খুঁজুন
                               
, ,
           

৫ আগস্ট জুলাই জাদুঘর খুলে না দিলে জনগণই খুলবে: নাহিদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ২:১২ অপরাহ্ণ
৫ আগস্ট জুলাই জাদুঘর খুলে না দিলে জনগণই খুলবে: নাহিদ

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতে আগামী ৫ আগস্ট গণভবনে প্রতিষ্ঠিত জুলাই স্মৃতি জাদুঘর জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়ার কথা রয়েছে। তবে ঘোষণা থাকলেও সেদিন জাদুঘর খোলার বিষয়টি নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। ওইদিনের আগেই জাদুঘরটি খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন জুলাই আন্দোলনে এক দফার ঘোষণাকারী এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। না হলে জনগণই ওইদিন জাদুঘরটি খুলে ফেলবে বলেও তিনি সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

বুধবার (১ জুলাই) সকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নাহিদ ইসলাম এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি এনসিপির নেতাদের নিয়ে রায়েরবাজারে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের গণকবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এ সময় আখতার হোসেন, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, হাসনাত আব্দুল্লাহ, সারজিস আলমসহ এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

জুলাই জাদুঘর প্রসঙ্গে নিজেদের কঠোর অবস্থানের কথা তুলে ধরে নাহিদ ইসলাম বলেন, ৫ আগস্টের মধ্যে জুলাই জাতীয় জাদুঘর খুলে দিতে হবে। না হলে জনগণ নিজেরাই সেটি খুলে নেবে এবং সেখানে যাওয়ার ব্যবস্থা করবে।

এনসিপির কর্মসূচি প্রসঙ্গে দলটির আহ্বায়ক বলেন, আজ পহেলা জুলাই। দুই বছর আগে যে গণঅভ্যুত্থান হয়েছিল, তার শহীদদের স্মরণে আমরা রায়েরবাজারে গণকবরে কবর জিয়ারত ও শ্রদ্ধা জানাতে এসেছি। আজ থেকে আমাদের ৩৬ দিনব্যাপী কর্মসূচি শুরু হচ্ছে। ঢাকা ও সারাদেশে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মরণে নানা কর্মসূচি পালন করা হবে।

সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ বলেন, আমরা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি শহীদ আবু সাঈদ, মুগ্ধ, ওয়াসিম, ফারহান, ফাইয়াজ, রিয়াগোপসহ জুলাইয়ের প্রায় ১৪০০ শহীদকে। আমরা স্মরণ করছি আহত প্রায় ৩০০ জন জুলাই যোদ্ধাকে। একই সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে রাজপথে নামা ছাত্রসমাজ পাবলিক, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়, মাদরাসা, স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীদের আমরা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি।

নাহিদ ইসলাম বলেন, শ্রমিক, নিম্নবিত্ত মানুষ, নারী সমাজ, শিক্ষক, অভিভাবক, সাংস্কৃতিক কর্মী, আলেম সমাজ, সাংবাদিক, আইনজীবীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ এই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নিয়েছে। প্রবাসী ভাই-বোনেরা, বিদেশি বন্ধুরাও আমাদের সহযোগিতা করেছে। সাবেক সেনা কর্মকর্তাসহ সেনাবাহিনীর তরুণ সদস্যরাও প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ভূমিকা রেখেছেন সবাইকে আমরা স্মরণ করছি।

জুলাই আন্দোলনে ছাত্র-জনতা যে আকাঙ্ক্ষা করেছিল তা পূরণ হয়নি জানিয়ে তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর হয়ে গেছে। আমরা বলেছিলাম, জুলাই গণহত্যার বিচার, সংস্কার এবং বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক নতুন বাংলাদেশ গড়তে চাই। কিন্তু সেই আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ এখনো পাইনি।

হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালের রায়ের সমালোচনা করে নাহিদ বলেন, গতকাল ট্রাইব্যুনালের একটি রায় এসেছে, যা জনগণকে সন্তুষ্ট করতে পারেনি। শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধারাও ন্যায়বিচার পায়নি। হাসানুল হক ইনুকে যে সাজা দেওয়া হয়েছে, সেটি যথেষ্ট নয়। আমরা আপিল করে আরও কঠোর বিচার প্রত্যাশা করছি।

বিএনপি সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, এই সরকার আসার পর মাত্র দুটি মামলার রায় হয়েছে। তদন্ত ও প্রতিবেদন দাখিলে ধীরগতি দেখা যাচ্ছে। আমরা চাই দ্রুত বিচার সম্পন্ন হোক।

জুলাই সনদ ও সংস্কার প্রসঙ্গে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, সংস্কার বাস্তবায়ন এবং গণভোটের রায় অনুযায়ী রাষ্ট্র কাঠামোর সংস্কার করতে হবে। এখনো আমরা সেই সংস্কার পাইনি। এই সরকারের পক্ষ থেকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান উপলক্ষে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়নি। শুধু নামমাত্র পালন করলে হবে না, আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করতে হবে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

আ.লীগ আমলে বঞ্চিত তিন বাহিনীর ১৫০ কর্মকর্তা পেলেন বিশেষ সুবিধা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬, ১২:৪০ পূর্বাহ্ণ
আ.লীগ আমলে বঞ্চিত তিন বাহিনীর ১৫০ কর্মকর্তা পেলেন বিশেষ সুবিধা

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বিমানবাহিনীতে বঞ্চনা, অবিচার ও প্রতিহিংসার শিকার হওয়া ১৫০ জন অবসরপ্রাপ্ত, অপসারণকৃত, অব্যাহতিপ্রাপ্ত ও বরখাস্তকৃত (চাকরিচ্যুত) অফিসারকে পুনর্বাসন, ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি এবং বকেয়া আর্থিক সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

বুধবার (১ জুলাই ) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আশরাফ উদ্দিন স্বাক্ষরিত এই প্রজ্ঞাপনটি অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, ২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট পর্যন্ত সশস্ত্র বাহিনীর তিন শাখায় চাকরিতে বৈষম্য ও প্রতিহিংসার শিকার কর্মকর্তাদের আবেদন পর্যালোচনার জন্য সম্প্রতি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক একটি কমিটি এবং বাহিনী সদর দপ্তরসমূহ কর্তৃক পর্ষদ গঠন করা হয়েছিল। পরবর্তীতে গত ৩ মে গঠিত আরেকটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি এসব প্রস্তাব ও সুপারিশ বিস্তারিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে। সেই কমিটির চূড়ান্ত সুপারিশের ভিত্তিতে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে এই সরকারি আদেশ জারি করা হয়েছে।

আদেশের আওতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১১৫ জন, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ২১ জন এবং বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর ১৪ জনসহ সর্বমোট ১৫০ জন অফিসারকে তাদের যোগ্যতানুযায়ী স্বাভাবিক অবসর, ভূতাপেক্ষ পদোন্নতিসহ স্বাভাবিক অবসর, অকালীন (বাধ্যতামূলক) অবসর বা পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া বিধি অনুযায়ী তাদের বকেয়া বেতন-ভাতা, আর্থিক সুবিধা এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বিশেষ আর্থিক প্রণোদনাও দেওয়া হবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, জনস্বার্থে জারি করা এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং এটি বাস্তবায়ন করবে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ।

একই সঙ্গে ২০২৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারি করা এ-সংক্রান্ত আগের প্রজ্ঞাপন বাতিল করা হয়েছে।

এর আগে, অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সশস্ত্র বাহিনী থেকে বরখাস্ত, চাকরিচ্যুত, বাধ্যতামূলক অবসর, অকালীন অবসর ও স্বেচ্ছায় অবসরে যাওয়া ১৪১ জন কর্মকর্তাকে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি দেয়। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরই বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বরখাস্ত, চাকরিচ্যুত, বাধ্যতামূলক অবসর, অকালীন অবসর ও স্বেচ্ছা অবসরে যাওয়া কর্মকর্তারা চাকরি ফিরে পাওয়ার আবেদন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে সরকার একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করে।

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি বিষয়ক বিশেষ সহকারী লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজের নেতৃত্বে এই কমিটি গঠিত হয়। কমিটি কর্মকর্তাদের কাছ থেকে পাওয়া আবেদন পর্যালোচনা করে সরকারের কাছে সুপারিশ পেশ করে। কমিটি ২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট পর্যন্ত পদ্ধতিগত বৈষম্য ও পেশাগত ক্ষতির অভিযোগে অবসরপ্রাপ্ত, অপসারিত বা বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তাদের করা আবেদন পর্যালোচনা করে সুপারিশ পেশ করে।

কমিটির সুপারিশে উল্লেখ করা হয়, বিগত সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, বৈষম্য ও অন্যায়ের শিকার হওয়া কর্মকর্তাদের মান-মর্যাদা ও প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা পুনর্বহালের লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

কালের আলো/এসআর/এএএন 

 

রাজশাহীতে মহাসড়কে ডাকাতি, ১৯ মহিষসহ ট্রাক লুট

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ৯:২২ অপরাহ্ণ
রাজশাহীতে মহাসড়কে ডাকাতি, ১৯ মহিষসহ ট্রাক লুট

রাজশাহীর পুঠিয়ায় ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ১৯টি মহিষবোঝাই একটি ট্রাক লুট করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় মহাসড়কের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) দিবাগত রাত আনুমানিক সোয়া ৩টার দিকে পুঠিয়া উপজেলার তারাপুর ও মাইপাড়া বাজারের মধ্যবর্তী মহাসড়কের নির্জন অংশে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বুধবার বিকেলে ভুক্তভোগীরা পুঠিয়া থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

ব্যবসায়ী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রাজশাহী অঞ্চলের সাতজন ব্যবসায়ী যৌথভাবে সিলেট থেকে ১৯টি মহিষ কিনে একটি ট্রাকে করে রাজশাহী সিটি হাটে নিয়ে আসছিলেন। তারাপুর বাজার অতিক্রম করার পর একটি ড্রাম ট্রাক দিয়ে তাদের পথরোধ করে ১০ থেকে ১৫ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাত দল।

ডাকাতরা ট্রাকের চালক, হেলপারসহ চারজনকে মারধর করে হাত-পা বেঁধে ফেলে এবং মুখে টেপ লাগিয়ে জিম্মি করে। পরে তাদের সিরাজগঞ্জের কাচিকাটা টোলপ্লাজার আগে একটি পাটক্ষেতে ফেলে রেখে মহিষবোঝাই ট্রাকটি নিয়ে পালিয়ে যায়।

ডাকাতির শিকার ট্রাকচালক রিয়াজউদ্দিন বলেন, “তারাপুর বাজার পার হওয়ার পরই একটি ড্রাম ট্রাক আমাদের সামনে এসে দাঁড়ায়। এরপর কয়েকজন এসে আমাদের মারধর করে, মুখে টেপ লাগিয়ে তুলে নিয়ে যায়। পরে কাচিকাটা এলাকায় একটি পাটক্ষেতে ফেলে রেখে তারা ট্রাক নিয়ে চলে যায়।”

পুঠিয়া থানার ওসি ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘ভুক্তভোগীরা আমাদের কাছে এসে জানিয়েছেন, তাদের ১৯টি মহিষসহ ট্রাক লুণ্ঠন করা হয়েছে। এ ঘটনায় তারা লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগের আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।’

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানি প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ৮:৩১ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানি প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ

Oplus_131072

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে জাপানের বৈদেশিক সম্পর্কবিষয়ক সংসদীয় ভাইস মিনিস্টার শিমাদা তোমাকির নেতৃত্বে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) প্রেসিডেন্টসহ একটি প্রতিনিধি দল সাক্ষাৎ করেছে।

বুধবার (১ জুলাই) বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর, এমআরটি লাইনসমূহ, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালসহ জাইকার অর্থায়নে বাংলাদেশে চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ডিসেম্বরের মধ্যে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধনের লক্ষ্যে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কাজ সম্পন্ন হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এ ছাড়া, বৈঠকে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশকে জাপানের ৩১২ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সহায়তা ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করার বিষয়ে জাপান ইতিবাচক সাড়া দেয়।

বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে স্বাক্ষরিত বাংলাদেশ–জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে উভয় পক্ষ তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।

এ সময় জাপানি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে জাপানের পক্ষ থেকে পাঁচটি পেট্রোল বোট প্রদান করা হবে বলে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করে।

এ ছাড়া বৈঠকে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশকে জাপানের ৩১২ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সহায়তা ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করার বিষয়ে জাপান ইতিবাচক সাড়া দেয়।

বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে স্বাক্ষরিত বাংলাদেশ–জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে উভয় পক্ষ তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।

এ সময় জাপানি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে জাপানের পক্ষ থেকে পাঁচটি পেট্রোল বোট প্রদান করা হবে বলে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করে।

কালের আলো/এসএকে