খুঁজুন
                               
, ,
           

শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনে ভোটগ্রহণ শুরু

শেরপুর প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৫৩ পূর্বাহ্ণ
শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনে ভোটগ্রহণ শুরু

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের শেরপুর-৩ আসনের (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) সাধারণ নির্বাচন ও বগুড়া-৬ আসনে উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৯ আসনের ভোট হয়। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঢাকা-১৭ এবং বগুড়া-৬ আসনে নির্বাচিত হন। এর মধ্যে বগুড়া-৬ আসন তিনি ছেড়ে দেওয়ায় এখন সেখানে উপ-নির্বাচন হচ্ছে। আর তফসিল ঘোষণার পর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনের ভোট স্থগিত হয়েছিল। সেখানে এখন সাধারণ নির্বাচন হচ্ছে।

শেরপুর-৩

এ আসনে তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- বিএনপি প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল, জামায়াত প্রার্থী মাসুদুর রহমান মাসুদ এবং বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান।

জেলা নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, শেরপুর-৩ আসনে একটি পৌরসভা ও ১৭টি ইউনিয়ন রয়েছে। মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৫ হাজার ৬৬ জন, নারী ২ লাখ ৮ হাজার ৩০৪ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৭ জন।

এ আসনে মোট ১২৮টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২৭টি অধিক গুরুত্বপূর্ণ, ৩২টি গুরুত্বপূর্ণ এবং ৬৯টি সাধারণ কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। মোট ভোটকক্ষ রয়েছে ৭৫১টি।

শেরপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ১৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, নির্বাচন কমিশনের ১৮ জন পর্যবেক্ষক, ২ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং নির্বাচনী অনুসন্ধান (ইনকোয়ারি) কমিটির ৩ জন যুগ্ম জেলা জজ দায়িত্ব পালন করছেন।

নিরাপত্তা নিশ্চিতে সেনাবাহিনীর ৮টি মোবাইল টিমে ২০০-এর বেশি সদস্য, ১৬ প্লাটুন বিজিবি, র‍্যাবের ১৪টি টিম এবং পুলিশের প্রায় ১১৫০ সদস্য মাঠে কাজ করছেন।

উল্লেখ্য, জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুজনিত কারণে গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন স্থগিত করা হয়। পরবর্তীতে ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আজ ৯ এপ্রিল এ আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত এ আসনের ১২৮টি ভোটকেন্দ্রে ৭৫১টি ভোটকক্ষে ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।

জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. মিজানুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া রয়েছে। পুরো জেলায় ৩২টি মোবাইল টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্স কাজ করছে। প্রতিটি কেন্দ্রে ৫ জন এবং গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ৬ জন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করছে। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলার সুযোগ নেই উল্লেখ করে তিনি ভোটারদের শান্তিপূর্ণভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানান।

বগুড়া-৬

বগুড়া-৬ আসনে মোট তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবিদুর রহমান এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি) মনোনীত প্রার্থী আল-আমিন তালুকদার।

জানা গেছে, বগুড়া-৬ আসনের ১৫০টি ভোটকেন্দ্রে মোট ৪ লাখ ৫০ হাজার ৩০৯ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। নিরাপত্তা জোরদারে ২৫০ জন সেনাসদস্য স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি ৮ প্লাটুন বিজিবি, র‍্যাবের ১০টি টিম এবং বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন রয়েছে।

শহরের সেউজগাড়ী এলাকার ভোটার মোমেনা খাতুন বলেন, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট দিতে পারছি। নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভালো, আশা করি সুষ্ঠুভাবে ভোট সম্পন্ন হবে।

প্রসঙ্গত, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি দুটি আসনে জয়ী হওয়ায় বগুড়া-৬ আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার অংশ হিসেবে এই উপনির্বাচনের আয়োজন করা হয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

যৌথবাহিনীর ক্যাম্পে পানিতে বিষ মেশানোর ঘটনায় মামলা

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ১:৪০ অপরাহ্ণ
যৌথবাহিনীর ক্যাম্পে পানিতে বিষ মেশানোর ঘটনায় মামলা

সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে যৌথবাহিনীর ক্যাম্পে পানিতে বিষ মেশানোর ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

রোববার (২৬ জুলাই) রাতে সীতাকুণ্ড থানায় এজাহারনামীয় ৩৪ জন ও অজ্ঞাত ২০-২৫ জনকে আসামি করে মামলাটি করা হয়।

চট্টগ্রামের অ্যাডিশনাল ডিআইজি মো. নাজিম উদ্দিন বলেন, কিভাবে পানিতে বিষাক্ত কিছু মেশানো হলো তা তদন্ত করতে গিয়ে সাপ্লাই লাইন কেটে প্লাষ্টিক দিয়ে ঢাকা অবস্থায় দেখা গেছে। ওখানে পানির দুটি লাইন দুইদিকে গেছে।

একটি স্থানীয় স্কুলের দিকে অন্যটি যৌথবাহিনীর ক্যাম্পের দিকে। দুষ্কৃতকারীরা যৌথবাহিনীর সাপ্লাই লাইনের চাবি বন্ধ করে সেটি কেটে পাইপের ভেতরে বিষাক্ত কেমিক্যাল ঢুকিয়ে দিয়ে পুনরায় লাইনটি প্লাস্টিক দিয়ে মুড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, এখানে যৌথবাহিনী থাকুক তা সন্ত্রাসীরা চায় না। তারা এর আগেও এখানে বিদ্যুতের লাইন বিচ্ছিন্ন করেছে।

ক্যাম্পে হামলা করেছে, নানান প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে। সবশেষে পানিতে বিষ মিশিয়েছে। এ ঘটনায় বাহিনীর ৩-৪ জন সদস্য অসুস্থ হলেও প্রাথমিক চিকিৎসায় এখন সুস্থ আছে। পানির নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে।

সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিনুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ তদন্ত করছে, তবে এখনও কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।

রোববার (২৬ জুলাই) সকালে ক্যাম্পে দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যরা পানি পান করতে গিয়ে দুর্গন্ধ ও পানিতে সাদা ফেনা দেখতে পান। সন্দেহ হওয়ায় তারা তাৎক্ষণিকভাবে পানি পান করা থেকে বিরত থাকেন।

পরে পানির সরবরাহ লাইনের ট্যাংক খুলে সেখানেও ফেনা দেখতে পাওয়া যায়। পানির সরবরাহ লাইনের কাছাকাছি এলাকা থেকে বিষের একটি খালি কৌটাও উদ্ধার করা হয়।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি

ভক্ত থেকে ‘ইত্যাদি’র গায়িকা, পুতুলের স্বপ্নজয়ের গল্প

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ১:৩৫ অপরাহ্ণ
ভক্ত থেকে ‘ইত্যাদি’র গায়িকা, পুতুলের স্বপ্নজয়ের গল্প

সাজিয়া সুলতানা পুতুল দেশের সংগীতে পরিচিত মুখ। ‘ক্লোজআপ ওয়ান তোমাকেই খুঁজছে বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতা দিয়ে দীর্ঘ দুই দশক আগে তার পথচলার শুরু। এরপর গানে আর লেখায় নিজেকে বিকশিত করে চলেছেন। আর এবার প্রথমবারের মতো গাইলেন জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’তে।

হানিফ সংকেতের এই অনুষ্ঠানের নতুন পর্ব ধারণ করা হয়েছে লক্ষ্মীপুরে। সে পর্বেই তানজিনা রুমার সঙ্গে একটি দ্বৈত গান গেয়েছেন পুতুল। এটি পুতুলের জন্য স্রেফ একটি গানই নয়, স্বপ্নজয়ের গল্পও বটে। কারণ ছোটবেলা থেকেই তিনি স্বপ্ন দেখেছেন, একদিন এই ‘ইত্যাদি’র মঞ্চে গাইবেন।

গতকাল ফেসবুকে দেওয়া এক দীর্ঘ বার্তায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন শিল্পী। পুতুল লেখেন, “ইত্যাদি’ অনুষ্ঠানের বয়স আমার চেয়ে বেশি। শৈশব থেকেই বাংলাদেশের টেলিভিশন ইতিহাসের সবচেয়ে জনপ্রিয় অনুষ্ঠান হিসেবে যে অনুষ্ঠানকে জেনে এসেছি, তা ‘ইত্যাদি’। এরচেয়ে জনপ্রিয় কিছু ছিলো না। আজকের প্রজন্ম হয়তো জানে না ‘ইত্যাদি’ কতোটা কাঙ্ক্ষিত একটা অনুষ্ঠান ছিলো দর্শকের কাছে। আর শিল্পীদের কাছে! এ তো বলা বাহুল্য। ‘ইত্যাদি’ ছিলো স্বপ্নের মঞ্চ। ‘ইত্যাদি’তে একটা গান গাওয়া মানে শিল্পী জীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া। আমিও কিন্তু শৈশবে স্বপ্ন দেখেছি ‘ইত্যাদি’তে গান গাইবো একদিন। শ্রদ্ধেয় হানিফ সংকেতের মুখে উচ্চারিত হবে আমার নাম!”

পুতুল জানান, স্কুলে পড়াকালীন ভক্ত হিসেবে তিনিও চিঠি লিখতেন ‘ইত্যাদি’তে। গান গাওয়ার সুযোগও চাইতেন। সহস্র চিঠির ভিড়ে তার চিঠিটা হয়তো সে সময় হানিফ সংকেতের চোখেই পড়েনি। পুতুল লিখেছেন, “এরপর কেটে গেছে অনেক সময়। আমি বাংলাদেশের সংগীতাঙ্গনে যাত্রা করেছি। টেলিভিশনে প্রতিদিনই গাইছি। সব চ্যানেলে গাওয়া হয়ে গেছে। কিন্তু একটা জিনিস বাকি ছিল, ‘ইত্যাদি’তে গান গাওয়া। একবার শ্রদ্ধেয় হানিফ সংকেতের সাথে দেখা হলেও বলিনি মনের সেই ইচ্ছার কথা। সেটা মনের ভিতরেই চাপা দিয়ে রেখেছিলাম। জীবন বড় অদ্ভুত! সেই ছোট্টবেলায় মনের মধ্যে পুষে রাখা স্বপ্নটা সত্যি হলো পেশাগত সংগীত জীবনের দুই দশক পরে এসে। এক দুপুরে শ্রদ্ধেয় হানিফ সংকেত ফোন করলেন। ‘ইত্যাদি’তে গান গাওয়ার আমন্ত্রণ জানালেন। এবারের পর্ব হবে লক্ষীপুরে। যেহেতু ফেনীর মেয়ে আমি, তাই বৃহত্তর নোয়াখালীর শিল্পী হিসেবে আমি এবং তানজিনা রুমা আপু একটা গান গাইবো। বিস্মিত মনে ভাবলাম, চাওয়ার মতো চাইলে সৃষ্টিকর্তা মানুষকে চমকে দিয়ে অনেক কিছু ঘটান।”

পুতুল ও তানজিনা রুমার গানটির কথা লিখেছেন কবির বকুল। সুর-সংগীতে আকাশ মাহমুদ। রেকর্ডিং ও শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা জানিয়ে পুতুল লেখেন, ‘রেকর্ডিংয়ে আমি শুধু শ্রদ্ধেয় হানিফ সংকেতকে দেখছিলাম। তিনি নিজেও দারুণ সংগীতশিল্পী তা সকলে জানেন। কিন্তু তিনি যে কী ভীষণ খুঁতখুঁতে তার কাজের ব্যাপারে, তা দেখলাম সেদিন। নিজে বসে থেকে পুরো রেকর্ডিং তত্ত্বাবধান করলেন, যা তিনি না করলেও হয়তো পারতেন। তার অনুপস্থিতিতে স্টুডিওতে গিয়ে ভয়েস দিয়ে দিলেও কাজ হয়ে যেতো। কিন্তু তিনি সূক্ষ্মভাবে পুরো কাজটা তদারকি করলেন। শুটিং এ আমরা গেলাম লক্ষীপুরে। সে তো আরেক বিস্ময় জাগানো অভিজ্ঞতা। শিল্পীদের প্রতি তার সম্মানবোধ দেখে দারুণ লাগল। প্রোডাকশনের প্রতিটা মানুষের সাথে তার আচরণ, তার বিনয়, তার সহানুভূতি, তার মানবিকতা আমাকে শুধু মুগ্ধ করেনি, উপলব্ধিও করিয়েছে যে কিংবদন্তি হতে হলে কী কী গুণাবলী থাকতে হয়। অহংকার করার সবটুকু কারণ থাকার পরেও এতোটা নিরহংকারী একজন হানিফ সংকেতকে আবিষ্কার করব, তা ভাবিনি।’

‘ইত্যাদি’র এই পর্ব প্রচারিত হবে শুক্রবার ৩১ জুলাই রাত ৮টার বাংলা সংবাদের পর, বিটিভিতে। অনুষ্ঠানটি দেখার প্রতি দর্শকের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পুতুল।

কালের আলো/এম/এএইচ

বিশ্বকাপ শেষ হতেই অবসরে গেলেন আর্জেন্টিনা-স্পেন ফাইনালের রেফারি

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ১:২৫ অপরাহ্ণ
বিশ্বকাপ শেষ হতেই অবসরে গেলেন আর্জেন্টিনা-স্পেন ফাইনালের রেফারি

বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার এক সপ্তাহ পর রেফারিং ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন স্লাভকো ভিনচিচ। আর্জেন্টিনা ও স্পেনের বিশ্বকাপ ফাইনালে তিনি প্রধান রেফারির দায়িত্বে ছিলেন। আর্জেন্টাইনরা সম্ভবত তাকে ‘খলনায়ক’ হিসেবেই সারাজীবন মনে রাখবে।

ভিনচিচ আর্জেন্টিনার জন্য ‘অপয়া’ রেফারি। গত দুই বিশ্বকাপে আলবিসেলেস্তেরা মাত্র দুটি ম্যাচ হেরেছে। ২০২২ বিশ্বকাপে সৌদি আরবের সঙ্গে প্রথম ম্যাচে ২-১ গোলে হারে। আর এবার ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ ব্যবধানে পরাজিত হয়েছে তারা। আর এই দুটি ম্যাচেই ভিনচিচ ছিলেন রেফারি।

নিউইয়র্কের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে গত ১৯ জুলাইয়ের ফাইনালে পাঁচটি হলুদ কার্ড ও একটি লাল কার্ড দেখিয়েছিলেন ভিনচিচ। সবগুলোই পেয়েছেন আর্জেন্টাইন খেলোয়াড়রা। এই স্লোভেনিয়ান রেফারির কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে আর্জেন্টিনা।

৪৬ বছর বয়সী ভিনচিচ ২০১০ সালে ফিফার আন্তর্জাতিক রেফারির স্বীকৃতি পাওয়ার পর থেকেই ইউরোপ ও আন্তর্জাতিক ফুটবলের বহু গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ পরিচালনা করেছেন। ক্লাব ফুটবলে তার সাফল্যের তালিকায় রয়েছে ২০২২ সালের উয়েফা ইউরোপা লিগের ফাইনাল (আইনট্রাখট ফ্রাঙ্কফুর্ট বনাম রেঞ্জার্স) এবং ২০২৪ সালের উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনাল, যেখানে মুখোমুখি হয়েছিল রিয়াল মাদ্রিদ ও বরুসিয়া ডর্টমুন্ড।

কাতার বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের ম্যাচ পরিচালনার সুযোগ পান ভিনচিচ। সেখানে তিনি বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম সেরা অঘটনের ম্যাচসহ দুটি ম্যাচে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৬ বিশ্বকাপে ফাইনালসহ চার ম্যাচ পরিচালনা করেছেন তিনি। আর অবসর নেওয়ার কারণে সেই ফাইনাল ম্যাচ হয়ে থাকল তার ক্যারিয়ারের শেষ। স্লোভেনিয়ান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন আনুষ্ঠানিকভাবে তার অবসরের ঘোষণা দিয়েছে।

সদ্য সমাপ্ত বিশ্বকাপে মোট ১২টি হলুদ কার্ড ও দুটি লাল কার্ড দেখান ভিনচিচ। এর মধ্যে প্রথম লাল কার্ডও ছিল আলোচিত। মেক্সিকোর বিপক্ষে শেষ ৩২ এর ম্যাচে প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়ের সঙ্গে হাত দিয়ে মুখ ঢেকে কথা বলায় ইকুয়েডরের পিয়েরো হিনকাপিকে মার্চিং অর্ডার দেন।

কালের আলো/এম/এএইচ