খুঁজুন
                               
, ,
           

প্রয়াত স্ত্রী ইকরাকে নিয়ে বিস্ফোরক দাবি আলভীর

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬, ৩:২৪ অপরাহ্ণ
প্রয়াত স্ত্রী ইকরাকে নিয়ে বিস্ফোরক দাবি আলভীর

স্ত্রী আফরা ইভনাথ খান ইকরার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে সামাজিক মাধ্যমে একটি দীর্ঘ ও চাঞ্চল্যকর পোস্ট দিয়েছেন আলোচিত অভিনেতা জাহের আলভী। ইকরার মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে বেশ কিছু তথ্য প্রকাশ করেন তিনি। তার দাবি, অন্যায়ভাবে ফাঁসানো হচ্ছে আলভীকে। শুধু তাই নয়, প্রয়াত স্ত্রীকে নিয়ে বিস্ফোরক দাবি করেছেন এই অভিনেতা।

শুক্রবার মধ্যরাতে পোস্টটি দেন আলভী। সেখানে বাসার সিসিটিভি ফুটেজকে এই ঘটনার অন্যতম আলামত হিসেবে উল্লেখ করেছেন অভিনেতা। জানান, মিরপুরের বাসার ড্রয়িং রুমের সিসিটিভি ক্যামেরার নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণভাবে ইকরার ফোনে ছিল এবং সেই ফোন বর্তমানে পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।

আলভী আরও জানান, ২৫ থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তার অনুপস্থিতিতে বাসায় ইকরার বন্ধু-বান্ধবদের যাতায়াত ছিল এবং সেখানে মাদক সেবনের আসর বসেছিল যার প্রমাণ সিসিটিভি ফুটেজে রয়েছে। তার দাবি অনুযায়ী, দুর্ঘটনার আগের রাতে ইকরা তার সহকারীকে দিয়ে সিগারেট ও ঘুমের ওষুধ আনিয়েছিলেন এবং সেই সময়ের ইকরার আচরণ স্বাভাবিক ছিল না।

আলভী লেখেন, গত ২৫ ও ২৬ তারিখ শুধু বান্ধবী এবং ২৭ তারিখ ২ জন বান্ধবী ও ১ জন ছেলে বন্ধু বাসায় এসেছে এবং মধ‍্যরাত পর্যন্ত ছিলো। এ সময় তিন দিনই তারা সিগারেট, গাজা ও মদ‍্যপান করেছে। দুর্ঘটনার আগেরদিন ২৭ তারিখ ইকরা আমার সহকারীকে দিয়ে সিগারেট ও ঘুমের ওষুধও আনিয়েছে, ওই সময়ে যা সিসিটিভির নিচেই ইকরাকে দেওয়া হয়েছে।

আলভী লেখেন, এই সমগ্র ভাষ‍্য আমার সহকারীর এবং তা ইতোমধ‍্যেই পুলিশের কাছে স্টেটমেন্ট আকারে পেশ আছে। সাংবাদিক ভাই ও সাধারণ সবাইকে জানিয়ে রাখলাম বিষয়টি যেন সিসিটিভি ফুটেজ থেকে এই তিন দিনের ফুটেজ কোনভাবেই সরানো না হয়, আর সরানো হলেও যেন এর সুষ্ঠু জবাবদিহি বা তদন্ত করা হয়।

আলভী আরও উল্লেখ করেন, এই তিন দিন ও দুর্ঘটনার মুহূর্তের ইকরার কথা বার্তা কোনভাবেই সাধারণ মানুষের মত ছিলোনা। ইকরা এর আগেও ১৫ বছরে একাধিক বার আত্নহত‍্যার চেষ্টা করলেও কখনো সিরিয়াসলি কোন সংযোগ পাওয়া যায়নি। কিন্তু এইবার ইকরা একদমই নরমাল ছিলোনা।

এছাড়াও আলভীর দাবি, আগের রাতে মদ‍্যপান ও ড্রাগস সেবন করতে পারেন ইকরা। তাই পোস্টমর্টেম রিপোর্টে কি আসবে, তা যেন পরিবর্তন না হয় সেদিকেও একটু নজর রাখার জন‍্য অনুরোধ করেন অভিনেতা।

ব্যক্তিগত জীবনের কিছু অত্যন্ত সংবেদনশীল তথ্য তুলে ধরে আলভী জানান যে ইকরার সাথে তার সম্পর্কের গভীরতা যেমন ছিল তেমনই ছিল কিছু তিক্ত বাস্তবতা। তিনি অভিযোগ করেন, ২০১০ সালে তাদের পালিয়ে বিয়ের পর তাকে ডিভোর্স না দিয়েই ইকরা পরিবারের সম্মতিতে অন্য একজনকে বিয়ে করেছিলেন এবং বাসরও করেছিলেন।

পরবর্তীতে ইকরা ফিরে এলে তিনি তাকে ক্ষমা করে গ্রহণ করেছিলেন। এছাড়া ইকরার এক সহপাঠীর সাথে তার সম্পর্কের দিকেও ইঙ্গিত দিয়েছেন আলভী। লেখেন, ভুল বুঝতে পেরে যখন ইকরা আমার কাছে ফিরে আসতে সিদ্ধান্ত নেয়, আমি তাকে মাফ করে বুকে পাথর রেখে মেনে নিই। একজন স্বামী হয়ে এই সিচুয়েশন বয়ে বেড়ানো খুব একটা সুখের না আবশ‍্যই।

সবশেষে নিজের সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে এই বিষয়গুলোর সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন এই অভিনেতা।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বিক্রিতে বাধা, নিন্দা জানালেন আসিফ নজরুল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৫০ পূর্বাহ্ণ
‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বিক্রিতে বাধা, নিন্দা জানালেন আসিফ নজরুল

শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ কোনো নিষিদ্ধ বই নয় বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল। বইটি বিক্রিতে বাধা দেওয়ার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ প্রতিবাদ জানান।
পোস্টে আসিফ নজরুল বলেন, ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বইটি বিক্রয়ে বাধা দেওয়ার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছেন তিনি। তার দাবি, বইটি বিক্রয়ে বাধা দেওয়া, প্রকাশনা সংস্থা ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেডের (ইউপিএল) বাংলাবাজার বিক্রয়কেন্দ্রে তালা দেওয়া এবং প্রতিষ্ঠানটির দুজন কর্মীকে তুলে নেওয়া বেআইনি ও অপরাধমূলক কাজ।
এ বিষয়ে সরকারের উপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
আসিফ নজরুল আরও বলেন, শেখ হাসিনার আমলে এভাবে বই বিক্রিতে বাধা দেওয়া এবং বই নিষিদ্ধ করার বহু ঘটনা ঘটেছে। তখন এসব ঘটনার প্রতিবাদ করা হয়েছিল। এখন একই ধরনের নিন্দনীয় কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে প্রকৃতপক্ষে শেখ হাসিনাকেই অনুসরণ করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এ ধরনের কর্মকাণ্ড মুক্তচিন্তার মানুষের জন্য বিব্রতকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে বলেও উল্লেখ করেন আসিফ নজরুল।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

সব খাতের শ্রমিকের জন্য কর্মক্ষেত্র দুর্ঘটনা স্কিম চায় বিলস

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৯ পূর্বাহ্ণ
সব খাতের শ্রমিকের জন্য কর্মক্ষেত্র দুর্ঘটনা স্কিম চায় বিলস

দেশের তৈরি পোশাক খাতের পাশাপাশি সব খাতের শ্রমিকের জন্য অ্যামপ্লয়মেন্ট ইনজুরি স্কিম (ইআইএস) বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন শ্রমিক নেতারা। একই সঙ্গে অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকদেরও সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষার আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজ (বিলস) আয়োজিত এক মিডিয়া ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে এ দাবি জানানো হয়। ইআইএস পাইলট প্রকল্পের অগ্রগতি তুলে ধরতে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ২০২২ সালে শুরু হওয়া ইআইএস পাইলট প্রকল্পের আওতায় এখন পর্যন্ত ২৪৮টি দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকদের মধ্যে ১৬১ জন নিহত শ্রমিকের উত্তরাধিকারী এবং ৮৭ জন স্থায়ীভাবে অক্ষম শ্রমিককে মোট ৪ কোটি ২৮ লাখ ৩১ হাজার ৫৭১ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে।

রানা প্লাজা ও তাজরিন দুর্ঘটনার পর শ্রমিকদের দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) ও বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগীর সহায়তায় প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে বিলসের নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহম্মদ বলেন, ইআইএস প্রকল্পটি বর্তমানে তৈরি পোশাক খাতে পাইলট হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। কর্মক্ষম ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে একটি পরিবার আর্থিক সংকটে পড়ে। তাই শ্রমিক ও তাদের পরিবারের আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ।

আইএলও-ইআইএসের চিফ টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজার সৈয়দ সাদ হুসাইন গিলানী জানান, প্রকল্পের আওতায় শ্রমিক ও তাদের পরিবার তিন ধরনের সুবিধা পেতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে মজুরির ৫০ শতাংশ হারে আর্থিক সহায়তা, অক্ষম শ্রমিকদের পুনর্বাসন এবং কর্মক্ষেত্রের পাশাপাশি সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকদের সহায়তা।

ইন্ডাস্ট্রিয়াল বাংলাদেশ কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন স্বপন বলেন, ২০২২ সালে প্রকল্পটি শুরু হওয়ার পর ক্ষতিপূরণের বিষয়টি শ্রম আইনে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। সরকার, মালিকপক্ষ ও আইএলওর যৌথ উদ্যোগে এ কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা করেন তিনি।

স্কপের যুগ্ম সমন্বয়কারী এএএম ফয়েজ হোসেন বলেন, পাইলট প্রকল্পটি শুরুতে শুধু তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিকদের জন্য ছিল। এখন দেশের সব খাতের শ্রমিককে এর আওতায় আনার প্রয়োজন রয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

ডিসি পদে রদবদল, চার জেলায় নতুন নিয়োগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:০৯ পূর্বাহ্ণ
ডিসি পদে রদবদল, চার জেলায় নতুন নিয়োগ

জনপ্রশাসনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) পদে পরিবর্তন এনেছে সরকার। চার জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক নিয়োগের পাশাপাশি তিন জেলা প্রশাসককে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে যুগ্ম সচিব হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ-সংক্রান্ত পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নীলফামারীর নতুন জেলা প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অর্থ বিভাগের উপসচিব মো. হুমায়ূন কবির।

পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক করা হয়েছে একই বিভাগের উপসচিব চৌধুরী আশরাফুল করিমকে। পিরোজপুরের নতুন জেলা প্রশাসক হয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. গোলাম রব্বানী।

এদিকে পিরোজপুরের বর্তমান জেলা প্রশাসক আবু সাঈদকে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক হিসেবে বদলি করা হয়েছে।
অন্যদিকে, নীলফামারীর ডিসি মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামানকে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব, টাঙ্গাইলের ডিসি শরীফা হককে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব এবং পটুয়াখালীর ডিসি মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরীকে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতি পাওয়ায় এই তিন কর্মকর্তাকে জেলা প্রশাসকের দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। সাধারণত উপসচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের জেলা প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি