খুঁজুন
                               
, ,
           

মিথ্যার রাজনীতি নাকি সিয়াসাতে ঈমানি?

ধর্ম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:০৭ অপরাহ্ণ
মিথ্যার রাজনীতি নাকি সিয়াসাতে ঈমানি?

আধুনিক বিশ্বে রাজনীতি অনেকাংশে ক্ষমতা ও প্রভাব বিস্তারের কৌশলী খেলায় পরিণত হলেও ইসলামি দৃষ্টিতে এর প্রকৃত নাম ‘সিয়াসাত’, যার মূল অর্থ সংশোধন, জনকল্যাণ ও ন্যায়ভিত্তিক পরিচালনা। এই দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই ‘সিয়াসাতে ঈমানি’ ধারণার উদ্ভব- যার ভিত্তি হলো সত্যবাদিতা, তাকওয়া ও আমানতদারিতা। পক্ষান্তরে, ‘মিথ্যার রাজনীতি’ হলো জনমত প্রভাবিত করতে প্রতারণা ও অপপ্রচারের আশ্রয় নেওয়া, যা ইসলামি নৈতিকতার সম্পূর্ণ পরিপন্থী।

রাজনীতিতে মিথ্যার পরিণতি ও মুনাফেকির আলামত
রাজনীতিতে মিথ্যার ব্যবহার যেমন প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ, ভিত্তিহীন অপবাদ ও প্রোপাগান্ডা- শুধু নৈতিক অবক্ষয় নয়, বরং এটি সমাজে চরম অবিশ্বাস ও অস্থিরতা সৃষ্টি করে। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘মুনাফেকের আলামত তিনটি: যখন কথা বলে মিথ্যা বলে, যখন ওয়াদা করে তা ভঙ্গ করে এবং যখন তার কাছে কোনো আমানত রাখা হয় তা খেয়ানত করে।’ (সহিহ বুখারি ও মুসলিম) এই হাদিস প্রমাণ করে, রাজনৈতিক মিথ্যাচার কেবল কৌশল নয়; এটি মুনাফেকির স্পষ্ট বৈশিষ্ট্য। যখন কোনো নেতা জনগণকে ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা আশ্বাস দেন, তখন তিনি মূলত কোটি মানুষের আমানতের খেয়ানত করেন। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা সতর্ক করেছেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ মিথ্যাবাদীদের হেদায়েত দেন না।’ (সুরা জুমার: ৩)

সিয়াসাতে ঈমানি: সত্যই যেখানে শক্তির উৎস
সিয়াসাতে ঈমানির মূল চালিকাশক্তি হলো সত্য ও ন্যায়। এখানে সাফল্যের মাপকাঠি কেবল শাসনক্ষমতা নয়, বরং নৈতিকতা। আল্লাহ তাআলা নির্দেশ দিয়েছেন, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং সত্যবাদীদের অন্তর্ভুক্ত হও।’ (সুরা তাওবা: ১১৯) ঈমানি রাজনীতি পরিচালিত হলে সেখানে সত্য গোপন করার কোনো সুযোগ থাকে না এবং প্রতিটি প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা হয়ে দাঁড়ায় এক অনন্য ধর্মীয় কর্তব্য। এর ফলে নেতার কাছে ব্যক্তিগত স্বার্থের চেয়ে জনস্বার্থই সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পায়। খোলাফায়ে রাশেদিনের যুগ এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ। হজরত আবু বকর (রা.) খেলাফতের শুরুতে তাঁর ঐতিহাসিক ভাষণে বলেছিলেন, ‘আমি সঠিক পথে থাকলে আমাকে সাহায্য করো, আর ভুল করলে আমাকে সংশোধন করো।’ এটিই হলো জবাবদিহিমূলক নেতৃত্বের সর্বোত্তম আদর্শ।

