খুঁজুন
                               
শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

স্বাধীন গণমাধ্যমই গণতন্ত্রের জবাবদিহিতার প্রধান হাতিয়ার: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ৫:২১ অপরাহ্ণ
স্বাধীন গণমাধ্যমই গণতন্ত্রের জবাবদিহিতার প্রধান হাতিয়ার: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় জবাবদিহি নিশ্চিত করার অন্যতম প্রধান মাধ্যম হচ্ছে স্বাধীন গণমাধ্যম। তিনি বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের দায়িত্ব হলো জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ থাকা এবং সেই দায়বদ্ধতার পথকে সুসংহত করে একটি শক্তিশালী ও স্বাধীন গণমাধ্যম।

সোমবার (৪ মে) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করেছে এবং প্রতিনিয়ত জনগণের কাছে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে।

তিনি বলেন, সাংবাদিকতা কেবল একটি পেশা নয়; এটি দেশপ্রেম, মানবতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। অনেকেই এই পেশায় যুক্ত হন আর্থিক লাভের জন্য নয়, বরং সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে। তিনি তরুণ সাংবাদিকদের এ গুরুত্বপূর্ণ ও চ্যালেঞ্জিং পেশা বেছে নেয়ার জন্য অভিনন্দন জানান।

মন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যমকে কখনোই কোনো শিল্পগোষ্ঠী বা স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর প্রোপাগান্ডা যন্ত্রে পরিণত করা উচিত নয়। একজন সাংবাদিকের কাজ জনগণের পক্ষে কথা বলা, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর ‘পিআরও’ হিসেবে কাজ করা নয়। তিনি বলেন, “সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা, যার একমাত্র উপকারভোগী হওয়া উচিত জনগণ।”

দেশের গণমাধ্যম কীভাবে কখনো কখনো জনগণের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হয়েছে এবং সাংবাদিকতার মান ক্ষুণ্ন হয়েছে, এ বিষয়ে গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন এবং এ ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের নিজেদের ভূমিকা মূল্যায়ন করার আহ্বান জানান।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, আইনের শাসনের ক্ষেত্রে কোনো পেশাগত পরিচয় কাউকে ছাড় দিতে পারে না। যেমন কোনো সাংবাদিক অন্যায়ের শিকার হবেন না, তেমনি সাংবাদিকতার পরিচয়ে কেউ অপরাধ করলে তাকে আইনের আওতায় আসতেই হবে।

তিনি আশা করেন, তরুণদের সৃজনশীল চিন্তা ও সমালোচনামূলক দৃষ্টিভঙ্গি ভবিষ্যতে গণমাধ্যমকে আরও শক্তিশালী করবে।

অনুষ্ঠানে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির বিদায়ী ও নতুন কমিটির সদস্যবৃন্দ এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

আদ-দ্বীনে শিশু মৃত্যুর তদন্ত প্রতিবেদন জমার সময় জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
আদ-দ্বীনে শিশু মৃত্যুর তদন্ত প্রতিবেদন জমার সময় জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ঢাকার আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ৬ নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন আজ জমা দেয়নি বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল। তিনি বলেছেন, আগামী ৩ জুন তদন্তের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।

শনিবার (৩০ মে) সকালে রাজধানীর মহাখালীতে অবস্থিত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আজকে প্রতিবেদন দিতে পারছি না। আরও তিন দিন সময় দিয়েছি কমিটিকে, ৩ জুন দেওয়া হবে প্রতিবেদন। কারণ সেখানে অবস্থানরত সন্তানহারা মায়েদের বক্তব্য নেওয়া যায়নি, তাই আজ দেওয়া হচ্ছে না। তাদের বক্তব্য নিয়ে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, জানা গেছে এসি ২ ঘণ্টা বন্ধ ছিল এবং সেটা রাত ২টা থেকে ৪টা পর্যন্ত, এসময় কোনো ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থা ছিল না। প্রতিবেদনের আলোকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

গত বুধবার (২৭ মে) রাতে ময়নাতদন্ত না করাতে পরিবারের সদস্যদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ছয় নবজাতকের মরদেহ তাদের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় রমনা থানায় একজন নবজাতকের পরিবারের পক্ষ থেকে একটি অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছে।

কালের আলো/এসএকে

হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ৫:১০ অপরাহ্ণ
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু

দেশে হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনকভাবে বাড়তে থাকায় গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও আট শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। একই সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৮৬ জন শিশু।শনিবার (৩০ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ সকাল ৮টা থেকে ৩০ মে সকাল ৮টা পর্যন্ত সারা দেশে হামে এবং হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৫৮৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে পরীক্ষায় নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৯০ শিশুর। বাকি ৪৯৩ শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে।

একই সময়ে পরীক্ষায় নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৯৯৬ জনে। এছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসেছে ৬৯ হাজার ৬১২ জন।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে। বিভাগটিতে এখন পর্যন্ত হামে ও হামের উপসর্গ নিয়ে ২৫৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছেছে ৩৯ হাজার ১৬৯ জনে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের টিকাদান নিশ্চিত করা এবং দ্রুত চিকিৎসা গ্রহণের মাধ্যমে হামের ঝুঁকি কমানো সম্ভব। সংক্রমণ বৃদ্ধি ঠেকাতে অভিভাবকদের সচেতন হওয়ারও আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

জনগণকে সঙ্গে নিয়েই শহীদ জিয়ার স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে হবে : আমীর খসরু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ৪:৫২ অপরাহ্ণ
জনগণকে সঙ্গে নিয়েই শহীদ জিয়ার স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে হবে : আমীর খসরু

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ বাস্তবায়ন এবং তার স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে জনগণকে সঙ্গে নিয়েই কাজ করতে হবে।

জনগণের কল্যাণে নিবেদিত থেকে তাদের সুখ দুঃখের অংশীদার হওয়ার মধ্য দিয়েই শহীদ জিয়ার প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা জানানো সম্ভব।

শনিবার (৩০ মে) দুপুরে নগরীর কাজীর দেউরী মোড়ে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন চট্টগ্রামের উদ্যোগে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে দুঃস্থ, অসহায় ও পথচারীদের মাঝে খাবার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, আমরা আজ এমন একটি স্থানে দাঁড়িয়ে আছি, যার সঙ্গে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতি গভীরভাবে জড়িয়ে আছে। এই সার্কিট হাউসেই তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল।

কিন্তু তাকে হত্যা করেও তার আদর্শ ও দর্শনকে মুছে ফেলা যায়নি। তিনি বাংলাদেশে একদলীয় শাসনের পরিবর্তে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছিলেন।

তিনি বলেন, শহীদ জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে হলে তার আদর্শ ধারণ করতে হবে এবং জনগণের পাশে থাকতে হবে। বিএনপির নেতাকর্মীদের মনে রাখতে হবে, জনগণই দলের মূল শক্তি। তাদের স্বার্থ, চাহিদা ও প্রত্যাশাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে হবে।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, যাদের জন্য আমরা রাজনীতি করি, সেই সাধারণ মানুষকে কখনো ভুলে গেলে চলবে না। তাদের সুখ দুঃখ আমাদের ধারণ করতে হবে এবং রাষ্ট্রীয় উদ্যোগের মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠানের সভাপতি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের উদ্যোগের প্রশংসা করে তিনি বলেন, এই মানুষগুলোকে আমাদের ভুলে গেলে চলবে না। তাদের পাশে থাকতে হবে। জনগণকে সঙ্গে নিয়েই শহীদ জিয়াউর রহমানের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।

আমীর খসরু বলেন, বিএনপি একা কোনো পরিবর্তন আনতে পারবে না। দেশের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে, সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেই আমরা একটি সমৃদ্ধ, গণতান্ত্রিক ও জনকল্যাণমুখী বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব।

সভাপতির বক্তব্যে ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, শহীদ জিয়া ছিলেন একজন ক্ষণজন্মা পুরুষ। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার ঐতিহাসিক স্বাধীনতার ঘোষণা এবং সম্মুখ সমরে তার বীরোচিত অংশগ্রহণ জাতিকে স্বাধীনতা অর্জনে অনুপ্রাণিত করেছিল। পঁচাত্তর পরবর্তী এক ক্রান্তিকালে যখন জাতি দিশেহারা, ঠিক তখনই তিনি দেশের হাল ধরেছিলেন। তিনি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন এবং সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে নিরলস কাজ করে গেছেন।

তিনি বলেন, শহীদ জিয়ার প্রতিষ্ঠিত বিএনপি আজ দেশের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল। তার শাসনামলে দেশে অর্থনৈতিক মুক্তি, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তিনি খাল কাটা কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষি বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন।

পোশাক শিল্পকে বিকশিত করে গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করেছিলেন। তার বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ দেশের আপামর জনসাধারণকে এক নতুন পরিচয়ে পরিচিত করেছিল।

অনুষ্ঠানে বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ এবং সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। পরে প্রধান অতিথি ও সভাপতি উপস্থিত মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে ও মহানগর বিএনপির সদস্য মো. কামরুল ইসলামের পরিচালনায় এ কর্মসূচিতে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর।

উপস্থিত ছিলেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন চট্টগ্রামের সমন্বয়কারী অধ্যাপক ডা. জসিম উদ্দিন, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব এম এ আজিজ, শাহ আলম, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ইসকান্দার মির্জা, গাজী মো. সিরাজ উল্লাহ, আনোয়ার হোসেন লিপু, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় রিহ্যাব কমিটির সদস্য ডা. এস এম সারোয়ার আলম, মহানগর মহিলাদলের সভাপতি মনোয়ারা বেগম মনি

কোতোয়ালি থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি মন্জুর রহমান চৌধুরী, মহানগর যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশা, বাগমনিরাম ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাজী আবু ফয়েজ প্রমুখ।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি