খুঁজুন
                               
রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

জনগণকে ক্ষমতায়ন ও তরুণদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে কাজ করবে সরকার: উপদেষ্টা মাহদী আমিন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:১৭ অপরাহ্ণ
জনগণকে ক্ষমতায়ন ও তরুণদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে কাজ করবে সরকার: উপদেষ্টা মাহদী আমিন

জনগণকে ক্ষমতায়ন ও তরুণদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে কাজ করবে বর্তমান সরকার বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন। নতুন প্রজন্মকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য শিক্ষা কারিকুলামে যুগোপযোগী পরিবর্তন নিয়ে কাজ করবে সরকার বলেও জানান তিনি।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর ইস্কাটন গার্ডেনে “ডিএনএর নকশার উন্মোচন থেকে বাংলাদেশের বায়োইকোনোমির ভবিষ্যৎ “শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে এ কথা জানান প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মূখপাত্র।

মাহদী আমিন বলেন, বায়োটেকের ক্ষেত্রে আমাদের কয়েকটা প্র্যাক্টিক্যাল ইমপ্লিকেশনস আছে, যেগুলো গভর্নমেন্টের গোলস এবং জনগণের স্বার্থের সাথে সরাসরি এলাইনমেন্ট আছে। আমাদের একটা বড় লক্ষ্য হচ্ছে ভ্যাক্সিনেশন নিয়ে কাজ করা—হিউম্যান এবং লাইভস্টকের ক্ষেত্রে। বায়োটেকের সাথে এটার সরাসরি সম্পৃক্ততা রয়েছে। আমরা কিভাবে আমাদের ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রে আরও বেশি স্বনির্ভরতা তৈরি করতে পারি—এটা এখন একদম কারেন্ট ইস্যু। সেখানে কি আমাদের কোনো ইন্টারভেনশন আমাদের নিজেদের ইকোসিস্টেম তৈরি করতে পারে কিনা, ড্রাগসের ক্ষেত্রে অর্থাৎ মেডিসিনের ক্ষেত্রে আমরা কি আমাদের ইমপোর্ট-অরিয়েন্টেড অনেক জিনিসে স্বনির্ভরতা তৈরি করতে পারি কিনা, আরও বেশি সাশ্রয়ী হতে পারি কিনা—এসব বিষয় গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, ক্যান্সারসহ অন্যান্য লাইফ-সংশ্লিষ্ট রিসার্চে আমরা কি আরও বেশি বিনিয়োগ করতে পারি কিনা এবং সেজন্য গভর্নমেন্ট কি ধরনের পলিসি দিতে পারে—এগুলো নিয়ে আমাদের আলোচনা হওয়া প্রয়োজন। আমাদের গভর্নমেন্টের একটি বড় লক্ষ্য হচ্ছে ফুড সিকিউরিটি নিশ্চিত করা। বিশেষভাবে আমাদের ফ্যামিলি কার্ড রয়েছে—যার প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল অর্থনৈতিক সহযোগিতা দেওয়া। কিন্তু একটা পর্যায়ে আমরা এখানে প্রোডাক্ট ইন্ট্রোডিউস করতে চাই, যদি আমরা কৃষিনির্ভর স্বনির্ভরতা তৈরি করতে পারি।

মাহদী আমিন আরো বলেন, সেক্ষেত্রে, আমরা কি আমাদের প্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য—যেমন তেল—এর প্রোডাকশন বাড়াতে পারি কিনা, আমরা কি সুগারের প্রোডাকশন বাড়াতে পারি কিনা—এসব এক্সপ্লোর করা দরকার। আমরা দেখতে পারি বিটরুট বা মাস্টার্ডের প্রোডাকশন কিভাবে বাড়ানো যায়, যার উপর ভিত্তি করে প্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যে স্বনির্ভরতা তৈরি হবে।

প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টাদের মধ্যে মাহদী আমিন শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছে।

সরকারের কিছু ভিশন আছে উল্লেখ করে
মাহদী আমিন বলেন, সেই ভিশনগুলোকে কিভাবে ম্যাটেরিয়ালাইজ করব, কিভাবে প্র্যাক্টিক্যাল কানেক্টিভিটি তৈরি করব—তার জন্য সাবজেক্ট এক্সপার্টদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেক এগ্রিকালচারাল প্রোডাক্ট রয়েছে যেখানে আমাদের প্রোডাক্টিভিটি কম। আমরা প্রোডাক্টিভিটি কিভাবে বাড়াব—হতে পারে ফসল উৎপাদন বাড়ানোর মাধ্যমে, ডাইভার্সিফিকেশনের মাধ্যমে। কিন্তু ওভারঅল যদি ল্যান্ডের সাথে প্রোডাকশনের রেশিও দেখি, বাংলাদেশে আমরা যথেষ্ট ইন-ইফিশিয়েন্ট। তাহলে আমরা এফিশিয়েন্সি কিভাবে বাড়াব—সেখানে মডার্ন টেকনোলজিক্যাল ইন্টারভেনশন দরকার।

তিনি বলেন, আমাদের গভর্নমেন্টের একটি বড় প্রতিশ্রুতি আছে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন মিডডে মিল। বাংলাদেশে প্রাইমারি স্কুলের প্রায় ২ কোটি স্টুডেন্ট রয়েছে, তাদের কাছে পর্যায়ক্রমে টিফিন পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। কিন্তু বর্তমানে একটি বড় সমস্যা হচ্ছে এই মিলগুলো পেরিশেবল হওয়ায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে—কখনো বাটার বন, কখনো কলা। এক্ষেত্রে আমাদের একটি আরএনডি দরকার, যাতে আমরা নন-পেরিশেবল প্রোডাক্ট তৈরি করতে পারি—যেখানে নিউট্রিশনাল ভ্যালু থাকবে এবং কস্টও সেভ হবে, এবং বাচ্চারা সঠিক মিডটাইম খাবার পাবে।

তিনি বলেন, এগুলো একদম প্র্যাক্টিক্যাল, রিলেভেন্ট এবং এক্সিস্টিং প্রবলেম, কিন্তু গত ১৬-১৮ বছরে এগুলোর সলিউশন তেমনভাবে হয়নি। আমাদের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে এনভায়রনমেন্টের ক্ষেত্রে ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স তৈরি করা। আমরা চাই ওয়েস্ট-বেসড এনার্জিকে প্রমোট করতে—সে ক্ষেত্রে আমাদের অপশনগুলো কী, তা নিয়ে কাজ করার সুযোগ রয়েছে।

কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমাদের দেশে এবং বিদেশে প্রচুর কর্মসংস্থান তৈরি করতে হবে। আমাদের যে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড রয়েছে, সেটাকে কাজে লাগাতে হবে। যদি আমরা আমাদের ইয়াং জেনারেশনকে সঠিক স্কিলসেট দিতে পারি—টেকনিক্যাল ক্যাপাসিটি ডেভেলপ করতে পারি—তাহলে আমরা ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমি কোলাবোরেশন বাড়াতে পারব। বর্তমানে আমাদের এডুকেশন সিস্টেমে বড় বড় ডিগ্রি নেওয়া হয়, কিন্তু প্র্যাক্টিক্যাল রিলেভেন্স কম। তাই আমাদের কারিকুলামে হাত দিতে হবে। এমনভাবে সাজাতে হবে যাতে রিয়েল লাইফের জন্য প্রস্তুত হয়—ট্রান্সফারেবল স্কিল, ইন্টারপার্সোনাল স্কিল, টেকনিক্যাল স্কিল এবং সাবজেক্ট-স্পেসিফিক ক্যাপাবিলিটি—সব কিছু অন্তর্ভুক্ত থাকে।

দেশে একটি বড় সমস্যা হচ্ছে ব্রেন ড্রেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটাকে কিভাবে ব্রেন সার্কুলেশনে রূপান্তর করা যায়—যেখানে বিদেশে থাকা আমাদের ট্যালেন্টরা দেশের সাথে যুক্ত থাকবে—সেটা ভাবতে হবে। অনেক দেশে সফল মডেল আছে, যেখানে জয়েন্ট রিসার্চ, ল্যাব কানেক্টিভিটি, গ্র্যান্ট সাপোর্টের মাধ্যমে কাজ হয়। আমরা চাই বিদেশে থাকা আমাদের একাডেমিক ও প্র্যাক্টিশনারদের বাংলাদেশে ইনভলভ করতে—সামার স্কুল, শর্ট কোর্স, জয়েন্ট রিসার্চ—এই ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে। এতে করে আমাদের রিসার্চ ইকোসিস্টেম শক্তিশালী হবে।

মাহদী আমিন বলেন, আমাদের রিসার্চের মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত প্রবলেম সলভিং। ফান্ডামেন্টাল রিসার্চ অবশ্যই থাকবে, কিন্তু অ্যাপ্লিকেশন-বেসড রিসার্চ আরও গুরুত্বপূর্ণ—বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো দেশে।

ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমি কোলাবোরেশনের ক্ষেত্রে আমাদের ইকোসিস্টেম তৈরি করতে হবে। বর্তমানে বাংলাদেশে এই লিংকেজ দুর্বল। অথচ হাইটেক পার্ক, সফটওয়্যার পার্ক, ইকোনমিক জোন, ইপিজেড—সবই আছে। কিন্তু ইউনিভার্সিটি ও ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে সিনার্জি নেই। এই গ্যাপটি পূরণ করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মূখপাত্র বলেন, আমরা ইতিমধ্যে উদ্যোগ নিয়েছি—ইন্ডাস্ট্রি ক্লাস্টারের অব্যবহৃত জায়গা চিহ্নিত করে সেখানে ইউনিভার্সিটিকে ইন্টিগ্রেট করা, ওয়ার্কস্পেস দেওয়া, ইনকিউবেশন ও কমার্শিয়ালাইজেশনের সুযোগ তৈরি করা। স্টুডেন্টদের আইডিয়া থেকে স্টার্টআপ তৈরি করার সুযোগ দিতে হবে।

গভর্নমেন্ট যদি সিট ফান্ডিং, গ্র্যান্ট এবং পলিসি সাপোর্ট দেয়, তাহলে তরুণদের আইডিয়া বাস্তবায়ন সম্ভব হবে। আমাদের সামনে বড় সম্ভাবনা রয়েছে। সরকারের মূল উদ্দেশ্য—এম্পাওয়ারমেন্ট অফ পিপল। জনগণকে স্বনির্ভর করা, সমৃদ্ধ করা। বিশেষ করে ইউথ এবং উইমেন—এই দুই ক্লাসকে এগিয়ে নেওয়া। তাই আমাদের ট্রেনিং, আপস্কিলিং, কারিকুলাম রিফর্ম, টেকনিক্যাল ও ভোকেশনাল এডুকেশন—সবকিছুতে ফোকাস দিতে হবে। বায়োটেকের মতো সাবজেক্টে বিশাল জব অপরচুনিটি রয়েছে, কিন্তু এখনো আন্ডার-ইউটিলাইজড।

তিনি বলেন, ইনশাল্লাহ আগামী দিনে এগুলো নিয়ে কাজ করব। তবে এটি একা গভর্নমেন্টের পক্ষে সম্ভব নয়—প্রাইভেট সেক্টর, একাডেমিয়া—সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে। পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ এবং ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমি কোলাবোরেশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আমরা শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে ওয়াইডস্প্রেড কনসালটেশনে যাব, এক্সপার্টদের সাথে আলোচনা করে গ্লোবাল বেস্ট প্র্যাকটিসকে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে প্রয়োগ করব। আমাদের সামনে অনেক সমস্যা আছে—এটাই আমাদের সুযোগ। যদি পলিটিক্যাল উইল থাকে, এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিকতা ও দিকনির্দেশনা থাকে, তাহলে আমরা সাস্টেইনেবল পরিবর্তন আনতে পারব—যার মাধ্যমে দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন সম্ভব হবে, ইনশাল্লাহ।

কালের আলো/এম/এএইচ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কাতারের শ্রমমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ১০:৪০ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কাতারের শ্রমমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন কাতারের শ্রমমন্ত্রী ড. আলী বিন সামিখ আল মাররি।

রোববার (১৭ মে) সন্ধ্যায় রাজধানী ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অ্যাম্বাসেডর ব্রেক সাঈদ আল-সামিখ উপস্থিত ছিলেন।

এরআগে দুইদিনের সফরে ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন কাতারের শ্রমমন্ত্রী ড. আলী বিন সামিখ আল মাররি।

প্রবাসী কল্যাণ ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে কাতারের শ্রমমন্ত্রী মাররির বিশেষ সখ্যতা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্যে আয়োজিত এক নৈশভোজে অংশ নেবেন তিনি।

সফরকালে আল মাররি অন্যান্য উচ্চপদস্থ নেতা এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এছাড়া, একটি যৌথ কমিটি বৈঠকও অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে শ্রম, জনশক্তি এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা ও কাতারে অবস্থানরত বাংলাদেশি কমিউনিটির স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি আলোচনার কথা রয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ঢাকায় চালু হচ্ছে ‘হ্যালো ডিসি,’ ফোনে জানানো যাবে অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ণ
ঢাকায় চালু হচ্ছে ‘হ্যালো ডিসি,’ ফোনে জানানো যাবে অভিযোগ

সেবাগ্রহীতাদের ভোগান্তি লাঘব এবং প্রশাসনের কার্যক্রমে আরও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে ঢাকা জেলা প্রশাসনে চালু হতে যাচ্ছে ‘হ্যালো ডিসি’ নামের নতুন একটি সেবা। এটির মাধ্যমে ঢাকা জেলার যেকোনো নাগরিক সরাসরি জেলা প্রশাসনে ফোন করে তাঁদের অভাব-অভিযোগ, তথ্য ও মতামত জানাতে পারবেন।

রোববার (১৭ মে) দুপুরে ঢাকা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে কোর্ট রিপোর্টার্স ইউনিটির (সিআরইউ) সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা জানান ঢাকার জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদা খানম।

ফরিদা খানম বলেন, আমরা ‘হ্যালো ডিসি’ নামে একটি সেবা চালু করতে যাচ্ছি, যেখানে প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষ তাঁদের অভাব-অভিযোগ জানাতে পারবেন। আমরা জেলা প্রশাসন থেকে গণশুনানি করে থাকি। এর বাইরেও সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এই ‘হ্যালো ডিসি’ সেবা চালু থাকবে। এতে নাগরিকেরা সহজেই তাঁদের অভিযোগ জানাতে পারবেন। এ ছাড়া জেলা প্রশাসন নিয়ে কোনো পরামর্শ থাকলেও তা জানাতে পারবেন। শিগগিরই এ বিষয়ে আমরা বিস্তারিত তুলে ধরব।

অনলাইন জুয়া ও মাদকের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির আশ্বাস দিয়ে ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম আরও বলেন, বর্তমানে অনলাইন জুয়ার প্রকোপ দেখা যাচ্ছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যেন কোনো সংকটে না পড়ে, সে জন্য মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে আমরা জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে চাই। বিভিন্ন সেলিব্রিটিকে দিয়ে জনসচেতনতামূলক কনটেন্ট তৈরি ও প্রচারে ঢাকা জেলা প্রশাসন উদ্যোগ নেবে।

‘গণমাধ্যমকর্মীবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভা’ শীর্ষক এই আয়োজনে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে জেলা প্রশাসক বলেন, সাংবাদিকেরা হলেন সমাজের আয়না। আপনাদের লেখনীর মাধ্যমেই সমাজের প্রকৃত চিত্র ও সাধারণ মানুষের চাওয়া-পাওয়া আমাদের সামনে উঠে আসে। ঢাকা জেলা প্রশাসনের কোনো দপ্তরে যদি কোনো সেবাগ্রহীতা হয়রানির শিকার হন বা অফিসে কোনো ধরনের অনিয়ম আপনাদের চোখে পড়ে, তবে তা নির্ভয়ে ও নির্বিঘ্নে বস্তুনিষ্ঠতার সঙ্গে তুলে ধরবেন।

মতবিনিময় সভায় ঢাকা জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আব্দুল ওয়ারেছ আনসারী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শামীমা সুলতানা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) মো. মাহাবুব উল্লাহ মজুমদার এবং তেজগাঁও সার্কেলের সার্কেল অফিসার ও সিনিয়র সহকারী সচিব তরিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া ঢাকা জেলার বিভিন্ন উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারাও (ইউএনও) এই মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে সাভারের ইউএনও মো. সাইফুল ইসলাম, ধামরাইয়ের ইউএনও মো. আল মামুন, কেরানীগঞ্জের ইউএনও মো. উমর ফারুক এবং নবাবগঞ্জের ইউএনও দিলরুবা ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া মতবিনিময় সভায় কোর্ট রিপোর্টার্স ইউনিটির (সিআরইউ) সভাপতি লিটন মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক মামুন খান, সহসভাপতি এমরুল হাসান বাপ্পী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা, অর্থ সম্পাদক নাইমুর রহমান নাবিল, দপ্তর সম্পাদক মহিউদ্দিন খান রিফাত, প্রচার সম্পাদক রকি আহমেদ, কার্যনির্বাহী সদস্য আজহারুল ইসলাম সুজনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

ঢাকায় বাসার বেজমেন্টে মিললো ৭ টুকরা মরদেহ, মোড়ানো ছিল পলিথিনে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ৯:৪৭ অপরাহ্ণ
ঢাকায় বাসার বেজমেন্টে মিললো ৭ টুকরা মরদেহ, মোড়ানো ছিল পলিথিনে

রাজধানীর মুগদায় বাসার বেজমেন্টে সাত টুকরা করা একটি মরদেহ পাওয়া গেছে। অজ্ঞাতপরিচয় এক পুরুষের অর্ধগলিত মরদেহটি পলিথিনে মোড়ানো ছিল।

পুলিশ রোববার (১৭ মে) মান্ডা এলাকার আব্দুল করিম রোডের ২৬০/১ নম্বর ভবন শাহনাজ ভিলা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

মুগদা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আবু রায়হান বলেন, ‘আমরা খবর পেয়ে মান্ডার আব্দুল করিম রোডের শাহনাজ ভিলা থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির পঁচাগলা ও পলিথিনে মোড়ানো মরদেহ দুপুর দেড়টার দিকে উদ্ধার করি। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তা ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়।’

এসআই রায়হান জানান, নিহত ব্যক্তির গলার নিচ থেকে পেট পর্যন্ত চিরে দেওয়া এবং দুই হাত ও দুই পা বিচ্ছিন্ন করা। ডিএনএ নমুনা ও প্রযুক্তির সহায়তায় তার পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করা হচ্ছে।

কালের আলো/এসআইপি