খুঁজুন
                               
, ,
           

ঐক্যবদ্ধভাবে জাতিকে এগিয়ে নিতে চাই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কক্সবাজার প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬, ১২:৪৭ অপরাহ্ণ
ঐক্যবদ্ধভাবে জাতিকে এগিয়ে নিতে চাই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, দেশের শান্তি, স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন অগ্রগতির জন্য মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের দরবারে প্রার্থনা করি এবং আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে জাতিকে এগিয়ে নিতে চাই। আজকের ঈদের দিনে এটাই প্রত্যাশা।

শনিবার (২১ মার্চ) সকালে কক্সবাজারের পেকুয়া ঈদগাহ মাঠে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

সর্বশেষ বিদেশ সফরে ‘ইন্টারন্যাশনাল ফ্রড সামিট’ এ অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন,  ফ্রড বা ডিজিটাল স্ক্যাম বৈশ্বিক সমস্যায় পরিণত হয়েছে, কীভাবে এই সমস্যার বৈশ্বিক মোকাবিলা করা যায় সে লক্ষ্যে সামিটটি জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং কৌশল প্রণয়ন করা হয়েছে। আমি বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছি।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়ে তিনি বলেন,  আমরা এই সমস্যা সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা কামনা করি সব সময়। যাতে বর্তমান সাহায্য বহাল থাকে এবং ভবিষ্যতে রোহিঙ্গাদের মর্যাদাপূর্ণভাবে নিজেদের দেশে প্রত্যাবাসন করা যায়। একই সাথে এ বিষয়ে জাতিসংঘের প্রচেষ্টা যেন আরও বৃদ্ধি পায় আমরা সে আহ্বান জানাই।

নামাজ শেষে তিনি নিজ বাসভবনে স্থানীয় মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

চীনা রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে স্পিকারের বৈঠকে বিনিয়োগ-রোহিঙ্গা প্রসঙ্গ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৪৯ অপরাহ্ণ
চীনা রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে স্পিকারের বৈঠকে বিনিয়োগ-রোহিঙ্গা প্রসঙ্গ

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে স্পিকারের কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে স্পিকার বলেন, চীন বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। দেশটির উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় চীন বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করে আসছে। বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বৈঠকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রসঙ্গও উঠে আসে। স্পিকার বলেন, প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গার প্রত্যাবাসন নিয়ে বাংলাদেশকে নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। এ সংকট সমাধানে চীনের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

অন্যদিকে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান সরকার জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে নির্বাচিত সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফর দুই দেশের সম্পর্ককে আরও সমৃদ্ধ করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

রাষ্ট্রদূত বলেন, চীন বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্যিক অংশীদার। বড় প্রকল্পের পাশাপাশি বাংলাদেশে মাঝারি ও ছোট প্রকল্পেও চীনের বিনিয়োগ রয়েছে। বাংলাদেশকে এ অঞ্চলের পণ্য উৎপাদনভিত্তিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে চীন আগ্রহী।

বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন করিডোর, রোহিঙ্গা সংকট ও জ্বালানি ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়।

স্পিকার জানান, বাংলাদেশ সবসময় ‘ওয়ান চায়না পলিসি’ সমর্থন করে এবং ভবিষ্যতেও এ অবস্থান অব্যাহত থাকবে। তিনি বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান ও উৎপাদনে চীনের বাণিজ্যিক কোম্পানিগুলোকে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

এ সময় চীনা দূতাবাস ও জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএসআইপি 

যাত্রীদের চাপ কমাতে বাসভাড়া বাড়ছে ১৭ পয়সা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:১৬ অপরাহ্ণ
যাত্রীদের চাপ কমাতে বাসভাড়া বাড়ছে ১৭ পয়সা

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে বাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১৭ পয়সা বাড়ানোর বিষয়ে সরকার ও সড়ক পরিবহন মালিক পক্ষ একমত হয়েছে। তবে নতুন ভাড়া কার্যকর হবে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) প্রজ্ঞাপন জারির পর।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের সঙ্গে সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির বাসভাড়া নির্ধারণসংক্রান্ত আলোচনা শেষে এ তথ্য জানান জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের প্রধান সমন্বয়ক ও সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দূরপাল্লার বাসে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া ২ টাকা ২৩ পয়সা থেকে বেড়ে ২ টাকা ৪০ পয়সা হতে পারে। আর ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া ২ টাকা ৫৩ পয়সা থেকে বেড়ে ২ টাকা ৭০ পয়সা হবে।

শিমুল বিশ্বাস বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে বাসভাড়া কতটা বাড়বে, সে বিষয়ে বিআরটিএ, বুয়েটসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বিশেষজ্ঞ প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা রয়েছে। সেই নীতিমালা অনুযায়ী ভাড়া বাড়ানোর কথা থাকলেও যাত্রীদের সক্ষমতার বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘যাত্রীদের আয় তো বাড়েনি।’ তাই আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দামসহ অন্যান্য বিষয় বিবেচনায় থাকলেও যাত্রীদের ওপর অতিরিক্ত চাপ না দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

শিমুল বিশ্বাস জানান, বাসভাড়া যৌক্তিকভাবে নির্ধারণের দায়িত্ব বিআরটিএকে দেওয়া হয়েছে। বিআরটিএ মালিক সমিতির সঙ্গে আলোচনা করে চূড়ান্ত ভাড়া নির্ধারণ করবে এবং এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

তিনি বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির হিসাব অনুযায়ী বাসভাড়া ২০ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব এসেছিল। তবে জনস্বার্থ বিবেচনায় মালিকদের প্রস্তাবিত হারের চেয়ে তিন পয়সা কমিয়ে প্রতি কিলোমিটারে ১৭ পয়সা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

নতুন ভাড়া কবে থেকে কার্যকর হবে জানতে চাইলে শিমুল বিশ্বাস বলেন, প্রজ্ঞাপন জারির পরই তা কার্যকর হবে। মঙ্গলবারই প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে বলেও জানান তিনি।

কালের আলো/এমএসআইপি 

জ্বালানির আগুনে পুড়বে কি জনজীবন?

ইয়াহিয়া নয়ন:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:১২ অপরাহ্ণ
জ্বালানির আগুনে পুড়বে কি জনজীবন?

দেশে ডিজেল, কেরোসিন, অকটেন ও পেট্রোলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা করে বাড়িয়েছে সরকার। নতুন দামে ডিজেল ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৫৫ টাকা, অকটেন ১৬৫ টাকা এবং পেট্রোল ১৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে জ্বালানি ব্যয় বাড়ার পাশাপাশি পরিবহন, শিল্প, উৎপাদন ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কারণ জ্বালানির সাথে সব রকমের উৎপাদন ও পরিবহন জড়িত। রাজধানীতে যত নিত্যপন্য বিভিন্ন জেলা উপজেলা থেকে আসে তার পথের খরচ বেড়ে যাবে বিশ শতাংশ। উৎপাদিত প্রতিটি পণ্যের উৎপাদন খরচ বাড়বে। যা সাধারণ মানুষের দুর্গোতির কারণ হবে। অনেকে বলছেন, সরকারি চাকুরেদের বেতন বেড়েছে। কিন্তু তাদের সংখ্যাতো মাত্র কয়েক লাখ। কিন্তু কোটি কোটি মানুষেরতো আয় বাড়েনি।

টেলিভিশনের খবরে দেখলাম তাদের প্রতিনিধি উত্তরবঙের কৃষকদের সাথে কথা বলছেন। কৃষকরা সব হিসেব দিয়ে জানালা, কৃষি উৎপাদন খরচ বাড়বে পঞ্চাশ ভাগ। সেই পণ্য ক্রেতার হাতে পৌঁছাতে মোট খরচ পড়বে কত। জ্বালানি তেল অত্যন্ত প্রয়োজনীয় পণ্য। এর দাম বাড়লে শুধু পরিবহন খাত নয়, শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য, উৎপাদন, পণ্য পরিবহন ও মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার ব্যয়ও বেড়ে যায়। ফলে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাব প্রায় সব খাতেই পড়বে।

সাধারণ মানুষ এমনিতেই উচ্চমূল্যের যাতাকলে রয়েছে তার ওপর জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি সইবে কেমনে। সব শেষে একথাই কি সত্য যে সাধারণ মানুষের কথা কেউ ভাবেনা। কিন্তু একটি গণতান্ত্রিক দায়িত্বশীল সরকারকে আগে গণমানুষের কথা ভাবতে হবে। এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে— আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয়, বিপিসির লোকসান কমানো এবং জ্বালানি তেল পাচার ঠেকাতেই এ মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম দ্বিগুণের বেশি বাড়লেও জনস্বার্থে গত পাঁচ মাস দেশে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখায় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) প্রায় ২২ হাজার ৮৭৫ কোটি ৬৬ লাখ টাকা লোকসান হয়েছে বলে জানিয়েছে সরকার।

এখন নতুন মূল্য অনুযায়ী, ডিজেলের দাম ১১৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৩৫ টাকা, অকটেন ১৪৫ টাকা থেকে ১৬৫ টাকা, পেট্রোল ১৪০ টাকা থেকে ১৬০ টাকা এবং কেরোসিন ১৩৫ টাকা থেকে ১৫৫ টাকা হয়েছে। অর্থাৎ প্রতিটি জ্বালানি পণ্যের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা করে বেড়েছে।

জ্বালানি বিভাগ আরও জানায়, বর্তমানে পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের তুলনায় জ্বালানি তেলের দাম অনেক বেশি। ভারতে (কলকাতা) প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১৩৪ টাকা ৭৬ পয়সা, মিয়ানমারে ১৬৪ টাকা ৮৩ পয়সা, নেপালে ১৬১ টাকা ২৪ পয়সা, শ্রীলঙ্কায় ১৭৯ টাকা ৪২ পয়সা, থাইল্যান্ডে ১৫১ টাকা ২২ পয়সা এবং ভিয়েতনামে ১৩৭ টাকা।

এ ছাড়া মালদ্বীপে ১৪০ টাকা ৭১ পয়সা, ফিলিপাইনে ১৬৮ টাকা ৫৩ পয়সা, পাকিস্তানে ১৮৫ টাকা ৪৮ পয়সা এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে ১৪৪ টাকা ৭৯ পয়সা দরে ডিজেল বিক্রি হচ্ছে বলে জানিয়েছে সরকার।

বর্তমান আন্তর্জাতিক বাজারমূল্য অনুযায়ী ডিজেলে বিপিসির লিটারপ্রতি লোকসান প্রায় ৮৯ টাকা। এ হিসাবে শুধু ডিজেলেই দৈনিক লোকসান প্রায় ১০৯ কোটি টাকা। একই হারে লোকসান অব্যাহত থাকলে বছরে ডিজেলে বিপিসির প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা লোকসান হতে পারে।

সরকার বলছে, পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়ানো হলে বছরে বিপিসির লোকসান প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা কমানো সম্ভব হবে।

জ্বালানি তেলের দাম আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয়ের দাবি করছে সরকার। কিন্তু আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমলে দেশে সে অনুযায়ী জ্বালানি তেলের দাম কমানোর নজির নেই। বরং দাম বাড়ার সময় দ্রুত সমন্বয় করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ার প্রভাব দেশে আসতে কিছুটা সময় লাগে। ফলে হঠাৎ করে রাতারাতি জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করার পেছনে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণের শর্তও একটি কারণ হতে পারে। আইএমএফের ঋণ পেতে সরকারকে যেসব শর্ত পূরণ করতে হচ্ছে, তার মধ্যে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তবে এভাবে শর্ত পূরণ করতে গিয়ে সাধারণ মানুষের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব কতটা পড়বে, সেটিও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।

সাধারণ মানুষ এমনিতেই উচ্চমূল্যের যাতাকলে রয়েছে তার ওপর জ্বালানির আরো মূল্যবৃদ্ধি সইবে কেমনে। সব শেষে একথাই কি সত্য যে সাধারণ মানুষের কথা কেউ ভাবেনা। কিন্তু একটি গণতান্ত্রিক দায়িত্বশীল সরকারকে আগে গণমানুষের কথা ভাবতে হবে। এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

লেখক : সাংবাদিক।