খুঁজুন
                               
, ,
           

‘কখনও ভাবিনি আমার গায়ে কোনো দাগ লাগবে’

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৪:৩৭ অপরাহ্ণ
‘কখনও ভাবিনি আমার গায়ে কোনো দাগ লাগবে’

বাংলাদেশের কিংবদন্তী অভিনেত্রী ডলি জহুর। নিজের অভিনয় দক্ষতা দিয়ে দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সোশ্যাল মিডিয়ায় দর্শকদের নেতিবাচক মন্তব্যে নিজের গভীর ক্ষত ও আক্ষেপের কথা জানিয়েছেন এই গুণী শিল্পী।

ক্যারিয়ারের দীর্ঘ পথচলায় বরাবরই দর্শকদের অফুরান ভালোবাসা পেয়েছেন। তবে বর্তমান সময়ের সোশ্যাল মিডিয়া কালচার তাকে ভাবিয়ে তুলেছে। ডলি জহুর আক্ষেপ করে বলেন, ‘আজকাল আমার দর্শক আমাকে আর ভালোবাসে না। ভালোবাসে না বলেই পট করে একটা কমেন্ট করে এবং সেই কমেন্টে যে একটা মানুষের ভিত নড়ে যেতে পারে, সেটা তারা বুঝতে পারে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই দুঃখটা নিয়ে আমি মরবো। ৫০ বছর হলেও কি হবে? আমার আসলে এখানে বড় কষ্ট আছে। আমি আগে কখনো এটা নিয়ে ভাবিনি বা চর্চাও করতাম না। কখনও ভাবিনি যে আমার গায়ে কোনো দাগ লাগবে।’

দীর্ঘ অভিনয় জীবনে সমালোচনার মুখে পড়তে হবে এমনটা কখনো কল্পনাতেও ছিল না এই অভিনেত্রীর। তার কথায়, ‘আমি কখনও ভাবিনি যে কেউ আমাকে নেগেটিভ কোনো কথা বলবে। আল্লাহর কসম, কখনও ভাবিনি আমি। কিন্তু এটাও যে মানুষ বলে, সেটা আমি এখন বুঝতে পারছি। যাই হোক, বুঝে কোনো লাভ নেই। ভালো নাও বাসতে পারে। বয়স হলে বয়স্ক আর্টিস্টদের কেউ পছন্দ করে না, সেটাও সত্যি কথা আমাদের দেশে।’

নিজের প্রাপ্তি আর ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি বলেন, ‘৫০ বছরে অনেক প্রাপ্তি ছিল, অনেক পেয়েছি, দর্শকের ভালোবাসা পেয়েছি। আমাকে দেখার যে আগ্রহগুলো দেখতাম, ভালো লাগত। কিন্তু এখন জানি না, আমার মারা যাওয়ার পর কেউ দোয়া করবে কি না। কেউ বলবে কি না আহারে বেচারি মারা গেছে! তখন তো দেখতেও পাব না, জানতেও পারব না। যাই হোক, সেটা বাদ দাও, ওসব কথা বলে লাভ নেই।’

কালের আলো/এম/এএইচ

মানবপাচার-অনলাইন স্ক্যামের বিরুদ্ধে ‌জিরো টলারেন্স: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ২:৪৬ অপরাহ্ণ
মানবপাচার-অনলাইন স্ক্যামের বিরুদ্ধে ‌জিরো টলারেন্স: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মানবপাচার এবং প্রযুক্তিনির্ভর অনলাইন স্ক্যামের বিরুদ্ধে সরকার ‌‌‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

তিনি বলেন, ডিজিটাল প্রযুক্তির অপব্যবহার করে পরিচালিত আন্তর্জাতিক মানবপাচার ও স্ক্যাম চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার।

এ ধরনের অপরাধ মোকাবিলায় শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উদ্যোগ নয়, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি খাত এবং সচেতন সমাজকে সম্পৃক্ত করে সমন্বিত প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলা প্রয়োজন।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের গ্র্যান্ড বলরুমে ‘বিশ্ব মানবপাচার বিরোধী দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত ‘প্রতারণার ফাঁদে আটকা: জোরপূর্বক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে বাধ্য করার লক্ষ্যে মানব পাচার বন্ধ করা’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের জাতীয় সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মানবপাচারের ধরন এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি জটিল ও প্রযুক্তিনির্ভর। অপরাধী চক্রগুলো ভুয়া অনলাইন নিয়োগ প্ল্যাটফর্ম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং অন্যান্য ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে তরুণ-তরুণী ও চাকরিপ্রার্থীদের আকৃষ্ট করছে।

উন্নত চাকরি ও ভালো ভবিষ্যতের প্রলোভন দেখিয়ে বিদেশে নিয়ে গিয়ে তাদের সাইবার স্ক্যাম সেন্টারে আটকে রেখে নির্যাতন ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে জোরপূর্বক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, এ ধরনের নতুন হুমকি মোকাবিলায় প্রচলিত আইন প্রয়োগের পাশাপাশি প্রযুক্তিভিত্তিক ও বহুমাত্রিক প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।

সরকারের নেওয়া পদক্ষেপ তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ‘মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান (প্রতিরোধ ও দমন) আইন, ২০২৬’ প্রণয়ন করা হয়েছে।

জাতিসংঘের ট্রান্সন্যাশনাল অর্গানাইজড ক্রাইম কনভেনশন (UNTOC) এবং সংশ্লিষ্ট প্রটোকলের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রণীত এ আইনে অনলাইন স্ক্যাম, প্রযুক্তিনির্ভর প্রতারণা এবং জোরপূর্বক অপরাধে বাধ্য করার মতো আধুনিক অপরাধকে কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, ‘মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন বিধিমালা, ২০১৭’ যুগোপযোগী করার কাজ চলছে। একইসঙ্গে প্রতিরোধ, সুরক্ষা, বিচার ও অংশীদারিত্ব এই চারটি মূল ভিত্তিকে শক্তিশালী করতে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা (২০২৬-২০৩০) চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে।

ভুক্তভোগীদের সুরক্ষা প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, মানবপাচারের শিকার ব্যক্তিদের দ্রুত উদ্ধার, আইনি সহায়তা, শারীরিক ও মানসিক চিকিৎসা এবং পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে ন্যাশনাল রেফারেল মেকানিজম (এনআরএম) আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে। পাশাপাশি তথ্যভিত্তিক নীতিনির্ধারণ ও কেস ট্র্যাকিং নিশ্চিত করতে একটি আধুনিক ডিজিটাল পাচার প্রতিরোধ তথ্য ব্যবস্থাপনা প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হচ্ছে।

তিনি তরুণ সমাজ, নারী ও বিদেশগামী কর্মপ্রত্যাশীদের নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে গণমাধ্যম ও সুশীল সমাজের সক্রিয় ভূমিকার আহ্বান জানান।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংলাপে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. লিয়াকত আলী মোল্লা, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির, ইউরোপীয় ইউনিয়নের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স বাইবা জারিনা এবং আইওএম বাংলাদেশের চিফ অব মিশন ও জাতিসংঘের অভিবাসন নেটওয়ার্কের সমন্বয়কারী ড. লরা টম বোন্ষ্নে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. জিয়াউল হক, বিজিবির অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সোহরাব হোসেন ভূঁইয়াসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান, কূটনৈতিক কোর এবং গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

উদ্বোধনী পর্বে স্বাগত বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ। বিশ্ব মানবপাচার বিরোধী দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য তুলে ধরেন ইউএনওডিসি বাংলাদেশের প্রোগ্রাম প্রধান শাহ মোহাম্মদ নাহিয়ান।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

শারীরিক বা কোন সীমাবদ্ধতা শিশুর স্বপ্নপূরণের পথে বাধা হতে পারে না : প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ২:২৪ অপরাহ্ণ
শারীরিক বা কোন সীমাবদ্ধতা শিশুর স্বপ্নপূরণের পথে বাধা হতে পারে না : প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, শারীরিক বা অন্য যেকোনো সীমাবদ্ধতা কোনো শিশুর স্বপ্নপূরণের পথে বাধা হতে পারে না। পরিবার, বিদ্যালয়, সমাজ ও রাষ্ট্রের সম্মিলিত সহযোগিতায় প্রতিটি শিশুর মেধা ও সম্ভাবনার বিকাশ নিশ্চিত করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাজধানীর বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) অডিটোরিয়ামে ইমপ্রেস টেলিফিল্মের পরিবেশনায় আয়োজিত দুই হাতহীন, অদম্য মেধাবী তরুণী আয়েশাকে নিয়ে নির্মিত প্রামাণ্য তথ্যচিত্র ‘পায়ের ছাপ’-এর বিশেষ প্রদর্শনী ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের জীবনে সফলতার মূল চাবিকাঠি হলো অধ্যবসায়, নিয়মিত পড়াশোনা এবং আত্মবিশ্বাস। তারা যদি মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করে, তাহলে ভবিষ্যতে ডাক্তার, বিজ্ঞানী, শিক্ষক, মহাকাশচারী কিংবা দেশের সর্বোচ্চ দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তি, যা-ই হতে চায়, তা অর্জন করা সম্ভব।

তিনি বলেন, আয়েশার জীবনসংগ্রাম ও সাফল্য প্রমাণ করে যে দৃঢ় মনোবল থাকলে প্রতিকূলতাকে জয় করা যায়। তবে আমরা চাই না আয়েশার সাফল্য কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা হয়ে থাকুক। বাংলাদেশের প্রতিটি শিশু যেন তার সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করে এগিয়ে যেতে পারে, সে জন্য পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্রকে একযোগে কাজ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার এমন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে, যেখানে কোনো শিশু পিছিয়ে থাকবে না এবং সকলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত হবে।

তিনি আরও বলেন, অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে আমি জানতে পেরেছি প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে আয়েশাকে গাইবান্ধা বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজে ক্লাস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ দিয়েছেন। এটি মেধা, যোগ্যতা ও মানবিক মূল্যবোধের প্রতি সরকারের অঙ্গীকারের একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জুলহাস উদ্দিনের সভাপতিত্বে এই বিশেষ প্রদর্শনীতে তেজগাঁও অঞ্চলের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেছেন।

কালের আলো/এসএকে

লতিফ সিদ্দিকীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

আদালত প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ২:২৪ অপরাহ্ণ
লতিফ সিদ্দিকীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

রাজধানীর মতিঝিল শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে ‘হত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের’ মামলায় গ্রেফতার সাবেক বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) আদালতে হাজিরের পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ আদেশ দেন।

এর আগে ২৯ জুলাই তাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ-ডিবি।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ-ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম গ্রেপ্তারের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, রাজধানীর গুলশান থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তার বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি