খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করল মার্কিন নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:২৫ পূর্বাহ্ণ
হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করল মার্কিন নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ

পাকিস্তানে যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ঐতিহাসিক আলোচনা শুরু হয়েছে, ঠিক সেই মুহূর্তে প্রথমবারের মতো হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে মার্কিন নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ। ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এই প্রথম যুক্তরাষ্ট্রের কোনো যুদ্ধজাহাজ এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে যাতায়াত করল। এদিকে চীন আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ইরানে নতুন আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এমন দাবি করেছে বলে তিনটি সূত্র ইঙ্গিত দিয়েছে টেলিগ্রাফের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন নৌবাহিনীর দুটি গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার এই প্রণালি অতিক্রম করেছে।

এর আগে অ্যাক্সিওস জানিয়েছিল, বেশ কয়েকটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ হরমুজ প্রণালি পার হয়েছে, তবে সেগুলো কী ধরনের জাহাজ তা সুনির্দিষ্ট করা হয়নি। অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে- এই পদক্ষেপের বিষয়ে তেহরানের সঙ্গে আগে থেকে কোনো সমন্বয় করা হয়নি। এ বিষয়ে একজন মার্কিন কর্মকর্তা অ্যাক্সিওসকে বলেন, এটি আন্তর্জাতিক জলসীমায় নৌ চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে পরিচালিত একটি অভিযান।

শনিবার (১১ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে মাইন অপসারণ অভিযানের প্রস্তুতি শুরু করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী।

এই অভিযানের অংশ হিসেবে মার্কিন নৌবাহিনীর দুটি যুদ্ধজাহাজ গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথটি অতিক্রম করেছে।

সেন্টকম জানায়, ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) আগে যেসব মাইন পেতে রেখেছিল, সেগুলো থেকে প্রণালিটিকে সম্পূর্ণ মুক্ত করাই এই অভিযানের লক্ষ্য। উল্লেখ্য, বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের ২০ শতাংশই এই রুট দিয়ে পরিবাহিত হয়।

এদিকে, শনিবার ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম দাবি করেছে যে, তারা হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের চেষ্টাকারী একটি মার্কিন সামরিক জাহাজকে ফিরে যেতে বাধ্য করেছে।

চীন আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ইরানে নতুন আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এমন দাবি করেছে বলে তিনটি সূত্র ইঙ্গিত দিয়েছে। সম্প্রতি হাতে পাওয়া গোয়েন্দা তথ্য মূল্যায়ন নিয়ে জানাশোনা আছে, এমন তিন ব্যক্তি সিএনএনের কাছে এমন তথ্য জানিয়েছেন।

এক মাসের বেশি সময় ধরে যুদ্ধ চলার পর পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চলছে। গত মঙ্গলবার এই যুদ্ধবিরতি শুরু হয়। বেইজিং বলেছে, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এ যুদ্ধবিরতিতে তারা সহায়তা করেছে। এখন বেইজিং যদি সত্যিই ইরানে অস্ত্র পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়, তবে এটি উসকানিমূলক পদক্ষেপ বলে বিবেচিত হতে পারে। আগামী মাসের শুরুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চীন সফরে যাওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

ওই সূত্রগুলো বলছে, মার্কিন গোয়েন্দারা দাবি করছেন, ইরান হয়ত এই যুদ্ধবিরতিকে একটি সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করছে। যুদ্ধবিরতির এ সময়ে নিজেদের গুরুত্বপূর্ণ বিদেশি অংশীদারদের সহায়তায় ইরান হয়তো কিছু নির্দিষ্ট অস্ত্রব্যবস্থা আবার মজুদ করছে।

দুটি সূত্র সিএনএনের কাছে এমন দাবিও করেছে, প্রকৃত উৎস আড়াল করতে বেইজিং তাদের অস্ত্রের চালান তৃতীয় দেশের মাধ্যমে ইরানে পাঠানোর ব্যবস্থা করছে। গোয়েন্দা তথ্যে তেমন দাবি করা হচ্ছে।

বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত সূত্রগুলোর দাবি, বেইজিং যেসব অস্ত্রব্যবস্থা পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে, সেগুলোর মধ্যে কাঁধে বহনযোগ্য বিমান বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা রয়েছে, যেগুলোকে ‘ম্যানপ্যাডস’ বলা হয়।

এসব অস্ত্র পাঁচ সপ্তাহ ধরে চলা যুদ্ধের সময় অপেক্ষাকৃত নিচু দিয়ে উড়ে যাওয়া মার্কিন সামরিক উড়োজাহাজের জন্য একটি অসম হুমকি তৈরি করেছিল। চলমান যুদ্ধবিরতি ভেস্তে গেলে ভবিষ্যতেও একই ধরনের হুমকি তৈরি হতে পারে। এ নিয়ে ওয়াশিংটনে চীনের দূতাবাসের এক মুখপাত্র বলেন, চীন কখনোই এই সংঘাতে কোনো পক্ষকে অস্ত্র সরবরাহ করেনি।

উল্লিখিত তথ্যটি সত্য নয় বলেও দাবি করেন চীনের রাষ্ট্রদূত। দূতাবাসের মুখপাত্র বলেন, ‘একটি দায়িত্বশীল বৃহৎ দেশ হিসেবে চীন সব সময়ই নিজের আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা পূরণ করে আসছে। আমরা যুক্তরাষ্ট্রকে এমন ভিত্তিহীন অভিযোগ করা, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সম্পর্ক জুড়ে দেওয়া ও অতিরঞ্জিত প্রচার চালানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। আমরা আশা করি, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো উত্তেজনা কমাতে সহায়ক আরও পদক্ষেপ নেবে।’
গত সপ্তাহের শুরুর দিকে চীনের দূতাবাসের এক মুখপাত্র সিএনএনকে বলেছিলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের এ যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে বেইজিং একটি যুদ্ধবিরতি ও সংঘাতের অবসানে সহায়তা করতে কাজ করে যাচ্ছে।

যুদ্ধের মধ্যে ইরানের আকাশে একটি মার্কিন এফ–১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়। গত সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, একটি কাঁধে বহনযোগ্য তাপ অনুসন্ধানী ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে আঘাত করে ওই যুদ্ধবিমানটি ভূপাতিত করা হয়েছে।

যদিও ইরান বলেছে, তারা একটি নতুন আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ব্যবহার করে মার্কিন যুদ্ধবিমানে আঘাত হেনেছে। এই নতুন আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থাটি চীনের তৈরি কি না, তা এখনো পরিষ্কার নয়।

মার্কিন সূত্র দাবি করছে, চীন যদি এখন ইরানে ম্যানপ্যাডস বা ম্যান পোর্টেবল এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম পাঠায়, তবে তা স্বাভাবিকভাবেই ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া যুদ্ধে উসকানিমূলক পদক্ষেপ হবে।

সূত্রগুলো আরও দাবি করেছে, চীনের কম্পানিগুলো ইরানকে নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত দ্বৈত ব্যবহারযোগ্য প্রযুক্তি বিক্রি অব্যাহত রেখেছে। এসব প্রযুক্তি ইরানকে অস্ত্র তৈরি অব্যাহত রাখতে ও নিজেদের নজরদারির ব্যবস্থা আরও উন্নত করতে সক্ষম করে তুলেছে। চীন সরকারের সরাসরি অস্ত্রব্যবস্থা সরবরাহ সহায়তার একটি নতুন স্তর হিসেবে বিবেচিত হবে।

বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত একটি সূত্র দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ইরানকে রক্ষা করতে প্রকাশ্যে এই সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার কোনো বাস্তব কৌশলগত মূল্য চীনের কাছে নেই। তারা জানে, এ যুদ্ধ জেতা সম্ভব নয়।

ওই সূত্র বলেছে, তার চেয়ে বেইজিং বরং নিজেদের ইরানের একজন স্থায়ী মিত্র হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করছে। ইরানের তেলের ওপর চীন ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। দেশটি একই সঙ্গে বাহ্যিকভাবে নিজেদের নিরপেক্ষ দেখানোর চেষ্টা করছে, যেন যুদ্ধ শেষ হলে তারা নিজেদের সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার করতে পারে।

সূত্রগুলো আরও দাবি করছে, চীনের কর্মকর্তারা এ যুক্তিও দিতে পারেন, তাঁদের সরবরাহ করা আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা আক্রমণাত্মক নয়; বরং প্রতিরক্ষামূলক। এভাবে তারা তাদের সহায়তাকে রাশিয়ার সহায়তা থেকে আলাদা হিসেবে উপস্থাপন করতে পারেন।

সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মস্কো পুরো যুদ্ধ চলাকালে ইরানি শাসনকে সহায়তা দিয়ে আসছে, যার মধ্যে রয়েছে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়। এসব তথ্য ইরানকে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা ও সম্পদের ওপর হামলায় সহায়তা করেছে।

ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার যুদ্ধে ইরান ব্যাপকভাবে সহায়তা করেছে, বিশেষ করে তাদের শাহেদ ড্রোন সরবরাহ করেছে। পাশাপাশি ইরান তাদের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে চীনের কাছে প্রচুর পরিমাণে তেল বিক্রি করেছে।

তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ যে যুদ্ধে ইউক্রেনকে সহায়তা দিচ্ছে বা গাজায় নিরীহ মানুষকে হত্যা করতে যুক্তরাষ্ট্র যে ইসরায়েলকে অস্ত্র দিয়ে যাচ্ছে, সে বিষয়ে কোনো কিছু উল্লেখ করেনি সিএনএন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

মার্কিন হামলার মধ্যেও ইরানের সঙ্গে চুক্তির সম্ভাবনা দেখছেন রুবিও

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ১১:১৯ পূর্বাহ্ণ
মার্কিন হামলার মধ্যেও ইরানের সঙ্গে চুক্তির সম্ভাবনা দেখছেন রুবিও

নতুন করে মার্কিন হামলা ও ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির অনিশ্চয়তার মধ্যেও কয়েক দিনের মধ্যে ইরানের সঙ্গে চুক্তি সম্ভব বলে মনে করছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। একই সঙ্গে তিনি হরমুজ প্রণালি খোলা রাখার বিষয়ে কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন।

মঙ্গলবার (২৬ মে) ভারতের জয়পুর সফরকালে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

মার্কো রুবিও বলেন, নতুন মার্কিন হামলার পরও ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তি কয়েক দিনের মধ্যেই সম্ভব হতে পারে।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আজ কাতারে কিছু আলোচনা চলছিল, তাই দেখা যাক আমরা কোনো অগ্রগতি করতে পারি কি না। আমার মনে হয় প্রাথমিক খসড়া নথির নির্দিষ্ট ভাষা নিয়ে দফায় দফায় আলোচনা চলছে, তাই বিষয়টি শেষ হতে কয়েক দিন লাগবে।’

তিনি আরো জানান, ইরানের সঙ্গে চুক্তির আলোচনার ভাষা চূড়ান্ত করতে ‘আরও কয়েক দিন’ সময় লাগতে পারে।

মার্কো রুবিও বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চুক্তি করতে চান। তিনি হয় একটি ভালো চুক্তি করবেন, না হয় কোনো চুক্তিই হবে না।’

হরমুজ প্রণালির বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘যেকোনোভাবেই হোক না কেন, হরমুজ প্রণালি অবশ্যই খোলা থাকতে হবে।

২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে ব্যাপক হামলা চালানোর পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে। জবাবে ইরান ইসরায়েল ও উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত দেশগুলোতে হামলা চালায় এবং কার্যত হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। এতে বিশ্ববাজারে তেলের দাম হঠাৎ বেড়ে যায়।

৮ এপ্রিল থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের বাহিনী যুদ্ধবিরতি মেনে চলছে। এ সময় হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোর ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে ইরান, আর মার্কিন নৌবাহিনী ইরানের বন্দরগুলো অবরোধের চেষ্টা করছে।

ছয় সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধবিরতির মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র গতকাল সোমবার ইরানে নতুন করে বিমান হামলা চালায়। যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে বলেছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি এবং সমুদ্রপথে মাইন পুঁতে রাখার চেষ্টায় লিপ্ত স্পিডবোটগুলোকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে।

কয়েক মাস ধরে চলা সংঘাতের অবসান ঘটাতে নতুন দফার আলোচনায় অংশ নেওয়ার জন্য ইরানের শীর্ষ আলোচকেরা কাতারের দোহায় পৌঁছানোর পরই এসব হামলা চালানো হয়।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ছুটির দিনে পদোন্নতি পেয়ে সচিব হলেন ৪ কর্মকর্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ১১:১৫ পূর্বাহ্ণ
ছুটির দিনে পদোন্নতি পেয়ে সচিব হলেন ৪ কর্মকর্তা

পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটি শুরুর দিনে চার অতিরিক্ত সচিবকে সচিব পদে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার। এ ছাড়া তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব কাজী আনোয়ার হোসেনকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

সোমবার (২৫ মে) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আতাউর রহমান খানকে সচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব নাসির–উদ–দৌলাকে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সমন্বয় ও সংস্কার সচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ময়মনসিংহের বিভাগীয় কমিশনার ফারাহ শাম্মীকে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঁইয়াকে একই মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

কালের আলো/এসএকে

শাকিবের ‘রকস্টার’ দেখতে পারবে সবাই

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ১১:০৮ পূর্বাহ্ণ
শাকিবের ‘রকস্টার’ দেখতে পারবে সবাই

ঈদের আনন্দ বাড়াতে প্রেক্ষাগৃহে আসছে মেগাস্টার শাকিব খানের সিনেমা ‘রকস্টার’। আজমান রুশো পরিচালিত এবং সান মোশন পিকচার্স লিমিটেড প্রযোজিত বহুল আলোচিত এই সিনেমাটি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড থেকে ‘ইউ’ (U) অর্থাৎ আনরেস্ট্রিক্টেড বা ‘সবার জন্য উন্মুক্ত’ সার্টিফিকেট পেয়েছে। অর্থাৎ, সব বয়সের দর্শক প্রেক্ষাগৃহে সিনেমাটি দেখতে পারবেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক পোস্ট দিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পরিচালক আজমান রুশো। সান মোশন পিকচার্স লিমিটেড প্রযোজিত এই সিনেমাটি নিয়ে ইতোমধ্যেই দর্শকদের মাঝে ব্যাপক হাইপ তৈরি হয়েছে।

আসন্ন ঈদুল আজহায় প্রেক্ষাগৃহ কাঁপাতে প্রস্তুত ঢাকাই সিনেমার শীর্ষ নায়ক শাকিব খানের এই নতুন প্রজেক্ট। সিনেমাটির মুক্তির দিন যত ঘনিয়ে আসছে, ভক্ত ও সাধারণ দর্শকদের মাঝে কৌতূহল ততটাই বাড়ছে। কেবল চিরচেনা রোমান্সই নয় সিনেমাটিতে উঠে আসবে এক রকস্টারের জীবনের গল্প।

তারকাখ্যাতির চাপ, ভেতরের চাপা আবেগ আর তীব্র মানসিক দ্বন্দ্বের মিশেলে এক রকস্টারের উত্থান-পতনের গল্প রূপালি পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছেন পরিচালক আজমান রুশো। সিনেমাটির মূল আকর্ষণ শাকিব খানের তিন নায়িকা। গল্পে এই তিন নায়িকার উপস্থিতিতে রকস্টারের জীবনে শেষ পর্যন্ত কী ঘটতে যাচ্ছে সেই রহস্য আর প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে দর্শক মহলে।

সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া ‘রকস্টার’-এর নতুন টিজারে শাকিব খানের সঙ্গে গ্ল্যামারের ঝলক দেখিয়েছেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাবিলা নূর, মডেল ও অভিনেত্রী তানজিয়া জামান মিথিলা এবং সুনিধি নায়েক।

টিজার প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সিনেমাটি নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে। চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের ধারণা, ঈদে ঢালিউড বক্স অফিসে নতুন রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে এই ‘রকস্টার’।

কালের আলো/এম/এএইচ