খুঁজুন
                               
সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ১ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

বিভিন্ন কর্মসূচিতে যোগ দিতে নিজেই ১৯৭ কিলোমিটার গাড়ি চালিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ৮:৪৪ অপরাহ্ণ
বিভিন্ন কর্মসূচিতে যোগ দিতে নিজেই ১৯৭ কিলোমিটার গাড়ি চালিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

Oplus_131072

কক্সবাজারের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মাঝে ব্যতিক্রমী এক সফর করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ১৯৭ কিলোমিটার পথ নিজেই গাড়ি চালিয়ে সরকারি বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন তিনি।

শনিবার (১৩ জুন) কক্সবাজারে সফরে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এ দীর্ঘ সময় গাড়ি চালানোর তথ্য জানিয়েছেন তার অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা থেকে সকালে কক্সবাজার বিমানবন্দরে নেমে সেখান থেকেই সফর শুরু করেন। প্রাকৃতিক দুযোর্গের মধ্যে নিজেই গাড়ি চালিয়ে যান পিএমখালী ইউনিয়নের পাতলী খাল খনন কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানস্থলে। কর্মসূচি শেষে আবারও স্টিয়ারিং হাতে নিয়ে রওনা হন ডুলাহাজারা সাফারি পার্কের উদ্দেশ্যে। এমনি ভাবে কক্সবাজারের দিনব্যাপি সব কর্মসূচিতেই নিজেই গাড়ি চালিয়ে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় সড়কের দুই পাশে হাজার হাজার স্থানীয় বাসিন্দা ও দলীয় নেতাকর্মী তাকে একনজর দেখতে ভিড় জমান। অনেকেই হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান, আর প্রধানমন্ত্রীও হাসিমুখে তাদের অভিবাদনের জবাব দেন।

প্রধানমন্ত্রীর গাড়িতে সামনে আসনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পেছনের আসনে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিনী জুবাইদা রহমান ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর স্ত্রী হাসিনা আহমদ বসেন।

প্রধানমন্ত্রীর এমন স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ও নিজে গাড়ি চালিয়ে কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার বিষয়টি সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করে। কক্সবাজারের মনোরম পরিবেশে এই সফর হয়ে ওঠে কর্মব্যস্ততার পাশাপাশি জনসম্পৃক্ততারও এক অনন্য দৃষ্টান্ত।

দীর্ঘ ১৭ বছর লন্ডনে নির্বাসিত জীবন শেষে ২০২৪ সালে ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরেন তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেবার পর তারেক রহমান বিভিন্ন সময়ে গাড়ি ড্রাইভ করেছেন। তবে এতো দীর্ঘ পথে তারেক রহমানের ড্রাইভ এই প্রথম।

কালের আলো/এসএকে

ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানসহ সব পরিচালককে অপসারণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ১০:৩৮ অপরাহ্ণ
ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানসহ সব পরিচালককে অপসারণ

দেশের চলমান ব্যাংক সংকট ও গ্রাহকদের বিক্ষোভের মুখে তুমুল আলোচনায় থাকা ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানসহ সব পরিচালককে অপসারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

রোববার (১৪ জুন) রাতে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।

ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ও ৪৭(৩) ধারায় অর্পিত ক্ষমতাবলে এই পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আমানতকারীদের স্বার্থে ও জনস্বার্থে ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যানসহ সব পরিচালকের নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে।

আরও জানানো হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ জহির হোসেন ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের যাবতীয় ক্ষমতা ও দায়িত্ব পালন করবেন।

ইসলামী ব্যাংকের সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান খুরশীদ আলমকে (সাবেক ডেপুটি গভর্নর) এস আলম গ্রুপের সহযোগী আখ্যা দিয়ে ‘সচেতন গ্রাহক ফোরাম’ ও সাধারণ গ্রাহকরা বেশ কিছুদিন ধরে বিক্ষোভ ও সাত দফা দাবি জানিয়ে আসছিলেন।

এছাড়া ব্যাংকের পর্ষদ নিয়ে অস্থিরতা ও আস্থার সংকটের কারণে ইসলামী ব্যাংক থেকে গ্রাহকরা মাত্র ৫ দিনেই প্রায় ৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা তুলে নেন।

২০১৭ সালে বিতর্কিত ব্যবসায়ী গোষ্ঠী এস আলম গ্রুপ ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর প্রায় ১ লাখ কোটি টাকা ঋণ খেলাপি হয়, যার বড় অংশই ওই গ্রুপটি নিয়েছিল।

২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ব্যাংকটি এস আলমের নিয়ন্ত্রণমুক্ত হলেও সম্প্রতি নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগের পর থেকে আবার বিতর্ক শুরু হয়। যা সম্প্রতি আরও মারাত্মক রূপ নিয়েছে।

তাই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এবং ইসলামী ব্যাংকে সম্পর্কে গ্রাহকদের আস্থা ফেরাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরাসরি ব্যাংকটির পরিচালনার দায়িত্ব নিজেদের তত্ত্বাবধানে নিয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

দীনেশ ত্রিবেদীর ‘ভারত-বাংলাদেশের এক হয়ে যাওয়া’ বক্তব্যে জামায়াতের উদ্বেগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ১০:৩৩ অপরাহ্ণ
দীনেশ ত্রিবেদীর ‘ভারত-বাংলাদেশের এক হয়ে যাওয়া’ বক্তব্যে জামায়াতের উদ্বেগ

ঢাকাস্থ ভারতের নবনিযুক্ত হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর ‘ভারত-বাংলাদেশের এক হয়ে যাওয়া’ বক্তব্যকে বাংলাদেশের অখণ্ডতা বিরোধী বক্তব্য উল্লেখ করে তীব্র প্রতিবাদ ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

রোববার (১৪ জুন) দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এক বিবৃতিতে বলেন, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন, সার্বভৌম ও মর্যাদাবান রাষ্ট্র।

মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত এ দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষায় বাংলাদেশের জনগণ সর্বদা ঐক্যবদ্ধ এবং দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। দেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষার প্রশ্নে এ দেশের জনগণ অতীতের ন্যায় যেকোনো ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত রয়েছে।

তিনি বলেন, সম্প্রতি ঢাকায় দায়িত্ব গ্রহণের পর ভারতের নবনিযুক্ত হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী যে বক্তব্য প্রদান করেছেন, তা কূটনৈতিক শিষ্টাচার, আন্তর্জাতিক রীতি-নীতি এবং রাষ্ট্রসমূহের পারস্পরিক সম্মানবোধের পরিপন্থি।

বিশেষ করে বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণকে একীভূত জনসংখ্যার অংশ হিসেবে উপস্থাপন করা এবং এমন কিছু মন্তব্য করা, যা বাংলাদেশের স্বতন্ত্র রাষ্ট্রসত্তা সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর ধারণার জন্ম দিতে পারে- তা কোনো দায়িত্বশীল কূটনীতিকের কাছ থেকে প্রত্যাশিত নয়। তার এ মন্তব্যে সাম্রাজ্যবাদী মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে বলে দেশের জনগণ মনে করে।

তিনি বলেন, দীনেশ ত্রিবেদী ‘ভারত-বাংলাদেশের এক হয়ে যাওয়া’ বলতে কী বুঝিয়েছেন- আমাদের সরকারের উচিত হবে তার কাছ থেকে তা জেনে নেওয়া। তার এ বক্তব্য স্পষ্ট না হলে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হবে। যদি তিনি আক্ষরিক অর্থে এ ধরনের কিছু বুঝিয়ে থাকেন, তাহলে অবশ্যই তা নিন্দনীয়। আমাদের সরকারের কাছে বিষয়টির মর্যাদাপূর্ণ সুরাহা চাই।

গোলাম পরওয়ার বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পারস্পরিক সম্মান, সমতা, ন্যায়বিচার এবং প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্কের ভিত্তিতে সহযোগিতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক অব্যাহত থাকা উচিত বলে আমরা মনে করি। কোনো পক্ষের আধিপত্যবাদী বা কর্তৃত্ববাদী মনোভাব এ সম্পর্কের জন্য কখনোই কল্যাণকর হতে পারে না।

ভারতের নবনিযুক্ত হাইকমিশনারকে ভবিষ্যতে আরও দায়িত্বশীল ও সংযত ভাষা ব্যবহারের আহ্বান জানাচ্ছি এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় মর্যাদার প্রতি পূর্ণ সম্মান প্রদর্শনের অনুরোধ করছি।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন গুম-খুনের শিকার পরিবারের সদস্যরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ৯:২৯ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন গুম-খুনের শিকার পরিবারের সদস্যরা

প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন মানবাধিকার সংগঠন ‘মায়ের ডাক’-এর গুম ও খুনের শিকার ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।

রোববার (১৪ জুন) সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষের বাইরে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

এর সময় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে ‘মায়ের ডাক’-এর ২৬ জন সদস্য জাতীয় সংসদের বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক মুন্সী আব্দুর রউফ গ্যালারিতে বসে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন (বাজেট অধিবেশন) সরাসরি উপভোগ করেন।

বিকেল ৩টায় শুরু হওয়া অধিবেশনের ষষ্ঠ কার্যদিবসে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান, এমপি উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষাৎকালে ‘মায়ের ডাক’-এর সদস্যরা তাদের দীর্ঘদিনের বেদনা, প্রত্যাশা ও ন্যায়বিচারের আকাঙ্ক্ষার বিষয় তুলে ধরেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

কালের আলো/এসআর/এএএন