খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২৬, ১৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

মেকানিক ছাড়াই ঘরে এসি সার্ভিস করার উপায়

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬, ৬:৫৭ অপরাহ্ণ
মেকানিক ছাড়াই ঘরে এসি সার্ভিস করার উপায়

শীতকালে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা এসি হঠাৎ চালালে ঘর দ্রুত ঠান্ডা হয় না এবং বিদ্যুৎ বিলও অনেক বেশি আসার সম্ভাবনা থাকে। তবে কোনো পেশাদার সরঞ্জাম বা টেকনিশিয়ান ছাড়াই কেবল একটি পুরনো টুথব্রাশ এবং সামান্য পানি দিয়ে আপনি নিজেই এসি পরিষ্কার করতে পারেন। কাজ শুরু করার আগে অবশ্যই এসির বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে প্লাগ খুলে নিতে হবে, কারণ বিদ্যুৎ ও পানির সংস্পর্শ বিপজ্জনক হতে পারে।

ফিল্টার পরিষ্কারের পদ্ধতি

এসি সাধারণ পরিষ্কারের জন্য আপনার প্রয়োজন হবে এক বালতি পানি বা পানির পাইপ, একটি পুরনো টুথব্রাশ এবং একটি শুকনো কাপড়। প্রথমেই এসির সামনের কভার খুলে জাল ফিল্টারগুলো বের করে নিন। এই ফিল্টারগুলো ঘরের ধুলো ও আবর্জনা আটকে দেয়, তাই ট্যাপের নিচে রেখে জোরে পানি চালিয়ে যতক্ষণ না স্বচ্ছ দেখায় ততক্ষণ ধুয়ে নিন। ধোয়ার পর অবশ্যই ফিল্টারগুলো ভালো করে শুকিয়ে নিতে হবে।

কুলিং কয়েল বা ফিন পরিষ্কার

ফিল্টারের ঠিক পেছনেই থাকে অ্যালুমিনিয়াম দিয়ে তৈরি পাতলা কুলিং কয়েল বা ফিন, যেখান থেকে মূলত ঠান্ডা বাতাস আসে। একটি পুরনো টুথব্রাশ পানিতে ডুবিয়ে এই কয়েলগুলো ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত আলতো করে ঘষুন। ময়লা পরিষ্কারের জন্য মাঝে মাঝে ব্রাশটি পানিতে ধুয়ে নিন। মনে রাখবেন, জোরে ঘষলে পাতলা কয়েল বেঁকে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে, তাই অত্যন্ত সাবধানতার সাথে কাজটি করতে হবে।

বাইরের বা আউটডোর ইউনিট পরিষ্কার

যদি আপনার উইন্ডো এসি হয়, তবে পেছনের কয়েলে পানির পাইপ দিয়ে স্প্রে করে ময়লা ধুয়ে ফেলুন, তবে মোটরে যেন পানি না লাগে সেদিকে খেয়াল রাখুন। স্প্লিট এসির ক্ষেত্রে বারান্দা বা দেয়ালের বাইরে থাকা আউটডোর ইউনিটের ধুলোবালি ও মাকড়সার জাল পানির পাইপ দিয়ে পরিষ্কার করে নিন। আউটডোর ইউনিট পরিষ্কার থাকলে এসি খুব সহজেই ঘর ঠান্ডা করতে পারে।

সতর্কতা ও পরবর্তী পদক্ষেপ

পরিষ্কার করার কাজ শেষ হওয়ার সাথে সাথেই এসি চালু করবেন না। এসির ভেতরের অংশ ভেজা থাকতে পারে, তাই কমপক্ষে দেড় ঘণ্টা স্বাভাবিক বাতাসে শুকিয়ে নিতে হবে। সম্পূর্ণ শুকানোর পর প্লাগ লাগিয়ে এসি চালালে শীতলতা অনেক বাড়বে। তবে এটি পেশাদার সার্ভিসিংয়ের বিকল্প নয়; যদি এসিতে গ্যাস লিকেজ বা কম্প্রেসারের সমস্যা থাকে, তবে অবশ্যই মেকানিক ডাকতে হবে।

কালের আলো/এসআই/এএএন

নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানালেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২৬, ১০:১০ অপরাহ্ণ
নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানালেন প্রধানমন্ত্রী

ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানানোয় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (২৮ মে) বিকেলে এক ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং।

পোস্টে বলা হয়, ঈদুল আজহার এই আনন্দময় দিনে আমাকে এবং বাংলাদেশের জনগণকে শুভেচ্ছা জানানোর জন্য আমি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানাই। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বন্ধুত্ব ও সৌহার্দ্যের ভিত্তির ওপর বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হোক।

এর আগে সকালে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে বাংলাদেশের জনগণ ও রাজনৈতিক নেতৃত্বকে শুভেচ্ছা জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি তিনি দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও সহযোগিতা আরও জোরদার করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনের বরাতে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের জনগণকে ভারতের পক্ষ থেকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছেও একটি শুভেচ্ছা বার্তা পাঠান।

বার্তায় মোদি বলেন, ঈদুল আজহা ত্যাগ, সহানুভূতি ও ভ্রাতৃত্বের শিক্ষা দেয়, যা একটি শান্তিপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই উৎসব ভারতের সমৃদ্ধ ও বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যেরও অংশ।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী দুই দেশের সম্পর্কের বিষয়ে বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও জনগণের পারস্পরিক সম্পর্ক রয়েছে। এই সম্পর্ক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের ভিত্তিতে আরও শক্তিশালী হয়েছে।

তিনি আরও জানান, বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের জনগণভিত্তিক সহযোগিতা আরও বাড়াতে ভারত আগ্রহী এবং ভবিষ্যতে এ সম্পর্ক আরও গভীর হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের জনগণের অব্যাহত অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গলকামনা করেন।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের নতুন উত্তেজনায় লাফিয়ে বাড়ছে তেলের দাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২৬, ৮:৫৯ অপরাহ্ণ
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের নতুন উত্তেজনায় লাফিয়ে বাড়ছে তেলের দাম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে হামলা-পাল্টা হামলার জেরে সৃষ্ট উত্তেজনায় বিশ্ববাজারে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল ৮ টা ৪৫ মিনিটে (গ্রিনিচ মান সময়) আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ২ দশমিক ৩৮ ডলার বা ২ দশমিক ৫২ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৬ দশমিক ৬৭ ডলারে বিক্রি হচ্ছে। যদিও সেশনের শুরুতে ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ বৃদ্ধি পায় ব্রেন্ট ক্রুডের দাম।

অন্যদিকে আগস্ট মাসের ডেলিভারির জন্য আমেরিকান বেঞ্চমার্ক ওয়েস্ট টেক্সেস ইন্টারমিডিয়েট বা ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ২ দশমিক ২৪ ডলার বা ২ দশমিক ৫৩ শতাংশ বেড়ে ৯০ দশমিক ৯২ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

এরআগে গতকাল বুধবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যেে একটি চুক্তি এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় খোলার সম্ভাবনায় উভয় বেঞ্চমার্কের দাম ৫ শতাংশের বেশি কমে এক মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছিল।

তবে তেহরানের সঙ্গে একটি সমঝোতা চুক্তির কাছাকাছি থাকার খবরটি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করার কয়েক ঘণ্টা পর তিন দিনের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এবার দেশটির কৌশলগত বন্দরনগরী বন্দর আব্বাসের একটি সামরিক স্থাপনায় হামলার কথা জানিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালির কাছে চারটি ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবিও করেছে তারা।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালির আশপাশে ‘হুমকি তৈরি করেছিল’ এমন চারটি ‘ওয়ান-ওয়ে অ্যাটাক ড্রোন’ ভূপাতিত করা হয়েছে। একই সময়ে বন্দর আব্বাসে একটি সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়, যেখান থেকে আরেকটি ড্রোন উৎক্ষেপণের প্রস্তুতি চলছিল বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

জবাবে কুয়েতে একটি মার্কিন বিমানঘাঁটিতে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।

ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি বলেছে, বন্দর আব্বাসের বিমানবন্দরের কাছে একটি অজ্ঞাত স্থান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় মার্কিন বাহিনী। এর কয়েক ঘণ্টা পর স্থানীয় সময় ভোর ভোর ৪:৫০ মিনিটে কুয়েতের ওই মার্কিন ঘাঁটিতে এই প্রতিশোধমূলক হামলাটি চালানো হয়।

বিবৃতিতে হুঁশিয়ারি দিয়ে ইরানি বাহিনীটি আরও বলেছে, ‘এই প্রতিশোধমূলক হামলাটি শত্রুর জন্য একটি চূড়ান্ত সতর্কবার্তা, যাতে শত্রুরা বুঝতে পারে যে তাদের যেকোনো আগ্রাসন আর বিনা জবাবে থাকবে না। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটলে ইরানের পরবর্তী জবাব আরও বেশি বিধ্বংসী ও সুনির্দিষ্ট হবে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে হামলা-পাল্টা হামলার কারণে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ায় তেল সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা বেড়েছে, যার ফলে বাজার ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে।

পিভিএম অয়েল অ্যাসোসিয়েশনের বিশ্লেষক জন ইভান্স বলেন, ‘যতক্ষণ একটি চুক্তি হবে বলে আশ্বাস পাওয়া যাচ্ছে, ততক্ষণ তেলের দাম বাড়তেই থাকবে। এটি আবারও আমাদের মনে করিয়ে দেয় কীভাবে এই সংকটের কারণে হরমুজ প্রণালিতে এক বিলিয়ন ব্যারেলেরও বেশি তেল আটকে আছে। যার প্রভাবে বিশ্বব্যাপী তেলের মজুত কমে আসার প্রভাব চূড়ান্তভাবে অনুভূত হতে শুরু করেছে।’

সূত্র: রয়টার্স

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

চিড়িয়াখানার অন্যতম আকর্ষণ ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২৬, ৮:৫৩ অপরাহ্ণ
চিড়িয়াখানার অন্যতম আকর্ষণ ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’

ঈদের ছুটিতে রাজধানীর জাতীয় চিড়িয়াখানার অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠেছে গোলাপি আভাযুক্ত সাদা সেই মহিষ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই প্রাণীটিকে ঘিরে তৈরি হয়েছে ব্যাপক কৌতূহল। সেই আগ্রহ থেকেই ঈদের দিন সকাল থেকে নানা বয়সী মানুষ ভিড় করছেন চিড়িয়াখানায়।

রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত জাতীয় চিড়িয়াখানার এল–৭ ব্লকে গিয়ে দেখা যায়, অন্য প্রাণীর খাঁচার তুলনায় এই অংশে দর্শনার্থীদের ভিড় কয়েক গুণ বেশি। কেউ ছবি তুলছেন, কেউ ভিডিও করছেন, আবার কেউ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করছেন। অনেকেই শিশুদের কোলে নিয়ে মহিষটিকে দেখাচ্ছেন। দর্শনার্থীদের কৌতূহল আর হাসি-আনন্দে পুরো এলাকাজুড়ে তৈরি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ।

মিরপুর–৬ এলাকা থেকে আসা স্কুলশিক্ষার্থী তানভীর হোসেন জানায়, বন্ধুদের কাছ থেকে আগেই মহিষটির কথা শুনেছিল। নাম কেন ডোনাল্ড ট্রাম্প রাখা হয়েছে জানতে চাইলে সে হেসে বলে, চুলের স্টাইলটা নাকি ট্রাম্পের মতো।

মোহাম্মদপুর থেকে বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে আসা কলেজশিক্ষার্থী রাফি ইসলাম বলেন, ফেসবুকে এত ভাইরাল হওয়ার পর কৌতূহল তৈরি হয়েছিল। তাই ঈদের ছুটিতে দেখতে এসেছেন। এখানে এসে দেখলেন, অনেক মানুষ শুধু এই মহিষটিকে দেখতেই ভিড় করেছেন।

গাজীপুরের শ্রীপুর থেকে আসা রুবিনা আক্তার বলেন, তাঁর ছোট ছেলে জোর করেই তাঁকে চিড়িয়াখানায় নিয়ে এসেছে। কারণ, সে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও দেখে মহিষটিকে দেখতে চেয়েছিল। বাসা থেকে ছেলেটি বলছিল, ডোনাল্ড ট্রাম্প দেখতে যাবে। পরে বুঝেছেন, সেটি আসলে একটি মহিষ।

চিড়িয়াখানার কর্মীরা জানান, মহিষটিকে ঘিরে মানুষের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। কয়েক দিনের তুলনায় দর্শনার্থীর সংখ্যা কয়েক গুণ বেড়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে বাড়তি নজরদারি রাখা হচ্ছে। দর্শনার্থীরা যাতে খাঁচার খুব কাছে যেতে না পারেন, সেদিকেও নজর রাখা হচ্ছে।

চিড়িয়াখানার এক কর্মী বলেন, সকাল থেকে মানুষ এসে প্রথমেই জানতে চাইছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প কোথায় রাখা হয়েছে। অনেকে অন্য প্রাণী না দেখে সরাসরি এই মহিষটির কাছেই চলে যাচ্ছেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, মহিষটির সামনে দাঁড়িয়ে অনেকেই নিজেদের মধ্যে আলোচনা করছেন। কেউ বলছেন, এর চুলের ধরন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্টের মতো। কেউ আবার চোখ ও মুখের গড়নের সঙ্গে মিল খুঁজছেন। অনেকে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্টও করছেন।

জানা গেছে, কোরবানির পশুর হাটে প্রথম আলোচনায় আসে মহিষটি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এর ছবি ছড়িয়ে পড়ার পর মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। পরে দেশীয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের পাশাপাশি বিদেশি কয়েকটি গণমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এরপর থেকেই সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রাণীটিকে ঘিরে আগ্রহ বাড়তে থাকে।

মহিষটির মালিকের পরিবারের সদস্যরা জানান, শখ করেই এর নাম রাখা হয়েছিল ডোনাল্ড ট্রাম্প। মূলত মাথার সামনের ঝুঁটি ও মুখের কিছু বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্টের মিল খুঁজে পাওয়ায় এমন নাম দেওয়া হয়। পরে সেটিই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

আলোচনার মধ্যেই মহিষটিকে কোরবানি না দিয়ে সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে সরকারি উদ্যোগে সেটিকে জাতীয় চিড়িয়াখানায় আনা হয়, যাতে সাধারণ মানুষ প্রাণীটিকে কাছ থেকে দেখতে পারেন। চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বর্তমানে মহিষটিকে বিশেষ পরিচর্যায় রাখা হয়েছে।

ঈদের ছুটির আমেজের মধ্যেও চিড়িয়াখানার সবচেয়ে বেশি আলোচনা এখন এই মহিষটিকে ঘিরেই। বিকেলের দিকে বাড়তে থাকে দর্শনার্থীদের ভিড়ও। কেউ পরিবার নিয়ে, কেউ বন্ধুদের সঙ্গে, আবার কেউ শুধুই কৌতূহল থেকে ছুটে এসেছেন ভাইরাল সেই প্রাণীটিকে দেখতে।

দর্শনার্থীদের অনেকে বলছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া কোনো প্রাণীকে সরাসরি দেখতে পারার অভিজ্ঞতা তাঁদের জন্য ভিন্নরকম। অনেকের মতে, শিশুদের জন্যও এটি বাড়তি আনন্দের বিষয়। ঈদের আনন্দের মধ্যেই তাই রাজধানীর জাতীয় চিড়িয়াখানায় নতুন আকর্ষণের নাম হয়ে উঠেছে সাদা সেই মহিষ।

কালের আলো/এসআর/এএএন