খুঁজুন
                               
, ,
           

চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার পরিবহনে ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ৬:৪৫ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার পরিবহনে ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি

সদ্য বিদায়ী ২০২৫–২৬ অর্থবছরে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার ওঠানো ও নামানোয় ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এই এক অর্থবছরে কনটেইনার পরিবহন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫ লাখ ৩১ হাজারে।

বুধবার (১ জুলাই ) বন্দরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বন্দরের চারটি টার্মিনাল, কমলাপুর কনটেইনার ডিপো ও পানগাঁও নৌ টার্মিনালে কনটেইনার ওঠানো–নামানোর সংখ্যা হিসাব করে এই চিত্র প্রকাশ করা হয়েছে। এর মধ্যে আমদানি–রপ্তানি পণ্যবাহী ও খালি কনটেইনারের হিসাবও রয়েছে।

কনটেইনারে পণ্য পরিবহনের পাশাপাশি বাল্ক, ব্রেক বাল্ক ও ট্যাংকারেও পণ্য আনা–নেওয়া হয়। মোট পণ্য পরিবহনও বাড়ার হিসাব দিয়েছে বন্দর। বন্দরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিদায়ী অর্থবছরে বন্দর দিয়ে ১৩ কোটি ৮০ লাখ টন পণ্য পরিবহন হয়েছে, যা ২০২৪–২৫ অর্থবছরের তুলনায় ৫ দশমিক ৫২ শতাংশ বেশি। একইভাবে বিদায়ী অর্থবছরে ৪ হাজার ৩৩৬টি জাহাজ থেকে পণ্য ওঠানো–নামানো হয়েছে, যা ২০২৪–২৫ অর্থবছরের তুলনায় ৬ দশমিক ৩৫ শতাংশ বেশি।

বন্দরে কনটেইনার ও পণ্য পরিবহনের প্রবৃদ্ধি নিয়ে আজ দুপুরে চট্টগ্রাম বন্দরের নবনির্মিত ওয়ান–স্টপ সার্ভিস ভবন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, ‘২০২৫–২৬ অর্থবছরে বন্দরে দক্ষতার প্রতিটি সূচকে অতীতের সব রেকর্ড ভঙ্গ করতে পেরেছি। এটি যুগান্তকারী অর্জন। সবাই একযোগে কাজ করেছেন বলেই এই অর্জন সম্ভব হয়েছে।’

কনটেইনার ও পণ্য পরিবহনের পাশাপাশি বন্দরের রাজস্ব আয়ও বেড়েছে। কমেছে রাজস্ব ব্যয়। বন্দরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০২৫–২৬ অর্থবছরে ৬ হাজার ৬২৯ কোটি টাকা রাজস্ব আয় করেছে বন্দর। তার আগের অর্থবছরে যার পরিমাণ ছিল ৫ হাজার ৩৬৬ কোটি টাকা।

সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চট্টগ্রাম বন্দরের রাজস্ব ব্যয়ও কমেছে। এবার রাজস্ব ব্যয় হয়েছে ২ হাজার ২৭৩ কোটি টাকা। আগের অর্থবছরে যার পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৩৮৮ কোটি টাকা।

সমুদ্রপথে কনটেইনার পরিবহনের ৯৯ শতাংশই চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে পরিবহন হয়। বাকি ১ শতাংশ মোংলা বন্দর দিয়ে পরিবহন হয়।

কালের আলো/এসআর/এএএন 

ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৪৩ জন

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫৮ পূর্বাহ্ণ
ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৪৩ জন

রাজধানী ঢাকায় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৪৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় বিভিন্ন ঘটনায় ৩৮টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযানে মাদকদ্রব্য, বিস্ফোরকসদৃশ বস্তু, বিভিন্ন সরঞ্জাম, মোবাইল ফোন ও সিমকার্ড উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি একজন ভুক্তভোগীকেও উদ্ধার করা হয়েছে।

২৭ অক্টোবর বিষয়টি নিশ্চিত করেন ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী। তিনি জানান, ২৬ অক্টোবর রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানে বিভিন্ন আলামত ও মাদকদ্রব্যও উদ্ধার করা হয়েছে ডিএমপির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে মিরপুর বিভাগ থেকে সর্বোচ্চ ১৫০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়া ওয়ারী বিভাগে ৯৪ জন, তেজগাঁও বিভাগে ৭৪ জন, গুলশান বিভাগে ৬২ জন, মতিঝিল বিভাগে ৪৮ জন, লালবাগ বিভাগে ৪২ জন, উত্তরা বিভাগে ৩৭ জন এবং রমনা বিভাগে ৩৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গোয়েন্দা বিভাগ গ্রেপ্তার করেছে আরও তিনজনকে।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পরিচালিত এসব অভিযানের মাধ্যমে মোট ৫৪৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই সময়ে ৩৮টি মামলা দায়েরের তথ্য জানিয়েছে পুলিশ।অভিযানকালে উদ্ধার করা আলামতের মধ্যে রয়েছে ১ হাজার ১২১ পিস ইয়াবা, ২৮ গ্রাম হেরোইন, একটি অবিস্ফোরিত ককটেল এবং একটি বিস্ফোরিত ককটেলের অংশবিশেষ।

এ ছাড়া একটি সুইচ গিয়ার, একটি প্লায়ার্স, একটি অ্যান্টি-কাটার, একটি অটোরিকশা, ১৫টি মোবাইল ফোন ও ১৩টি সিমকার্ড উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযান চলাকালে একজন ভুক্তভোগীকেও উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। তবে কোন মামলায় কতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।রাজধানীতে অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডিএমপির নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে এসব কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে বলে পুলিশের দেওয়া তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

ডি-থ্রি ট্রফি: নিলাম শেষে কোন দল কতটা শক্তিশালী?

ক্রীড়া ডেস্ক, কালের আলো
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৪৯ পূর্বাহ্ণ
ডি-থ্রি ট্রফি: নিলাম শেষে কোন দল কতটা শক্তিশালী?

নিলাম হয়েছে, উঠেছে ক্রিকেটারদের নাম, হয়েছে দরকষাকষিও—তবে কোথাও উচ্চারিত হয়নি টাকার অঙ্ক। বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে নতুন সংযোজন ডমেস্টিক থ্রি (ডি-থ্রি) ট্রফির খেলোয়াড় নিলাম ছিল এমনই ব্যতিক্রমী। এখানে ক্রিকেটারদের দলে নিতে ছয়টি ফ্র্যাঞ্চাইজি লড়েছে টাকার বদলে পয়েন্ট নিয়ে। নিলাম শেষে দল গঠনের হিসাবে ফরচুন ও সিটিজেনস ব্যাংককে বেশ ভারসাম্যপূর্ণ মনে হলেও পিছিয়ে নেই ওয়ালটন ও একমিও।

রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে অনুষ্ঠিত এই নিলামে সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন ভারতের পরিচিত নিলাম সঞ্চালক চারু শর্মা। প্রচলিত ফ্র্যাঞ্চাইজি নিলামের আবহ থাকলেও এখানে খেলোয়াড় কেনাবেচার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে কাল্পনিক পয়েন্ট। প্রতিটি দলের জন্য বরাদ্দ ছিল ১০ কোটি পয়েন্ট।

১০ কোটি পয়েন্টে দল গড়ার চ্যালেঞ্জ
ডি-থ্রি ট্রফিতে খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক নির্ধারণের প্রচলিত পদ্ধতির বদলে দল গঠনের জন্য পয়েন্টভিত্তিক নিলামের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। খেলোয়াড়দের আয় হবে ম্যাচ ফি থেকে। এদিকে নিলামে প্রতিটি দলকে ২২ জন করে ক্রিকেটার নিতে হয়েছে। ছয়টি দলের জন্য মোট ১৩২ জন ক্রিকেটার নিলাম থেকে দল পেয়েছেন। এর বাইরে ছয়জন আইকন ক্রিকেটারকে আগেই দলে নিয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো।

নিলামে ক্রিকেটারদের পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছিল। ‘এ’ শ্রেণির ভিত্তিমূল্য ছিল ৪০ লাখ পয়েন্ট, ‘বি’ শ্রেণির ৩০ লাখ, ‘সি’ শ্রেণির ২০ লাখ, ‘ডি’ শ্রেণির ১০ লাখ এবং ‘ই’ শ্রেণির ৫ লাখ পয়েন্ট। তবে ভিত্তিমূল্যের চেয়ে বেশি পয়েন্টে ক্রিকেটারদের দলে নেওয়ার প্রতিযোগিতা নিলামকে জমিয়ে তোলে।

শরীফুল, তাসকিন ও তানজিদকে নিয়ে লড়াই
নিলামের সবচেয়ে আলোচিত নামগুলোর মধ্যে ছিলেন জাতীয় দলের পেসার শরীফুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ ও ব্যাটার তানজিদ হাসান। সর্বোচ্চ ২ কোটি ৩০ লাখ পয়েন্টে শরীফুলকে দলে নেয় সিটিজেনস ব্যাংক। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২ কোটি ১০ লাখ পয়েন্টে তাসকিনকে নিয়েছে ওয়ালটন। আর ২ কোটি পয়েন্টে তানজিদকে দলে ভিড়িয়েছে ফরচুন।

এ ছাড়া ১ কোটি ৯৫ লাখ পয়েন্টে হাসান মাহমুদকে নিয়েছে ব্লুস্টার। একই পয়েন্টে সাইফ হাসানকে দলে নিয়েছে সেভেন রিংস সিমেন্ট। নিলামের এই দরগুলো থেকেই বোঝা গেছে, কোন ক্রিকেটারকে ঘিরে দলগুলোর আগ্রহ কতটা বেশি।

কোন দলের স্কোয়াড কেমন?
ফরচুন গ্রুপ: আইকন ক্রিকেটার তাওহীদ হৃদয়ের সঙ্গে দলটিতে রয়েছেন রিশাদ হোসেন, সৌম্য সরকার, নাজমুল হোসেন, তানজিদ হাসান, সাব্বির রহমান ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের মতো ক্রিকেটার। ব্যাটিং, স্পিন ও পেস—তিন বিভাগেই বিকল্প থাকায় দলটিকে ভারসাম্যপূর্ণ মনে হচ্ছে।

ওয়ালটন গ্রুপ: মেহেদী হাসান মিরাজের সঙ্গে রয়েছেন মুমিনুল হক, লিটন দাস, তাসকিন আহমেদ, নাসুম আহমেদ ও নাহিদুল ইসলামের মতো ক্রিকেটার। অভিজ্ঞ ব্যাটার, অলরাউন্ডার ও পেসারদের সমন্বয়ে দলটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা রাখে।

ব্লুস্টার: আইকন নুরুল হাসানের সঙ্গে দলটিতে আছেন শেখ মেহেদী হাসান, হাসান মাহমুদ, নাহিদ রানা, এনামুল হক বিজয় ও আফিফ হোসেন। বোলিং আক্রমণে গতি ও বৈচিত্র্য যোগ করার মতো ক্রিকেটার থাকায় দলটি নজর কাড়তে পারে।

সেভেন রিংস সিমেন্ট: মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে তাইজুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান, খালেদ আহমেদ, সাদমান ইসলাম, জাকির হাসান ও শামীম হোসেনের মতো ক্রিকেটার রয়েছেন। অভিজ্ঞতা ও বোলিংয়ের বৈচিত্র্য দলটির বড় শক্তি হতে পারে।

একমি গ্রুপ: আইকন মোসাদ্দেক হোসেনের সঙ্গে রয়েছেন নাঈম হাসান, আলিস আল ইসলাম, মাহমুদউল্লাহ, পারভেজ হোসেন, শাহাদাত হোসেন ও রাকিবুল হাসানের মতো ক্রিকেটার। অভিজ্ঞতার সঙ্গে তরুণদের সমন্বয় দলটির পারফরম্যান্সে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

সিটিজেনস ব্যাংক: আইকন মোহাম্মদ নাঈম শেখের সঙ্গে রয়েছেন শরীফুল ইসলাম, সাইফ হাসান, জাকের আলি, হাসান মুরাদ ও ইয়াসির আলীর মতো ক্রিকেটার। নিলামে সর্বোচ্চ পয়েন্টে শরীফুলকে নেওয়ার পাশাপাশি ব্যাটিং ও বোলিংয়ে একাধিক বিকল্প পেয়েছে দলটি।

ম্যাচ ফির নতুন কাঠামো
ডি-থ্রি ট্রফিকে ঘিরে ঘরোয়া ক্রিকেটে ক্রিকেটারদের আয় বাড়ানোর উদ্যোগও নিয়েছে বিসিবি। ঘোষিত নতুন কাঠামো অনুযায়ী, চার দিনের ম্যাচে ম্যাচ ফি ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা, ৫০ ওভারের ম্যাচে ১ লাখ টাকা এবং টি-টোয়েন্টিতে ৮০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

আইকন ক্রিকেটারসহ প্রতিটি দলে ২৩ জন থাকলেও বিসিবি স্কোয়াডের ১৫ জনের ম্যাচ ফি ও অন্যান্য খরচ বহন করবে। ১৫ জনের বেশি ক্রিকেটার রাখলে অতিরিক্ত সদস্যদের খরচ সংশ্লিষ্ট ফ্র্যাঞ্চাইজিকে বহন করতে হবে।

দল পেয়েছেন কারা, বাদ পড়েছেন কারা?
নিলামে ২৭৫ জন ক্রিকেটারকে তোলা হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে ১৩২ জন ছয়টি দলের স্কোয়াডে জায়গা পেয়েছেন। আইকন হিসেবে আগেই দল পাওয়া ছয়জনকে যুক্ত করলে মোট ১৩৮ জন ক্রিকেটার দল পেয়েছেন।

অন্যদিকে, ‘ই’ শ্রেণির অনেক ক্রিকেটারই দল পাননি। উল্লেখযোগ্যদের মধ্যে রয়েছেন নাসির হোসেন, আলাউদ্দিন বাবু, আশিকুর রহমান শিবলী, সোহাগ গাজী ও সালাউদ্দিন শাকিল।

সব মিলিয়ে ডি-থ্রি ট্রফির নিলাম শুধু ক্রিকেটারদের দল পাওয়ার প্রতিযোগিতা ছিল না; বরং সীমিত পয়েন্টে কীভাবে কার্যকর স্কোয়াড গঠন করা যায়, সেটিও ছিল দলগুলোর জন্য বড় পরীক্ষা। কাগজে-কলমে ফরচুন, সিটিজেনস ব্যাংক ও ওয়ালটনকে শক্তিশালী মনে হলেও মাঠের পারফরম্যান্সই শেষ পর্যন্ত নির্ধারণ করবে কোন দল এগিয়ে থাকবে।

কালের আলো/এএএন/জেএন

রিয়ালের জয়ের পর হাসির ইমোজিতে খোঁচা ভিনিসিয়ুসের

ক্রীড়া ডেস্ক, কালের আলো
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৩৪ পূর্বাহ্ণ
রিয়ালের জয়ের পর হাসির ইমোজিতে খোঁচা ভিনিসিয়ুসের

এল ক্লাসিকোতে মাঠে ছিলেন না ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। নিষেধাজ্ঞার কারণে বাইরে থেকেই দেখতে হয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনার লড়াই। তবে মাঠে না থাকলেও আলোচনায় ঠিকই জায়গা করে নিয়েছেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। রিয়াল মাদ্রিদের জয়ের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনটি হাসির ইমোজি পোস্ট করে প্রতিপক্ষ বার্সেলোনাকে খোঁচা দিয়েছেন কি না, তা নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে রিয়াল মাদ্রিদ ২-১ গোলে জয় পাওয়ার পর ইনস্টাগ্রামে তিনটি হাসির ইমোজি প্রকাশ করেন ভিনিসিয়ুস। তাঁর এই পোস্টের নির্দিষ্ট লক্ষ্য কী ছিল, তা স্পষ্ট নয়। তবে ম্যাচের আগে বার্সেলোনাকে এগিয়ে রাখা ব্যক্তিদের উদ্দেশে এটি পরোক্ষ বিদ্রূপ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নিষেধাজ্ঞায় এল ক্লাসিকোর বাইরে ভিনিসিয়ুস
গত ১০ অক্টোবর ভিয়ারিয়ালের নাথান সালিবার চুল টেনে ধরার ঘটনায় শাস্তি পান ভিনিসিয়ুস। ওই ঘটনার জেরে চার ম্যাচের নিষেধাজ্ঞায় পড়েন রিয়াল মাদ্রিদের এই ফরোয়ার্ড। ফলে বার্সেলোনার বিপক্ষে বহুল প্রতীক্ষিত এল ক্লাসিকোতে মাঠে নামতে পারেননি তিনি।

তবে মাঠের বাইরে থেকেও দলের খেলার খবর রেখেছেন ব্রাজিলিয়ান তারকা। গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, স্টেডিয়ামের বাইরে থেকে ম্যাচটি দেখেছেন তিনি। রিয়ালের জয়ের পর তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট ঘিরে তাই বাড়তি আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

দলে ফিরেই কি জায়গা নিয়ে চ্যালেঞ্জে পড়বেন?
এদিকে, নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে দলে ফেরার পর ভিনিসিয়ুসের একাদশে জায়গা পাওয়া নিয়েও আলোচনা চলছে। কয়েকটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইয়ান দিওমান্দের ভালো ফর্মের কারণে প্রতিযোগিতা বাড়তে পারে। তবে ভিনিসিয়ুসের দলে ফেরা এবং একাদশে জায়গা পাওয়া নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে কোচের পরিকল্পনার ওপর।

জয়ে শিরোপার লড়াইয়ে ব্যবধান কমাল রিয়াল
বার্সেলোনার বিপক্ষে এই জয়ে পয়েন্টের ব্যবধান কমিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। ১০ ম্যাচে ২৭ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার শীর্ষে রয়েছে কাতালান ক্লাবটি। সমান ম্যাচে ২৪ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে রিয়াল। দুই দলের মাঝে ২৫ পয়েন্ট নিয়ে অবস্থান করছে নগরপ্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ।

এল ক্লাসিকোর জয় রিয়ালকে শিরোপার লড়াইয়ে নতুন করে আত্মবিশ্বাস জোগালেও ভিনিসিয়ুসের ইমোজি পোস্টের উদ্দেশ্য নিয়ে আলোচনা আপাতত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেই সীমাবদ্ধ।

কালের আলো/এএইচ/জেএন