খুঁজুন
                               
, ,
           

বিদ্রোহী চিরঞ্জীব

তানজিদ শুভ্র
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ৩:০৩ অপরাহ্ণ
বিদ্রোহী চিরঞ্জীব

জাগরণের গান শুনিয়ে ভাঙলে ঘুমের ঘোর,
পরাধীনতার আঁধার চিরে আনলে নতুন ভোর।
তুমি আমাদের জাতীয় কবি, দ্রোহ-প্রেমের বীর,
তোমার সুরেই শান্ত হয় যে অশান্ত সমীর।

ময়মনসিংহের ত্রিশালজুড়ে তোমার স্মৃতি ভাসে,
দরিরামপুর আজও যেন তোমার ছোঁয়ায় হাসে।
বালকবেলার সেই যে ছায়া বট-পাকুড়ের ডালে,
তোমার নামের সুর বাজে আজ ও কালের তালে।

সাম্যের গান গেয়েছো তুমি শৃঙ্খল ভাঙার গানে,
অগ্নিবীণার সুর ছুঁয়েছে কোটি বাঙালির প্রাণে।
দুঃখী জনের আপন হয়ে ঘোচালে সব ভেদাভেদ,
তোমার লেখায় মুছেছিল জাত-পাতের সব খেদ।

একশ সাতাশ বছর পেরিয়ে তুমি আজও চিরঞ্জীব,
বাঙালির বুকে জ্বলছে সদাই তোমার শিখার দীপ।
ত্রিশালজুড়ে বাজছে আজও তোমার সাম্যের গান,
বাঙালির বুকে চির অমলিন তোমার অমর প্রাণ।

এম/এএইচ

ইন্দোনেশিয়ার বিনিয়োগ বাড়াতে আহ্বান বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:২৪ অপরাহ্ণ
ইন্দোনেশিয়ার বিনিয়োগ বাড়াতে আহ্বান বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের

বাংলাদেশে ইন্দোনেশিয়ার বিনিয়োগ আরও বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. মো. মোস্তাকুর রহমান।

রোববার (৪ অক্টোবর) রাজধানীর মতিঝিলে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত লিস্টিওয়াতি সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান।

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভিত্তিতে দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ করে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বাংলাদেশে ইন্দোনেশিয়ার বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র খুঁজে বের করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

গভর্নর বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনীতি ও বিনিয়োগের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে ইন্দোনেশিয়ার বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

এ সময় দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্ক আরও ভারসাম্যপূর্ণ ও বহুমুখী করার বিষয়েও আলোচনা হয়। বাংলাদেশ থেকে ইন্দোনেশিয়ায় তৈরি পোশাক, ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী ও ওষুধসহ বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়েও মতবিনিময় করেন তারা।

ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত দুই দেশের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদারে আগ্রহ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

সাক্ষাৎকালে ইন্দোনেশিয়ার পক্ষ থেকে মিনিস্টার কাউন্সেলর ও হেড অব চ্যান্সেরি ওয়াহিউ রিয়াদি, থার্ড সেক্রেটারি (অর্থনৈতিক বিষয়ক) রবি ফিরলি হারখা এবং কর্মকর্তা সাপতো রুদিয়ান্তো উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে ডেপুটি গভর্নর মো. সরোয়ার হোসেন ও নির্বাহী পরিচালক মো. হারুন-অর-রশিদ উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

ক্রীড়া কার্ডধারীদের গণপরিবহনে ভাড়ায় ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:১৭ অপরাহ্ণ
ক্রীড়া কার্ডধারীদের গণপরিবহনে ভাড়ায় ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত

জাতীয় পর্যায়ের ক্রীড়া কার্ডধারী খেলোয়াড়দের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারি-বেসরকারি গণপরিবহনে ভাড়ায় বিশেষ ছাড় এবং স্বাস্থ্যসেবা ও বীমা সুবিধা দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রোববার (৪ অক্টোবর) যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক পর্যালোচনা সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।

