খুঁজুন
                               
, ,
           

প্রধানমন্ত্রীর কাছে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতিবিরোধী ‘কার্ড’ চাইলেন আসিফ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৫০ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর কাছে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতিবিরোধী ‘কার্ড’ চাইলেন আসিফ

চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি রোধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিশেষ উদ্যোগ হিসেবে ‘কার্ড’ চালুর আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেন, দেশে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে সরকার বারবার ‘কার্ড’ পদ্ধতি চালু করছে, তাই বড় সমস্যা চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি দমনে এমন কার্ড চালু করা যেতে পারে।

সোমবার (২৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায় বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের নবগঠিত আংশিক কমিটির সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

আসিফ মাহমুদ বলেন, বর্তমান সময়ে দেশের অন্যতম বড় সমস্যা চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি। এসব থেকে মুক্তি পেতে কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, চাঁদাবাজ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নতুন কোনো প্রক্রিয়া চালু করা উচিত।

এনসিপির কার্যক্রম নিয়ে তিনি বলেন, জনগণের সেবা করার লক্ষ্যে দলটির দরজা সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। তবে গণহত্যা, ফ্যাসিবাদ, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িতদের জন্য কোনো জায়গা থাকবে না।

সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, নির্বাচনের পর সরকার জনআকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়েছে। শুধু গণভোটের রায় বাস্তবায়নেই নয়, রাষ্ট্র পরিচালনাতেও দুর্বলতা দেখা যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

জ্বালানি পরিস্থিতির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, একদিকে সরকার তেলের পর্যাপ্ত মজুদের কথা বলছে, অন্যদিকে পাম্পে দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে। এছাড়া বিপুল পরিমাণ টাকা ছাপানো নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এনসিপিকে শক্তিশালী সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ চলছে। ভোটারদের উদ্দেশ্যে তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, তাদের দেওয়া প্রতিটি ভোট সুরক্ষিত রাখতে দলীয় কর্মীরা কেন্দ্রে সক্রিয় থাকবে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এনসিপি নেতা আব্দুল হান্নান মাসউদ, ইসহাক সরকারসহ অন্য নেতারা।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

রাজধানীতে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪০৬, মামলা ৫০

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৫:২২ অপরাহ্ণ
রাজধানীতে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪০৬, মামলা ৫০

রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪০৬ জন গ্রেফতার হয়েছে। একই সময়ে ৫০ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে দেশীয় অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ তাদের গ্রেফতার করা হয়।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী আজ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রমনা বিভাগ ৩৫ জন, লালবাগ বিভাগ ৩৬ জন, ওয়ারী বিভাগ ৩১ জন, মতিঝিল বিভাগ ৪৫ জন, তেজগাঁও বিভাগ ৫৯ জন, মিরপুর বিভাগ ১২০ জন, গুলশান বিভাগ ৩২ জন, উত্তরা বিভাগ ৪৩ জন ও গোয়েন্দা বিভাগ ৫ জনকে গ্রেফতার করে।

এসময় তাদের কাছ থেকে ১ কেজি ২১৫ গ্রাম গাঁজা, ২ হাজার ২৯০ পিস ইয়াবা, দরজা এবং জানালায় ব্যবহার্য অ্যালুমিনিয়াম ফ্রেমের ছোট বড় বিভিন্ন সাইজের (পুরাতন) টুকরা ১৫টি, চাকু একটি, এন্টিকাটার একটি, মোবাইল ফোন পাঁচটি, মোটর সাইকেল একটি  এবং নগদ ৮ হাজার ৩৫০ টাকা উদ্ধার করা হয়।গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

সায়েদাবাদ টার্মিনালকে ৪ মাসে কাঁচপুরে সরানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৪:৫৬ অপরাহ্ণ
সায়েদাবাদ টার্মিনালকে ৪ মাসে কাঁচপুরে সরানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ঢাকা মহানগরীর যানজট নিরসনের লক্ষ্যে সায়েদাবাদ আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল স্থানান্তরের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। টার্মিনালটি সরিয়ে নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর নেওয়া হবে।

আগামী চার মাসের মধ্যে এ প্রকল্প বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ লক্ষ্যে ‘কাঁচপুরে আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল নির্মাণ’ শীর্ষক একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। প্রকল্পে ব্যয় হবে ৬ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নিজস্ব অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে।

সূত্র জানায়, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন ‘কাঁচপুর বাস টার্মিনালের শেড নির্মাণ, টিকেট কাউন্টার, টয়লেট এবং অফিস কক্ষসহ আনুষঙ্গিক স্থাপনা নির্মাণ’ শীর্ষক কাজ বাংলাদেশ নৌবাহিনীর চিটাগাং ড্রাই ডক লিমিটেডের (সিডিডিএল) মাধ্যমে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে বাস্তবায়ন করা হবে।

ঢাকা মহানগরীর যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ফুলবাড়িয়া-গুলিস্তান টার্মিনাল কেরানীগঞ্জে স্থানান্তরের বিষয়ে নির্দেশনা দেন।

জানা গেছে, গত ১৫ জুন অনুষ্ঠিত সভায় প্রধানমন্ত্রী যাত্রাবাড়ী (সায়েদাবাদ) টার্মিনাল কাঁচপুরে এবং ফুলবাড়িয়া-গুলিস্তান টার্মিনাল কেরানীগঞ্জে স্থানান্তরের নির্দশনা দেন। যাত্রাবাড়ী (সায়েদাবাদ) স্থানান্তরের লক্ষ্যে প্রস্তাবিত স্থান চার মাসের মধ্যে ব্যবহার উপযোগী করে স্থায়ী টয়লেট নির্মাণসহ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগ হতে ১৬ জুন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়।

আরও জানা গেছে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক কাঁচপুরে আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল নির্মাণের লক্ষ্যে এরইমধ্যে প্রস্তাবিত স্থানে ইয়ার্ডের উন্নয়ন এবং বৈদ্যুতিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। প্রস্তাবিত টার্মিনালের শেড, টিকেট কাউন্টার, টয়লেট এবং অফিস কক্ষসহ আনুষঙ্গিক স্থাপনা নির্মাণের লক্ষ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক মোট ৬ কোটি ৮৮ লাখ টাকা ব্যয় হতে পারে বলে প্রাক্কলন করা হয়েছে।

ঢাকা শহরের প্রধান কয়েকটি আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালের অন্যতম সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল। প্রায় ১০ একর জায়গার উপর প্রতিষ্ঠিত এই টার্মিনালটি যাত্রাবাড়ীর পশ্চিমে অবস্থিত। ১৯৮৪ সালে নির্মিত সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে প্রায় ১৯০০টি বাস রাখার ব্যবস্থা রয়েছে।

চট্টগ্রাম, সিলেট, নোয়াখালী, কুমিল্লা ও দক্ষিণ বঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলার দূরপাল্লার বাসের যাত্রী ওঠানামা করে এই টার্মিনাল থেকে।

তবে ঢাকায় ঢোকার মুখে অবস্থিত হওয়ায় এই টার্মিনালটির কারণে শহরের আন্তঃনগর পরিবহণ চলাচলে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হয়। ঢাকার রাস্তায় যানজটের একটি বড় কারণ এই টার্মিনাল।

এ কারণে ২০২৩ সালে কাঁচপুরে ১২ বিঘা জমির ওপর ২৮ কোটি টাকা ব্যয়ে আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছিল ডিএসসিসি। ওই বছরের ৯ আগস্ট ওই প্রকল্পের নির্মাণকাজ উদ্বোধন করা হলেও আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এর আর কোনো অগ্রগতি ছিল না।

কালের আলো/এসআর/এএএন

৫ আগস্টের আগেই জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করা হবে : তথ্য উপদেষ্টা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৪:২০ অপরাহ্ণ
৫ আগস্টের আগেই জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করা হবে : তথ্য উপদেষ্টা

আগামী ৫ আগস্টের আগেই জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, জাদুঘরের কিছু চূড়ান্ত কাজ, জনবল নিয়োগসহ কয়েকটি প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষ হলেই এটি উদ্বোধন করা হবে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জাহেদ উর রহমান এ কথা বলেন।এক সাংবাদিক জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধনের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, জুলাই জাদুঘর নিয়ে আলোচনা চলছে।

কিছু চূড়ান্ত কাজ বাকি রয়েছে। জনবল নিয়োগসহ কয়েকটি বিষয় সম্পন্ন করা হচ্ছে।

আমি পরিষ্কার করে বলতে চাই, ৫ আগস্টের আগেই জুলাই জাদুঘরের উদ্বোধন হবে। এ বিষয়ে কোনো বিভ্রান্তির সুযোগ নেই।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে জাহেদ উর রহমান বলেন, সরকার স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করছে এবং জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাশিয়া সফর করেছেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর ছিল চীন।

আবার বিভিন্ন পর্যায়ে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দেশের সঙ্গেও যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে মতপার্থক্য থাকা দেশগুলোর সঙ্গেও প্রয়োজন অনুযায়ী সম্পর্ক বজায় রাখা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী পাকিস্তান ও তুরস্ক সফর করবেন কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জনগণের স্বার্থ ও রাষ্ট্রের স্বার্থ নিশ্চিত করতে প্রয়োজন হলে অবশ্যই যাওয়া হবে। কোনো দেশের সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে সরকারের দ্বিধা নেই। জাতীয় স্বার্থই এখানে মূল বিবেচ্য।

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়াতে রপ্তানিমুখী বিনিয়োগের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে জাহেদ উর রহমান বলেন, দেশে ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি রপ্তানিমুখী শিল্পাঞ্চল (ইপিজেড) রয়েছে। একইসঙ্গে সরকার রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। দীর্ঘদিন আমরা একটি পণ্যের ওপর নির্ভরশীল ছিলাম, যা ঝুঁকিপূর্ণ। এখন রপ্তানি খাতে বৈচিত্র্য আনতে সরকার কাজ করছে। পাশাপাশি দেশীয় বিনিয়োগও অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আন্তর্জাতিক বাজারমূল্যের তুলনায় বেশি দামে গম আমদানির অনুমোদন নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে জাহেদ উর রহমান বলেন, বিষয়টি বৃহত্তর অর্থনৈতিক স্বার্থ বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের উদ্যোগ নেওয়ার পর দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর বিষয়ে আলোচনা হয়। এর অংশ হিসেবে কিছু পণ্য যুক্তরাষ্ট্র থেকে বেশি পরিমাণে কেনার বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের রপ্তানির দ্বিতীয় বৃহত্তম বাজার যুক্তরাষ্ট্র। সেখানে তৈরি পোশাকের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক কার্যকর হলে দেশের অর্থনীতি বড় ধরনের ঝুঁকিতে পড়ত। এ খাতে প্রায় ৪০ লাখ শ্রমিক কাজ করেন। তাদের আয় শুধু বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনই নয়, দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতেও বড় অবদান রাখে।

জাহেদ উর রহমান বলেন, গার্মেন্টস খাত সচল থাকলে এর সুফল অন্যান্য খাতেও ছড়িয়ে পড়ে। তাই সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্বার্থ বিবেচনায় এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং জনগণ বিষয়টি উপলব্ধি করবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

কালের আলো/এএন/এমএসআইপি