খুঁজুন
                               
, ,
           

হামের পর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত  দেড় বছরের সেই শিশুর রামেক হাসপাতালে মৃত্যু

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ১২:৩৭ অপরাহ্ণ
হামের পর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত  দেড় বছরের সেই শিশুর রামেক হাসপাতালে মৃত্যু

হামের পর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত দেড় বছরের এক শিশু রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের আইসিইউতে মারা গেছে। শুক্রবার (৫ জুন) সকাল ১০টা ৫১ মিনিটে শিশুটি  মারা যায়। শিশুটির নাম তাইবা। বাবার নাম জাহিদুল ইসলাম। তাইবা বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান ছিল।

তাইবার উন্নত চিকিৎসার আশায় কুষ্টিয়া থেকে রাজশাহীতে ছুটে এসেছিলেন কৃষক জাহিদুল ইসলাম। বুকভরা আশা ছিল, তাইবা সুস্থ হয়ে আবার তার কোলে ফিরবে। কিন্তু সব চেষ্টা শেষ পর্যন্ত মৃত্যুর নির্মম পরিণতি ঠেকাতে পারেনি। হামের সঙ্গে লড়াইয়ের পর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ছোট্ট তাইবা মারা যায়। তার বাবা জাহিদুল ইসলামের বাড়ি কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর উপজেলার আমলা চৌধুরীপাড়া গ্রামে।

পরিবার ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত মাসের শুরুতে জ্বর ও কাশিতে আক্রান্ত হলে তাইবাকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে শরীরে লালচে ফুসকুড়ি দেখা দিলে চিকিৎসকেরা তাকে হাম হিসেবে শনাক্ত করেন। প্রায় ১২ দিনের চিকিৎসায় সুস্থ হয়ে সে বাড়ি ফিরে আসে। তখন পরিবারে স্বস্তি ফিরেছিল।

কিন্তু সেই স্বস্তি স্থায়ী হয়নি। গত ২৭ মে আবারও জ্বর ও কাশি শুরু হলে তাকে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হয়। অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ২৯ মে রাতে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

রামেক হাসপাতালে ভর্তি করার পরদিনই অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। ৩১ মে রক্ত পরীক্ষায় তার ডেঙ্গু শনাক্ত হয়। চিকিৎসকদের মতে, চলতি মৌসুমে রামেক হাসপাতালে শনাক্ত হওয়া প্রথম ডেঙ্গু রোগী ছিল সে।

ডেঙ্গু শনাক্তের পর আইসিইউতে নিবিড় চিকিৎসা চলতে থাকে। কয়েকদিন পর অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে বুধবার তাকে সাধারণ ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়। এতে পরিবারের মধ্যে নতুন করে আশা জাগে। কিন্তু সেই আশা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। ওয়ার্ডে নেওয়ার পর আবার জ্বরসহ নানা জটিলতা দেখা দেয়।

দ্রুত অবস্থার অবনতি হলে বৃহস্পতিবার পুনরায় তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। এরপর আর তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। শুক্রবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

মেয়ের মৃত্যুতে ভেঙে পড়েন বাবা জাহিদুল ইসলাম। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, একমাত্র মেয়েকে বাঁচাতে যা কিছু করার দরকার ছিল, সব করেছি। উন্নত চিকিৎসার আশায় কুষ্টিয়া থেকে রাজশাহীতে এনেছিলাম। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাকে আর বাঁচানো গেল না।

তিনি আরও জানান, শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত মেয়েকে বাঁচানোর জন্য তিনি ও তার পরিবার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন। চিকিৎসকদের পরামর্শে প্রয়োজনীয় রক্ত সংগ্রহে রাতভর বিভিন্ন জায়গায় ছুটতে হয়েছে। শিশুটির রক্তের গ্রুপ এ পজিটিভ হওয়ায় বাবা-মায়ের কারও সঙ্গে মিল না থাকায় জটিলতা তৈরি হয়। শেষ পর্যন্ত এক চাচার রক্ত দেওয়া হলেও তা তাকে ফিরিয়ে আনতে পারেনি।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, তাইবার জন্য নির্দিষ্ট রক্ত দ্রুত সংগ্রহ করা ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। সংরক্ষিত রক্ত ব্যবহার না করে তাৎক্ষণিকভাবে দাতার কাছ থেকে রক্ত নিতে হতো। এরপর সেই গরম রক্ত তাইবাকে দিতে হতো।

জাহিদুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, বৃহস্পতিবার রাজশাহীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে পরীক্ষায় ডেঙ্গু ধরা পড়েনি। তার দাবি, ভুল চিকিৎসার কারণেই তার সন্তানের মৃত্যু হয়েছে।

রামেক হাসপাতালের আইসিইউ ইনচার্জ ডা. আবু হেনা মোস্তফা কামাল বলেন, আইসিইউতে ভর্তি হওয়ার পর শিশুটির শ্বেত রক্তকণিকার মাত্রা অনেক বেশি এবং প্লাটিলেট কম পাওয়া যায়। পরে ডেঙ্গু পরীক্ষায় পজিটিভ আসে এবং চিকিৎসা শুরু করা হয়। পরবর্তীতে পরীক্ষায় ফল নেগেটিভও আসে। অবস্থার উন্নতি হওয়ায় অক্সিজেনের প্রয়োজন না থাকায় তাকে সাধারণ ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়েছিল।

তবে সেখানে গিয়ে কেন আবার অবনতি হলো, তা স্পষ্ট নয়। পরে দ্রুত তাকে পুনরায় আইসিইউতে নেওয়া হয় এবং লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

রামেক হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. শংকর কুমার বিশ্বাস বলেন, চলতি মৌসুমে হাসপাতালে এ পর্যন্ত তিনজন ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে দু-একজন করে রোগী আসছেন। রোগীর সংখ্যা বাড়লে তাদের জন্য আলাদা ডেঙ্গু কর্নার চালুর প্রস্তুতি রয়েছে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা তৈরি ও গবেষণায় সরকারের প্রাধান্য: মাহ্দী আমিন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৮:০৭ অপরাহ্ণ
কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা তৈরি ও গবেষণায় সরকারের প্রাধান্য: মাহ্দী আমিন

Oplus_131072

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস স্মরণ করিয়ে দিয়ে নবাগত শিক্ষার্থীদের আধুনিক কৃষি, গবেষণা ও প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্ভাবনের মাধ্যমে দেশকে স্বনির্ভর করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ড. মাহ্দী আমিন।

রোববার (২৬ জুলাই) দুপুরে শেকৃবির ছাত্র-শিক্ষক অডিটোরিয়ামে আয়োজিত লেভেল-১, সেমিস্টার-১ শ্রেণির নবাগত শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

ড. মাহদী আমিন বলেন, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শুধু দেশের কৃষির প্রোডাক্টিভিটি বাড়ানো বা গবেষণাতেই ভূমিকা রাখেনি, বরং বিশ্বদরবারেও এর এলামনাইদের অনবদ্য অবদান রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচারের ভিত্তিতে স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার যে লক্ষ্য নির্ধারিত হয়েছে, সেখানে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে।

বর্তমান সরকারের কৃষিবান্ধব নীতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র পাঁচ মাসের মধ্যে প্রথম কেবিনেট বৈঠকেই ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদসহ মওকুফ করেছে। সারাদেশে ‘কৃষক কার্ড’ চালু করা হয়েছে, এর মাধ্যমে কৃষকরা সুলভ মূল্যে বীজ, সার, কীটনাশক ও আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি পাওয়ার সুবিধা পাচ্ছেন।

কৃষি পণ্যের সঠিক বাজারজাতকরণ ও প্রসেসিংয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে ফল ও সবজি নষ্ট হওয়া রোধে এবং ঢাকায় দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে দক্ষ সাপ্লাই চেইন গড়ে তোলা জরুরি। আম থেকে চাটনি কিংবা টমেটো থেকে সস তৈরি এমন ভ্যালু এডিশন বা বহুমুখী পণ্য উৎপাদনের মাধ্যমে একদিকে যেমন অপচয় কমবে, অন্যদিকে রপ্তানিমুখী শিল্পের নতুন সুযোগ তৈরি হবে।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি আশ্বাস দেন যে, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার তরুণদের আকাঙ্ক্ষা ও মেধার মূল্যায়ন করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যে শিক্ষার্থীরা গবেষণায় নামতে চায় কিংবা কৃষি উদ্যোক্তা হতে চায়, তাদের প্রয়োজনীয় অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত সব সহযোগিতা সরকার দেবে।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আনিছুর রহমান এবং সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য সানজিদা ইসলাম তুলি।

শেকৃবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল লতিফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপ-উপাচার্য ড. মো. বেলাল হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মুহাম্মদ আবুল বাশারসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও নবাগত শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসএকে

হরমুজে নৌমাইনের আঘাতে তেলবাহী জাহাজে বিস্ফোরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৮:০২ অপরাহ্ণ
হরমুজে নৌমাইনের আঘাতে তেলবাহী জাহাজে বিস্ফোরণ

হরমুজ প্রণালিতে নৌ-মাইনে ধাক্কা খেয়ে একটি তেলবাহী ট্যাংকারে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেহরান-অনুমোদিত নির্ধারিত রুট থেকে সরে যাওয়ার পর জাহাজটি মাইনের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

তবে এ ঘটনায় এখনো ইরানি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ইরানি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় ছাড়াই হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার সময় ট্যাংকারটি বিস্ফোরণের শিকার হয়।

তাসনিমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরানের সামরিক বাহিনীর নির্ধারিত নৌপথ থেকে বিচ্যুত হওয়ার পর তেলবাহী জাহাজটি একটি নৌমাইনে আঘাত করে। এর ফলেই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এর আগে ইরান একাধিকবার সতর্ক করেছিল যে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোকে ইরানি কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত রুট অনুসরণ করতে হবে। নির্ধারিত পথ থেকে সরে গেলে এর দায় সংশ্লিষ্ট জাহাজকেই নিতে হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছিল।

এর আগে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) কয়েকটি জাহাজ আটক ও হামলার ঘটনার পর জানিয়েছিল, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল করতে ইচ্ছুক সব জাহাজকে ইরানি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে। পাশাপাশি ইরান নির্ধারিত নৌপথ ব্যবহারের বাধ্যবাধকতার কথাও উল্লেখ করা হয়েছিল।

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হিসেবে পরিচিত হরমুজ প্রণালিতে এ ধরনের ঘটনা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করতে পারে।

কালের আলো/এসএ

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে ২ সাংবাদিক ও ২৫ অভিনয়শিল্পীর বিরুদ্ধে অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৭:৫০ অপরাহ্ণ
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে ২ সাংবাদিক ও ২৫ অভিনয়শিল্পীর বিরুদ্ধে অভিযোগ

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে দুই সাংবাদিক ও ২৫ জন নাট্যব্যক্তিত্ব এবং অভিনয়শিল্পীর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে উসকানি, সহযোগিতা ও প্ররোচনার অভিযোগ জমা দিয়েছে রাষ্ট্রসংলাপ ফোরাম নামে একটি সংগঠন। রোববার ট্রাইব্যুনালে এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়।

অভিযোগে যাঁদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে সাংবাদিক আনিস আলমগীর ও সোমা ইসলাম রয়েছেন।

এছাড়া অভিনয়শিল্পী ও সংস্কৃতি অঙ্গনের ২৫ জনের মধ্যে রয়েছেন কারাবন্দী সাবেক সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, সাবেক সংসদ সদস্য ফেরদৌস আহমেদ, অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন, অভিনেতা রিয়াজ আহমেদ, অরুণা বিশ্বাস, শমী কায়সার, রোকেয়া প্রাচী, মাহিয়া মাহি, নিপুণ আক্তার, তানভীন সুইটি, হৃদি হক, জ্যোতিকা জ্যোতি, সাজু খাদেম, সোহানা সাবা, পিয়া জান্নাতুল, শামীমা তুষ্টি, আশনা হাবীব ভাবনা, সাইমন সাদিক, সুজাতা আজিম, জায়েদ খান, আজিজুল হাকিম, চন্দন রেজা, মারিয়া কিসপট্টা, শান্তা ফারজানা, মোবিন মেহেদী এবং হিরো আলম।

অভিযোগ জমা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন রাষ্ট্রসংলাপ ফোরামের সদস্যসচিব আল নূর মোহাম্মদ আয়াস। তিনি দাবি করেন, অভিযোগে উল্লিখিত ব্যক্তিরা জুলাই গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে প্ররোচনা, সহযোগিতা ও উসকানি দিয়েছেন। এ ঘটনায় নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও আইনানুগ তদন্তের দাবি জানান তিনি।

এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, তাঁর কার্যালয়ে একটি লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে। তবে অভিযোগের বিস্তারিত বিষয়বস্তু তিনি তখনও পর্যালোচনা করেননি। তিনি জানান, নিয়ম অনুযায়ী অভিযোগটি তদন্ত সংস্থার কাছে পাঠানো হবে এবং তদন্ত সংস্থা বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

উল্লেখ্য, অভিযোগ দাখিল করা মানেই অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে—এমনটি নয়। তদন্ত শেষে প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতেই পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

কালের আলো/এসএ