খুঁজুন
                               
, ,
           

রেলে যাত্রীদের চাহিদা পূরণে লোকোমোটিভ ও কোচের সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে: রেল প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬, ১২:২৯ অপরাহ্ণ
রেলে যাত্রীদের চাহিদা পূরণে লোকোমোটিভ ও কোচের সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে: রেল প্রতিমন্ত্রী

যাত্রীদের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে বাংলাদেশ রেলওয়ের লোকোমোটিভ ও কোচ (ক্যারেজ) সংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ।

তিনি বলেন, নতুন রেলপথ নির্মাণের পাশাপাশি পর্যাপ্ত লোকোমোটিভ ও ক্যারেজ সংগ্রহের মাধ্যমে যাত্রীসেবা সম্প্রসারণে সরকার সমন্বিত পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

রেলপথ প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও যোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। এর অংশ হিসেবে রেলওয়েকে একটি আধুনিক, নিরাপদ ও জনবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থায় রূপান্তরের লক্ষ্যে বিভিন্ন স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, বর্তমানে রেলওয়ের সবচেয়ে বড় সীমাবদ্ধতা হলো লোকোমোটিভ ও ক্যারেজের ঘাটতি। এ কারণে যাত্রীদের চাহিদা অনুযায়ী ট্রেন পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না। নতুন রেললাইন নির্মাণ হলেও পর্যাপ্ত ইঞ্জিন ও কোচের অভাবে অনেক ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত সেবা দেওয়া যাচ্ছে না।

এই সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠতে নতুন লোকোমোটিভ ও ক্যারেজ সংগ্রহের বিষয়ে সম্ভাব্যতা যাচাই, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং ক্রয় প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী জানান, ভারত থেকে প্রায় ২০০টি ব্রডগেজ কোচ ও লোকোমোটিভ আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এগুলো হাতে এলে ব্রডগেজ লাইনে বিদ্যমান সংকট অনেকটাই দূর হবে। তবে মিটারগেজ অঞ্চলে এখনও বড় ধরনের চাপ রয়েছে। মিটারগেজ লোকোমোটিভ সংগ্রহ না হওয়া পর্যন্ত ওই অঞ্চলে যাত্রীসেবায় কাঙ্ক্ষিত উন্নতি সম্ভব হবে না।

এ সংকট নিরসনে আগামী এক থেকে দুই বছরের মধ্যে নতুন লোকোমোটিভ সংগ্রহের উদ্যোগ বাস্তবায়নের আশা প্রকাশ করেন তিনি।

হাবিবুর রশিদ বলেন, ভবিষ্যতে নতুন রেললাইন নির্মাণের সঙ্গে সমন্বয় করেই লোকোমোটিভ ও কোচ সংগ্রহ করা হবে, যাতে রেলপথ চালুর সঙ্গে সঙ্গেই পূর্ণাঙ্গ যাত্রীসেবা নিশ্চিত করা যায়।

রেলওয়ের নতুন প্রকল্প সম্পর্কে তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জ-কুমিল্লা কর্ড লাইন নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা (ফিজিবিলিটি স্টাডি) চলছে এবং প্রকল্পটি বাস্তবায়নের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। একইসঙ্গে সিরাজগঞ্জ-বগুড়া নতুন রেললাইন প্রকল্প এগিয়ে নেওয়ার কাজও চলমান রয়েছে। এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার মধ্যে যাতায়াতের সময় ও দূরত্ব উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।

তিনি আরও জানান, রাজধানী ঢাকার সঙ্গে আশপাশের জেলার রেল যোগাযোগ জোরদারে নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। গাজীপুর, মুন্সীগঞ্জ, নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ ও ভাঙ্গাসহ আশপাশের এলাকায় কমিউটার ট্রেন সার্ভিস সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যাতে মানুষ সকালে ঢাকায় এসে কাজ শেষে আবার বিকেলে নিজ গন্তব্যে ফিরতে পারেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, পূর্বে আমদানিকৃত ডেমু ট্রেনগুলোর ভবিষ্যৎ ব্যবহার নিয়েও সরকার নতুনভাবে চিন্তা করছে। সরকারি ব্যবস্থাপনায় মেরামতের পরিকল্পনা থেকে সরে এসে বেসরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে এগুলো সচল করার সম্ভাবনা যাচাই করা হচ্ছে। এ বিষয়ে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

রেলওয়ের আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে বিভিন্ন স্টেশনকে বাণিজ্যিকভাবে আরও উন্নত করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

হাবিবুর রশিদ বলেন, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটসহ বিভাগীয় ও গুরুত্বপূর্ণ জংশন স্টেশনগুলোতে বেসরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে আধুনিক যাত্রীসেবা, উন্নত অপেক্ষাকক্ষ, বাণিজ্যিক সুবিধা এবং স্টেশন ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে নতুন লোকোমোটিভ ও কোচে যাত্রীদের জন্য ইন্টারনেট সুবিধা চালুর বিষয়েও প্রযুক্তিগত প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি রেলওয়ের অব্যবহৃত জমি ও অবকাঠামো ব্যবহার করে বেসরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে। এতে প্রথমে রেলের নিজস্ব বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ করা হবে এবং অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করে আয় ভাগাভাগির ব্যবস্থা করা হবে।

নিরাপত্তা জোরদারের বিষয়ে তিনি বলেন, সারাদেশের রেল লেভেল ক্রসিং আধুনিকায়নের কাজ শুরু হয়েছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-এর বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক হয়েছে। এ ছাড়া যানজট কমাতে গুরুত্বপূর্ণ রেলক্রসিংগুলোতে আন্ডারপাস ও ওভারপাস নির্মাণের জন্যও পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

রেলপথের গেজ ব্যবস্থার বিষয়ে হাবিবুর রশিদ বলেন, সরকারের দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য হচ্ছে ধীরে ধীরে পুরো রেল নেটওয়ার্ককে ব্রডগেজে রূপান্তর করা। যেখানে প্রয়োজন সেখানে ডুয়েল গেজ রাখা হবে। এতে পরিচালন ব্যয় কমবে এবং রেল পরিচালনা আরও সহজ ও কার্যকর হবে।

আন্তঃনগর ট্রেনে দাঁড়িয়ে যাতায়াতের (স্ট্যান্ডিং টিকিট) বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার এ ব্যবস্থাকে সমর্থন করে না। কিন্তু অতিরিক্ত যাত্রীচাপের কারণে বাধ্য হয়ে অনেক সময় স্ট্যান্ডিং টিকিট দিতে হয়।

তিনি বলেন, একজন যাত্রী এসি চেয়ারে বসে যাবেন, আর তার মাথার ওপর আরেকজন দাঁড়িয়ে থাকবেন, এটি কোনোভাবেই কাঙ্ক্ষিত নয়। কিন্তু বর্তমানে চাহিদা এত বেশি যে অনেক সময় এ ব্যবস্থা রাখতে হচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, নতুন লোকোমোটিভ, ক্যারেজ ও ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো সম্ভব হলে যাত্রীসেবা আরও বিস্তৃত হবে, অতিরিক্ত চাপ কমবে এবং স্ট্যান্ডিং টিকিটের প্রয়োজনও ধীরে ধীরে হ্রাস পাবে। একইসঙ্গে রেলসেবা নিয়ে যাত্রীদের অভিযোগও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।

তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য শুধু নতুন রেললাইন নির্মাণ নয়; বরং আধুনিক প্রযুক্তি, পর্যাপ্ত লোকোমোটিভ, উন্নত স্টেশন, নিরাপদ অবকাঠামো এবং মানসম্মত যাত্রীসেবা নিশ্চিত করে বাংলাদেশ রেলওয়েকে একটি সময়োপযোগী ও নির্ভরযোগ্য গণপরিবহন ব্যবস্থায় পরিণত করা। সূত্র: বাসস

কালের আলো/এসএকে

দুর্যোগ সচিব সাইদুরকে দুদকে বদলি, সচিব পদে পদোন্নতি পেলেন ফজলুর রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ১:৫৪ পূর্বাহ্ণ
দুর্যোগ সচিব সাইদুরকে দুদকে বদলি, সচিব পদে পদোন্নতি পেলেন ফজলুর রহমান

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাইদুর রহমান খানকে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) বদলি করা হয়েছে। অন্যদিকে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনের (বিসিআইসি) চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) মো. ফজলুর রহমানকে সচিব পদে পদোন্নতির পর বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সচিব হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

বুধবার (২৯ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে আলাদা আলাদা প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

এছাড়া অন্য আদেশে বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠানের (স্পারসো) চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) মো. রাশিদুল ইসলামকে বদলি করে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়াম পরিদর্শনে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৯:৫৮ অপরাহ্ণ
মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়াম পরিদর্শনে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব

বাংলাদেশ যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ক্রীড়া অনুবিভাগ-১ এর অতিরিক্ত সচিব আমেনা বেগম রাজশাহী মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়াম, সুইমিংপুল , জিমনেসিয়ামসহ অন্যান্য স্থাপনা পরিদর্শন করেছেন।

বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে রাজশাহী মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়াম পরিদর্শনকালে তিনি বলেন, সমস্ত স্থপনা সংস্কার করা খুব জরুরী। সরকার স্থাপনা নির্মাণ করবে কিন্ত তার দেখভাল করার জন্য কমিটিকে সক্রিয় ভুমিকা পালন করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থার যেসব দোকান আছে তাদের নিকট  চিঠি দিয়ে ভাড়া আদাযের পদক্ষেপ নিতে হবে।

এর ব্যত্যয় ঘটলে আইনী পন্থায় দোকানদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করাসহ দোকানের বরাদ্দ বাতিল করতে হবে।

কারণ আপনাদের নিজস্ব আয়ের মাধ্যমে স্টেডিয়াম পরিচালনা করতে হবে। এ সময় তিনি জেলা ক্রীড়া অফিসারগনকে দিক নির্দেশনা দেন।এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাঃ সবুর আলী, রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মোঃ মোজাম্মেল হক।

জেলা ক্রীড়া অফিসার মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ক্রীড়া অফিসার আবু জাফর মাহামুদুজ্জামান, নাটোর জেলা ক্রীড়া অফিসার রাকিবুল হাসানসহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

তিন মামলায় উচ্চ আদালতে ব্যারিস্টার সুমনের জামিন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৮:৪১ অপরাহ্ণ
তিন মামলায় উচ্চ আদালতে ব্যারিস্টার সুমনের জামিন

রাজধানীর মুগদা ও খিলগাঁও থানার পৃথক দুই মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।

একইসঙ্গে চুনারুঘাট থানার একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রেখেছেন চেম্বার আদালত।

বুধবার (২৯ জুলাই) মুগদা থানার হত্যাচেষ্টা ও খিলগাঁও থানার একটি হত্যা মামলায় আগে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে ব্যারিস্টার সুমনকে জামিন দেন বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ।

সুমনের জামিনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার আইনজীবী এম লিটন আহমেদ। তবে তার বিরুদ্ধে আরও মামলা থাকায় এখনই তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পাচ্ছেন না।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এম লিটন আহমেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইছা।

আইনজীবী লিটন আহমেদ জানান, ‘খিলগাঁও থানার হত্যা মামলা এবং মুগদা থানার হত্যাচেষ্টা মামলায় আগে রুল জারি করা হয়েছিল। আজ সেই রুল অ্যাবসুলেট (চূড়ান্ত) করে ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।’

এদিকে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানার একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গত ২২ জুলাই হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রেখেছেন চেম্বার আদালত। রাষ্ট্রপক্ষ ওই জামিন স্থগিত চেয়ে আবেদন করলে বিচারপতি রেজাউল হকের চেম্বার আদালত আজ কোনো স্থগিতাদেশ না দিয়ে জামিন বহাল রাখার আদেশ দেন।

সাবেক এই সংসদ সদস্যের কারামুক্তির বিষয়ে জানতে চাইলে আইনজীবী লিটন আহমেদ বলেন, ‘ব্যারিস্টার সুমনের বিরুদ্ধে মোট সাতটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে মিরপুর ও চুনারুঘাট  থানার মামলাসহ দুটিতে তার জামিন প্রক্রিয়া প্রায় চূড়ান্ত। তবে বাকি আরও পাঁচটি মামলায় হাইকোর্টে রুল শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে। ফলে এই মামলাগুলোতে জামিন না পাওয়া পর্যন্ত তিনি এখনই মুক্তি পাচ্ছেন না।’

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ২১ অক্টোবর রাত দেড়টায় রাজধানীর মিরপুর-৬ এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় হবিগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সুমনকে। প্রথমে তাকে মিরপুর মডেল থানার একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছিল।

পরবর্তীতে গত বছরের ২১ মে থেকে বিভিন্ন সময়ে রাজধানীর খিলগাঁও, আদাবর এবং নিজ এলাকা চুনারুঘাট থানায় দায়ের হওয়া হত্যা ও হত্যাচেষ্টাসহ মোট সাতটি মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়

গত ৭ এপ্রিল চুনারুঘাট থানার মামলায় সুমনের জামিন আবেদন নাকচ করেছিলেন হবিগঞ্জের মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালত, যার প্রেক্ষিতে তিনি উচ্চ আদালতে আবেদন করেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