খুঁজুন
                               
রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

ফোন নম্বর ছাড়াই কথা বলা যাবে হোয়াটসঅ্যাপে

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬, ৭:০৬ অপরাহ্ণ
ফোন নম্বর ছাড়াই কথা বলা যাবে হোয়াটসঅ্যাপে

ব্যবহারকারীদের গোপনীয়তা বাড়াতে নতুন ইউজারনেম ফিচার নিয়ে আসছে হোয়াটসঅ্যাপ। এই সুবিধা চালু হলে ফোন নম্বর না দিয়েও অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাবে। অনেকটা টেলিগ্রাম বা ইনস্টাগ্রামের ইউজারনেম ব্যবস্থার মতোই কাজ করবে নতুন ফিচারটি।

মেটার মালিকানাধীন মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম হোয়াটসঅ্যাপ নতুন একটি ইউজারনেম ফিচার চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা নিজেদের জন্য আলাদা একটি ইউনিক ইউজারনেম তৈরি করতে পারবেন। কেউ সেই ইউজারনেম দিয়ে যোগাযোগ করলে ফোন নম্বরের বদলে শুধু ওই হ্যান্ডেল বা ইউজারনেমই দেখা যাবে।

বর্তমানে হোয়াটসঅ্যাপে কারও সঙ্গে যোগাযোগ করতে হলে ফোন নম্বর প্রয়োজন হয়। নতুন এই ফিচার চালু হলে অপরিচিত ব্যক্তি বা নতুন যোগাযোগের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত নম্বর গোপন রাখা সহজ হবে।

প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ফিচারটি পুরোপুরি ঐচ্ছিক বা অপশনাল হবে। অর্থাৎ কেউ চাইলে আগের মতো ফোন নম্বর ব্যবহার করেই হোয়াটসঅ্যাপ চালিয়ে যেতে পারবেন। আবার চাইলে ইউজারনেম ব্যবহার করে পরিচয় গোপন রেখেও যোগাযোগ করা যাবে।

প্রতিটি অ্যাকাউন্টে একটি করে ইউজারনেম ব্যবহার করা যাবে। পরে সেটি পরিবর্তনও করা সম্ভব হবে। তবে ইউজারনেম বদলালেও পুরোনো চ্যাট বা অ্যাকাউন্ট সেটিংসে কোনো প্রভাব পড়বে না। যদিও অ্যাকাউন্ট লগইন ও পুনরুদ্ধারের জন্য ফোন নম্বর আগের মতোই যুক্ত থাকবে।

হোয়াটসঅ্যাপ জানিয়েছে, ইউজারনেম তৈরির ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম মানতে হবে। ইউজারনেমের দৈর্ঘ্য ৩ থেকে ৩৫ অক্ষরের মধ্যে হতে হবে। এতে অন্তত একটি ইংরেজি বর্ণ থাকতে হবে। শুধু ইংরেজি অক্ষর, সংখ্যা, আন্ডারস্কোর ও ডট ব্যবহার করা যাবে।

তবে কিছু সীমাবদ্ধতাও থাকবে। ইউজারনেম www দিয়ে শুরু করা যাবে না। শুরু বা শেষে ডট রাখা যাবে না। পাশাপাশি টানা দুটি ডট ব্যবহার করা যাবে না। আবার .com, .org বা .in-এর মতো ডোমেইন এক্সটেনশন দিয়েও ইউজারনেম শেষ করা যাবে না।

নতুন ফিচার ব্যবহারের জন্য প্রথমে হোয়াটসঅ্যাপের সেটিংসে যেতে হবে। এরপর প্রোফাইল অপশনে গিয়ে ‘ইউজারনেম’ সুবিধা চালু হলে পছন্দের নাম নির্বাচন করা যাবে। নামটি বৈধ ও খালি থাকলে সেটি সংরক্ষণ করা যাবে।

প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, এই ফিচার বিশেষভাবে কাজে আসবে অনলাইন ব্যবসা, কমিউনিটি গ্রুপ বা অপরিচিত মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে। যেমন ক্রেতা-বিক্রেতা বা নতুন কোনো গ্রুপে যুক্ত হওয়ার সময় ব্যক্তিগত নম্বর না দিয়েও যোগাযোগ করা সম্ভব হবে।

হোয়াটসঅ্যাপ ইতিমধ্যে সীমিত আকারে অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএসের কিছু ব্যবহারকারীর জন্য ফিচারটি পরীক্ষামূলকভাবে চালু করেছে। ধাপে ধাপে এটি আরও বেশি ব্যবহারকারীর কাছে পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, টেলিগ্রাম ও ডিসকর্ডের মতো প্ল্যাটফর্মে দীর্ঘদিন ধরেই ইউজারনেমভিত্তিক যোগাযোগ জনপ্রিয়। হোয়াটসঅ্যাপেও একই সুবিধা যুক্ত হওয়ায় ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা আরও বাড়তে পারে।

কালের আলো/এম/এএইচ

সরকার সমাজের অবহেলিত জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে : ডা.জাহিদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ২:০৩ পূর্বাহ্ণ
সরকার সমাজের অবহেলিত জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে : ডা.জাহিদ

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, বর্তমান সরকার সমাজের অবহেলিত জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। নারী নির্যাতন ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া এডুকেশন স্কিল, কেয়ারগিভার ও ভাষাশিক্ষা প্রশিক্ষণের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

শনিবার (৬ জুন) রাজধানীর ইস্কাটনে পুলিশ কনভেনশন হলে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে রক্তের নিরাপদ সংরক্ষণ ও সরবরাহ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে। বিশেষ করে থ্যালাসেমিয়া, ডেঙ্গু, দুর্ঘটনা ও জরুরি অস্ত্রোপচারে রক্তের প্রয়োজন মেটাতে এই রেফ্রিজারেটর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি আরও বলেন, রক্ত একটি জীবনদায়ী উপাদান। এর সংরক্ষণ ও সরবরাহ ব্যবস্থা যত শক্তিশালী হবে, তত বেশি মানুষের জীবন বাঁচানো সম্ভব। বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। ‌‘এজন্য জুনের পর অ্যাডভোকেসি কার্যক্রম প্রথমে ঢাকাতে শুরু করতে চাই। এরপর সারাদেশে এই কার্যক্রম শুরু হবে।’

তিনি সরকারের পাশাপাশি প্রচার-প্রচারণায় জনগণকে সচেতন করতে সাংবাদিক ও গণমাধ্যমের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, সরকার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে বেসরকারি সংগঠন ও স্বেচ্ছাসেবীদের সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করছে। রোটারি ক্লাব অব গুলশান অ্যাভিনিউয়ের এই মানবিক উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই। এ ধরনের কর্মকাণ্ড দেশের সামাজিক দায়বদ্ধতাকে আরও এগিয়ে নেবে। আমরা কাজ করতে চাই, দেশ গড়তে চাই এবং পৃথিবীর মানচিত্রে আমাদের দেশকে সম্মানের সাথে তুলে ধরতে চাই।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, সমাজে যত অন্যায় আছে তা দূর করতে সর্বস্তরের মানুষকে সম্পৃক্ত (ইনভলভ) করতে চাই। তিনি বলেন, সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সমাজ থেকে মাদকাসক্তি দূর করতে, জুয়াখেলা নিয়ন্ত্রণে, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে এবং রামিসার মতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা যাতে আর না ঘটে—সেসব বিষয়ে জনগণকে সচেতন করে তুলতে হবে।

সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হুসাইন ফকির ও স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক নাজমুল হোসাইন। এছাড়া পিডিজি ড. ইশতিয়াক এ. জামান, রোটারি ক্লাব অব গুলশান অ্যাভিনিউয়ের প্রোগ্রাম চেয়ারম্যান ও ক্লাব ডিরেক্টর রোটারিয়ান মো. সালাহ উদ্দিন এবং রোটারি ক্লাব অব গুলশান অ্যাভিনিউয়ের সভাপতি রোটারিয়ান ডাক্তার লুবনা শারমিন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

৩০ বছর পর ধলা আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শনে সমাজকল্যাণমন্ত্রী, উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি

মোঃ শামসুল আলম খান, কালের আলো:
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ৯:৪২ অপরাহ্ণ
৩০ বছর পর ধলা আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শনে সমাজকল্যাণমন্ত্রী, উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি

ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার ধলায় অবস্থিত সরকারি ভবঘুরে ও পুনর্বাসন আশ্রয়কেন্দ্র দীর্ঘদিনের অবকাঠামোগত ও সেবামূলক সংকটসহ নানা অভিযোগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে আশ্রয়কেন্দ্রটি পরিদর্শন করেছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডাঃ এজেডএম জাহিদ হোসেন। দীর্ঘ তিন দশক পর কোনো মন্ত্রী সরেজমিনে পরিদর্শন করায় প্রশংসায় ভাসছেন বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শুক্রবার (৫ জুন) সমাজকল্যাণমন্ত্রী আশ্রয়কেন্দ্রটি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন এবং সেখানে অবস্থানরত শিশু-কিশোর ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন। পরিদর্শনকালে তিনি কেন্দ্রের বিভিন্ন সমস্যা, সীমাবদ্ধতা ও জরুরি চাহিদা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য নেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ত্রিশালের ধলায় অবস্থিত এই সরকারি পুনর্বাসন কেন্দ্রটি দীর্ঘদিন ধরে পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ অবকাঠামো নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা, পানির লাইন এবং বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবস্থার মতো মৌলিক সেবাগুলো অনেক ক্ষেত্রেই পুরোনো ও অকার্যকর হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি আবাসন ও প্রশাসনিক ভবনের অবস্থাও জরাজীর্ণ হওয়ায় দৈনন্দিন কার্যক্রমে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিচ্ছে।

আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা একাধিক নিবাসী জানান, দীর্ঘ সময় পর কোনো মন্ত্রীর আগমন করায় আমরা ব্যাপক খুশি। দীর্ঘদিন ধরে আমরা অনেক সমস্যার মধ্যে আছি।”

পরিদর্শন শেষে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডাঃ এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে আমরা আজকে এই অবহেলিত আশ্রয় কেন্দ্রটিতে পরিদর্শনে এসেছি। আশ্রয় কেন্দ্রটির বিদ্যমান সমস্যা দ্রুত সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক রাজু আহমেদ, ত্রিশাল উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক এনামুল হক ভূইয়া, আশ্রয়কেন্দ্রের কর্মকর্তাসহ প্রমুখ।

কালের আলো/এম/এএইচ

অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আরএমপি কমিশনারের মতবিনিময়

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ৯:৩২ অপরাহ্ণ
অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আরএমপি কমিশনারের মতবিনিময়

রাজশাহী মহানগরীর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, মাদক ও ছিনতাই নিয়ন্ত্রণ এবং অপরাধ দমনে অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে মতবিনিময় সভা করেছে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি)।

শনিবার বেলা ১২টায় আরএমপি সদর দপ্তরের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির।

সভায় মহানগরীর সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার, অপরাধ প্রতিরোধ এবং কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম আরও কার্যকর করার বিষয়ে আলোচনা হয়। এ সময় অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের দীর্ঘ কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা বর্তমান পুলিশিং কার্যক্রমে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তারা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, মাদক ও ছিনতাই নিয়ন্ত্রণ এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। পাশাপাশি কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রমে তাদের সম্পৃক্ত করারও আহ্বান জানান।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন আরএমপি’র উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর), উপ-পুলিশ কমিশনার (ফোর্স), বিশেষ পুলিশ সুপার (সিটিএসবি), আরএমপি’র মুখপাত্র ও উপ-পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড সিটিটিসি), অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) এবং রাজশাহীর অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তারা।

সভা শেষে ভবিষ্যতে সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন অংশগ্রহণকারীরা।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি