খুঁজুন
                               
, ,
           

জনগণের ম্যান্ডেট মানতে গড়িমসি করছে বিএনপি: শিবির সভাপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৩২ অপরাহ্ণ
জনগণের ম্যান্ডেট মানতে গড়িমসি করছে বিএনপি: শিবির সভাপতি

বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার গণভোটে প্রকাশিত জনগণের প্রত্যক্ষ ম্যান্ডেট বাস্তবায়নে গড়িমসি করছে বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম। তিনি বলেন, গণভোটের সুস্পষ্ট রায় থাকা সত্ত্বেও তা বাস্তবায়নে অনীহা গণতান্ত্রিক জবাবদিহিতার পরিপন্থী।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) জাতীয় প্রেস ক্লাবের আব্দুস সালাম মিলনায়তনে ছাত্রশিবির আয়োজিত ‘গণভোটের আলোকে জনরায় বাস্তবায়নে গড়িমসি: সরকারের দায় ও জবাবদিহিতা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রবন্ধে শিবির সভাপতি বলেন, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার মূল ভিত্তি জনগণের সম্মতি, অংশগ্রহণ এবং সার্বভৌম ইচ্ছার প্রতিফলন। একটি রাষ্ট্র তখনই প্রকৃত অর্থে গণতান্ত্রিক হয়, যখন জনগণের ইচ্ছাকে আইনি ও সাংবিধানিকভাবে সর্বোচ্চ মর্যাদা দেওয়া হয়। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান সেই বাস্তবতারই শক্তিশালী বহিঃপ্রকাশ।

তিনি আরও বলেন, ওই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটে এবং রাষ্ট্র পুনর্গঠনের একটি নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়। আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল এমন একটি রাষ্ট্র কাঠামো গড়ে তোলা, যেখানে ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ, প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা এবং সাংবিধানিক ভারসাম্য নিশ্চিত থাকবে।

সেমিনারে জানানো হয়, এই প্রেক্ষাপটে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয় এবং দীর্ঘ আলোচনার পর ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাবে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়, যার মধ্যে ৪৭টি সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত। এসব প্রস্তাব ২০২৫ সালের ১৭ অক্টোবর ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ হিসেবে স্বীকৃতি পায়। পরে ১৩ নভেম্বর রাষ্ট্রপতি ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংশোধন) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’ জারি করেন। এর ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন একটি গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় ৬৮ দশমিক ৫৯ শতাংশ ভোটার জুলাই সনদের পক্ষে মত দেন।

নূরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, এই গণভোট কেবল একটি রাজনৈতিক সমর্থন নয়; বরং এটি রাষ্ট্র ও জনগণের মধ্যে একটি নতুন সামাজিক চুক্তির প্রতিফলন। জনগণের এই প্রত্যক্ষ ম্যান্ডেট অনুযায়ী নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সংবিধান সংশোধন সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছেন ।

শিবির সভাপতি বলেন, বর্তমান সরকার ‘নোট অব ডিসেন্ট’-এর অজুহাত দেখিয়ে গণভোটের রায় এড়িয়ে যেতে চাইছে। কিন্তু সংবিধানের ৭(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ এবং গণভোটে প্রকাশিত সেই ইচ্ছা সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতার ঊর্ধ্বে অবস্থান করে।

প্রবন্ধে আরও বলা হয়, গণভোটে বিপুল সমর্থনের মাধ্যমে জনগণ জুলাই সনদকে পূর্ণাঙ্গভাবে অনুমোদন করেছে। ফলে এটি খণ্ডিতভাবে বাস্তবায়ন বা পুনর্ব্যাখ্যার সুযোগ নেই। এ ধরনের প্রচেষ্টা জনগণের প্রত্যক্ষ ম্যান্ডেট খর্ব করার শামিল।

সেমিনারে সরকারের বিভিন্ন শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের অবস্থান পরিবর্তনের বিষয়েও সমালোচনা করা হয়। নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, নির্বাচনপূর্ব সময়ে যারা গণভোট ও জুলাই সনদের পক্ষে ছিলেন, তারা এখন ভিন্ন অবস্থান গ্রহণ করছেন, যা রাজনৈতিক দ্বিচারিতার উদাহরণ। বর্তমান আইনমন্ত্রী অতীতে অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে গণভোট ও বাস্তবায়ন আদেশের পক্ষে মত দিলেও এখন তা সংবিধানবহির্ভূত বলছেন। একইভাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও পূর্বের অবস্থান থেকে সরে এসে সংসদীয় প্রক্রিয়ার ওপর জোর দিচ্ছেন।

সেমিনারে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিবগা, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার ইমরান আব্দুল্লাহ সিদ্দিকী ও মোহাম্মদ শিশির মনির, আমার বাংলাদেশ পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, পাবনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন, এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব তাহসিন রিয়াজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের ভিপি সাদিক কায়েম, জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদ আহসান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের ভিপি রিয়াজুল ইসলাম এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের জিএস মাজহারুল ইসলাম।

কালের আলো/ এসাআর/এএএন

ফ্রিল্যান্সিং ও এআই প্রশিক্ষণ উদ্বোধন করলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৩২ অপরাহ্ণ
ফ্রিল্যান্সিং ও এআই প্রশিক্ষণ উদ্বোধন করলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

দেশের ৬৪ জেলায় একযোগে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের অষ্টম ব্যাচ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রশিক্ষণের দ্বিতীয় ব্যাচের কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে ভোলা জেলা শহরের শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে ভার্চ্যুয়ালি দেশের ৬৪ জেলা থেকে ৬ হাজার ৪০০ প্রশিক্ষণার্থীসহ জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক, জেলা প্রশাসক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যুক্ত হন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ‘দেশের ৬৪ জেলায় শিক্ষিত কর্মপ্রত্যাশী যুবদের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি’ প্রকল্পের আওতায় অষ্টম ব্যাচে ৪ হাজার ৮০০ জন এবং ‘তথ্যপ্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন যুবদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির মাধ্যমে দক্ষতা উন্নয়ন’ প্রকল্পের আওতায় দ্বিতীয় ব্যাচে ১ হাজার ৬০০ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশ নিয়েছেন।

অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থানের সুযোগ কাজে লাগাতে তরুণ-তরুণীদের দক্ষতা অর্জন করতে হবে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে নিজেদের কর্মসংস্থান তৈরির পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখার আহ্বান জানান তিনি।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম বলেন, প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য তরুণদের কর্মবাজারের উপযোগী করে গড়ে তোলা। প্রশিক্ষণের মান নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রশিক্ষণ শেষে কর্মসংস্থানের বিষয়েও নজর দেওয়া হবে।

ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদ আলম বলেন, প্রশিক্ষণের পাশাপাশি প্রশিক্ষণার্থীদের নিয়মিত অনুশীলন করতে হবে। প্রশিক্ষণ শেষে কাজ পাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ও মেন্টরিংয়ের ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

অনুষ্ঠান শেষে বরিশাল বিভাগের ছয় জেলার ১৮ জন সফল ফ্রিল্যান্সার এবং এআই প্রশিক্ষণের প্রথম ব্যাচের ছয়জন প্রশিক্ষার্থীকে সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়। এছাড়া বরিশাল বিভাগের কয়েকজন সর্বোচ্চ ডলার আয়কারী ফ্রিল্যান্সারকে ল্যাপটপ পুরস্কার দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে ভোলার জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমানের সভাপতিত্বে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর এবং প্রশিক্ষণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

নিজ দেশের সমর্থন হারালেন ইনফান্তিনো

ক্রীড়া ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:২৯ অপরাহ্ণ
নিজ দেশের সমর্থন হারালেন ইনফান্তিনো

ফিফা সভাপতি হিসেবে আরও এক মেয়াদে থাকার প্রচেষ্টায় বড় ধাক্কা খেলেন জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। নিজের দেশ সুইজারল্যান্ডের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এসএফভি) তাঁর পুনর্নির্বাচনের প্রার্থিতায় দেওয়া সমর্থন প্রত্যাহার করে নিয়েছে। অথচ চলতি বছরের জুনেই ইনফান্তিনোর প্রার্থিতার পক্ষে আনুষ্ঠানিক সমর্থন জানিয়েছিল সুইস ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

কেন সমর্থন প্রত্যাহার করল সুইস ফুটবল

গত ২৫ সেপ্টেম্বরের বৈঠকে ইনফান্তিনোর প্রার্থিতায় সমর্থন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয় এসএফভির কেন্দ্রীয় কমিটি। ৩০ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, গত কয়েক মাসের ঘটনাপ্রবাহ নতুন করে পর্যালোচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এসএফভির মতে, ফিফার নেতৃত্ব, সুশাসন, স্বচ্ছতা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে বেশ কিছু মৌলিক প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ (এফএফই) উদ্যোগের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো, দায়িত্ব বণ্টন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ নিয়ে প্রশ্নের সন্তোষজনক ব্যাখ্যা এখনো মেলেনি।

বেসরকারি বিনিয়োগ পরিকল্পনা ঘিরে বিতর্ক

ইনফান্তিনোর প্রার্থিতা নিয়ে ইউরোপের বিভিন্ন ফুটবল সংস্থার অবস্থান বদলের পেছনে সাম্প্রতিক কয়েকটি সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। জুলাইয়ে ফিফার বড় টুর্নামেন্টগুলোর বাণিজ্যিক কার্যক্রমে বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের যুক্ত করার পরিকল্পনা সামনে আসার পর ব্যাপক সমালোচনা হয়।

প্রস্তাবিত ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজের মাধ্যমে বিশ্বকাপ ও ক্লাব বিশ্বকাপের মতো বড় প্রতিযোগিতার বাণিজ্যিক কার্যক্রমে বিনিয়োগের সুযোগ তৈরির পরিকল্পনা ছিল। সমালোচনার মুখে পরে উদ্যোগটি স্থগিত করা হয়।

‘গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর মেলেনি’

এসএফভির সভাপতি পিটার ক্নাবেল বলেন, ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজের পটভূমি, দায়িত্ব এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এখনো রয়ে গেছে। তিনি জানান, এসব প্রশ্নের সন্তোষজনক ব্যাখ্যা না পাওয়ায় ইনফান্তিনোর প্রার্থিতায় সমর্থন অব্যাহত রাখার অবস্থানে নেই সুইস ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন।

ইউরোপে বদলাচ্ছে সমর্থনের চিত্র

সুইজারল্যান্ডের সিদ্ধান্তটি এসেছে ইউরোপের আরও কয়েকটি ফুটবল সংস্থা ইনফান্তিনোর প্রতি সমর্থন পুনর্বিবেচনা করার পর। ইংল্যান্ড, ওয়েলস, ফ্রান্স ও সার্বিয়াসহ কয়েকটি দেশের ফুটবল সংস্থা তাঁর প্রার্থিতা থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করেছে বলে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফাও নির্বাচনের আগে একজন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সামনে আনার কথা জানিয়েছে।

২০২৭ সালের মার্চে নির্বাচন

২০১৬ সাল থেকে ফিফা সভাপতির দায়িত্বে থাকা ইনফান্তিনো আগামী মেয়াদেও দায়িত্বে থাকার জন্য প্রার্থী হয়েছেন। ২০২৭ সালের মার্চে ফিফা সভাপতি নির্বাচন হওয়ার কথা। সম্ভাব্য প্রার্থীদের মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৮ নভেম্বর।

নিজ দেশের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সমর্থন প্রত্যাহারের ঘটনা তাই নির্বাচনের আগে ইনফান্তিনোর প্রার্থিতা ঘিরে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে সমর্থন প্রত্যাহার করলেও তাঁর প্রার্থিতা বাতিল হয়নি; নির্বাচন ও মনোনয়ন প্রক্রিয়া নির্ধারিত নিয়মেই এগোবে।

কালের আলো/জেএন

নানাবাড়ির স্মৃতি মনে করে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী

ফেনী সংবাদদাতা
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:২০ অপরাহ্ণ
নানাবাড়ির স্মৃতি মনে করে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী

বেশ কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন ও বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিতে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ফেনীতে সফর করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরকালে নিজের নানাবাড়িতে যাওয়ার স্মৃতিচারণ করেন তিনি।

এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজ বহু বছর পর নানাবাড়ি আসলাম। খুব সম্ভবত ১৯৮৪ সালে এসেছিলাম। এরপর ১৯৯১ সালে এসেছিলাম।’

তিনি বলেন, দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে হবে, একই সঙ্গে নানাবাড়ির জন্যও কাজ করতে হবে।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী ফেনীর পরশুরাম ও ফুলগাজীর মানুষকে বন্যার হাত থেকে রক্ষায় ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘মহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’ প্রকল্প এবং নদী খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

উন্নয়ন কর্মসূচি উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভোটের আগে তিনি নদীটি খননের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতেই এখন কাজ শুরু করা হচ্ছে।

ফেনীর রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, কিছু রাজনৈতিক দল অরাজকতা তৈরির চেষ্টা করছে। ১৯৭১ সালে তাদের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে এসব দল কয়েকটি আসনে জয়ী হয়ে নানা ধরনের কর্মকাণ্ড করছে। এ পরিস্থিতিতে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি তার প্রথম ফেনী সফর। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে নিজ বাসভবন থেকে বাসে করে পরশুরামের উদ্দেশে রওনা হন তিনি। দুপুর ২টার দিকে পরশুরামের ঘাটঘর এলাকায় পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি