খুঁজুন
                               
, ,
           

বাজেটের সাফল্য নির্ভর করবে বাস্তবায়নের ওপর: সিপিডি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ২:৪৭ অপরাহ্ণ
বাজেটের সাফল্য নির্ভর করবে বাস্তবায়নের ওপর: সিপিডি

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটের সাফল্য এর আকার বা উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যমাত্রার ওপর নয়, বরং কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করবে বলে মনে করে গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)।

সংস্থাটি বলছে, বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় প্রস্তাবিত বাজেট নতুন সরকারের জন্য অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং কাঠামোগত সংস্কার এগিয়ে নেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। তবে কাঙ্ক্ষিত সুফল পেতে হলে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান ও বাস্তবায়ন সক্ষমতা নিশ্চিত করতে হবে।

শুক্রবার (১২ জুন) রাজধানীর লেকশোর হোটেলে আয়োজিত ‘জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭: সিপিডির পর্যালোচনা’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এ মতামত তুলে ধরেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন।

অনুষ্ঠানে সিপিডির ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান, জ্যেষ্ঠ গবেষণা সহকারী তামিম আহমেদসহ প্রতিষ্ঠানের অন্য গবেষকরা উপস্থিত ছিলেন।

ফাহমিদা খাতুন বলেন, এটি নতুন সরকারের প্রথম বাজেট এবং এমন এক সময়ে উপস্থাপিত হয়েছে, যখন দেশের অর্থনীতি বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। গত প্রায় চার বছর ধরে উচ্চ মূল্যস্ফীতি অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি দুর্বল হয়ে পড়েছে, ব্যক্তি খাতের বিনিয়োগ আশানুরূপ নয়, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে না, রাজস্ব আহরণে ঘাটতি রয়েছে এবং ব্যাংকিং খাতও নানা দুর্বলতায় আক্রান্ত।

তিনি বলেন, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ পরিস্থিতি কিছুটা উন্নত হলেও জ্বালানি সংকট এখনো অর্থনীতির জন্য বড় উদ্বেগের বিষয়। এই বাস্তবতায় বাজেটকে মানবিক, গণতান্ত্রিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সিপিডির মতে, প্রস্তাবিত বাজেটের মূল দর্শন হলো মানব উন্নয়ন, বেসরকারি খাতনির্ভর প্রবৃদ্ধি এবং সামাজিক সুরক্ষার মাধ্যমে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার নিশ্চিত করা। ভৌত অবকাঠামোর পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং জনকল্যাণমূলক খাতেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সংস্থাটি মনে করে, বাজেটের এই দৃষ্টিভঙ্গি অনেক ক্ষেত্রে বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। বিশেষ করে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, বেসরকারি বিনিয়োগে উৎসাহ, ব্যবসাবান্ধব নীতি গ্রহণ, নিয়ন্ত্রণমুক্তকরণ এবং সামাজিক খাতের উন্নয়নের মতো বিষয়গুলোতে মিল রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে সিপিডি সতর্ক করে বলেছে, অতীত অভিজ্ঞতা অনুযায়ী উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য নির্ধারণ করলেই সফলতা আসে না। বাস্তবায়নে দুর্বলতা থাকলে বাজেটের লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হয় না। তাই বাজেট বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে দক্ষতা, জবাবদিহি ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

সিপিডির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, বাজেটের লক্ষ্য পূরণে শক্তিশালী ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান অপরিহার্য। এমন প্রতিষ্ঠান প্রয়োজন, যেগুলো দক্ষতার সঙ্গে প্রকল্প ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে পারবে এবং জনগণের কাছে দৃশ্যমান ফলাফল পৌঁছে দিতে সক্ষম হবে।

সংস্থাটি আরও বলেছে, বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে এই বাজেট নতুন সরকারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাও বটে। অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নের সক্ষমতা প্রদর্শনের এটিই সরকারের প্রথম বড় সুযোগ। সরকার যদি বাজেট বাস্তবায়নের মাধ্যমে কাঠামোগত সংস্কারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবে রূপ দিতে পারে, তাহলে দেশের অর্থনীতি আরও টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। প্রস্তাবিত বাজেটে মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। ফলে নিট বাজেট ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা।

এই ঘাটতি পূরণে সরকার অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা এবং বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা করেছে। আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

‘দক্ষিণ গফরগাঁও’ উপজেলা অনুমোদন হওয়ায় এমপি আক্তারুজ্জামান বাচ্চুকে গণসংবর্ধনা

মোঃ শামসুল আলম খান:
প্রকাশিত: রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬, ১:৪৩ পূর্বাহ্ণ
‘দক্ষিণ গফরগাঁও’ উপজেলা অনুমোদন হওয়ায় এমপি আক্তারুজ্জামান বাচ্চুকে গণসংবর্ধনা

ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানাধীন আটটি ইউনিয়ন নিয়ে নতুন ‘দক্ষিণ গফরগাঁও’ উপজেলা গঠনের প্রস্তাব অনুমোদন হওয়ায় এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। এ উপলক্ষে শুক্রবার পাগলা থানার কান্দিপাড়া আস্কর আলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আনন্দ মিছিল, গণসমাবেশ ও স্থানীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান বাচ্চুকে গণসংবর্ধনা দেওয়া হয়।

এর আগে বুধবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) ১২১তম সভায় নতুন ‘দক্ষিণ গফরগাঁও’ উপজেলা গঠনের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। এর মাধ্যমে ময়মনসিংহ জেলার বিদ্যমান ১৩টি উপজেলার সঙ্গে যুক্ত হতে যাচ্ছে নতুন ১৪তম উপজেলা।

স্থানীয়দের ভাষ্য ও অফিসিয়াল তথ্যমতে, পাগলা অঞ্চলে পৃথক প্রশাসনিক ইউনিট প্রতিষ্ঠার ইতিহাস দীর্ঘদিনের। তারা জানান, স্বাধীনতার ঘোষক ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের লক্ষ্যে বৃহত্তর থানাগুলো পুনর্গঠনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। সেই উদ্যোগের অংশ হিসেবে গফরগাঁও থানাকে বিভক্ত করে নতুন থানা প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সে সময় প্রশাসনের জরিপে দক্ষিণ গফরগাঁওয়ের প্রাণকেন্দ্র কান্দিপাড়া এলাকাকে নতুন থানার জন্য উপযুক্ত স্থান হিসেবে নির্বাচন করা হয় এবং ১৯৭৯ সালে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস কমিটির অনুমোদনও লাভ করে। শহীদ জিয়ার শাহাদাতের পর এই উদ্যোগটি বাস্তবায়িত না হলেও ১৯৯১ সালে বিষয়টি পুনরায় উত্থাপিত হয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হয়। দীর্ঘদিন পর নিকারে নতুন উপজেলা অনুমোদনের মাধ্যমে সেই উদ্যোগ বাস্তব রূপ পেতে যাচ্ছে বলে এলাকাবাসী মনে করছেন।

গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ মোহাম্মদ ইসাহাক, যুগ্ম আহ্বায়ক শাহ আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম আনসার উদ্দিন, যুবদলের আহ্বায়ক সরদার মো. খুররম এবং সংসদ সদস্যের সহধর্মিণী শামীমা সুলতানা। এছাড়া বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও বিএনপির হাজার হাজার নেতাকর্মী অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান বাচ্চু বলেন, পাগলা অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি ছিল একটি স্বতন্ত্র উপজেলা। নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সেই দাবি বাস্তবায়নের পথ সুগম হয়েছে।

তিনি বলেন, শুধু উপজেলা নয়, এ অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে ময়মনসিংহের সঙ্গে ফোর লেন সড়ক, একাধিক ডাবল লেন সড়ক, দুই উপজেলায় দুইটি আধুনিক ১০১ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল, ১টি ডায়াবেটিক হাসপাতাল, টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ, টেকনিক্যাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট, কালচারাল সেন্টার, শিল্পকলা একাডেমি, সার্ভেয়ার ইন্সটিটিউট, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামোসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পেরও প্রস্তাব করা হয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণ গফরগাঁও অঞ্চলের যোগাযোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

অনুষ্ঠান শেষে নতুন উপজেলা অনুমোদনের আনন্দে একটি বর্ণাঢ্য আনন্দ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি কান্দিপাড়া বাজারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় রং বেরংয়ে সজ্জিত অংশগ্রহণকারীরা নতুন উপজেলা বাস্তবায়নের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

ট্রাম্পকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তারেক রহমানের চিঠি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬, ৯:২৯ অপরাহ্ণ
ট্রাম্পকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তারেক রহমানের চিঠি

যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ দেশটির জনগণকে বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (৪ জুলাই) ট্রাম্পকে পাঠানো চিঠিতে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ও উন্নয়ন যাত্রায় যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বস্ত বন্ধু ও গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার বলে উল্লেখ করেছেন তারেক রহমান।

চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ও উন্নয়নমূলক যাত্রায় এক মূল্যবান বন্ধু ও গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে পাশে রয়েছে। বিগত ৫ দশকে বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, শিক্ষা, প্রতিরক্ষা এবং ব্যাপক জনগণের সম্পর্ক অন্তর্ভুক্ত হয়ে একটি শক্তিশালী ও বহুমুখী অংশীদারিত্ব বিকশিত হয়েছে।

সরকারপ্রধান বলেন, বর্তমানে আমরা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন একটি অধ্যায়ে প্রবেশ করেছি, যেখানে চলতি বছরের শুরু থেকে বাণিজ্য, জ্বালানি সহযোগিতা এবং বিনিয়োগের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। এছাড়াও রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত সমর্থন ও উদারতার জন্য আমরা গভীরভাবে কৃতজ্ঞ।

আগামী দশকগুলোয় যুক্তরাষ্ট্র মহত্ত্বের পথে আরও এগিয়ে যাবে এমনটা প্রত্যাশা করে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ সরকার ও আমি দু’দেশের অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রগুলোয় অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী ও গভীর করতে আপনার ও মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে কাজ করে যাব।

এই আনন্দময় উপলক্ষে আমি আপনার সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘ জীবন ও অব্যাহত সাফল্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধুসুলভ জনগণের জন্য স্থায়ী শান্তি, সমৃদ্ধি ও সুখ কামনা করছি।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিবেদক:
প্রকাশিত: শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬, ৭:৫৫ অপরাহ্ণ
প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, সরকারি কাজে কোনোরকম দুর্নীতি এবং অনিয়ম কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। দেশের সার্বিক অগ্রযাত্রাকে সমুন্নত রাখতে প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।

শনিবার (৪ জুলাই) নান্দাইল উপজেলা প্রশাসনের সভাকক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত নীতি “সবার আগে বাংলাদেশ”-কে প্রাধান্য দিয়ে আমাদের সবাইকে কাজ করতে হবে। দেশের উন্নয়ন ও জনগণের অধিকার রক্ষায় দেশের স্বার্থকে সবকিছুর ঊর্ধ্বে স্থান দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, সরকারি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে এবং চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মানসম্মতভাবে শেষ করতে জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তাদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

সভায় প্রতিমন্ত্রী নান্দাইল উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন এবং বিদ্যমান সমস্যাগুলোর দ্রুত সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।

নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাতেমা জান্নাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই মতবিনিময় সভায় উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এম/এএইচ