খুঁজুন
                               
, ,
           

গ্যাস সংকট কাঠামোগত, টেকসই নীতির তাগিদ সিপিডির

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৪১ অপরাহ্ণ
গ্যাস সংকট কাঠামোগত, টেকসই নীতির তাগিদ সিপিডির

দেশের জ্বালানি খাতের টেকসই ভবিষ্যৎ অনেকটাই সরকারের বর্তমান সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে বলে জানিয়েছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। প্রতিষ্ঠানটির মতে, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে বাংলাদেশকে বারবার জ্বালানি সংকটের মুখোমুখি হতে হবে।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) রাজধানীর মহাখালীতে ব্র্যাক সিপিডি আয়োজিত ‘বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলা: জরুরি অগ্রাধিকারসমূহ এবং একটি টেকসই জ্বালানি ভবিষ্যতের পথ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন বক্তারা।

অনুষ্ঠানে বলা হয়, দেশের পুরোনো গ্যাসক্ষেত্রগুলোর মজুদ দ্রুত কমে আসছে। পাশাপাশি নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে পর্যাপ্ত সক্ষমতা না থাকায় জ্বালানির চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হয়েছে। ফলে জ্বালানি খাতে দেশের আমদানিনির্ভরতা বাড়ছে।

সিপিডির জ্যেষ্ঠ গবেষণা সহযোগী ফখরুদ্দিন আল কবীর মূল প্রবন্ধে জানান, গত ১১ আগস্টের হিসাবে দেশের গ্যাসক্ষেত্রগুলোর উৎপাদন সক্ষমতার মাত্র ৫৭ শতাংশ ব্যবহার করা সম্ভব হয়েছে। বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর মোট গ্যাস চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ করা হয়েছে মাত্র ২৯ শতাংশ।

এ ছাড়া জাতীয় খাদ্যনিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সার কারখানাগুলোতে চাহিদার মাত্র ৩৮ শতাংশ গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে বলে জানানো হয়।

সিপিডি বলছে, গ্যাস সংকটের কারণে তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন শিল্পের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। অনেক কারখানা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। একই সঙ্গে বাসাবাড়িতে রান্নার গ্যাস এবং পরিবহন খাতে গ্যাসের সংকট সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়ে মূল্যস্ফীতির ওপরও চাপ সৃষ্টি করছে।

সংকট মোকাবিলায় অফিস ও ব্যাংকিং সময় কমানো, আলোকসজ্জা নিয়ন্ত্রণ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অনলাইনে স্থানান্তর এবং স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি ও জ্বালানি আমদানির মতো সরকারের তাৎক্ষণিক উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে সিপিডি।

তবে দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের জন্য এলএনজি কেনাকাটায় স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বাড়ানো, নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি সম্প্রসারণ, এলএনজি টার্মিনাল ও সঞ্চালন লাইনের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর সুপারিশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

একই সঙ্গে জাতীয় জরুরি অগ্রাধিকার হিসেবে দেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে আরও জোর দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সিপিডি।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

রাজশাহী থেকে চুরি হওয়া বাস চাঁপাইনবাবগঞ্জে উদ্ধার

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৪৬ অপরাহ্ণ
রাজশাহী থেকে চুরি হওয়া বাস চাঁপাইনবাবগঞ্জে উদ্ধার

রাজশাহী মহানগরীর শাহমখদুম থানা এলাকা থেকে চুরি হওয়া ইউনিক রোড রয়েলসের (এনকে ট্রাভেলস) একটি যাত্রীবাহী বাস চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে উদ্ধার করেছে রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) শাহমখদুম থানা পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বেলা সোয়া ১টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানাধীন আমনুরা রেলজংশনের প্রায় আধা কিলোমিটার উত্তরে ঝিলিম বাজার এলাকা থেকে বাসটি পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার করা বাসটির রেজিস্ট্রেশন নম্বর ঢাকা মেট্রো-ব-১১-০০৮৭। বাসটির মালিক নরেন সরকার (৫২)। তিনি রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানার সাগরপাড়া এলাকার শ্রীপদ সরকারের ছেলে।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ আগস্ট সকাল ৮টার দিকে বাসটি শাহমখদুম থানাধীন নওদাপাড়া বাস টার্মিনাল থেকে নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। বিকেল ৫টার দিকে বাসটি নওগাঁ থেকে নওদাপাড়া বাস টার্মিনালে ফিরে আসে।

পরে সন্ধ্যা ৬টার দিকে বাসটি পরিষ্কার করে খানকার মোড় এলাকায় নওদাপাড়া বাস টার্মিনাল থেকে ভদ্রাগামী সড়কের পাশে মালিকের নিজস্ব গ্যারেজের সামনে তালাবদ্ধ করে রাখা হয়।

পরদিন ১১ আগস্ট সকাল ৭টার দিকে বাসটির বদলি সুপারভাইজার মো. জালাল উদ্দিন গ্যারেজের সামনে গিয়ে বাসটি দেখতে না পেয়ে মালিককে জানান। পরে মালিক ও গ্যারেজের কর্মচারীরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও বাসটির সন্ধান পাননি।

ধারণা করা হচ্ছে, ১০ আগস্ট রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টা থেকে ১১ আগস্ট সকাল ৭টার মধ্যে অজ্ঞাতনামা চোর বা চোরেরা বাসটি চুরি করে নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় বাসের মালিক নরেন সরকার শাহমখদুম থানায় এজাহার দায়ের করেন। পরে ১২ আগস্ট শাহমখদুম থানায় মামলা নম্বর-০৯ এবং দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারায় মামলা করা হয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তথ্যপ্রযুক্তি ও অন্যান্য তদন্ত কার্যক্রমের মাধ্যমে চুরি হওয়া বাসটির অবস্থান শনাক্ত করেন। পরে বৃহস্পতিবার ঝিলিম বাজার এলাকা থেকে বাসটি পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার করা বাসটি শাহমখদুম থানা হেফাজতে নেওয়া হচ্ছে। বাসটি কীভাবে চুরি করা হয়েছিল এবং কারা এ ঘটনায় জড়িত, তা শনাক্ত করে তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশের তদন্ত ও আইনগত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

উচ্চশিক্ষার স্বপ্নপূরণে মেধাবী তরুণ নাজমুলের পাশে প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ৮:০৮ অপরাহ্ণ
উচ্চশিক্ষার স্বপ্নপূরণে মেধাবী তরুণ নাজমুলের পাশে প্রধানমন্ত্রী

উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন নিয়ে আর্থিক অনিশ্চয়তার মুখে পড়া মেধাবী তরুণ মো. নাজমুল হাসানের পাশে দাঁড়িয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে নাজমুল হাসানের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী তার হাতে অনুদান তুলে দেন।

এই সহায়তা শুধু আর্থিক সহযোগিতা নয়, এটি একজন তরুণের স্বপ্ন ও মেধার প্রতি আস্থারও প্রতিফলন।

প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব কেএম নাজমুল হক এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, নাজমুল হাসান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্স (থিসিস) পর্যায়ের শিক্ষার্থী। তিনি ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। পাশাপাশি তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সহ-মানবাধিকারবিষয়ক সম্পাদক।

সম্প্রতি তিনি সুইডেনের University of Skövde থেকে উচ্চশিক্ষার জন্য পূর্ণ বৃত্তি অর্জন করেন। তবে বিদেশযাত্রা, প্রাথমিক আবাসনসহ প্রয়োজনীয় ব্যয় বহন করা তাঁর পরিবারের জন্য কঠিন ছিল। এ সংকটের সময়ে প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা তার স্বপ্নযাত্রায় নতুন আশার সঞ্চার করেছে।

বগুড়ার শেরপুর উপজেলার খামারকান্দি গ্রামের একটি দরিদ্র পরিবারের সন্তান নাজমুল এখন আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষার দ্বারপ্রান্তে। তার এই পথচলা হাজারো স্বপ্নবান তরুণের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে উঠবে।

কালের আলো/এসএকে

প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফরের সংশয় ও সম্ভাবনা

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ৭:২৫ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফরের সংশয় ও সম্ভাবনা

আগামী সেপ্টেম্বরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিল্লি সফরের সম্ভাবনা নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। কেউ কেউ সম্ভাবনা ‘খুবই কম’ বললেও অন্যদের মতে, আলাপ-আলোচনা ঠিকমত এগোলে সফরটি এখনও সম্ভব। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের পর হাই কমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছিলেন, ভারতের জনগণ ও প্রধানমন্ত্রী মোদী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরের অপেক্ষায় আছেন।

হাই কমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর বক্তব্য হচ্ছে-‘আমাদের ইস্যু হবে, বাংলাদেশের ইস্যু হবে। কিন্তু মানুষের ইস্যু একটাই যে—ভালো সম্পর্ক। আর ভালো সম্পর্ক হলে উইন-উইন সিচুয়েশন। এটা আমাদের ঐতিহাসিকভাবে আছে, এটা তো আপনি বদলাতে পারবেন না। প্রতিবেশী তো বদলাতে পারবেন না, ইতিহাস বদলাতে পারবেন না।’ আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের ওপর জোর দিয়ে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘আমি সবসময় বলি, আমরা শুধু সীমান্ত ভাগাভাগি করি না, আমরা স্বপ্নও ভাগাভাগি করি। আমরা তো স্বপ্ন ভাগাভাগি করি, তাই তো? আমার মনে হচ্ছে, আগামী দিন খুবই ভালো হবে। ইস্যুজটা শর্ট-আউট করতেই হবে, দুদিক থেকে। আমি খুবই আত্মবিশ্বাসী।’

প্রধানমন্ত্রী ব্রিকসের আয়োজনে যোগ দেবেন কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। সরকার বলছে, এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তবে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে ব্রিকসের চেয়ে দ্বিপক্ষীয় সফরকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

যদিও ভারতীয় হাই কমিশনারের এই বার্তার মধ্যে ভারতের দিক থেকে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার আগ্রহ দেখতে পাচ্ছেন সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবির। তিনি বলেন, ‘হাই কমিশনার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করলেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করলেন। বৈঠক করার পরে যে ধরনের কথাবার্তা বলেছেন, এটা দেখে মোটামুটি বোঝা যাচ্ছে যে, তারা চাচ্ছেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী এই ব্রিকস সম্মেলনে যান। এবং এরপর তাদের ‘র’ প্রধান এসেছিলেন, তিনি দেখা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার সাথে, এটা রুটিন বললেও আমি মনে করি যে, এটা তাদের দিক থেকে মনে হচ্ছে তারা আগ্রহী। এখন এটা আমাদের দিক থেকে আমাদের সিদ্ধান্ত।’

আলাপ-আলোচনার ‘সুযোগ’ কাজে লাগানোর পরামর্শ দিয়ে বাংলাদেশ এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউটের সভাপতি হুমায়ুন কবির বলেন, প্রতিবেশী হিসাবে দুই দেশের স্বার্থ ‘খুব ওতপ্রোতভাবে জড়িত’। সেক্ষেত্রে যদি এই ভিজিটের পাশাপাশি ভালো দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের ব্যবস্থা করার সুযোগ থাকে, সেটা চিন্তা করে দেখা যেতে পারে।’

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাউথ এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব পলিসি অ্যান্ড গভর্নেন্সের (এসআইপিজি) পরিচালক অধ্যাপক এসকে তৌফিক এম হক মনে করেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাই কমিশনারের বৈঠক আসলে ছিল শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলন ঘিরে উত্তাপের পর দুই পক্ষের বার্তা আদান-প্রদানের সাক্ষাৎ। মনে হয়েছে, বাংলাদেশ খুব শক্তভাবে তার অবস্থানটা জানিয়েছে। ভারতীয় দিক থেকে সেই অবস্থানটা জানার পরে তারা দিল্লিতে বা তাদের মূল নীতিনির্ধারণী মহলে সেটা অবহিত করেছে।’

পরিস্থিতি যেখানে দাঁড়িয়েছে, তাতে সেপ্টেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফরের খুব একটা সম্ভাবনা দেখছেন না অধ্যাপক তৌফিক এম হক। সফর নিয়ে সোমবার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘উনি খুব স্পষ্ট ভাষায়, কিছুটা কড়া ভাষায় বলেছেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে দাওয়াত দেওয়া হয়নি ব্রিকসে, বিমসটেকের সভাপতিকে দাওয়াত দেওয়া হয়েছে এবং সেটা বাংলাদেশ খুব পছন্দ করেছে বা এটা বাংলাদেশের বর্তমানের নীতিনির্ধারক মহল এটাকে পজিটিভলি আগাবে, এরকম উনার বলার টোনে মনে হয়নি। আমি মনে করি যে, ব্রিকসের সম্মেলনে যাওয়ার সুযোগ একেবারেই কমে গেছে। অফিশিয়ালি এখনও কিছু বলা হয়নি, কিন্তু আমার মনে হয় একেবারেই কমে গেছে।’

এখন দ্বিপক্ষয়ী সফরের যে আমন্ত্রণটি রয়েছে, সেটি ধরে বাংলাদেশ ভবিষ্যতে পরিকল্পনা করবে বলে মনে করছেন এই বিশ্লেষক। তবে সেখানেও ‘কিন্তু’ আছে। তিনি মনে করেন, ‘অনুকূল পরিবেশ’ তৈরির যে শর্ত বাংলাদেশ দিয়েছে, শেষ পর্যন্ত ভারত তা মেনে নেবে। অর্থাৎ, দিল্লিতে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে লাগাম টানতে ভারত হয়ত রাজি হবে। এটা মেনে না নেওয়ার কোনো কারণ নাই। এই রকম একজন ব্যক্তির জন্য রাষ্ট্রের সঙ্গে রাষ্ট্রের সম্পর্কতো ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে না। আমার মনে হয়, ভারতের নীতিনির্ধারকরাও এটাকে ইতিবাচকভাবে নেবেন এবং এভাবে সম্পর্ক এগোনোর সম্ভাবনা দেখি আমি।’

কালের আলো/এম/এএইচ