২৭ হাজার টাকার শাড়ি বিতর্কে আদালতের মুখোমুখি তানজিন তিশা
প্রায় ২৭ হাজার টাকার একটি জামদানি শাড়িকে কেন্দ্র করে অভিনেত্রী ও মডেল তানজিন তিশার বিরুদ্ধে ওঠা প্রতারণার অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। সম্প্রতি আদালতের সমন জারির পর পুরোনো এই বিতর্ক আবারও সামনে এসেছে। আদালত তাঁকে আগামী ১৩ আগস্ট হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, সমনের বিষয়টি জানার পর তানজিন তিশা, তাঁর পরিবার ও ঘনিষ্ঠজনদের মধ্যে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। তাঁদের মতে, একটি উপহার হিসেবে দেওয়া জামদানি শাড়িকে কেন্দ্র করে বিরোধ আদালত পর্যন্ত গড়াবে—এমনটি তাঁরা কল্পনাও করেননি। এদিকে তিশা ইতোমধ্যে আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শ করেছেন এবং আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী আইনি প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে মামলার বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে তানজিন তিশা বলেন, “আমি অবশ্যই আদালতে যাব। বিষয়টি বিচারাধীন হওয়ায় প্রকাশ্যে বিস্তারিত কিছু বলিনি। দেশের প্রচলিত আইনের প্রতি আমার শ্রদ্ধা রয়েছে। আমি বিশ্বাস করি, আইনের মাধ্যমেই সঠিক বিচার পাব।”
তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন, দীর্ঘ ১৪ বছরের ক্যারিয়ারে সুনামের সঙ্গে কাজ করার পর মাত্র ২৭-২৮ হাজার টাকার একটি শাড়ির জন্য প্রতারণার অভিযোগ কতটা যৌক্তিক। তাঁর ভাষায়, “আমি একজন প্রতিষ্ঠিত শিল্পী। একটি অনলাইন শপের ২৭ হাজার টাকার শাড়ি নিয়ে প্রতারণা করার কোনো প্রশ্নই আসে না।”
মামলাকারী একটি অনলাইন পোশাক প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারীর অভিযোগ, তানজিন তিশা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁদের প্রতিষ্ঠানের একটি জামদানি শাড়ির প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেন। পরে প্রচারণার শর্তে শাড়িটি তাঁকে দেওয়া হলেও তিনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কোনো প্রচারণা করেননি এবং শাড়ির মূল্যও পরিশোধ করেননি।
অন্যদিকে শুরু থেকেই তানজিন তিশার দাবি, শাড়িটি ছিল উপহার। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি লিখেছিলেন, “গিফট নিয়ে হয়ে গেলাম প্রতারক! আর ফটোশুটই যদি করাতে চান, পারিশ্রমিক কই?”
এখন আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী ১৩ আগস্ট আদালতে হাজির হয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরবেন তানজিন তিশা। বহুল আলোচিত এই মামলার পরবর্তী কার্যক্রম ও আদালতের সিদ্ধান্তের দিকেই নজর রয়েছে সংশ্লিষ্টদের।
কালের আলো/এসএ


আপনার মতামত লিখুন
Array