খুঁজুন
                               
শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

ইবি শিক্ষক হত্যা: আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার করে কঠোর শাস্তির দাবি

কুষ্টিয়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬, ৩:৩৯ অপরাহ্ণ
ইবি শিক্ষক হত্যা: আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার করে কঠোর শাস্তির দাবি

কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ কল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনার হত্যাকাণ্ডের এজাহারভুক্ত আসামি ও মাস্টারমাইন্ড চিহ্নিতপূর্বক দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (৭ মার্চ) সকাল ১১টায় কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবের সামনে মরহুমার পরিবার ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান এবং প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের ব্যানারে অনুষ্ঠিত উক্ত মানববন্ধনে মরহুমা আসমা সাদিয়া রুনার স্বামী ইমতিয়াজ সুলতান, বাবা আশিকুল হক রুহুল ও ৪ শিশু সন্তানসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্য, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান এবং প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। ঘণ্টাব্যাপী চলা মানববন্ধনে বক্তারা মরহুমা আসমা সাদিয়া রুনার হত্যার সঙ্গে জড়িত মাস্টার মাইন্ডকে চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

এ দিকে, নিজ বিভাগের অফিস কক্ষে কর্মচারীর হাতে নিহত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা হত্যার ঘটনায় ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

শনিবার (৭ মার্চ) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, ৪ মার্চ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক মোছা. আসমা সাদিয়া রুনা তার নিজ অফিস কক্ষে নৃশংসভাবে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। এ হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে সঠিক ও প্রয়োজনীয় রিপোর্ট প্রদানের জন্য ভাইস-চ্যান্সেলর নিম্নরূপভাবে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। কমিটিকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে রিপোর্ট প্রদানের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমান এবং সদস্য সচিব হিসেবে রয়েছেন উপ-রেজিস্ট্রার (শিক্ষা) মো. গোলাম মওলা। কমিটির বাকি ৩ সদস্য হচ্ছেন- বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ও সাংবাদিকতা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. রশিদুজ্জামান, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম এবং লালন শাহ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. গাজী আরিফুজ্জামান।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল কর্মীদের গালি, পদ গেল সেই ছাত্রদল নেতার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ৮:২১ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল কর্মীদের গালি, পদ গেল সেই ছাত্রদল নেতার

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় নিয়োজিত সদস্যদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ানো এবং এপর্যায়ে তাদের গালিও দেওয়া ছাত্রদল ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম ভূইয়াকে তার পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (৩০ মে) বিকেলে ছাত্রদলের দফতর সম্পাদক (সহসভাপতি পদমর্যাদা) মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এদিন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন। এরপরই ছাত্রদলের ওই নেতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় দফতর সম্পাদক।

তার দেওয়া প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম ভূইয়াকে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হলো।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, আব্দুর রহিমের জায়গায় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিককে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

সাংগঠনিক গতিশীলতা ও ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখার স্বার্থে অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ আছে।

এর আগে এসএসএফের সদস্যদের সঙ্গে ছাত্রদল নেতা আব্দুর রহিমের বাগবিতণ্ডার ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তেই তা ভাইরাল হয়ে যায় এবং ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা টিমের সদস্যদের লক্ষ্য করে আব্দুর রহিম ভুইয়াসহ ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী উত্তেজিত আচরণ করছেন। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে আবার গালিগালাজ করতেও শোনা যায়। একপর্যায়ে নিরাপত্তা টিমের গাড়ির দিকে তেড়ে যেতে দেখা যায় কয়েকজনকে।

এ ঘটনায় খোদ বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গেছে। কেউ কেউ প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার বিষয়ে কোনো ছাড় না দেওয়ার কথাও বলেন।

ভিডিওতে যা দেখা গেছে

ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, জিয়া উদ্যানের পাশের মূল সড়কে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা টিমের গাড়ি চলে যাচ্ছে। পিজিআরের একটি গাড়ি পার হওয়ার পর টি-শার্ট ও ক্যাপ পরিহিত নিরাপত্তা টিমের সদস্যদের আরেকটি গাড়ি সামনের দিকে ছুটছে। কয়েকজন সদস্য তখনও গাড়িতে ওঠেননি। পাশ দিয়ে পাঞ্জাবি পরিহিত ছাত্রদল নেতা আব্দুর রহিমসহ বেশ কয়েকজন সামনের গাড়ির দিকে তেড়ে যাচ্ছেন। এ সময় তাদের মধ্য থেকে নিরাপত্তা টিমকে গালি দিতেও শোনা যায়।

এ বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করলে আব্দুর রহিম ভুইয়া বলেন, প্রধানমন্ত্রী শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বের হওয়ার পথে আমরা যখন সবাই একত্র হয়ে তাকে বিদায় দিচ্ছিলাম, তখন হঠাৎ নিরাপত্তা টিমের হয়তো কেউ একজন আমাকে গালি দিয়ে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয়। পরে অন্যরা আমাকে তুলে দেয়। আমি কোমরে অনেক ব্যথা পেয়েছি। পরে দেখছিলাম, কে আমাকে গালি দিয়ে ফেলে দিল। কিন্তু কাউকে গালি দিইনি। এটা আমি চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি। আমরা ছাত্রদল করি। ২০ বছর দলের জন্য মার খেয়েছি, গালি খেয়েছি। কিন্তু তাদের একটি ভুলে যদি আমার জীবনটাই শেষ হয়ে যায়, সেটা কি মেনে নেওয়া যায়?

সবসময় নিরাপত্তা টিমকে সহযোগিতা করেন জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা সবসময় এসএসএফ, সিএসএফ ও পুলিশ সদস্যদের সহযোগিতা করি। দল থেকেও সেভাবেই বলা আছে। তাদের আমরা সম্মান করি, শ্রদ্ধা করি। প্রধানমন্ত্রী আমাদের আবেগের জায়গা। তাকে যারা নিরাপত্তা দেন, তাদের সঙ্গে কীভাবে বাজে ব্যবহার করি? যারা এটা বলছে, তারা ভিত্তিহীনভাবে প্রপাগান্ডা ছড়াচ্ছে। খারাপ ব্যবহারের প্রশ্নই আসে না।

তবে আব্দুর রহিম ভুইয়া যা-ই বলেন না কেন, শেষ পর্যন্ত পদ বাঁচাতে পারলেন না তিনি। ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পার না হতেই তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হলো।

কালের আলো/এসআর/এএএন

রাজশাহীতে টানা দেড় ঘণ্টা বৃষ্টিতে নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতা

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ৮:১০ অপরাহ্ণ
রাজশাহীতে টানা দেড় ঘণ্টা বৃষ্টিতে নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতা

রাজশাহীতে শুক্রবার দুপুরে  টানা দেড় ঘণ্টা বৃষ্টি হয়েছে। মুষলধারের এ বৃষ্টিতে জনজীবনে   স্বস্তি মিললেও  তৈরি হয়েছে ভোগান্তি। বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে নগরীর  নিচু এলাকাগুলোতে।

শুক্রবার (২৯ মে) বেলা আড়াইটায় শুরু হয়ে মুষলধারে বৃষ্টি হয় বিকেল চারটা পর্যন্ত। জৈষ্ঠ্যমাসের মাঝামাঝি সময়ের এই বৃষ্টিতে নগরীর সাগরপাড়া, বোসপাড়া, পঞ্চবটি, টিকাপাড়া, তেরখাদিয়া, উপশহর, হেতেমখাঁ,আহম্মদনগর, ফিরোজাবাদ, বর্ণালী এলাকাসহ বিভিন্ন নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।

ঈদুল আজহার দ্বিতীয় দিনে যারা ঘোরাঘুরি ও প্রয়োজনীয় কাজে ঘর থেকে বের হয়েছিলেন তাদের বৃষ্টির পানি মাড়িয়েই কাজ-কর্ম শেষে বাড়ি ফিরতে হয়েছে। রাস্তায় যানবাহন ও মানুষের চলাচল কমে গেছে।

জলাবদ্ধতায় মানুষের কিছুটা ভোগান্তি হলেও বৃষ্টিতে স্বস্তি প্রকাশ করেছে নগরবাসী। কারণ ইদুল আজহার কোরবানির পর পশুর রক্ত ও বর্জ্য কিছুটা সড়কে জমে ছিল। দুপুরের এই ভারী বৃষ্টিতে সেটা পানিতে ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার হয়ে গেছে।

একে একটি বড় স্বস্তির বিষয় হিসেবে দেখছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তবে উল্টো দিকে নগরবাসীকে পড়তে হয়েছে জলাবদ্ধতার ভোগান্তিতে। একটানা ভারী বৃষ্টির কারণে নগরীর বেশ কিছু নিচু এলাকায় পানি জমে যায়।

এতে রাস্তাঘাটে চলাচলরত মানুষ ও পথচারীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। নগরের ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের ফিরোজাবাদ এলাকার গলিপথে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। বেশ কিছু বাড়ির ভেতরে পানি প্রবেশ করে।

এতে এলাকাবাসীর দুর্ভাগ চরমে পৌঁছায়। এলকাবাসীর অভিযোগ দীর্ঘদিন যাবত এলাকার ড্রেনগুলো পরিষ্কার না করায় পানি নিষ্কাশনে সময় লাগছে। এছাড়া অনেক জায়গায় মূলড্রেনের সংগে এলাকার ড্রেনের সংযোগ না থাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে।

রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, এসময়ের মধ্যে ৩৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের সার্বভৌমত্বের অতন্দ্র প্রহরী’

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ৭:২৭ অপরাহ্ণ
‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের সার্বভৌমত্বের অতন্দ্র প্রহরী’

Oplus_131072

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আমৃত্যু বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং অগ্রগতির অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে অনন্য ভূমিকা পালন করে গেছেন।

শনিবার (৩০ মে) ঢাকার শেরেবাংলা নগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে তার মাজার জিয়ারত ও পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানের মূল আকাক্সক্ষা অনুযায়ী একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যেতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, আজকের দিনটি বিএনপি এবং এদেশের সমগ্র গণমানুষের জন্য অত্যন্ত দুঃখভারাক্রান্ত ও স্মৃতিময় একটি দিন। ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতার ঘোষণার মধ্য দিয়ে তার যে ঐতিহাসিক উত্থান ঘটেছিল, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে গিয়েই তিনি শাহাদাত বরণ করেছেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং গণতন্ত্রের মূল ঠিকানা হচ্ছে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রদর্শিত পথ। আমরা এই গভীর শোককে শক্তিতে পরিণত করেছি।

তিনি আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আমাদের শিখিয়েছেন কীভাবে সমস্ত মানুষের মধ্যে ইস্পাতকঠিন ঐক্য তৈরি করে জাতীয় সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যেতে হয়। আমরা তার প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে বহুদলীয় গণতন্ত্রের আদর্শের রাজনীতি করি।

গণতন্ত্রের প্রতি বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, ততদিন এই দেশটিকে সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক ধারায় পরিচালিত করা হবে। ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের যে চেতনা, তার আলোকেই দেশের গণতন্ত্রের ভিত্তিকে আরও সুদৃঢ় ও শক্তিশালী করা হবে।

প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ‘গণতন্ত্রের মা’ হিসেবে অভিহিত করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। পাশাপাশি তিনি দেশের গণতন্ত্র রক্ষায় বেগম জিয়ার সীমাহীন ত্যাগ ও সংগ্রামের কথাও সশ্রদ্ধচিত্তে স্মরণ করেন।

তিনি বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এদেশের গণতন্ত্রের জন্য সবচেয়ে বেশি লড়াই ও ত্যাগ স্বীকার করেছেন। আমরা এখানে এসে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনার পাশাপাশি দেশের সার্বিক কল্যাণের জন্য দোয়া করেছি এবং দেশ ও জনগণের সেবায় নতুন করে অনুপ্রাণিত হয়েছি।

কালের আলো/এসএকে