খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১১ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

অনেক গুপ্ত চাঁদাবাজ জামায়াতে আশ্রয় নিয়েছে, অভিযোগ রিজভীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ৫:০৪ অপরাহ্ণ
অনেক গুপ্ত চাঁদাবাজ জামায়াতে আশ্রয় নিয়েছে, অভিযোগ রিজভীর

অনেক গুপ্ত চাঁদাবাজ জামায়াতে ইসলামীতে আশ্রয় নিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী।

রোববার (৩১ মে) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক আলোচনা সভায় তিনি এমন অভিযোগ করেন।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘ওনারা (জামায়াতে ইসলামী) বড় বড় কথা বলছেন, টেলিফোনে চাঁদাবাজি হয়েছে। তো নিজেদের দিকে একবার তাকান। মিরেরসরাইয়ে ফেনী নদীর বালু তুলতে গিয়ে ধরা পড়েছিলেন জামায়াতের দুই নেতা…একজনের নাম জাহাঙ্গীর আরেকজনের নাম রবিউল। ফেনীতে মামলার থেকে অব্যাহতি দেবে বলে এক নেতা সে আবার রোকন তাদের কাছ থেকে চাঁদা নিয়েছে সেটাও পত্রপত্রিকায় এসেছে। আমি তো একটা কি দুইটা উদাহরণ দিলাম। তাহলে তো জামায়াত প্রশ্রয় দেয়।’

রিজভী বলেন, ‘ধর্মের নামে রাজনীতি করেন সব নাকি পবিত্র মানুষ। এখানে যেমন তারা গুপ্ত রাজনীতি করেছে ছাত্রলীগের মধ্যে আওয়ামী লীগের মধ্যে ঢুকে থেকে। অনেক গুপ্ত চাঁদাবাজও জামায়াতের মধ্যে আশ্রয় নিয়ে আছে। আপনারা (জামায়াতে ইসলাম) একটা আরবি শব্দ ব্যবহার করেন। চাঁদাবাজির ক্ষেত্রে চাঁদাবাজি না বলে আপনারা সেটাকে হাদিয়াবাজি করেন, ইয়ানতবাজি করেন …আরবি শব্দ দিয়ে ওটাকে একটা কাভার দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু সেটা একটা বড় ধরনের এই হাদিয়াবাজি-ইয়ানতবাজি আপনারা কম করেন না এবং বহু জায়গায় প্রমাণ আছে যে ধমক দিয়ে থ্রেট করে করছেন আমি তো দুই তিনটার নাম মাত্র বললাম, অসংখ্য আছে।’

প্রধানমন্ত্রীর এই রাজনৈতিক উপদেষ্টা বলেন, ‘আমার কথা হলো রাজনৈতিক দলগুলো তো থাকতে পারে, ঢুকে যেতে পারে কিন্তু সেই দল তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে কি না? বিএনপির মধ্যে ৫ আগস্টে এই ধরনের কিছু কর্মকাণ্ড হয়েছে আমাদের দলের চেয়ারম্যান এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শক্ত হাতে শত শত নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করেছেন, দল থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে শোকজ করা হয়েছে…কেউ বাদ যায়নি। শক্তিশালী নেতা থেকে শুরু করে একবারে তৃণমূল পর্যন্ত কেউ বাদ যায়নি।’

রিজভী বলেন, ‘তারপরে চাঁদাবাজির অভিযোগ আপনাদের নামে এবং আপনাদের অধিকাংশ রোকন সদস্য… আপনাদের যে সাংগঠনিক কাঠামোর মধ্যে নানা স্তরের লোক আছেন তারা অভিযুক্ত হয়েছে। যখন পেপারে এসেছে তখন আপনারা বহিষ্কার করেছেন। আপনারা ফেরেশতা হয়ে গেলেন কি করে? এত একেবারে পরিশুদ্ধ হলেন কি করে? তাহলে যেগুলো ধরা পড়েনি। তারা তো আছেই আপনার দলের মধ্যে। তাহলে বড় বড় কথা বলছেন যে। এটা কথা বলছেন এই কারণে যে বোধহয় পাওয়ারে চলে আসবে। কিন্তু এদেশের মানুষের মানে মাইন্ডসেটটা আপনারা বুঝতে পারেননি। এদেশের মানুষ ধর্মভীরু কিন্তু জামায়াতকে পছন্দ করে না, এদেশের মানুষ ধর্মভীরু অতিরিক্ত ধর্মবিরোধী কর্মকাণ্ডও পছন্দ করে না।’

প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষ্যে জাতীয় প্রেসক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে এই আলোচনা সভা হয়। এর আয়োজন করে জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস)।

রিজভী বলেন, ‘একদিকে যেমন ধর্ম ব্যবসা জামায়াত করেছে তাদেরকেও পছন্দ করে না। এদেশের মানুষ আবার একবারে ধর্মের বিরুদ্ধে বিদ্রোহকারী আওয়ামী লীগের যে সমস্ত সহযোগীরা আছে তাদের যে কর্মকাণ্ড সেটাও পছন্দ করে না। আওয়ামী লীগের এক নেতা যেমন বলেছিলেন মনে নাই আপনাদের..লতিফ সিদ্দিকী যে হজ মক্কা শরীফে এগুলো নিয়ে কি মন্তব্য করেছিলেন…হজ আরবরা অর্থনৈতিক কারণে করেছে…মানুষ এগুলো পছন্দ করেনি। আবার ধর্মের নাম বিক্রি করে ধর্ম ব্যবসা করে জান্নাতের টিকিট বিক্রি করে মানুষকে ধোঁকা দেওয়া এটাও এদেশের মানুষ কোনদিনই এটা পছন্দ করেনি।’

জাসাসের উদ্দেশ্যে বিএনপির এই সিনিয়র নেতা বলেন, ‘আমি মনে করি যে, জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন তারা একটা এদেশের মৃত্তিকা থেকে উৎসারিত আমাদের যে সংস্কৃতির যে স্ফুরণ সেটার অনুশীলন এবং চর্চা করা এর সঙ্গে সংস্কৃতি মানেই শুধু নিজস্ব সেটা না। পৃথিবীর ভালো ভালো যে সাংস্কৃতিক অর্জনগুলো সেগুলোকে গ্রহণ করতেও তো কোনো অসুবিধা নেই।’

জাসাসের যুগ্ম আহ্বায়ক আনিসুল ইসলাম সানির সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব জাকির হোসেন রোকনের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বিএনপির সাংস্কৃতিক সম্পাদক আশরাফ উদ্দিন উজ্জ্বল, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, তাঁতী দলের আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ, জাসাসের লিয়াকত আলী লাকি, ফেরদৌস ফকির, জাবেদ আহমেদ কিসলু, খালেদুজ্জামান জুয়েল, ফরহাদ হোসেন নিয়ন, রাফিজা আলম লাকি প্রমুখ বক্তব্য দেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন 

ভিনির জোড়া গোল, নেইমারের প্রত্যাবর্তনের ম্যাচে নকআউটে ব্রাজিল

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৬:০৬ পূর্বাহ্ণ
ভিনির জোড়া গোল, নেইমারের প্রত্যাবর্তনের ম্যাচে নকআউটে ব্রাজিল

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে যেন বিধ্বংসী মেজাজে দেখা গেল ব্রাজিলকে। ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ভর করে প্রথমার্ধেই ২-০ ব্যবধানের লিড নিয়ে মাঠ ছেড়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। বিরতি থেকে এসে ব্যবধান আরও বাড়িয়ে ৩-০ তে করে সেলেসাওরা। আটলান্টায় অনুষ্ঠিত এই লড়াইয়ে শুরু থেকেই স্কটিশ রক্ষণভাগকে চাপের মুখে রেখে আধিপত্য বিস্তার করেছে ভিনি-কুনিয়ারা।

ম্যাচের শুরুর দিকেই স্কটল্যান্ডের রক্ষণভাগের ভুলে ভাগ্য খোলে ব্রাজিলের। অষ্টম মিনিটে তরুণ উইঙ্গার রায়ান স্কটিশ ডিফেন্ডার স্কট ম্যাকেনাকে চাপে ফেলেন। সেই চাপে পড়ে ম্যাকেনা বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারান, আর সেই সুযোগটি লুফে নেন ভিনিসিয়ুস। গোলরক্ষক অ্যাঙ্গাস গানকে নিপুণ দক্ষতায় কাটিয়ে বল জালে জড়িয়ে ব্রাজিলকে এগিয়ে দেন এই রিয়াল মাদ্রিদ তারকা।

২৫ মিনিটে ভিনিসিয়ুস আবারও জালের দেখা পেয়েছিলেন, তবে ভিএআর প্রযুক্তির সাহায্যে সেই গোলটি বাতিল করা হয়। কারণ হিসেবে দেখানো হয়, বল জালে পাঠানোর ঠিক আগে স্কটিশ ডিফেন্ডারকে ফাউল করেছিলেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। তবে তাতে দমে যাওয়ার পাত্র নন ভিনি।

বিরতির ঠিক আগে প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ব্রুনো গিমারাইসের নিখুঁত ক্রস থেকে দারুণ এক হেডে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন তিনি। এবারের বিশ্বকাপে এটি ভিনির ব্যক্তিগত চতুর্থ গোল।

দ্বিতীয়ার্ধের ৬০ মিনিটে মাতেউস কুনহার গোলে স্কোরলাইন ৩-০ করে ব্রাজিল। আবারও আক্রমণ তৈরিতে বড় ভূমিকা রাখেন ব্রুনো গিমারায়েসের। তার পাস থেকে ডান পায়ে ফিনিশ করেন কুনিয়া। এদিকে কোনঠাসা স্কটল্যান্ড ক্রমেই হতাশ হয়ে পড়ে। ৫৫ মিনিটে ম্যাকলিনের পেনাল্টির আবেদনও নাকচ হয়। অন্যদিকে ব্রাজিল এখন পুরো নিয়ন্ত্রণে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

ভিনির জোড়া গোলে এগিয়ে বিরতিতে ব্রাজিল

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৪:৫৯ পূর্বাহ্ণ
ভিনির জোড়া গোলে এগিয়ে বিরতিতে ব্রাজিল

মিয়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে আজ স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে শুরু থেকেই দাপট দেখাচ্ছে ব্রাজিল। ২০২৬ বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘সি’-এর এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের জোড়া গোলে ২-০ তে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যাত সেলেসাওরা।

ম্যাচের শুরু থেকেই দুর্দান্ত ছন্দে দেখা গেছে ব্রাজিলকে। খেলা শুরুর মাত্র ৭ মিনিটের মাথায় আক্রমণভাগের দারুণ সমন্বয়ে গোল আদায় করে নেন ভিনিসিয়ুস। সতীর্থের বাড়ানো নিখুঁত পাসে স্কটিশ রক্ষণভাগকে পরাস্ত করে বক্সের ভেতর থেকে জোরালো শটে বল জালে জড়ান এই তারকা ফরোয়ার্ড।

লিড নেওয়ার পরও ব্রাজিলের আক্রমণের ধার একটুও কমেনি। ভিনিসিয়ুস, লুকাস প্যাকেতা ও কুনহার সম্মিলিত আক্রমণ বারবার কাঁপিয়ে তুলছে স্কটল্যান্ডের রক্ষণভাগ। বিপরীতে, গোল হজম করার পর ম্যাচে ফেরার জন্য মরিয়া চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে স্কটল্যান্ড। তবে ব্রাজিলের সুসংগঠিত রক্ষণভাগ ও মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকায় প্রতিপক্ষ খুব একটা সুবিধা করতে পারছে না।

উল্টো ম্যাচের ২২ মিনিটে আবার গোলের দেখা পায় সেলেসাওরা। স্কটিশ তারকা জ্যাক হেনড্রি অ্যাঙ্গাস গানকে একটি জঘন্য ব্যাক পাস দেন এবং ভিনি সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে গোল করে স্কোর ২-০ করেন। তবে ভার চেকে ভিনির ফাউল ধরা পরলে গোলটি বাতিল করা হয়। এরপর হাইড্রেশন বিরতির পর কিছুটা বদলে গেছে স্কটল্যান্ডের খেলা। ব্রাজিলের চাপ সামলে এবার নিজেরাও আক্রমণে উঠতে শুরু করেছে স্টিভ ক্লার্কের দল।

৩০ মিনিটে প্রথম কর্নার পায় স্কটল্যান্ড। প্রাথমিক ডেলিভারি ক্লিয়ার হলেও ডান দিক থেকে জন ম্যাকগিন বাঁ পায়ে দারুণ বল তোলেন বক্সে। ম্যাকেনা হেড করতে উঠলেও ঠিকমতো লক্ষ্য রাখতে পারেননি, শেষ পর্যন্ত বিপদ কাটায় ব্রাজিল।

এরপর আরেকটি কর্নার থেকেও সুবিধা নিতে পারেনি স্কটল্যান্ড। বক্সের ভেতর ব্রুনো গিমারায়েস পড়ে গেলে ফাউলের বাঁশি বাজান রেফারি, ফলে চাপ কাটিয়ে ওঠে ব্রাজিল। শেষ কয়েক মিনিটে স্কটল্যান্ড অন্তত ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত দেয়। তবে ম্যাচের প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ফের ভিনির গোলে ব্যবধান বাড়ায় সেলেসাওরা। বাকি সময়ে আর কোনও অঘটন না হলে ২-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় ব্রাজিল।

কালের আলো/এসআর/এএএন

রাজশাহীতে তিন মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ১০:৪৬ অপরাহ্ণ
রাজশাহীতে তিন মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

রাজশাহী মহানগরীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৪৯ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় ইসকাফ সিরাপ ও ইয়াবা ট্যাবলেটসহ তিন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় মাদক বিক্রির কাজে ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়েছে।

রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) পুলিশ কমিশনারের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধান ও দিকনির্দেশনায় পরিচালিত অভিযানে বিশেষ মাদকবিরোধী টিম, মতিহার থানা পুলিশ ও ডিবি পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ টিম মঙ্গলবার রাতে এ অভিযান চালায়।

গ্রেপ্তার তিনজন হলেন- মতিহার থানার সাতবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা মোজাম্মেল হকের ছেলে সাগর আলী, মোয়াজ্জেম আলীর ছেলে রাজিব আলী এবং মৃত সাঈদের ছেলে শিহাব আলী। এ মামলার পলাতক আসামি হলেন মতিহার থানাধীন চরসাতবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা মোজাহার আলীর ছেলে কামরুল ইসলাম এবং ইব্রাহিম আলী।

পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ১১টার দিকে মতিহার থানার জাহাজঘাট-দাশমারী এলাকা থেকে সাগর আলীকে এবং চরসাতবাড়িয়া এলাকা থেকে রাজিব আলী ও শিহাব আলীকে আটক করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পলাতক দুই আসামির বাড়িতে অভিযান চালানো হলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পালিয়ে যায়।

অভিযানের সময় গ্রেপ্তার আসামিদের দেহ তল্লাশি এবং পলাতক আসামিদের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ৪৯ বোতল ভারতীয় ইসকাফ সিরাপ ও তিনটি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে মাদক ব্যবসায় ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

আরএমপি জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ও পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এছাড়া পলাতক দুই আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি