খুঁজুন
                               
, ,
           

ওয়ান ইলেভেনের কুশীলব সাবেক এমপি মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী গ্রেপ্তার 

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬, ৫:৩৪ পূর্বাহ্ণ
ওয়ান ইলেভেনের কুশীলব সাবেক এমপি মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী গ্রেপ্তার 

ওয়ান ইলেভেনের অন্যতম কুশীলব, ফেনী-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

সোমবার (২৩ মার্চ) দিবাগত রাতে রাজধানীর বারিধারা ডিওএইচএস এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ডিবিপ্রধান শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল বারিধারা ডিওএইচএস এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় ওই এলাকার ২ নম্বর লেনের ১৫৩ নম্বর বাড়ি থেকে সাবেক এই এমপিকে আটক করা হয়।

জানা যায়, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী মালয়েশিয়ার জনশক্তি রপ্তানি সিন্ডিকেটের মূল হোতা। ২০ হাজার কোটি কালো টাকার মালিক এবং হত্যা মামলার আসামি হিসেবে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-৩ আসন (সোনাগাজী-দাগনভূঞা) থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হতে মনোনয়ন ফরম নিয়েছিলেন তিনি। তার পাঁচ দিনের মাথায় তিনি জাতীয় পার্টির (জাপা) মনোনয়ন ফরম কিনেছেন। এর পরদিনই জাতীয় পার্টির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হয়েছেন এক-এগারোর সময় আলোচিত সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা।

এর আগে গত বছরের ৪ জুলাই দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগরের জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. জাকির হোসেন ফেনী-৩ আসনের (সোনাগাজী-দাগনভূঞা) সাবেক সংসদ সদস্য লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর অস্থাবর সম্পদ ক্রোকের আদেশ দেন। সাবেক সংসদ সদস্য মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর ব্যাপারে দুদক আদালতকে বলেছে, তাঁর বিরুদ্ধে মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠানোর নামে প্রতারণা করে বিপুল অঙ্কের অর্থ লেনদেন করার অভিযোগ অনুসন্ধান করছে দুদক।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

বুলিংকে ভয় পাচ্ছেন না স্পর্শিয়া, দিলেন কড়া বার্তা

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৪১ অপরাহ্ণ
বুলিংকে ভয় পাচ্ছেন না স্পর্শিয়া, দিলেন কড়া বার্তা

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিনিয়ত ট্রল ও সাইবার বুলিংয়ের শিকার হওয়া নিয়ে এবার তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী অর্চিতা স্পর্শিয়া। তবে এই নেতিবাচকতা তাকে দমাতে পারছে না, বরং ট্রলকারীদের সরাসরি এক প্রকার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি

সম্প্রতি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে একটি বিস্ফোরক স্ট্যাটাস শেয়ার করেছেন স্পর্শিয়া। সেখানে তিনি স্পষ্ট ভাষায় লিখেছেন, “একদিন তো মুখ খুলবই, সেদিন এটাও বলবো এতদিন মুখ বন্ধ কেন ছিল। ততদিন পর্যন্ত, আমাকে যতটা পারো বুলিং করতে থাকো। আমি শুধু আগের মতোই আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসবো।”

তার এই রহস্যময় ও কড়া পোস্ট বিনোদন পাড়ায় বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। হঠাৎ করে তিনি কেন এমন কড়া বার্তা দিলেন, তা নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে নানা কৌতুহলের সৃষ্টি হয়েছে। তবে সুনির্দিষ্ট কোনো ঘটনার কথা প্রকাশ না করলেও, স্পর্শিয়ার এই সাহসী অবস্থানকে স্বাগত জানিয়েছেন তার ভক্ত-অনুরাগীরা

মডেলিং দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করা স্পর্শিয়া টেলিভিশন নাটকের পাশাপাশি ‘কাঠবিড়ালী’, ‘আবার বসন্ত’ এবং ‘নবাব এলএলবি’র মতো প্রশংসিত চলচ্চিত্রে অভিনয় করে বড় পর্দায় নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন। ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নিজের স্পষ্টবাদী স্বভাবের জন্য পরিচিত এই অভিনেত্রী এবারও ট্রলকারীদের বুঝিয়ে দিলেন—নেতিবাচকতা তাকে দুর্বল নয়, বরং আরও শক্তিশালী করে তুলবে।

ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যেতে বাড়তি গুনতে হবে ৪৩ টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৩১ অপরাহ্ণ
ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যেতে বাড়তি গুনতে হবে ৪৩ টাকা

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পর দূরপাল্লা ও নগর পরিবহনের বাসভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১৭ পয়সা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে ২৫৩ কিলোমিটার দূরত্বের ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে একজন যাত্রীকে আগের চেয়ে ৪৩ টাকা বেশি ভাড়া দিতে হবে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) পরিবহন মালিকদের সঙ্গে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ বিষয়ে আজই সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে বলে জানা গেছে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দূরপাল্লা, নগর ও রাজধানীর বাসভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১৭ পয়সা করে বাড়বে। অর্থাৎ বিদ্যমান ভাড়ার সঙ্গে নির্ধারিত দূরত্ব অনুযায়ী অতিরিক্ত ১৭ পয়সা যোগ হবে।

পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস জানান, সরকারি হিসাবে প্রতি কিলোমিটারে ২০ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর কথা ছিল। তবে জনস্বার্থ বিবেচনায় ৩ পয়সা কমিয়ে ১৭ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, পরিবহন মালিকরা বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে চুক্তি করবেন। মহানগর ও জেলা পর্যায়ের সব ধরনের পরিবহনে নির্ধারিত হারে ভাড়া বাড়বে।
এর আগে সোমবার বিআরটিএ দূরপাল্লার বাসে প্রতি কিলোমিটারে ২০ পয়সা এবং নগর পরিবহনে ১৮ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছিল।

গত এপ্রিল মাসে ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ১৫ টাকা বাড়ানোর পর বাসভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১১ পয়সা বাড়ানো হয়েছিল। সর্বশেষ ভাড়া সমন্বয়ের আগে ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরে বাসের ভাড়া ছিল প্রতি কিলোমিটারে ২ টাকা ৫৩ পয়সা এবং মিনিবাসে ২ টাকা ৪২ পয়সা।

বর্তমানে দূরপাল্লার ৫২ আসনের বাসে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া ২ টাকা ২৩ পয়সা। তবে বিভিন্ন রুটে আসনসংখ্যা কমিয়ে ৪০ বা তারও নিচে নামিয়ে তুলনামূলক আরামদায়ক বাস চালানো হচ্ছে। এসব বাসে নির্ধারিত হারের চেয়ে বেশি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে দূরপাল্লা ও নগর পরিবহনের ভাড়া আবারও সমন্বয় করা হবে।

কালের আলো/এমএসআইপি 

মাঠ থেকে বাজার—স্টেভিয়ায় নতুন সম্ভাবনা

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:২৮ অপরাহ্ণ
মাঠ থেকে বাজার—স্টেভিয়ায়  নতুন সম্ভাবনা

চিনির বিকল্প খুঁজতে গিয়ে বাংলাদেশে সম্ভাবনার নতুন দুয়ার খুলছে স্টেভিয়াকে ঘিরে। চিনির তুলনায় বহুগুণ মিষ্টি অথচ ক্যালরিমুক্ত এই উদ্ভিদের ব্যবহার দেশে ধীরে ধীরে বাড়ছে। একই সঙ্গে লাভের সম্ভাবনা দেখে কৃষকরাও আগ্রহী হচ্ছেন চাষে। এখন প্রয়োজন উৎপাদনের সঙ্গে প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারব্যবস্থাকে যুক্ত করা। সেটি সম্ভব হলে স্টেভিয়া শুধু বিকল্প মিষ্টিকারক নয়, হয়ে উঠতে পারে মূল্যসংযোজিত একটি নতুন কৃষিপণ্যের ভিত্তি।

  • চাহিদার সঙ্গে বাড়ছে চাষও
  • টিস্যুকালচারে চারা উৎপাদন
  • তৈরি হচ্ছে প্রক্রিয়াজাতকরণ অবকাঠামো

মাঠে বাড়ছে আগ্রহ
তুলসীর মতো দেখতে স্টেভিয়ার উৎপত্তি দক্ষিণ আমেরিকার প্যারাগুয়ে ও ব্রাজিল অঞ্চলে। বাংলাদেশে এর চাষের যাত্রা শুরু হয় ১৯৯৬ সালে। পরে থাইল্যান্ড থেকে উন্নত চারা এনে টিস্যুকালচারের মাধ্যমে চারা উৎপাদন ও বাজারজাতের পথ তৈরি হয়।

এখন রাজশাহী, পাবনা ও ঠাকুরগাঁওসহ কয়েকটি অঞ্চলে বাণিজ্যিকভাবে স্টেভিয়া চাষ হচ্ছে। বিএসআরআই ও বিভিন্ন হর্টিকালচার সেন্টার টিস্যুকালচারের মাধ্যমে চারা উৎপাদন করছে। মাদারীপুর হর্টিকালচার সেন্টারও সম্প্রতি এই উদ্যোগে যুক্ত হয়েছে। ফলে কৃষকের হাতে মানসম্মত চারা পৌঁছানোর সুযোগ বাড়ছে।

বিএসআরআইর কর্মকর্তাদের হিসাবে, স্টেভিয়া চাষে ব্যয়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্য মুনাফার সম্ভাবনা রয়েছে। একবার রোপণের পর কয়েক বছর পর্যন্ত পাতা সংগ্রহ করা যায়—এটিও কৃষকের কাছে ফসলটির আকর্ষণ বাড়াচ্ছে।

চিনির বিকল্পে নতুন বাজার
স্টেভিয়ার মূল শক্তি এর মিষ্টতার ঘনত্ব। এর পাতা চিনির চেয়ে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ গুণ এবং নির্যাস থেকে তৈরি মিষ্টিকারক কয়েক শ গুণ বেশি মিষ্টি হতে পারে। ফলে অল্প পরিমাণেই কাঙ্ক্ষিত মিষ্টতা পাওয়া যায়।

চা, কফি ও শরবতের মতো দৈনন্দিন পানীয় থেকে শুরু করে বিভিন্ন খাদ্যপণ্য ও বিকল্প মিষ্টিকারক তৈরিতে স্টেভিয়া ব্যবহার করা যায়। বাজারে ইতিমধ্যে স্টেভিয়াভিত্তিক বিকল্প চিনির পণ্যও রয়েছে। প্রাকৃতিক উৎসের মিষ্টিকারক হিসেবে এসব পণ্যের প্রতি ভোক্তার আগ্রহও তৈরি হচ্ছে।

কৃষক থেকে শিল্পে যাওয়ার সুযোগ
স্টেভিয়ার সবচেয়ে বড় সম্ভাবনা শুধু পাতায় নয়, পাতার পরবর্তী মূল্য সংযোজনের জায়গায়। বর্তমানে অনেক কৃষক পাতা শুকিয়ে সরাসরি বিক্রি করছেন। এতে বাজার থাকলেও উৎপাদনের পুরো অর্থনৈতিক মূল্য কৃষকের হাতে আসে না।

পাতা থেকে নির্যাস, গুঁড়া, ট্যাবলেট বা খাদ্যশিল্পে ব্যবহারের উপযোগী উপাদান তৈরি করা গেলে একই জমি থেকে পাওয়া কাঁচামালের মূল্য অনেক বাড়তে পারে। এর সঙ্গে যুক্ত হতে পারে প্রক্রিয়াজাতকরণ, প্যাকেজিং, পরিবহন ও বিপণনের নতুন কর্মসংস্থান।

এই জায়গাটিতেই এগিয়ে আসছে সরকারি গবেষণা ও সম্প্রসারণ প্রতিষ্ঠানগুলো। কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বিএসআরআই ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর স্টেভিয়া নিয়ে কাজ করছে। প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য একটি নিষ্কাশন প্ল্যান্ট স্থাপনের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। এটি চালু হলে কাঁচা পাতার বাজার থেকে শিল্পভিত্তিক বাণিজ্যের দিকে যাওয়ার পথ আরও প্রশস্ত হবে।

চাহিদার সঙ্গে বাড়ছে সম্ভাবনা
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপ, জাপান, চীন, থাইল্যান্ড ও ভারতে স্টেভিয়ার ব্যবহার রয়েছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারেও এর সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের বড় জনগোষ্ঠীর মধ্যে চিনি কমানোর প্রবণতা এবং ডায়াবেটিসের উচ্চ হার বিকল্প মিষ্টিকারকের বাজারকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলছে।

তবে সম্ভাবনাকে বাস্তব বাজারে রূপ দিতে প্রয়োজন নির্ভরযোগ্য চাহিদা-তথ্য, মাননিয়ন্ত্রণ এবং নিরাপদ প্রক্রিয়াজাতকরণ। বিশেষজ্ঞদের মতে, সরাসরি পাতা ব্যবহারের বদলে পরীক্ষিত ও মানসম্মত প্রক্রিয়াজাত পণ্য তৈরির দিকেই গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

নতুন কৃষিপণ্যের পথে স্টেভিয়া
লালমনিরহাটের পাটগ্রামের চাষি মো. আব্দুল আলিম তিন বছর ধরে স্টেভিয়া চাষ করছেন। তাঁর অভিজ্ঞতা, বাজারে চাহিদা থাকলেও এখনো মূলত শুকনো পাতা হিসেবেই বিক্রি করতে হচ্ছে। বাণিজ্যিক প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতের সুযোগ তৈরি হলে কৃষকের আয় আরও বাড়তে পারে বলে তিনি মনে করেন।

বিএসআরআই মহাপরিচালক ড. কবির উদ্দিন আহমেদও চাষিদের বাড়তে থাকা আগ্রহকে সম্ভাবনার ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন। তাঁর মতে, গবেষণায় নতুন অগ্রগতি এলে স্টেভিয়ার বাজার দ্রুত বিস্তৃত হতে পারে।

ফলে স্টেভিয়াকে ঘিরে সম্ভাবনাটি কেবল চিনির বিকল্প তৈরিতে সীমাবদ্ধ নয়। কৃষকের জমি, গবেষণাগারের প্রযুক্তি, প্রক্রিয়াজাত শিল্প ও ভোক্তার চাহিদা—এই চারটি স্তরকে একসূত্রে আনা গেলে স্টেভিয়া হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের কৃষিতে নতুন মূল্যসংযোজনের গল্প। এখন চ্যালেঞ্জ একটাই—সম্ভাবনাকে পরিকল্পিত শিল্পে রূপ দেওয়া।

কালের আলো/এম/এএইচ