খুঁজুন
                               
, ,
           

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ জিতে বাংলাদেশের ইতিহাস

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬, ৯:৪০ অপরাহ্ণ
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ জিতে বাংলাদেশের ইতিহাস

ক্রিকেটের দুনিয়ায় অন্যতম পরাশক্তি অস্ট্রেলিয়া। সেই অস্ট্রেলিয়াকে সিরিজ হারিয়েই আজ ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। ঘরের মাঠে অজিদের বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথমটিতে সহজ জয়ে লিড নিরেছিল টাইগাররা। আজ দ্বিতীয় ম্যাচে জিতে সিরিজ জয় নিশ্চিত করেছে লাল-সবুজের দল। হলুদ জার্সিধারীদের বিপক্ষে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের প্রথম সিরিজ জয় এটিই।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের এই ঐতিহাসিক জয় এলো বৃষ্টির বাধা উপেক্ষা করেই। আগে ব্যাট করতে নেমে অল আউটের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছিল অজিরা। ৪২ ওভারে ৮ উইকেটে ১৮৭ রান করতেই নামে বৃষ্টি। এরপর লম্বা সময় খেলা বন্ধ থাকার পর বিকাল ৫.১৫ মিনিটে যখন ম্যাচ আবার মাঠে গড়ায় ততক্ষণে শুরু হয়েছে ওভার কর্তন। ফলে অজিরা আর ব্যাট করতে নামতে পারেনি। ৪১ ওভারে নেমে আসে ম্যাচ, বাংলাদেশের লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৯২। সে লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতে হোঁচট খেলেও সৌম্য সরকার ও নাজমুল শান্তর ৪২ রানের ইনিংসের পর তাওহিদ হৃদয়-মেহেদি মিরাজ জুটিতে ৩৫ ওভারেই ৫ উইকেটের জয় নিশ্চিত করে টাইগাররা।

১৯২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। প্রথম ওভারের দ্বিতীয় বলেই সাজঘরের পথ ধরতে হয় তানজিদ তামিমকে। বাংলাদেশি এই ওপেনার ২ বলে ০ রান করে ফিরেন জাভিয়ের বার্টলেটের বলে। শুরুতেই এক ওপেনারকে হারিয়ে তাই চাপে পড়ে বাংলাদেশ।

তবে বৃষ্টি ভেজা মাঠে এরপর আরেক ওপেনার সৌম্য সরকারকে সঙ্গে নিয়ে চাপ সামলে নেন নাজমুল শান্ত। দুজন মিলে দেখেশুনে খেলে অজি বোলারদের বিপক্ষে জুটি গড়েন।

শান্ত-সৌম্যর দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে স্কোরবোর্ডে ওঠে ৮৬ রান। সৌম্য ছিলেন ব্যক্তিগত অর্ধশতকের পথে। তবে ফিফটি থেকে ৮ রান দূরে থাকতেই ফিরতে হয় তাকে। ৪৭ বলে ৪২ রান করে ম্যাট রেনশর বলে আউট হন তিনি। দলীয় ৮৬ রানে সৌম্য ফেরার পর ক্রিজে শান্তর সঙ্গী হন লিটন দাস।

তবে লিটনের সঙ্গে বড় জুটি গড়া হয়নি শান্তর। এ জুটিতে স্কোরবোর্ডে ১২ রান ওঠতেই ব্যক্তিগত ৪২ রান করে আউট হন শান্ত। এরপর ক্রিজে হৃদয় লিটনের সঙ্গী হলেও জুটি বড় হয়নি। ব্যক্তিগত ২১ রানেই সাজঘরের পথ ধরেন লিটন। দলীয় ১২২ রানে লিটন ফেরার পর ১৪৪ রানে আউট হন আগের ম্যাচে দুর্দান্ত ইনিংস খেলা মোসাদ্দেক।

দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারালেও ষষ্ঠ উইকেটে হৃদ্যয়-মিরাজের জুটিতে নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের জয়। অজি বোলারদের বিপক্ষে এরপর আর কোনো ভুল করেননি মিরাজ-হৃদয়। দুজন মিলে দেখেশুনে খেলেন ৫১ রানের অপরাজিত জুটি। এই জুটিতেই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ নিশ্চিত করে টাইগাররা। মিরাজ অপরাজিত ছিলেন ২২ রানে, হৃদয় অপরাজিত ছিলেন ৪০ রানে।

এর আগে মিরপুরে টস জিতে আজ ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক জশ ইংলিস। সিরিজের প্রথম ম্যাচে টস জিতেও ফিল্ডিং বেছে নিয়েছিলেন তিনি, কিন্তু বৃষ্টি আইনে ৮৬ রানে হারের পর আজ সিদ্ধান্ত বদলালেন। তবে ভাগ্য তার সহায় হলো না। সফরকারীদের শুরুটা হয়ে গেল রূপকথার বিপরীত গল্পের মতো।

মাত্র তিন ওভারের মধ্যে অস্ট্রেলিয়া হয়ে গেল ০ রানে ৩ উইকেট। ওয়ানডে ক্রিকেটের ইতিহাসে এ যেন এক অবিশ্বাস্য দুঃস্বপ্ন। অজিদের ৮৮২টি ওয়ানডে ম্যাচের দীর্ঘ পথচলায় মাত্র দু’বারই দুই ওপেনার শূন্য রানে আউট হয়েছিলেন ২০০৬ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ২০২২ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে। বাংলাদেশের মাটিতে এসে সেই বিরল লজ্জার তৃতীয়বার ঘটল।

কিন্তু এখানেই শেষ নয়। শূন্য রানে তিন উইকেট হারানোর ঘটনা অস্ট্রেলিয়ার এক হাজারেরও বেশি ওয়ানডে ইতিহাসে এই প্রথম। আগে সবচেয়ে খারাপ অবস্থায়ও তারা তিন উইকেট হারিয়েছিল ৫ রানে। বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই ০ রানে ৩ উইকেট হারানোর লজ্জা পেয়েছে তারা। এরপর কিছুটা সামলে নিলেও বৃষ্টির জন্য খেলা বন্ধের আগে তারা ৪২ ওভারে করতে পারে ৮ উইকেটে ১৮৭ রান।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাবাহিনী প্রধান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ১২:৫৮ পূর্বাহ্ণ
তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাবাহিনী প্রধান

তুরস্কে পাঁচ দিনের সরকারি সফর শেষে শনিবার (২৫ জুলাই) দেশে ফিরেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, সফরকালে সেনাবাহিনী প্রধান তুরস্কের জাতীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াসার গুলের, তুর্কি জেনারেল সেলচুক বায়রাকতারোগলু, তুর্কি ল্যান্ড ফোর্সের কমান্ডার জেনারেল মেটিন টোকেল এবং ইস্তাম্বুল নেভাল শিপইয়ার্ডের পরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল রেসেপ এরডিনক ইয়েটকিন-এর সঙ্গে আলাদা বৈঠক করেন।

এছাড়াও তিনি তুরস্কের ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রি এজেন্সির প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠক করেন। তার্কিশ ল্যান্ড ফোর্সের সদরদপ্তর পরিদর্শনকালে সেনাবাহিনী প্রধানকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, সামরিক প্রশিক্ষণ, প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে ফলপ্রসূ মতবিনিময় হয়।

উভয় পক্ষই ভবিষ্যতে দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে পেশাগত সম্পর্ক, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেন।

সফরের অংশ হিসেবে সেনাবাহিনী প্রধান তুরস্কের শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন প্রতিরক্ষা শিল্প ও সামরিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে তিনি এসব প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন ব্যবস্থা, গবেষণা ও উন্নয়ন, অত্যাধুনিক প্রযুক্তি, উদ্ভাবনী কার্যক্রম, প্রতিরক্ষা উৎপাদন সক্ষমতা এবং ভবিষ্যৎ প্রযুক্তি উন্নয়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত হন।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের মাধ্যমে পারস্পরিক সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্রসমূহ নিয়েও আলোচনা করেন।

সেনাবাহিনী প্রধানের এ সফর বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি প্রতিরক্ষা শিল্প, সামরিক প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ এবং সক্ষমতা উন্নয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সফরকালে তুরস্কে সেনাবাহিনী প্রধান সেদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম রাষ্ট্রপতি মুস্তাফা কামাল আতাতুর্কের সমাধিসৌধ আনিতকাবির-এ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

ছাত্র ইউনিয়ন থেকে মেঘমল্লার বসুর পদত্যাগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ১২:২৮ পূর্বাহ্ণ
ছাত্র ইউনিয়ন থেকে মেঘমল্লার বসুর পদত্যাগ

বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির শিক্ষা ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মেঘমল্লার বসু পদত্যাগ করেছেন। একই সঙ্গে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি মাঈন আহমেদের পদত্যাগপত্রও গ্রহণ করা হয়েছে। এ ছাড়া একই প্রেক্ষাপটে কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সভাপতি নাজিফা জান্নাতকে ছাত্র ইউনিয়নের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শিমুল কুম্ভকারের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মেঘমল্লার বসু ও মাঈন আহমেদ সম্প্রতি দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ায় তারা ছাত্র ইউনিয়নের দায়িত্ব থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন।

একই সঙ্গে দুটি রাজনৈতিক সংগঠনের নীতিনির্ধারণী দায়িত্ব পালন করলে সাংগঠনিক মতদ্বৈততা বা স্বার্থের সংঘাত (কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট) তৈরি হতে পারে, যা উভয় সংগঠনের কার্যক্রম ও দায়বদ্ধতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে তারা পদত্যাগপত্রে উল্লেখ করেন।

ছাত্র ইউনিয়ন জানায়, তাদের পদত্যাগের কারণ ও বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থান পর্যালোচনা করে কেন্দ্রীয় কমিটি পদত্যাগপত্র গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একই ধরনের সাংগঠনিক বাস্তবতার কারণে কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সভাপতি নাজিফা জান্নাতকেও সংগঠনের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সংগঠনের আদর্শ, নীতি ও সাংগঠনিক স্বচ্ছতা বজায় রাখার স্বার্থেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ছাত্র ইউনিয়নের সাংগঠনিক কাঠামো অনুযায়ী, একই সময়ে একাধিক রাজনৈতিক সংগঠনের নীতিনির্ধারণী দায়িত্ব পালন সংগঠনের নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

ছাত্র ইউনিয়ন বিদায়ী নেতাদের সাংগঠনিক অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাদের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত জীবনের সাফল্য কামনা করেছে।

একই সঙ্গে সংগঠনটি জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে শিক্ষার অধিকার, অসাম্প্রদায়িকতা, গণতন্ত্র, সাম্রাজ্যবাদবিরোধী সংগ্রাম এবং বৈষম্যহীন সমাজতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার যে আদর্শ নিয়ে তারা কাজ করে আসছে, ভবিষ্যতেও সেই লক্ষ্য অর্জনে একই দৃঢ়তা নিয়ে আন্দোলন-সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।

কালের আলো/এএএন/এমএসআইপি 

উত্তরের ৬ জেলার নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, দিলেন নির্দেশনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ১২:১৪ পূর্বাহ্ণ
উত্তরের ৬ জেলার নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, দিলেন নির্দেশনা

সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পর ইতোমধ্যে কেটে গেছে পাঁচ মাস। সরকারি কাজে ব্যস্ত থাকায় সংগঠনের দিকে তেমন মনোযোগ দিতে পারেননি বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এবার তিনি মনোযোগ দিয়েছেন সাংগঠনিক কাজে। ধারাবাহিকভাবে বসছেন বিভিন্ন অঞ্চলের নেতাদের সঙ্গে।

ধারাবাহিক বৈঠকের অংশ হিসেবে এবার রংপুর বিভাগের মাঠ পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (২৫ জুলাই) সন্ধ্যায় গুলশানে চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বলেন, এটা  একটি ধারাবাহিক বৈঠক। তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে শক্তিশালী রাখতেই এই মতবিনিময় সভা করছেন দলের চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান। তিনি তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনের খোঁজ-খবর নিচ্ছেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দিচ্ছেন।

বৈঠকে রংপুর মহানগর, রংপুর, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, লালমনিরহাট জেলার নেতারা অংশ নেন। দলের প্রধান তারেক রহমান তাদের কথা শোনেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

বৈঠকে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হাবিব দুদু, সহ-সাংগঠনিক সস্পাদক আবদুল খালেক উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত ২০ জুলাই  দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড় জেলার তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে এমন বৈঠক করেছিলেন তারেক রহমান।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি