খুঁজুন
                               
, ,
           

কক্সবাজার সীমান্ত পরিদর্শনে বিজিবি মহাপরিচালক, বন্যাদুর্গতদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ

কক্সবাজার প্রতিবেদক:
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ৩:৫৯ অপরাহ্ণ
কক্সবাজার সীমান্ত পরিদর্শনে বিজিবি মহাপরিচালক, বন্যাদুর্গতদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী দুই দিনের সফরে কক্সবাজার ও সংলগ্ন সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। এ সময় তিনি সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, অপারেশনাল প্রস্তুতি এবং বন্যাদুর্গত মানুষের জন্য পরিচালিত মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পর্যালোচনা করেন।

শনিবার (১৮ জুলাই) বিজিবির পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৭ ও ১৮ জুলাই কক্সবাজার সফরকালে বিজিবি মহাপরিচালক বাংলাদেশ–মিয়ানমার সীমান্তের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন। তিনি দায়িত্বপালনরত কর্মকর্তা ও সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং দুর্গম ও চ্যালেঞ্জপূর্ণ পরিবেশে তাঁদের পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা ও সতর্কতার প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে সীমান্ত নিরাপত্তা আরও জোরদার, শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং অপারেশনাল কার্যক্রমের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

কক্সবাজার সীমান্ত পরিদর্শনে বিজিবি মহাপরিচালক, বন্যাদুর্গতদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ
বন্যাকবলিত মানুষের সহায়তায় সরকারের মানবিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বিজিবি চকরিয়া পৌরসভা, লক্ষ্যচর ইউনিয়ন ও কাকারা ইউনিয়নে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেছে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য একটি মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনা করা হয়।

বিজিবি মহাপরিচালক দেশের সীমান্ত সুরক্ষা এবং জনগণের সেবায় বাহিনীর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বাহিনীর সদস্যদের সর্বদা সতর্ক, পেশাদার ও দায়িত্বশীল থেকে যেকোনো উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলার নির্দেশনা দেন। একই সঙ্গে জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অটুট রাখতে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।

কালের আলো/এম/এএইচ

গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হাম সন্দেহে চার জনের মৃত্যু হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ৫:৩৯ অপরাহ্ণ
গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হাম সন্দেহে চার জনের মৃত্যু হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হাম সন্দেহে চার জনের মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (১৮ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ৬৯৯ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ১৮ জুলাই পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা এক লক্ষ ১৬ হাজার ৭১০ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ৭৪ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে ১৮ জুলাই পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ১৪ হাজার ৩১৮ জন।

গত ১৫ মার্চ থেকে ১৮ জুলাই পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৯৯ হাজার ২৪৯ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৯৫ হাজার ৫২৯ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে চার জনের মৃত্যু হয়েছে এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ১৮ জুলাই পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট ৬৮৯ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ১৮ জুলাই পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৯৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।

কালের আলো/এএন/এমএসআইপি 

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে লেগুনা চালকদের সংঘর্ষ, যান চলাচলে বিঘ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ৪:১২ অপরাহ্ণ
আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে লেগুনা চালকদের সংঘর্ষ, যান চলাচলে বিঘ্ন

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থেকে গাউছিয়া রুটে চলাচলকারী লেগুনা চালকদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে কয়েকজন চালক আহত হন এবং কিছু সময়ের জন্য সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়।

শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর কাজলা এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এক পক্ষ অপর পক্ষের কয়েকজন চালককে আটকে মারধর করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

যাত্রাবাড়ী-গাউছিয়া রুটে চলাচলকারী লেগুনাগুলোকে বিভিন্ন স্টপেজে যাত্রী ওঠানামা করতে হয়। সম্প্রতি একদল চালক ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার এলাকায় যাত্রী ওঠানো-নামানো বন্ধ করে দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়।

এরই জেরে শনিবারের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী চালক সালাউদ্দিন বলেন, সকালে যাত্রাবাড়ী থেকে গাউছিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দিই।

ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার এলাকায় পৌঁছালে কয়েকজন চালক আমাকে মারধর করে এবং আমার গাড়ি থেকে যাত্রী নামিয়ে দেয়। শুধু আমার নয়, আরও কয়েকটি লেগুনার যাত্রীদেরও জোর করে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনার প্রতিবাদ করতেই আমরা তাদের আটকাই।

লেগুনাচালক সালাউদ্দিন আরও জানায়, যদি ভবিষ্যতে আমাদের সাথে এ ধরনের আচরণ করে তাহলে বড় ধরনের ঘটনা ঘটতেও পারে আমরা কাউকে ছেড়ে দেবো না। সংঘর্ষের একপর্যায়ে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে দুই পক্ষকে সরিয়ে দেন। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

টানা তিন সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে ১৮ হাজার কোটি টাকা

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক, কালের আলো:
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ৪:০৯ অপরাহ্ণ
টানা তিন সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে ১৮ হাজার কোটি টাকা

দেশের পুঁজিবাজারে টানা ইতিবাচক প্রবণতার ধারাবাহিকতায় গত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)-এর বাজার মূলধন ৭ হাজার ৪৯ কোটি টাকা বেড়েছে। একই সঙ্গে প্রধান মূল্যসূচক এবং দৈনিক গড় লেনদেনেও উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। ফলে টানা তিন সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন মোট ১৮ হাজার ৩৫৭ কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।

সপ্তাহজুড়ে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে চার কার্যদিবসেই বাজার ঊর্ধ্বমুখী ছিল। এ সময়ে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২১৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। বিপরীতে ১৫৫টির দাম কমেছে এবং ১৮টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়ায় ৭ লাখ ১০ হাজার ৮৮৩ কোটি টাকা, যা আগের সপ্তাহে ছিল ৭ লাখ ৩ হাজার ৮৩৪ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক সপ্তাহে বাজার মূলধন বেড়েছে ৭ হাজার ৪৯ কোটি টাকা।

সূচকের দিক থেকেও ছিল ইতিবাচক চিত্র। গত সপ্তাহে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ৯৬ দশমিক ৩০ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৬৬ শতাংশ বেড়ে যায়। এর ফলে টানা তিন সপ্তাহে ডিএসইএক্স সূচকের মোট উত্থান হয়েছে ২৪৭ দশমিক ৫৪ পয়েন্ট।

এ ছাড়া শরিয়াহভিত্তিক ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১৭ দশমিক ৭৫ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং ব্লু-চিপ কোম্পানিগুলোর সমন্বয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক ৪৯ দশমিক ৮৭ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ২৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

লেনদেনের পরিমাণও আগের সপ্তাহের তুলনায় বেড়েছে। গত সপ্তাহে ডিএসইতে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৪৭৪ কোটি ৮৪ লাখ টাকা, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় ৯০ কোটি ৯৯ লাখ টাকা বা ৬ দশমিক ৫৮ শতাংশ বেশি।

সপ্তাহজুড়ে টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে লাভেলো আইসক্রিমের শেয়ারে। এর পরের অবস্থানে রয়েছে মালেক স্পিনিং এবং বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি)। এছাড়া শীর্ষ লেনদেনকারী প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক, লাফার্জহোলসিম, সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট, বিএসআরএম স্টিল, বেক্সিমকো ফার্মা, ইস্টার্ন হাউজিং এবং মেঘনা ইন্স্যুরেন্স।

বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, ধারাবাহিকভাবে সূচক, বাজার মূলধন এবং লেনদেনের পরিমাণ বৃদ্ধির প্রবণতা বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরে আসার ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে এই ইতিবাচক ধারা ধরে রাখতে বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানিতে বিনিয়োগের প্রবণতা বৃদ্ধি গুরুত্বপূর্ণ বলে তারা মনে করছেন।

প্রয়োজনে এটি আরও সংবাদপত্রের রিপোর্টিং স্টাইলে বা টিভি নিউজ স্ক্রিপ্টের ভাষায়ও সাজিয়ে দিতে পারি।

কালের আলো/এসএ