জনগণের আমানত ও নেতৃত্বের দায়বদ্ধতা
ইসলামে ক্ষমতা কোনো বিশেষাধিকার নয়; এটি একটি গুরুভার ও আমানত। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের নির্দেশ দিচ্ছেন আমানতসমূহ তার হকদারদের নিকট পৌঁছে দিতে…।’ (সুরা নিসা: ৫৮) রাসুলুল্লাহ (স.) দায়বদ্ধতা সম্পর্কে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ‘তোমাদের প্রত্যেকেই একেকজন দায়িত্বশীল এবং প্রত্যেককেই তার দায়িত্ব সম্পর্কে (কেয়ামতের দিন) জিজ্ঞাসা করা হবে।’ (সহিহ বুখারি ও মুসলিম) এই দলিলগুলো প্রমাণ করে যে, শাসক জনগণের মালিক নন বরং সেবক। নেতৃত্ব বা শাসনক্ষমতা ভোগের বস্তু নয়, বরং কঠিন এক জবাবদিহিতার মাধ্যম।

রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বনাম ইনসাফ
মিথ্যার রাজনীতির অন্যতম অস্ত্র হলো প্রতিপক্ষকে দমনে মিথ্যা অভিযোগ ও অপপ্রচার। কিন্তু ইসলাম এ ক্ষেত্রে আপসহীন ইনসাফের নির্দেশ দিয়েছে। পবিত্র কোরআন বলছে, ‘কোনো সম্প্রদায়ের প্রতি শত্রুতা যেন তোমাদেরকে ইনসাফ না করতে প্ররোচিত না করে। ইনসাফ করো, এটাই তাকওয়ার নিকটবর্তী।’ (সুরা মায়েদা: ৮) এটি প্রমাণ করে যে, ন্যায়বিচার কোনো দল বা ব্যক্তির অনুরাগের ওপর নয়, বাস্তবে এটি একটি সর্বজনীন খোদায়ী বিধান।

বর্তমান প্রেক্ষাপট ও উত্তরণের পথ
সমসাময়িক রাজনৈতিক অস্থিরতা ও আস্থার সংকটের প্রধান কারণ হলো সত্য থেকে বিচ্যুতি। এ সংকট থেকে উত্তরণের জন্য গুজব ও মিথ্যা প্রোপাগান্ডা সম্পূর্ণ পরিহার করে রাষ্ট্রীয় পদ ও সম্পদকে পবিত্র আমানত হিসেবে গণ্য করা জরুরি। একইসাথে ভুল স্বীকার ও জবাবদিহিতার সংস্কৃতি গড়ে তোলার পাশাপাশি ক্ষমতার মোহের চেয়ে জনগণের সেবাকে প্রাধান্য দেওয়ার মানসিকতা তৈরি করতে হবে। কেবল তখনই সমাজে অনাস্থা দূর হয়ে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে।

মিথ্যার ওপর প্রতিষ্ঠিত রাজনীতি সাময়িকভাবে সফল মনে হলেও তা কখনো টেকসই শান্তি বা সম্মান বয়ে আনে না। বিপরীতে, ‘সিয়াসাতে ঈমানি’ সত্য ও আমানতদারিতার ভিত্তিতে একটি কল্যাণকর রাষ্ট্র গঠন করে। ইসলাম আমাদের শিক্ষা দেয়- রাজনীতি কেবল ক্ষমতার লড়াই নয়; এটি একটি পবিত্র আমানত, যার চূড়ান্ত হিসাব হবে মহান আল্লাহর দরবারে।

কালের আলো/এম/এএইচ

নতুনবাজার থেকে রামপুরা সড়কে তীব্র যানজট

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ১০:৪৩ পূর্বাহ্ণ
নতুনবাজার থেকে রামপুরা সড়কে তীব্র যানজট

সকালের ব্যস্ত সময়ে নতুনবাজার-রামপুরা সড়কে যানবাহনের দীর্ঘ সারি।

রাজধানীর মেরাদিয়া এলাকায় দুটি ট্রাক বিকল হয়ে পড়ায় নতুনবাজার থেকে রামপুরা পর্যন্ত সড়কে ভয়াবহ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসের সকালে এমন যানজটের কারণে অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী ও সাধারণ যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। এর সঙ্গে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি যুক্ত হওয়ায় দুর্ভোগ আরও চরম আকার ধারণ করেছে।

নতুনবাজার মোড়ও ছাড়িয়ে গেছে সকালের যানজট।

জানা গেছে, ভোরে মেরাদিয়া এলাকায় সড়কে দুটি ট্রাক বিকল হয়ে পড়ে। এতে মুহূর্তের মধ্যেই সৃষ্টি হয় দীর্ঘ যানজট। এর প্রভাব পড়ে নতুনবাজার, বাড্ডা হয়ে রামপুরা পর্যন্ত সড়কে। ওই পথে শত শত বাস, ব্যক্তিগত গাড়ি, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল আটকে আছে।

দীর্ঘ সময় একই জায়গায় আটকে থাকায় অনেক যাত্রী বাস থেকে নেমে হেঁটে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হন। কেউ অফিসে, কেউ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে, আবার কেউ জরুরি কাজে যেতে গিয়ে দুর্ভোগে পড়েছেন। যানজটের কারণে নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন কিনা সেই অনিশ্চয়তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অনেকেই।


বাড্ডা লিংক রোড দিয়ে চলাচল করা গাড়িগুলোকে নতুনবাজার থেকে গুলশান-২ সড়ক ব্যবহার করে চলতে দেখা গেছে।

এর মধ্যে সকাল থেকে থেমে থেমে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হওয়ায় দুর্ভোগ আরও বেড়ে গেছে। ছাতা ছাড়াই অনেককে বৃষ্টির মধ্যে হেঁটে যেতে দেখা যায়। বিশেষ করে নারী, শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি এবং অসুস্থ যাত্রীদের ভোগান্তি ছিল সবচেয়ে বেশি। দীর্ঘ সময় বাসের ভেতরে আটকে থেকে অনেকেই অতিষ্ঠ হয়ে পড়েন।

তবে রামপুরা থেকে কুড়িল বিশ্বরোড পর্যন্ত সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

যানজটে নতুনবাজার-রামপুরা রোড স্থবির হলেও সড়কের অন্য অংশে যান চলাচল স্বাভাবিক আছে।

নতুনবাজার থেকে রামপুরা পর্যন্ত অংশে গাড়ি না চলায় বাড্ডা লিংক রোড ব্যবহারকারী আলিফ, বৈশাখীসহ বেশ কয়েকটি গণপরিবহন নতুনবাজার হয়ে গুলশান-২ নম্বর সড়ক ব্যবহার করছে। এতে বিকল্প সড়কেও যানবাহনের চাপ বেড়েছে।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বিকল দুটি ট্রাকের মধ্যে একটি ট্রাক সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। কিছু সময়ের মধ্যে যান চলাচল স্বাভাবিক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সকাল সাড়ে নয়টায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নতুনবাজার থেকে রামপুরা পর্যন্ত সড়কে এখনো তীব্র যানজট রয়েছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশ ট্রাফিকের রামপুরা জোনের এসি আসাদুজ্জামান  বলেন, ‘ভোর চারটার দিকে বৃষ্টি হওয়ায় সড়কে হাঁটু পানি জমে ছিল। তখন দুটি ট্রাক রাস্তায় বিকল হয়ে যায়। সেই দুটির একটি সরানো হয়েছে। আরেকটি সরানোর কাজ চলছে। ট্রাক দুটি নষ্ট হওয়ার কারণে রাস্তা বন্ধ আছে। ফলে এই যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।’

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ ১০ হাজারের বেশি অতিদরিদ্র নারী পেলেন জীবিকা সহায়তা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ১০:৩৬ পূর্বাহ্ণ
জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ ১০ হাজারের বেশি অতিদরিদ্র নারী পেলেন জীবিকা সহায়তা

দেশের জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোর হতদরিদ্র ও নারীপ্রধান পরিবারের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) যৌথ উদ্যোগে ১২টি জেলার ১০ হাজারেরও বেশি নারী জীবিকা সহায়তা পেয়েছেন।

টেকসই অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দারিদ্র্য জয়ের লক্ষ্যে সুইডেন ও মারিকো সরকারের আর্থিক সহায়তায় এবং ইউএনডিপি’র কারিগরি সহযোগিতায় ‘স্বপ্ন-২’ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

দেশের ৩২টি উপজেলার ২৮৩টি ইউনিয়ন পরিষদের ১০ হাজার ১৮৮টি অতিদরিদ্র পরিবার এই কর্মসূচির আওতাভুক্ত হয়েছে, যার মধ্যে বিধবা, তালাকপ্রাপ্তা, স্বামী পরিত্যক্তা এবং স্বামী অক্ষম এমন সুবিধাবঞ্চিত নারীরা রয়েছেন।

বুধবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আয়োজিত এক জাতীয় কর্মশালায় ‘স্বপ্ন-২’ প্রকল্পের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন ও জীবিকা সংক্রান্ত কার্যক্রমের ফলাফল উপস্থাপন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান বলেন, নারীদের দক্ষতা বৃদ্ধি, আর্থিক সেবা লাভ এবং মানসম্মত জীবিকার সুযোগ সম্প্রসারণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। তিনি উল্লেখ করেন, সরকারি, বেসরকারি ও উন্নয়ন সহযোগীদের শক্তিশালী অংশীদারিত্বের মাধ্যমে সঠিক দারিদ্র্য দূরীকরণ পদ্ধতি অনুসরণ করলে যে স্থায়ী রূপান্তর সম্ভব, তা এই প্রকল্পের সাফল্য থেকেই প্রমাণিত।

স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্ম সচিব ও ‘স্বপ্ন-২’ জাতীয় প্রকল্পের পরিচালক ড. মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ নারীদের জন্য কার্যকর সরকারি নীতি প্রণয়ন এবং ভবিষ্যতে নতুন কর্মসূচি নকশা করার ক্ষেত্রে এই প্রকল্পের তথ্য ও অভিজ্ঞতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইউএনডিপি বাংলাদেশের সহকারী আবাসিক প্রতিনিধি আনোয়ারুল হক এবং মূল্যায়নের ফলাফল উপস্থাপন করেন ইনোভেশন কনসালটিংয়ের পোর্টফোলিও উপদেষ্টা তাসমিয়াহ তাবাসসুম রহমান।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ১০:৩০ পূর্বাহ্ণ
বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

মিয়ানমার মালয়েশিয়া থেকে ৫ হাজার এবং বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী ফিরিয়ে নিতে সম্মত হয়েছে বলে জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম।

বুধবার (২৯ জুলাই) মালয়েশিয়ার চেন্নাহ এলাকার স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, দ্বিপাক্ষিক আলোচনার পরে মিয়ানমার বর্তমানে মালয়েশিয়ায় বসবাসকারী ৫ রোহিঙ্গা শরণার্থীর একটি প্রাথমিক দলকে ফিরিয়ে নিতে সম্মত হয়েছে।

মালয়েশিয়ার সঙ্গে মিয়ানমারের এই চুক্তিটিকে দীর্ঘদিনের রোহিঙ্গা শরণার্থী সমস্যার সমাধান এবং মালয়েশিয়ায় জনশৃঙ্খলা বজায় রাখার একটি প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন আনোয়ার ইব্রাহিম।

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, মিয়ানমার বর্তমানে বাংলাদেশে বসবাসকারী প্রায় ৩ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীকেও ফেরত নিতে সম্মত হয়েছে।

তবে কবে নাগাদ মিয়ানমার তাদের এসব রোহিঙ্গা নাগরিকদের ফেরত নেবে তার কোনো সময়সীমা জানাননি আনোয়ার ইব্রাহিম।

মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর হাতে জাতিগত নিধনের শিকার হয়ে ২০১৭ সালে লাখ লাখ রোহিঙ্গা তাদের মাতৃভূমি ছেড়ে পালায়।

প্রায় ১৩ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে এবং অনেকে বিপজ্জনক সমুদ্র যাত্রা শেষে ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ায় আশ্রয় নিয়েছে।

সূত্র: আনাদুলু এজেন্সি

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি