খুঁজুন
                               
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৪ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

জনগণের ম্যান্ডেট মানতে গড়িমসি করছে বিএনপি: শিবির সভাপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৩২ অপরাহ্ণ
জনগণের ম্যান্ডেট মানতে গড়িমসি করছে বিএনপি: শিবির সভাপতি

বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার গণভোটে প্রকাশিত জনগণের প্রত্যক্ষ ম্যান্ডেট বাস্তবায়নে গড়িমসি করছে বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম। তিনি বলেন, গণভোটের সুস্পষ্ট রায় থাকা সত্ত্বেও তা বাস্তবায়নে অনীহা গণতান্ত্রিক জবাবদিহিতার পরিপন্থী।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) জাতীয় প্রেস ক্লাবের আব্দুস সালাম মিলনায়তনে ছাত্রশিবির আয়োজিত ‘গণভোটের আলোকে জনরায় বাস্তবায়নে গড়িমসি: সরকারের দায় ও জবাবদিহিতা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রবন্ধে শিবির সভাপতি বলেন, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার মূল ভিত্তি জনগণের সম্মতি, অংশগ্রহণ এবং সার্বভৌম ইচ্ছার প্রতিফলন। একটি রাষ্ট্র তখনই প্রকৃত অর্থে গণতান্ত্রিক হয়, যখন জনগণের ইচ্ছাকে আইনি ও সাংবিধানিকভাবে সর্বোচ্চ মর্যাদা দেওয়া হয়। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান সেই বাস্তবতারই শক্তিশালী বহিঃপ্রকাশ।

তিনি আরও বলেন, ওই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটে এবং রাষ্ট্র পুনর্গঠনের একটি নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়। আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল এমন একটি রাষ্ট্র কাঠামো গড়ে তোলা, যেখানে ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ, প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা এবং সাংবিধানিক ভারসাম্য নিশ্চিত থাকবে।

সেমিনারে জানানো হয়, এই প্রেক্ষাপটে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয় এবং দীর্ঘ আলোচনার পর ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাবে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়, যার মধ্যে ৪৭টি সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত। এসব প্রস্তাব ২০২৫ সালের ১৭ অক্টোবর ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ হিসেবে স্বীকৃতি পায়। পরে ১৩ নভেম্বর রাষ্ট্রপতি ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংশোধন) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’ জারি করেন। এর ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন একটি গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় ৬৮ দশমিক ৫৯ শতাংশ ভোটার জুলাই সনদের পক্ষে মত দেন।

নূরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, এই গণভোট কেবল একটি রাজনৈতিক সমর্থন নয়; বরং এটি রাষ্ট্র ও জনগণের মধ্যে একটি নতুন সামাজিক চুক্তির প্রতিফলন। জনগণের এই প্রত্যক্ষ ম্যান্ডেট অনুযায়ী নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সংবিধান সংশোধন সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছেন ।

শিবির সভাপতি বলেন, বর্তমান সরকার ‘নোট অব ডিসেন্ট’-এর অজুহাত দেখিয়ে গণভোটের রায় এড়িয়ে যেতে চাইছে। কিন্তু সংবিধানের ৭(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ এবং গণভোটে প্রকাশিত সেই ইচ্ছা সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতার ঊর্ধ্বে অবস্থান করে।

প্রবন্ধে আরও বলা হয়, গণভোটে বিপুল সমর্থনের মাধ্যমে জনগণ জুলাই সনদকে পূর্ণাঙ্গভাবে অনুমোদন করেছে। ফলে এটি খণ্ডিতভাবে বাস্তবায়ন বা পুনর্ব্যাখ্যার সুযোগ নেই। এ ধরনের প্রচেষ্টা জনগণের প্রত্যক্ষ ম্যান্ডেট খর্ব করার শামিল।

সেমিনারে সরকারের বিভিন্ন শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের অবস্থান পরিবর্তনের বিষয়েও সমালোচনা করা হয়। নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, নির্বাচনপূর্ব সময়ে যারা গণভোট ও জুলাই সনদের পক্ষে ছিলেন, তারা এখন ভিন্ন অবস্থান গ্রহণ করছেন, যা রাজনৈতিক দ্বিচারিতার উদাহরণ। বর্তমান আইনমন্ত্রী অতীতে অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে গণভোট ও বাস্তবায়ন আদেশের পক্ষে মত দিলেও এখন তা সংবিধানবহির্ভূত বলছেন। একইভাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও পূর্বের অবস্থান থেকে সরে এসে সংসদীয় প্রক্রিয়ার ওপর জোর দিচ্ছেন।

সেমিনারে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিবগা, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার ইমরান আব্দুল্লাহ সিদ্দিকী ও মোহাম্মদ শিশির মনির, আমার বাংলাদেশ পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, পাবনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন, এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব তাহসিন রিয়াজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের ভিপি সাদিক কায়েম, জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদ আহসান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের ভিপি রিয়াজুল ইসলাম এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের জিএস মাজহারুল ইসলাম।

কালের আলো/ এসাআর/এএএন

সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎ শুরু শুক্রবার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:১০ অপরাহ্ণ
সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎ শুরু শুক্রবার

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার আগামীকাল শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ তথ্য জানান বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

রিজভী বলেন, শুক্রবার পাঁচটি বিভাগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হবে। পরদিন শনিবারও দলীয় ফরম গ্রহণকারীদের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হবে। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, শুক্রবার রংপুর, রাজশাহী, বরিশাল, ফরিদপুর ও খুলনা বিভাগের প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হবে। শনিবার চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার বিকেল তিনটায় অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি আরও জানান, সাক্ষাৎকার কার্যক্রমে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সভাপতিত্ব করবেন। মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় অতীতে নির্যাতনের শিকার, মিথ্যা মামলার আসামি এবং রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় নারী নেত্রীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। পাশাপাশি শিক্ষাগত যোগ্যতা ও যোগাযোগ দক্ষতাও বিবেচনায় রাখা হবে।

দলীয় সূত্র জানায়, সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য মোট ১ হাজার ২৫টি ফরম বিক্রি হয়েছে। প্রতিটি ফরমের মূল্য ছিল ২ হাজার টাকা। ফরম জমা দেওয়ার সময় প্রত্যেক প্রার্থীকে ৫০ হাজার টাকা জামানত দিতে হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২১ এপ্রিল। যাচাই-বাছাই হবে ২২ ও ২৩ এপ্রিল। আপিল গ্রহণ করা হবে ২৬ এপ্রিল এবং নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৯ এপ্রিল এবং ৩০ এপ্রিল প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ মে।

জাতীয় সংসদের ৩৫০টি আসনের মধ্যে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন রয়েছে ৫০টি। দলীয় বণ্টন অনুযায়ী বিএনপি জোটের জন্য ৩৬টি, জামায়াতে ইসলামীসহ তাদের জোটের জন্য ১৩টি এবং স্বতন্ত্রদের জন্য একটি আসন নির্ধারিত রয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন সেনাপ্রধান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ণ
আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন সেনাপ্রধান

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। গতকাল বুধবার (১৫ এপ্রিল) বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়াম সংলগ্ন এলাকায় নির্মিতব্য এই স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, এমপি-এর ‘সবার জন্য ক্রীড়া’ এই অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সুদূরপ্রসারী বিশেষ পরিকল্পনাকে সামনে রেখে দেশের ক্রীড়া উন্নয়নে কার্যকর অবদান রাখার লক্ষ্যে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সার্বিক সহযোগিতায় একটি আধুনিক ও সমন্বিত ক্রীড়া অবকাঠামো হিসেবে আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

এই কমপ্লেক্সে আন্তর্জাতিক মানের দুটি ইনডোর স্টেডিয়াম, একটি স্পোর্টস একাডেমি এবং জিমনেসিয়ামসহ উন্নত স্পোর্টস সায়েন্স সুবিধা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এতে ফিজিওলজি, বায়োমেকানিক্স, নিউট্রিশন ও স্পোর্টস মেডিসিন সংক্রান্ত বিশেষায়িত সেকশন স্থাপন করা হবে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের খেলোয়াড়গণ আধুনিক প্রশিক্ষণ ও গবেষণাভিত্তিক সুবিধা গ্রহণের সুযোগ পাবে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে নির্মিতব্য এ ধরনের আধুনিক ক্রীড়া অবকাঠামো দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়।

ভিত্তিপ্রস্তর অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, সেনাবাহিনী ও বিভিন্ন জাতীয় দলের খেলোয়াড়বৃন্দ এবং অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

সরকারের সমালোচনা করে ঢাবি ছাত্রদল নেতার পদত্যাগ

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৫ অপরাহ্ণ
সরকারের সমালোচনা করে ঢাবি ছাত্রদল নেতার পদত্যাগ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সরকারের সমালোচনা করে পদত্যাগ করেছেন ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ শোভন।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) এক ফেসবুক পোস্টে পদত্যাগের ঘোষণা দেন তিনি।

সেখানে তিনি লিখেন, রাষ্ট্র আজ এক গভীর সংকটের ক্রান্তিলগ্নে দাঁড়িয়ে। সাম্যবাদী বিপ্লবের মহান আদর্শকে ধারণ করে ছাত্র–জনতা–সিপাহীর ঐক্যবদ্ধ শক্তিতে ২১ দিনের পাল্টাপাল্টি প্রতিরোধ যুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত ৫ আগস্ট, তার চেতনা আজ উপেক্ষিত, তার অঙ্গীকার পদদলিত। ব্যক্তি ও গোষ্ঠীস্বার্থের অন্ধ প্রতিযোগিতা এবং বিশ্বাসঘাতকতার কালো ছায়ায় সহস্র শহীদের আত্মত্যাগ আজও ন্যায্য মর্যাদা পায়নি, এ জাতির জন্য এক গভীর লজ্জা ও বেদনার ইতিহাস।

পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, সেই দুর্দিনে আমরা মাথা নত করিনি। মহান আল্লাহর ওপর অটল ভরসা ও অদম্য সাহসে আমরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছিলাম বলেই জাতি রক্ষা পেয়েছিল ধ্বংসের দ্বারপ্রান্ত থেকে। নতুবা প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ পরিণত হতো এক রক্তাক্ত বিপর্যয়ের প্রান্তরে। অথচ আজও একটি আধুনিক, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক রাষ্ট্র বিনির্মাণের স্বপ্ন অপূর্ণ রয়ে গেছে, এ এক নির্মম বাস্তবতা।

তিনি আরও লিখেন, চলমান জাতীয় দুর্যোগের প্রেক্ষাপট মোকাবিলায় সম্পূর্ণভাবে কপটতার আশ্রয় নেওয়া দুর্বল সরকার ও দলের (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল) প্রতি সমর্থন প্রত্যাহার করে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করছি। আমার এক দশকের সংগ্রাম ও আত্মত্যাগ কোনো প্রাপ্তির প্রত্যাশায় ছিল না; বরং তা ছিল আল্লাহর সন্তষ্টি অর্জন ও গণমানুষের আত্মমর্যাদা রক্ষার লড়াই অতপর; নিপীড়িত দেশমাতা মরহুমা বেগম জিয়ার প্রতি নৈতিক দায়বদ্ধতার বহিঃপ্রকাশ। কিন্তু বর্তমানে দলটির নীতি ও কার্যক্রমের সঙ্গে একজন আদর্শনিষ্ঠ মানুষ হিসেবে আমার পথচলা আর সম্ভব নয়।

ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, স্মরণ রাখা আবশ্যক—রাষ্ট্রই সর্বোচ্চ, দল তার একটি উপাদান মাত্র। রাষ্ট্রের স্বার্থ, ন্যায় ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো আপস চলতে পারে না, হবেও না। অতএব, জাতির স্বাধীনতা, মর্যাদা ও ন্যায়ের প্রশ্নে যদি পুনরায় সংগ্রাম অনিবার্য হয়, তবে দেশমাতৃকার সম্মান রক্ষায় সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে আমরা প্রস্তুত থাকবো। অন্যায়ের সামনে নতজানু নয়, প্রয়োজনে শাহাদাতই হবে আমাদের চূড়ান্ত অঙ্গীকার। বাংলাদেশ চিরজীবী হউক।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