খুঁজুন
                               
, ,
           

বিশ্বকাপ ফুটবল

শ্বাসরূদ্ধকর ম্যাচে কেপ ভার্দেকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় আর্জেন্টিনা

ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬, ৬:৫৪ পূর্বাহ্ণ
শ্বাসরূদ্ধকর ম্যাচে কেপ ভার্দেকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় আর্জেন্টিনা

বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে এমন কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়তে হবে, ম্যাচের শুরুতে হয়তো খুব কম মানুষই ভেবেছিলেন। কিন্তু বিশ্বকাপে অভিষেক হওয়া কেপ ভার্দে লিওনেল মেসিদের ১২০ মিনিটের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত চাপে রেখে ইতিহাস গড়ার খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল।

শেষ পর্যন্ত অতিরিক্ত সময়ের নাটকীয় লড়াইয়ে ৩-২ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে শেষ ষোলোয় জায়গা নিশ্চিত করেছে লিওনেল স্কালোনির দল।

প্রথমার্ধে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল পুরোপুরি আর্জেন্টিনার হাতে। যদিও কেপ ভার্দের সুশৃঙ্খল রক্ষণ শুরুতে মেসিদের আক্রমণ আটকে দেয়। ১৫ মিনিটে থিয়াগো আলমাদার পাস থেকে মেসির প্রথম বড় সুযোগটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। এরপর ১৮ মিনিটে ফ্রি-কিক থেকেও গোলরক্ষক ভোজিনহাকে পরাস্ত করতে পারেননি আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।

অবশেষে ২৯ মিনিটে জাদুকরী মুহূর্ত এনে দেন মেসি। লিসান্দ্রো মার্টিনেজের অসাধারণ লং বল নিখুঁত প্রথম স্পর্শে নিয়ন্ত্রণে এনে কেপ ভার্দের রক্ষণ ভেঙে কাছের পোস্ট দিয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন তিনি। এটি ছিল চলতি বিশ্বকাপে মেসির সপ্তম গোল। একই সঙ্গে বিশ্বকাপ নকআউট পর্বে তার সরাসরি গোল অবদান দাঁড়ায় ১২টি (৬ গোল, ৬ অ্যাসিস্ট), যা ১৯৬৬ সালের পর সর্বোচ্চ। টানা ৮ বিশ্বকাপ ম্যাচে গোল করলেন তিনি। সব মিলিয়ে বিশ্বকাপে তার গোল হরো ২০টি।

গোলের পরও আর্জেন্টিনা আধিপত্য বজায় রাখে। এনজো ফার্নান্দেজের দূরপাল্লার শট দারুণভাবে ঠেকান ৪০ বছর বয়সী গোলরক্ষক ভোজিনহা। বিরতিতে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই মাঠ ছাড়ে আলবিসেলেস্তেরা।

দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের চিত্র পাল্টে যায়। কেপ ভার্দে অনেক বেশি আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। ৫৪ মিনিটে এমিলিয়ানো মার্টিনেজ দুর্দান্ত এক সেভ করে দলকে রক্ষা করেন। কিন্তু ৫৯ মিনিটে আর পারেননি। ডান প্রান্তে রায়ান মেন্দেসের কাটব্যাক থেকে ডেরয় দুয়ার্তে কঠিন কোণ থেকেও জোরালো শটে বল জালে পাঠিয়ে সমতা ফেরান।

সমতায় ফেরার পর আর্জেন্টিনা একের পর এক আক্রমণ চালায়। ৬২ মিনিটে লওতারো মার্টিনেজের পাস থেকে মেসির কাছ থেকে নিশ্চিত গোল বাঁচান ভোজিনহা। ৭২ মিনিটে মেসির দুর্দান্ত ফ্রি-কিকও অসাধারণ দক্ষতায় কর্নারের বিনিময়ে ফিরিয়ে দেন কেপ ভার্দের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক। শেষ দিকে মেসির আরও দুটি প্রচেষ্টা, পারেদেসের দূরপাল্লার শট এবং ম্যাক অ্যালিস্টারের সুযোগও কাজে লাগাতে পারেনি আর্জেন্টিনা। নির্ধারিত সময় ১-১ সমতায় শেষ হয়।

অতিরিক্ত সময়ের শুরুতেই আবার এগিয়ে যায় বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ৯২ মিনিটে কর্নার থেকে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের ফ্লিকের পর লিসান্দ্রো মার্টিনেজ বল নিয়ন্ত্রণ করে বাঁ পায়ের শক্তিশালী শটে জালের ছাদে বল পাঠিয়ে স্কোর ২-১ করেন। বিশ্বকাপ ইতিহাসে অতিরিক্ত সময়ের তৃতীয় দ্রুততম গোল এটি।

তবে কেপ ভার্দে আবারও অবিশ্বাস্যভাবে ফিরে আসে। ১০৩ মিনিটে সিডনি লোপেজ ক্যাবরাল বাম দিক থেকে ভেতরে ঢুকে দূরের কোনায় দুর্দান্ত বাঁকানো শটে এমিলিয়ানো মার্টিনেজকে কোনো সুযোগ না দিয়ে ম্যাচ ২-২ করেন। গোলটি সহজেই টুর্নামেন্টের সেরা গোলের দাবিদার।

ম্যাচ যখন টাইব্রেকারের দিকে এগোচ্ছে, তখন ১১১ মিনিটে আসে ভাগ্যনির্ধারক মুহূর্ত। মেসির নেওয়া কর্নার থেকে ক্রিশ্চিয়ান রোমেরোর হেড ডিনে বোর্জেসের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে জালে জড়িয়ে যায়। আত্মঘাতী গোল হিসেবে নথিভুক্ত হওয়া এই গোলেই ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা।

শেষ মুহূর্তে কেপ ভার্দে আরও একবার সমতায় ফেরার খুব কাছে চলে গিয়েছিল। ১১৬ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে সিডনি ক্যাবরালের দুর্দান্ত ফ্রি-কিক উড়ে যাচ্ছিল জালের কোণে, কিন্তু এমিলিয়ানো মার্টিনেজ অসাধারণভাবে ঝাঁপিয়ে কর্নারের বিনিময়ে বল ফিরিয়ে দেন। সেটিই হয়ে ওঠে ম্যাচের শেষ বড় সুযোগ।

ম্যাচজুড়ে কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনহা ছিলেন অসাধারণ। তিনি মোট আটটি সেভ করে আর্জেন্টিনাকে বারবার হতাশ করেন। অন্যদিকে মেসি একাই পাঁচটি শট অন টার্গেটে রাখলেও শেষ পর্যন্ত তার দলকে জয় নিশ্চিত করতে প্রয়োজন হয় প্রতিপক্ষের আত্মঘাতী গোলের।

বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা শেষ পর্যন্ত জয় পেলেও এই ম্যাচে কেপ ভার্দে দেখিয়ে দিল, বিশ্বকাপের মঞ্চে তারা কেবল চমক নয়, বড় দলগুলোর জন্যও ভয়ংকর প্রতিপক্ষ।

কালের আলো/এম/এএইচ

সরকারের পাঁচ মাস পূর্তি : শনিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ১০:৪২ অপরাহ্ণ
সরকারের পাঁচ মাস পূর্তি : শনিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন

জনগণের ভোটে নির্বাচিত বাংলাদেশ সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পাঁচ মাস পূর্তি উপলক্ষ্যে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

শনিবার (১৮ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টায় প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ের ‘করবী’ হলে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন, প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত থাকবেন।

উল্লেখ্য, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে নতুন মেয়াদের কার্যক্রম শুরু করে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি। সেই ধারাবাহিকতায় সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পাঁচ মাস পূর্তি উপলক্ষ্যে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’-  ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীও তারেক রহমানের ভাষায় আশ্বাস দিয়েছেন দেশবাসীকে: তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ৯:২৫ অপরাহ্ণ
‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’-  ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীও তারেক রহমানের ভাষায় আশ্বাস দিয়েছেন দেশবাসীকে: তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, একজন রাষ্ট্রনায়কের প্রকৃত শক্তি হলো তাঁর সুস্পষ্ট পরিকল্পনায়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকার গঠনের আগে ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ এর মাধ্যমে জাতির সামনে যে রাষ্ট্র পরিচালনার পরিকল্পনা উপস্থাপন করেছিলেন, সম্প্রতি ব্রিটেনের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীও তাঁর বক্তব্যের সূচনায় আই হ্যাভ এ প্ল্যান বলে পরিকল্পনাভিত্তিক নেতৃত্বের সাথে মিলিয়ে একই ভাষায় কথা বলেছেন।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) রাজধানীর সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন ভবনের শহীদ শফিউর রহমান মিলনায়তনে আপন, ঢাকা’র উদ্যোগে মহাত্মা ভেগাই হালদারের আবির্ভাব ও তিরোধান উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, “একটু আগে দেখলাম ব্রিটেনের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যের শুরুতেই ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ বলেছেন। শুনে মনে হয়েছে, পরিকল্পনাভিত্তিক নেতৃত্বের যে দর্শন তারেক রহমান বাংলাদেশের মানুষের সামনে উপস্থাপন করেছিলেন, সেই একই ভাষায় জনগণের কাছে ভবিষ্যতের রূপরেখা তুলে ধরা হচ্ছে।”

তিনি বলেন, একজন রাষ্ট্রনায়ক যখন জাতির সামনে একটি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা তুলে ধরেন, তখন জনগণ সেই পরিকল্পনার মধ্যেই দেশের ভবিষ্যৎ দেখতে পায় এবং সেই নেতৃত্বের ওপর আস্থা রাখে। বাংলাদেশের মানুষও তারেক রহমানের ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’-এ ঘোষিত রাষ্ট্রচিন্তা ও কর্মপরিকল্পনার প্রতি বিশ্বাস রেখেই তাঁকে এবং তাঁর দলকে বিপুল সমর্থন দিয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, তারেক রহমানের পরিকল্পনার অন্যতম ভিত্তি হলো ধর্ম, বর্ণ, ভাষা, জাতিসত্তা ও সংস্কৃতি নির্বিশেষে সকল নাগরিকের সমঅধিকার নিশ্চিত করা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অটুট রাখা।

মাহাত্মা ভেগাই হালদারও অনুরূপ মানবিক মূল্যবোধ ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির কথা প্রচার করে গিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন তথ্যমন্ত্রী।

তথ্যমন্ত্রী দৃঢ়ভাবে উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ সকল বৈচিত্র্যের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের দেশ হিসেবে এগিয়ে যাবে এবং বিভাজনের রাজনীতির কোনো স্থান এখানে হবে না।

তিনি বলেন, যারা একক ধর্ম, একক সংস্কৃতি বা একদলীয় আধিপত্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে, তারা প্রকৃতির নিয়ম, মানবতা ও সভ্যতার বিরোধী।  বাংলাদেশে ধর্ম, বর্ণ, ভাষা ও জাতিগত পরিচয় নির্বিশেষে সকল নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

অনুষ্ঠানে কৃতি শিক্ষার্থী ও গুণীজনদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আপন, ঢাকার সভাপতি শচীন্দ্র নাথ হালদার।

কালের আলো/এম/এএইচ

কাবাডিতে নেপালের বিপক্ষে বাংলাদেশের উড়ন্ত সূচনা, জাইমা রহমানের উচ্ছ্বাস

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ৬:৪৭ অপরাহ্ণ
কাবাডিতে নেপালের বিপক্ষে বাংলাদেশের উড়ন্ত সূচনা, জাইমা রহমানের উচ্ছ্বাস

ঘরের মাঠে নেপাল জাতীয় নারী কাবাডি দলের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের সিরিজটা দারুণভাবেই শুরু করল বাংলাদেশ। শুক্রবার(১৭ জুলাই) ঢাকার জাতীয় কাবাডি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সিরিজের প্রথম ম্যাচে নেপালকে ৩৪-২৪ পয়েন্টের ব্যবধানে হারিয়ে ১-০ তে লিড নিল স্বাগতিকরা। বাংলাদেশের এই জয়ের ম্যাচে বাড়তি আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কন্যা জাইমা রহমান।

ম্যাচের শুরু থেকেই নেপালিদের ওপর আগ্রাসী মেজাজ নিয়ে খেলতে থাকে বাংলাদেশ। কৌশলী আক্রমণ ও রক্ষণভাগে অটুট থেকে প্রথমার্ধেই ১৪-১০ পয়েন্টের লিড নিয়ে প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলে দেন স্বাগতিক মেয়েরা। দ্বিতীয়ার্ধে নেপাল ম্যাচে ফেরার জোর চেষ্টা চালালেও আর পেরে উঠেনি। শেষ পর্যন্ত ১০ পয়েন্টের বড় ব্যবধানে জয় নিয়ে খেলা শেষ করে বাংলাদেশ। ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক শ্রাবণী মল্লিক।

ম্যাচটি বাড়তি মাত্রা পেয়েছিল প্রধানমন্ত্রী কন্যা জাইমা রহমানের উপস্থিতিতে। ম্যাচের শুরুতে দুই দলের খেলোয়াড়দের সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে অংশ নেন তিনি। এরপর ভিআইপি বক্সের গাম্ভীর্য ছাপিয়ে এক পর্যায়ে তিনি নিচে নেমে এসে সাধারণ দর্শকের মতোই দাঁড়িয়ে পুরো খেলা উপভোগ করেন।

ম্যাচের প্রতিটি মুহূর্তে খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করেছেন তিনি। খেলা শেষে তিনি নিজেই বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়দের কাছে ডাকেন। তাদের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং দলের সাফল্যের অংশীদার হয়ে হাস্যোজ্জ্বল মুখে সেলফি তুলতে দেখা যায় তাকে। জাইমা রহমানের এমন আন্তরিকতা খেলোয়াড়দের দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করেছে।

এর আগে সিরিজের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এবং বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশনের সভাপতি মো. আলী হোসেন ফকির। তিনি বলেন, কাবাডি আমাদের জাতীয় খেলা এবং সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের সাফল্য আমাদের ক্রীড়া ঐতিহ্যের গর্ব। আমি বিশ্বাস করি, বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যকার এই সিরিজ দুই দেশের খেলোয়াড়দের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বন্ধুত্বের সেতুবন্ধন আরও দৃঢ় করবে।

অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (ক্রীড়া) আমেনা বেগম, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক (ক্রীড়া) মোহাম্মদ আমিনুল এহসান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও কাবাডি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এস এম নেওয়াজ সোহাগসহ ফেডারেশনের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। মাঠের জয় এবং গ্যালারির বাড়তি উৎসাহ সব মিলিয়ে কাবাডি স্টেডিয়ামে এক উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছিল। বাংলাদেশের মেয়েরা তাদের এই জয়যাত্রা পরবর্তী ম্যাচগুলোতেও ধরে রাখতে পারবে বলেই প্রত্যাশা দর্শকদের।

কালের আলো/এসএকে