খুঁজুন
                               
রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

কর্মমুখী শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সংসদীয় সভায় ৭ মন্ত্রণালয়ের কাজের মূল্যায়ন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ৮:০২ অপরাহ্ণ
কর্মমুখী শিক্ষায় জোর প্রধানমন্ত্রীর, সংসদীয় সভায় ৭ মন্ত্রণালয়ের কাজের মূল্যায়ন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদ ভবনে সরকারদলীয় সংসদ সদস্যদের এক গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সাত মন্ত্রণালয়ের কাজের মূল্যায়ন করা হয়।

শনিবার (৬ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের সরকারি দলের সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভা সূত্রে জানা যায়, গুরুত্বপূর্ণ এই সংসদীয় সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সভা শেষে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নুরুল ইসলাম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। তিনি জানান, পার্লামেন্টারি ক্যাবিনেট মিটিংয়ে সাতটি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীরা তাদের গত এক মাসের কাজকর্ম, বিদ্যমান সমস্যা এবং তার সমাধানে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে— সেই বিষয়গুলো তুলে ধরেছেন।

চিফ হুইপ বলেন, শিক্ষামন্ত্রী আমাদের জানিয়েছেন যে কারিকুলামের ভুল-ত্রুটিগুলো সংশোধন করে তা আপডেট করা হচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন, যে শিক্ষা কর্মমুখী নয়, যে শিক্ষা মানুষকে কাজ শেখাতে পারে না এবং বিদেশে গিয়ে কিছু করতে পারে না, তা আসলে আমাদের কোনো কাজে আসে না।

তাই কারিকুলামে কর্মমুখী শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
এছাড়া একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি ফি দুই থেকে তিন হাজার টাকা কমানো হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, যারা অতিরিক্ত ফি দাবি করবে বা আদায় করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্বাস্থ্য খাতের আলোচনা প্রসঙ্গে মো. নুরুল ইসলাম জানান, ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুতি এবং হাম প্রতিরোধে দেশব্যাপী সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া উপজেলা পর্যায়ে চিকিৎসকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করছে বলে সভায় জানানো হয়।

চিফ হুইপ জানান, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে এক হাজার কিলোমিটার নতুন রাস্তার টেন্ডার করেছে। প্রধানমন্ত্রী এক্ষেত্রে কম খরচে এবং দুর্নীতিমুক্তভাবে কাজ সম্পন্ন করার কড়া নির্দেশ দিয়েছেন।

ঢাকা ও ঢাকার বাইরে বিকেএসপির শাখা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা এবং যুবকদের প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়ে সভায় আলোচনা হয়েছে। নারী ও শিশুদের উন্নয়নের বিষয়েও কিছু পদক্ষেপের কথা জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর টার্মিনালের উন্নয়ন এবং তিস্তা ব্যারেজ ইস্যু নিয়ে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় তাদের কাজের বিবরণ দেয়। চিফ হুইপ বলেন, বাংলাদেশ যে একটা পানির শূন্যতায় ভুগছিল, তার থেকে আমরা বেরিয়ে আসছি। আমরা আশা করছি পানির ব্যাপারে বাংলাদেশ ভালো একটা অবস্থায় যাবে।

বিদ্যুৎ খাতের বিষয়ে চিফ হুইপ জানান, বিপুল সংখ্যক মানুষকে নতুন করে বিদ্যুতের আওতায় আনা হয়েছে এবং দামের ক্ষেত্রে কিছু সমন্বয়ের কথা বলা হয়েছে।

দ্রব্যমূল্য ও ডলার সংকট নিয়ে বিগত সরকারের কড়া সমালোচনা করেন মো. নুরুল ইসলাম। তিনি বলেন, বিগত সরকার যখন চলে যায়, আপনাদের নিশ্চয়ই মনে আছে তারা ডলারের দাম বাড়িয়ে দিয়ে গিয়েছিল। ৮৬ টাকার ডলার তারা ১১৯ বা ১২০ টাকা করেছিল। প্রায় ৩৫-৪০ শতাংশ ডলারের দাম বাড়ার কারণেই স্বাভাবিকভাবে বিভিন্ন জিনিসের দাম বেড়েছে। আমরা চেষ্টা করছি এগুলো নিয়ে কাজ করতে এবং মানুষের কষ্ট লাঘব করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

৩০ বছর পর ধলা আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শনে সমাজকল্যাণমন্ত্রী, উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি

মোঃ শামসুল আলম খান, কালের আলো:
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ৯:৪২ অপরাহ্ণ
৩০ বছর পর ধলা আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শনে সমাজকল্যাণমন্ত্রী, উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি

ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার ধলায় অবস্থিত সরকারি ভবঘুরে ও পুনর্বাসন আশ্রয়কেন্দ্র দীর্ঘদিনের অবকাঠামোগত ও সেবামূলক সংকটসহ নানা অভিযোগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে আশ্রয়কেন্দ্রটি পরিদর্শন করেছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডাঃ এজেডএম জাহিদ হোসেন। দীর্ঘ তিন দশক পর কোনো মন্ত্রী সরেজমিনে পরিদর্শন করায় প্রশংসায় ভাসছেন বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শুক্রবার (৫ জুন) সমাজকল্যাণমন্ত্রী আশ্রয়কেন্দ্রটি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন এবং সেখানে অবস্থানরত শিশু-কিশোর ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন। পরিদর্শনকালে তিনি কেন্দ্রের বিভিন্ন সমস্যা, সীমাবদ্ধতা ও জরুরি চাহিদা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য নেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ত্রিশালের ধলায় অবস্থিত এই সরকারি পুনর্বাসন কেন্দ্রটি দীর্ঘদিন ধরে পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ অবকাঠামো নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা, পানির লাইন এবং বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবস্থার মতো মৌলিক সেবাগুলো অনেক ক্ষেত্রেই পুরোনো ও অকার্যকর হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি আবাসন ও প্রশাসনিক ভবনের অবস্থাও জরাজীর্ণ হওয়ায় দৈনন্দিন কার্যক্রমে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিচ্ছে।

আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা একাধিক নিবাসী জানান, দীর্ঘ সময় পর কোনো মন্ত্রীর আগমন করায় আমরা ব্যাপক খুশি। দীর্ঘদিন ধরে আমরা অনেক সমস্যার মধ্যে আছি।”

পরিদর্শন শেষে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডাঃ এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে আমরা আজকে এই অবহেলিত আশ্রয় কেন্দ্রটিতে পরিদর্শনে এসেছি। আশ্রয় কেন্দ্রটির বিদ্যমান সমস্যা দ্রুত সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক রাজু আহমেদ, ত্রিশাল উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক এনামুল হক ভূইয়া, আশ্রয়কেন্দ্রের কর্মকর্তাসহ প্রমুখ।

কালের আলো/এম/এএইচ

অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আরএমপি কমিশনারের মতবিনিময়

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ৯:৩২ অপরাহ্ণ
অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আরএমপি কমিশনারের মতবিনিময়

রাজশাহী মহানগরীর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, মাদক ও ছিনতাই নিয়ন্ত্রণ এবং অপরাধ দমনে অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে মতবিনিময় সভা করেছে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি)।

শনিবার বেলা ১২টায় আরএমপি সদর দপ্তরের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির।

সভায় মহানগরীর সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার, অপরাধ প্রতিরোধ এবং কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম আরও কার্যকর করার বিষয়ে আলোচনা হয়। এ সময় অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের দীর্ঘ কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা বর্তমান পুলিশিং কার্যক্রমে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তারা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, মাদক ও ছিনতাই নিয়ন্ত্রণ এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। পাশাপাশি কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রমে তাদের সম্পৃক্ত করারও আহ্বান জানান।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন আরএমপি’র উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর), উপ-পুলিশ কমিশনার (ফোর্স), বিশেষ পুলিশ সুপার (সিটিএসবি), আরএমপি’র মুখপাত্র ও উপ-পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড সিটিটিসি), অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) এবং রাজশাহীর অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তারা।

সভা শেষে ভবিষ্যতে সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন অংশগ্রহণকারীরা।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

রাত পোহালেই বিসিবি নির্বাচন

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ৮:৫৬ অপরাহ্ণ
রাত পোহালেই বিসিবি নির্বাচন

রাত পোহালেই বিসিবি নির্বাচন। আগামীকাল রোববার মিরপুর শেরে-ই বাংলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে ভোটগ্রহণ। সকাল দশটা থেকে শুরু হয়ে যা চলবে বিকেল চারটা পর্যন্ত। এরপর সন্ধ্যায় জানা যাবে ফলাফল। যদিও নির্বাচন নিয়ে খুব একটা উত্তাপ দেখা যাচ্ছে না।

গেল ২৫ মে জানা গিয়েছিল নির্বাচনের জন্য চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকাও। যেখানে জেলা ও বিভাগীয় থেকে প্রার্থী রয়েছেন ১২ জন, নির্বাচিত হবেন ১০ জন। চট্টগ্রাম থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিসিবি পরিচালক হতে যাচ্ছেন মিনহাজুল আবেদিন নান্নু এবং মঈন উদ্দিন।

বিসিবির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, সিলেট, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগ থেকে এক জন করে পরিচালক নির্বাচিত হবেন। এই ৩ বিভাগ থেকে মনোনয়ন দাখিলই করেছেন এক জন করে। ঢাকা বিভাগ থেকে ২ জনের বিপরীতে ৩ জন মনোনয়ন দাখিল করলেও যাচাই বাছাইয়ে বাদ পড়েন একজন। ফলে ঢাকা বিভাগের দুই পরিচালকও নির্ধারিত হয়ে গেছে।

জেলা বিভাগ থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন- সিলেট বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার কাউন্সিলর আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরি, বগুড়া জেলা ক্রীড়া সংস্থার কাউন্সিলর মীর শাকরুল আলম সীমান্ত, ঠাঁকুরগাও জেলা ক্রীড়া সংস্থার মির্জা ফয়সল আমীন। ঢাকা বিভাগ থেকে নির্বাচিত হয়েছেন- সাইদ বিন জামান এবং এস এম আব্দুল্লাহ আল ফুয়াদ।

খুলনা বিভাগ থেকে নির্বাচনে লড়বেন শফিকুল আলম, শান্তনু ইসলাম এবং আব্দুস সালাম। এই বিভাগ থেকে নির্বাচিত হবেন ২ জন, যেখানে এগিয়ে শফিকুল এবং শান্তনু। বরিশাল থেকে নির্বাচনে লড়বেন ২ জন- মিজানুর রহমান, মুনতাসির আলম চৌধুরি। নির্বাচিত হবেন একজন, এগিয়ে এখানে মিজানুর।

ক্যাটাগরি-৩ থেকে একাই মনোনয়ন দাখিল এবং বৈধতা নিয়ে পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন সিরাজউদ্দিন মোঃ আলমগীর।

এ দিকে ঢাকার ক্লাব থেকে মনোনয়ন তোলা ও মনোনয়ন প্রত্যাহার শেষে ১৬ জনের প্রার্থীতা বহাল রয়েছেন। তারা হলেন- তামিম ইকবাল (ওল্ডডিওএইচএস), ফাহিম সিনহা (আবাহনী), মাসুদুজ্জামান (মোহামেডান), রফিকুল ইসলাম বাবু (ইন্দিরা রোড ক্রীড়া চক্র), সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ (ফেয়ার ফাইটার্স), ইসরাফিল খসরু (এক্সিয়ম ক্রিকেটার্স), মীর্জা ইয়াসির আব্বাস (আজাদ স্পোর্টিং), শানিয়ান তানিম (মেরিনার্স ইয়াংস), আমজাদ হোসেন (ট্রাই স্টেট ক্রিকেটার্স), সৈয়দ বোরহানুল হোসেন পাপ্পু (তেজগাঁ ক্রিকেট একাডেমি), সাকিফ আহমেদ সালাম (পূর্বাচল স্পোর্টিং ক্লাব), আসিফ রাব্বানী (শাইনপুকুর), ফায়াজুর রহমান মিতু (উত্তরা ক্রিকেট ক্লাব) অধ্যাপক ড. সরকার মাহবুব হোসেন শামিম (ঢাকা ওয়ান্ডরার্স ক্লাব), মেজর ইমরোজ (কাঠালবাগান ক্রিসেন্ট ক্লাব), ইয়াসির মোহাম্মদ ফয়সাল আশিক (ধানমন্ডি স্পোর্টস ক্লাব)।

এই ক্যাটাগরিতে এগিয়ে রয়েছেন তামিম ইকবাল, মাসুদুজ্জামান, রফিকুল ইসলাম বাবু, ইয়াসির আব্বাস, ইসরাফিল খসরু, সাঈদ ইব্রাহিম, শাহনিয়ান তানিম, ফাহিম সিনহা, ইয়াসির ফয়সাল, আসিফ রাব্বানি, ডা: মাহবুব শামীম, ফায়াজুর রহমান।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি