খুঁজুন
                               
, ,
           

রাজস্থানে বাসে ভয়াবহ আগুন, নিহত ৭

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ১১:৫৪ পূর্বাহ্ণ
রাজস্থানে বাসে ভয়াবহ আগুন, নিহত ৭

ভারতের রাজস্থান রাজ্যের দৌসা জেলার কাছে দিল্লি-মুম্বাই মহাসড়কে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত শয়নবাসে আগুন লেগে অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ২২ জন। আহতদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যাই বেশি।

মঙ্গলবার দিবাগত রাত প্রায় আড়াইটার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর বাসটিতে দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ায় বহু যাত্রী প্রাণ বাঁচাতে ছোটাছুটি শুরু করেন। কেউ কেউ জানালা ভেঙে বের হওয়ার চেষ্টা করেন। তবে আগুনের তীব্রতায় কয়েকজন বাসের ভেতরেই আটকা পড়ে প্রাণ হারান।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, বাসটি উত্তরাখণ্ডের ঋষিকেশ থেকে মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরে যাচ্ছিল। পথে দৌসার কাছে উচ্চগতিতে চলার সময় বাসটি একটি বড় পণ্যবাহী ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের পরপরই বাস ও ট্রাকে আগুন ধরে যায়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ভয়াবহ আকার ধারণ করলে চারদিকে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

ঘটনাস্থলের বিভিন্ন দৃশ্যে দেখা যায়, আগুনে দুটি যানবাহনই প্রায় সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। দূর থেকে আগুনের লেলিহান শিখা দেখা যাচ্ছিল। স্থানীয় লোকজন প্রথমে নিজেদের উদ্যোগে যাত্রীদের উদ্ধারের চেষ্টা করেন। পরে দমকল ও উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিহতদের মধ্যে পাঁচজন আগুনে দগ্ধ হয়ে মারা যান। বাকি দুজনের মৃত্যু হয়েছে মাথায় গুরুতর আঘাতের কারণে। দুর্ঘটনার সময় বাসের ওপরের শয্যায় থাকা কয়েকজন যাত্রী নিচে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন।

নিহতদের অধিকাংশই দুর্ঘটনার সময় ঘুমিয়ে ছিলেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। আহত ২২ জনকে দ্রুত দৌসা জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আহতদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যাই বেশি হওয়ায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিশেষ চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছে। দুর্ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

তবে পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, বাসচালক তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়েছিলেন অথবা বাসটি অতিরিক্ত গতিতে চলছিল। এ দুটি বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত চলছে। পাশাপাশি বাসটির কারিগরি অবস্থাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এদিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকারী দল ও দমকল সদস্যদের ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে দেরি হয়েছে।

তাদের দাবি, দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু হলে আরও কয়েকটি প্রাণ বাঁচানো সম্ভব হতে পারত। স্থানীয়দের ভাষ্য, আগুন লাগার প্রায় এক ঘণ্টা পর বাসে আটকে থাকা যাত্রীদের বের করা হয়।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা আরও অভিযোগ করেছেন, বাসটির মালামাল রাখার অংশে প্রচুর সিগারেটের প্যাকেট ছিল। এসব দাহ্য বস্তু থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তবে এ বিষয়ে এখনো প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বক্তব্য দেওয়া হয়নি।

রাজস্থান প্রশাসন জানিয়েছে, দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত শুরু হয়েছে। নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। আহতদের চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে বলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

ভারতে সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক বড় সড়ক দুর্ঘটনা নতুন করে যাত্রী নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। বিশেষ করে দূরপাল্লার বাসে অতিরিক্ত গতি, চালকদের দীর্ঘ সময় বিরতিহীনভাবে গাড়ি চালানো এবং অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন আবারও সামনে এসেছে। দৌসার এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাও সেই উদ্বেগ আরও গভীর করে তুলেছে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি

আ.লীগ আমলে বঞ্চিত তিন বাহিনীর ১৫০ কর্মকর্তা পেলেন বিশেষ সুবিধা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬, ১২:৪০ পূর্বাহ্ণ
আ.লীগ আমলে বঞ্চিত তিন বাহিনীর ১৫০ কর্মকর্তা পেলেন বিশেষ সুবিধা

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বিমানবাহিনীতে বঞ্চনা, অবিচার ও প্রতিহিংসার শিকার হওয়া ১৫০ জন অবসরপ্রাপ্ত, অপসারণকৃত, অব্যাহতিপ্রাপ্ত ও বরখাস্তকৃত (চাকরিচ্যুত) অফিসারকে পুনর্বাসন, ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি এবং বকেয়া আর্থিক সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

বুধবার (১ জুলাই ) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আশরাফ উদ্দিন স্বাক্ষরিত এই প্রজ্ঞাপনটি অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, ২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট পর্যন্ত সশস্ত্র বাহিনীর তিন শাখায় চাকরিতে বৈষম্য ও প্রতিহিংসার শিকার কর্মকর্তাদের আবেদন পর্যালোচনার জন্য সম্প্রতি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক একটি কমিটি এবং বাহিনী সদর দপ্তরসমূহ কর্তৃক পর্ষদ গঠন করা হয়েছিল। পরবর্তীতে গত ৩ মে গঠিত আরেকটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি এসব প্রস্তাব ও সুপারিশ বিস্তারিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে। সেই কমিটির চূড়ান্ত সুপারিশের ভিত্তিতে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে এই সরকারি আদেশ জারি করা হয়েছে।

আদেশের আওতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১১৫ জন, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ২১ জন এবং বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর ১৪ জনসহ সর্বমোট ১৫০ জন অফিসারকে তাদের যোগ্যতানুযায়ী স্বাভাবিক অবসর, ভূতাপেক্ষ পদোন্নতিসহ স্বাভাবিক অবসর, অকালীন (বাধ্যতামূলক) অবসর বা পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া বিধি অনুযায়ী তাদের বকেয়া বেতন-ভাতা, আর্থিক সুবিধা এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বিশেষ আর্থিক প্রণোদনাও দেওয়া হবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, জনস্বার্থে জারি করা এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং এটি বাস্তবায়ন করবে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ।

একই সঙ্গে ২০২৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারি করা এ-সংক্রান্ত আগের প্রজ্ঞাপন বাতিল করা হয়েছে।

এর আগে, অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সশস্ত্র বাহিনী থেকে বরখাস্ত, চাকরিচ্যুত, বাধ্যতামূলক অবসর, অকালীন অবসর ও স্বেচ্ছায় অবসরে যাওয়া ১৪১ জন কর্মকর্তাকে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি দেয়। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরই বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বরখাস্ত, চাকরিচ্যুত, বাধ্যতামূলক অবসর, অকালীন অবসর ও স্বেচ্ছা অবসরে যাওয়া কর্মকর্তারা চাকরি ফিরে পাওয়ার আবেদন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে সরকার একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করে।

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি বিষয়ক বিশেষ সহকারী লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজের নেতৃত্বে এই কমিটি গঠিত হয়। কমিটি কর্মকর্তাদের কাছ থেকে পাওয়া আবেদন পর্যালোচনা করে সরকারের কাছে সুপারিশ পেশ করে। কমিটি ২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট পর্যন্ত পদ্ধতিগত বৈষম্য ও পেশাগত ক্ষতির অভিযোগে অবসরপ্রাপ্ত, অপসারিত বা বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তাদের করা আবেদন পর্যালোচনা করে সুপারিশ পেশ করে।

কমিটির সুপারিশে উল্লেখ করা হয়, বিগত সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, বৈষম্য ও অন্যায়ের শিকার হওয়া কর্মকর্তাদের মান-মর্যাদা ও প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা পুনর্বহালের লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

কালের আলো/এসআর/এএএন 

 

রাজশাহীতে মহাসড়কে ডাকাতি, ১৯ মহিষসহ ট্রাক লুট

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ৯:২২ অপরাহ্ণ
রাজশাহীতে মহাসড়কে ডাকাতি, ১৯ মহিষসহ ট্রাক লুট

রাজশাহীর পুঠিয়ায় ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ১৯টি মহিষবোঝাই একটি ট্রাক লুট করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় মহাসড়কের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) দিবাগত রাত আনুমানিক সোয়া ৩টার দিকে পুঠিয়া উপজেলার তারাপুর ও মাইপাড়া বাজারের মধ্যবর্তী মহাসড়কের নির্জন অংশে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বুধবার বিকেলে ভুক্তভোগীরা পুঠিয়া থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

ব্যবসায়ী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রাজশাহী অঞ্চলের সাতজন ব্যবসায়ী যৌথভাবে সিলেট থেকে ১৯টি মহিষ কিনে একটি ট্রাকে করে রাজশাহী সিটি হাটে নিয়ে আসছিলেন। তারাপুর বাজার অতিক্রম করার পর একটি ড্রাম ট্রাক দিয়ে তাদের পথরোধ করে ১০ থেকে ১৫ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাত দল।

ডাকাতরা ট্রাকের চালক, হেলপারসহ চারজনকে মারধর করে হাত-পা বেঁধে ফেলে এবং মুখে টেপ লাগিয়ে জিম্মি করে। পরে তাদের সিরাজগঞ্জের কাচিকাটা টোলপ্লাজার আগে একটি পাটক্ষেতে ফেলে রেখে মহিষবোঝাই ট্রাকটি নিয়ে পালিয়ে যায়।

ডাকাতির শিকার ট্রাকচালক রিয়াজউদ্দিন বলেন, “তারাপুর বাজার পার হওয়ার পরই একটি ড্রাম ট্রাক আমাদের সামনে এসে দাঁড়ায়। এরপর কয়েকজন এসে আমাদের মারধর করে, মুখে টেপ লাগিয়ে তুলে নিয়ে যায়। পরে কাচিকাটা এলাকায় একটি পাটক্ষেতে ফেলে রেখে তারা ট্রাক নিয়ে চলে যায়।”

পুঠিয়া থানার ওসি ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘ভুক্তভোগীরা আমাদের কাছে এসে জানিয়েছেন, তাদের ১৯টি মহিষসহ ট্রাক লুণ্ঠন করা হয়েছে। এ ঘটনায় তারা লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগের আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।’

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানি প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ৮:৩১ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানি প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ

Oplus_131072

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে জাপানের বৈদেশিক সম্পর্কবিষয়ক সংসদীয় ভাইস মিনিস্টার শিমাদা তোমাকির নেতৃত্বে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) প্রেসিডেন্টসহ একটি প্রতিনিধি দল সাক্ষাৎ করেছে।

বুধবার (১ জুলাই) বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর, এমআরটি লাইনসমূহ, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালসহ জাইকার অর্থায়নে বাংলাদেশে চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ডিসেম্বরের মধ্যে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধনের লক্ষ্যে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কাজ সম্পন্ন হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এ ছাড়া, বৈঠকে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশকে জাপানের ৩১২ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সহায়তা ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করার বিষয়ে জাপান ইতিবাচক সাড়া দেয়।

বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে স্বাক্ষরিত বাংলাদেশ–জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে উভয় পক্ষ তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।

এ সময় জাপানি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে জাপানের পক্ষ থেকে পাঁচটি পেট্রোল বোট প্রদান করা হবে বলে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করে।

এ ছাড়া বৈঠকে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশকে জাপানের ৩১২ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সহায়তা ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করার বিষয়ে জাপান ইতিবাচক সাড়া দেয়।

বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে স্বাক্ষরিত বাংলাদেশ–জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে উভয় পক্ষ তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।

এ সময় জাপানি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে জাপানের পক্ষ থেকে পাঁচটি পেট্রোল বোট প্রদান করা হবে বলে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করে।

কালের আলো/এসএকে