবে বরণ করে নেওয়ার জন্য।
কালের আলো/এমএসএএকে/এমকে


আপনার মতামত লিখুন
Array