সভায় জানানো হয়, ক্রীড়া কার্ডধারীদের সরকারি ও বেসরকারি গণপরিবহনে ছাড়যুক্ত ভাড়ায় যাতায়াতের ব্যবস্থা করতে কাজ করছে মন্ত্রণালয়।

পাশাপাশি খেলা চলাকালে দুর্ঘটনা, উন্নত চিকিৎসার ব্যয় ও জীবনের বিভিন্ন ঝুঁকি মোকাবিলায় ক্রীড়াবিদদের বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা, জীবনবীমা ও ঝুঁকি বীমার আওতায় আনার কার্যক্রমও দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে সরকারি ও বেসরকারি বীমা প্রতিষ্ঠানগুলো অংশীদার হিসেবে কাজ করবে।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ক্রীড়াকে সম্ভাবনাময় পেশা হিসেবে তরুণদের কাছে আকর্ষণীয় করে তোলা এবং ক্রীড়াবিদদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়ার উদ্দেশ্যে ক্রীড়া কার্ড ও ক্রীড়া ভাতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এটি শুধু পরিচয়পত্র নয়, বরং এর মাধ্যমে ক্রীড়াবিদদের বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় ও প্রাতিষ্ঠানিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার একটি সমন্বিত কাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে।

ইতোমধ্যে বিভিন্ন ইভেন্টের ৩২৫ জন নির্বাচিত জাতীয় ক্রীড়াবিদকে ক্রীড়া কার্ডের আওতায় আনা হয়েছে। এর মধ্যে প্রাথমিকভাবে ৩০০ জন নিয়মিত ক্রীড়া ভাতা পাচ্ছেন।

কার্যক্রমটি বাস্তবায়নে বাংলাদেশ রেলওয়ে, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ), ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) এবং বীমা খাতের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সভায় বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

সভায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেন, বিআইডব্লিউটিএর সদস্য মো. মোয়াজ্জেম হোসেন, ডিএমটিসিএলের পরিচালক মো. আমিনুর রহমান, জীবন বীমা কর্পোরেশনের জিএম আবু নাইম মো. মারুফ খান এবং বাংলাদেশ নৌপরিবহন মালিক সমিতির মহাপরিচালক ছিদ্দুকুর রহমান পাটোয়ারীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

বিশ্বসেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাতারে ঢাবিকে দেখতে চান রাষ্ট্রপতি

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:০৭ অপরাহ্ণ
বিশ্বসেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাতারে ঢাবিকে দেখতে চান রাষ্ট্রপতি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার মান আরও উন্নত করে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কাতারে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে বঙ্গভবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শুধু দেশের শীর্ষ বিদ্যাপীঠ নয়; দেশের রাজনীতি, ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিরও অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু। তাই বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার মান আরও উন্নত করে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এর অবস্থান শক্তিশালী করতে হবে।

সাক্ষাতে দেশের গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি নিয়েও কথা বলেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, গণতন্ত্র একটি সংস্কৃতি, যা নিয়মিত চর্চার মধ্য দিয়ে ধাপে ধাপে গড়ে ওঠে। এ জন্য অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করা জরুরি।

গণতন্ত্র কার্যকর রাখতে বিরোধীদল ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে পর্যাপ্ত পরিসর দেওয়ার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। প্রতিপক্ষ ও বিরোধীদলকে যথেষ্ট সুযোগ দেওয়াই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য বলেও মন্তব্য করেন রাষ্ট্রপতি।

সাক্ষাৎকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক একাডেমিক কার্যক্রম সম্পর্কে তাকে অবহিত করেন।

এ সময় ঢাবির আসন্ন ৫৪তম সমাবর্তনে আচার্য হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্য রাষ্ট্রপতিকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান উপাচার্য। রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রণ গ্রহণ করে সমাবর্তনে উপস্থিত থাকার আশ্বাস দেন।

সাক্ষাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এ এস এম বাহাউদ্দিন, সচিব এ জে এম সালাহউদ্দিন নাগরী ও প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি