খুঁজুন
                               
শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

ইরান-আমেরিকার চুক্তির টেবিলে রয়েছে যেসব বিষয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ১১:৩৫ পূর্বাহ্ণ
ইরান-আমেরিকার চুক্তির টেবিলে রয়েছে যেসব বিষয়

আগামী রোববার ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি চুক্তি হতে পারে বলে কূটনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। চুক্তিটি কোথায় স্বাক্ষরিত হতে পারে, তা নিয়েও জল্পনা-কল্পনা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে সুইজারল্যান্ডের জেনেভার নাম সামনে এসেছে।

ধারণা করা হচ্ছে, সম্ভাব্য এই চুক্তি সেখানেই সম্পন্ন হতে পারে। তবে এখনো কোনো পক্ষই চূড়ান্ত অনুমোদন নিশ্চিত করেনি। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই খবরকে ‘জল্পনা’ বলে অভিহিত করেছে।এদিকে সম্ভাব্য চুক্তির বিষয়বস্তু কী হতে পারে, তা নিয়েও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা চলছে। বিভিন্ন সূত্রের বরাতে কয়েকটি সম্ভাব্য বিষয় সামনে এসেছে।

কী নিয়ে এই সম্ভাব্য চুক্তি?

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স ও সিএনএন-এর প্রতিবেদনে কূটনৈতিক সূত্রের বরাতে বলা হয়েছে, প্রস্তাবিত সমঝোতার মূল কাঠামোতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় থাকতে পারে—

১. ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি : চুক্তি স্বাক্ষরের পর লেবাননসহ বিভিন্ন সংঘাতপূর্ণ এলাকায় ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হতে পারে। এতে আঞ্চলিক সংঘর্ষ কিছুটা স্থিতিশীল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে।

২. হরমুজ প্রণালি পুনরায় খোলা : ইরান কোনো অতিরিক্ত শর্ত ছাড়াই কৌশলগত জলপথ স্ট্রেইট অব হরমুজ পুনরায় খুলে দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এতে বৈশ্বিক জ্বালানি ও বাণিজ্য প্রবাহ স্বাভাবিক হতে পারে।

৩. নিষেধাজ্ঞা শিথিলের ইঙ্গিত : চুক্তির অগ্রগতির ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কিছু বন্দরের ওপর থেকে অবরোধ শিথিল করতে পারে এবং সীমিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পথ খুলে যেতে পারে।

৪. পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণ : ইরান পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করবে না—এই অঙ্গীকার চুক্তির মূল অংশ হিসেবে থাকতে পারে। পাশাপাশি উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদের ওপর নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থাও থাকতে পারে।

৫. আঞ্চলিক সংঘাত প্রসারিত শর্ত : ইরানের দাবি অনুযায়ী, সমঝোতার অংশ হিসেবে শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়, লেবাননের সংঘাত (বিশেষ করে হিজবুল্লাহ-সংক্রান্ত সংঘর্ষ) বন্ধের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।

রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক প্রেক্ষাপট

এই সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ‘ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের অবসান ঘটিয়েছে’।

এদিকে সম্ভাব্য এই চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে. ডি. ভ্যান্সের অংশ নেওয়ার কথা শোনা যাচ্ছে। তিনিই নাকি ইরান–আমেরিকা যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে স্বাক্ষর করবেন।

কিছু সূত্র বলছে, এই সমঝোতা হলে এটি সাময়িকভাবে উত্তেজনা কমানোর একটি ‘অন্তর্বর্তীকালীন কাঠামো’ হিসেবে কাজ করবে।

ইরানের অবস্থান

যুদ্ধবিরতিতে যুক্তরাষ্ট্র বরাবরই সম্মতি জানিয়ে আসছে। তবে ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের শর্ত না মানলে কোনো চুক্তিতে পৌঁছাবে না। সেই ধারাবাহিকতায় এখনো তারা কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেয়নি। ফলে চলমান এই সংঘাতের ইতি এখনো ঘটেনি।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানিয়েছেন, এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি এবং চুক্তি নিয়ে প্রচারিত তথ্য ‘শুধু অনুমাননির্ভর’।

এছাড়া আরও একটি বড় অনিশ্চয়তা হলো—ইরানের জব্দকৃত শত শত কোটি ডলারের সম্পদ ফেরত দেওয়া হবে কি না—সে বিষয়ে এখনো কোনো স্পষ্ট সিদ্ধান্ত জানা যায়নি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

পরিবেশ সুরক্ষায় বিএনপি সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: প্রিন্স

ময়মনসিংহ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৭:৪৮ অপরাহ্ণ
পরিবেশ সুরক্ষায় বিএনপি সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: প্রিন্স

Oplus_131072

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেছেন, পরিবেশ সুরক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং সবুজ বাংলাদেশ গঠনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার ও বিএনপি অঙ্গীকারবদ্ধ। এ কারণেই ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে পরিবেশ খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, পাঁচ বছরে ২৫ কোটি নতুন বৃক্ষরোপণ, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, সবুজ কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ‘এক শিশু এক গাছ’ কর্মসূচি এবং পরিবেশবান্ধব চাষাবাদসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকারের প্রতিফলন।

শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলায় জেলা পরিষদের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

কক্সবাজারে প্রধানমন্ত্রীর ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির উদ্বোধনের পরপরই ধোবাউড়া জেলা পরিষদ ডাকবাংলো চত্বরে গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে ময়মনসিংহ জেলায় জেলা পরিষদের বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের সূচনা করেন তিনি।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় জেলা পরিষদের নিজস্ব স্থাপনা ও প্রকল্পভুক্ত এলাকায় প্রাথমিকভাবে ১ হাজার ৫০০ ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হবে।

অনুষ্ঠানে এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, দেশের অর্থনীতিবিদরা প্রস্তাবিত বাজেটকে মানবিক অর্থনীতি গঠনের প্রচেষ্টা, অর্থনীতিতে গতিশীলতা ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির উদ্যোগ হিসেবে মূল্যায়ন করলেও বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর কিছু নেতা নেতিবাচক মন্তব্য করছেন। বিএনপি দেশ ও জনগণের সমস্যা, বর্তমান বাস্তবতা এবং ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করেই রাজনীতি করে এবং সেই ধারাবাহিকতায় নির্বাচনি ইশতেহার ও বাজেট প্রণয়ন করেছে।

তিনি আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত সংকট মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। একটি গাছ শুধু পরিবেশ রক্ষা করে না, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও বাসযোগ্য পৃথিবী নিশ্চিত করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই বৃক্ষরোপণকে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করতে হবে।

সবার প্রতি বেশি বেশি গাছ লাগানো এবং রোপিত গাছের পরিচর্যা করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, প্রিয়জনকে গাছ উপহার দিন, সন্তানদের গাছ লাগাতে উৎসাহিত করুন এবং নিজের আঙিনায় ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছ লাগান। শুধু গাছ রোপণ করলেই হবে না, সেগুলোকে বাঁচিয়ে রাখার দায়িত্বও আমাদের নিতে হবে।

ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ কামরুল হুদার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক আযহারুল ইসলাম কাজল, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদেরসহ জেলা পরিষদ ও বিএনপির নেতারা বক্তব্য দেন।

পরে সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্সের নেতৃত্বে জেলা পরিষদের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতা ও স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিরা ধোবাউড়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, বধ্যভূমি, কবরস্থান, শ্মশানঘাট, মসজিদ, মাদরাসাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বৃক্ষরোপণ করেন।

কালের আলো/এসএকে

বঙ্গবন্ধুর বাকশাল টেকেনি, কার্ড বন্ধুর টাকশালও টিকবে না: রাশেদ প্রধান

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৭:২৭ অপরাহ্ণ
বঙ্গবন্ধুর বাকশাল টেকেনি, কার্ড বন্ধুর টাকশালও টিকবে না: রাশেদ প্রধান

জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) মুখপাত্র ও সহ-সভাপতি রাশেদ প্রধান বলেছেন, আগের আওয়ামী লীগের ছিল বঙ্গবন্ধু, আর বিএনপির হয়েছে ‘কার্ড বন্ধু’। বর্তমান সরকারের জনপ্রিয়তা দ্রুত কমছে এবং দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে জনগণের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে।

তিনি বলেন, তারা কথায় কথায় শুধু নতুন নতুন কার্ডের ঘোষণা দেন। বঙ্গবন্ধুর বাকশাল টিকেনি, কার্ড বন্ধুর টাকশালও টিকবে না।

শনিবার (১৩ জুন) বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের লালদিঘি ময়দানে ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে আয়োজিত এক মহাসমাবেশে এ কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, ‌‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য শুনলে মনে হয় তিনি বাংলাদেশের নয়, ভারতের কোনো মুখ্যমন্ত্রী।

রাশেদ প্রধান বলেন, পৃথিবীর ইতিহাসে কোনো সরকার এত অল্পসময়ের মধ্যে এতটা অজনপ্রিয় ও অগ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠেনি।দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মৌলিক পার্থক্য খুব বেশি নেই।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সমালোচনা করে তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য শুনলে মনে হয় তিনি ভারতের কোনো মুখ্যমন্ত্রী।

কালের আলো/এসআর/এএএন

প্রধানমন্ত্রীর ভুল-ভাল কথায় বাংলাদেশ লজ্জিত হবে: জামায়াত আমির

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৭:২০ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর ভুল-ভাল কথায় বাংলাদেশ লজ্জিত হবে: জামায়াত আমির

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভুল-ভাল কথা বলেন বলে দাবি করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। যারা ফাঁসির মঞ্চকে জীবনের চেয়ে তুচ্ছ মনে করে তাদের জেলের ভয় না দেখাতেও তিনি আহ্বান জানিয়েছেন।

শনিবার (১৩ জুন) বিকেলে চট্টগ্রাম নগরীর ঐতিহাসিক লালদিঘী ময়দানে ১১ দলীয় ঐক্যের ব্যানারে আয়োজিত মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দিতে এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা করে জামায়াত আমির বলেন, খোদ দেশের প্রধানমন্ত্রীর মুখ দিয়ে যদি অনবরত ভুল-ভাল কথা বের হতে থাকে তবে পুরো বাংলাদেশ বিশ্বমঞ্চে লজ্জিত হবে।

সরকারি দলের উদ্দেশে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, ফাঁসির মঞ্চকে যারা জীবনের চেয়েও তুচ্ছ মনে করে রাজপথে নেমেছে, তাদের জেলের ভয় দেখিয়ে কোনো লাভ হবে না।

সমাবেশে সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বানকারী নাহিদ ইসলাম ইসলামী ব্যাংক প্রসঙ্গে বিএনপির তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, দেশের অন্যতম প্রধান আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইসলামী ব্যাংকটিকে আবারও বিতর্কিত এস আলম গ্রুপের হাতে গোপনে তুলে দেওয়ার এক নতুন পাঁয়তারা চলছে, যা দেশের সাধারণ মানুষ আর কখনোই মেনে নেবে না।

জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী বিএনপিকে লক্ষ্য করে বলেন, শহীদ ওসমান হাদি সব সময় সমাজে ন্যায়-ইনসাফ নিয়ে কথা বলেছেন। তাই আপনারা ভবিষ্যতে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় গিয়ে তার হত্যার সুনির্দিষ্ট বিচার করবেন না, তা কোনোভাবেই হতে দেওয়া হবে না।

চট্টগ্রামের এই রাজনৈতিক জনসভাকে কেন্দ্র করে দুপুরের পর থেকেই ব্যাপক লোকসমাগম ঘটে। দেশের বর্তমান জনদুর্ভোগ লাঘব, গণরায়ের সঠিক বাস্তবায়ন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির আশু উন্নয়ন এবং সাধারণ জনগণের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন দাবিতে এই মহাসমাবেশের ডাক দেয় ১১-দলীয় ঐক্য। এতে কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ, মাওলানা মামুনুল হকসহ জোটের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন