খুঁজুন
                               
, ,
           

২৭ হাজার টাকার শাড়ি বিতর্কে আদালতের মুখোমুখি তানজিন তিশা

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ৩:৫৭ অপরাহ্ণ
২৭ হাজার টাকার শাড়ি বিতর্কে আদালতের মুখোমুখি তানজিন তিশা

প্রায় ২৭ হাজার টাকার একটি জামদানি শাড়িকে কেন্দ্র করে অভিনেত্রী ও মডেল তানজিন তিশার বিরুদ্ধে ওঠা প্রতারণার অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। সম্প্রতি আদালতের সমন জারির পর পুরোনো এই বিতর্ক আবারও সামনে এসেছে। আদালত তাঁকে আগামী ১৩ আগস্ট হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, সমনের বিষয়টি জানার পর তানজিন তিশা, তাঁর পরিবার ও ঘনিষ্ঠজনদের মধ্যে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। তাঁদের মতে, একটি উপহার হিসেবে দেওয়া জামদানি শাড়িকে কেন্দ্র করে বিরোধ আদালত পর্যন্ত গড়াবে—এমনটি তাঁরা কল্পনাও করেননি। এদিকে তিশা ইতোমধ্যে আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শ করেছেন এবং আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী আইনি প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে মামলার বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে তানজিন তিশা বলেন, “আমি অবশ্যই আদালতে যাব। বিষয়টি বিচারাধীন হওয়ায় প্রকাশ্যে বিস্তারিত কিছু বলিনি। দেশের প্রচলিত আইনের প্রতি আমার শ্রদ্ধা রয়েছে। আমি বিশ্বাস করি, আইনের মাধ্যমেই সঠিক বিচার পাব।”

তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন, দীর্ঘ ১৪ বছরের ক্যারিয়ারে সুনামের সঙ্গে কাজ করার পর মাত্র ২৭-২৮ হাজার টাকার একটি শাড়ির জন্য প্রতারণার অভিযোগ কতটা যৌক্তিক। তাঁর ভাষায়, “আমি একজন প্রতিষ্ঠিত শিল্পী। একটি অনলাইন শপের ২৭ হাজার টাকার শাড়ি নিয়ে প্রতারণা করার কোনো প্রশ্নই আসে না।”

মামলাকারী একটি অনলাইন পোশাক প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারীর অভিযোগ, তানজিন তিশা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁদের প্রতিষ্ঠানের একটি জামদানি শাড়ির প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেন। পরে প্রচারণার শর্তে শাড়িটি তাঁকে দেওয়া হলেও তিনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কোনো প্রচারণা করেননি এবং শাড়ির মূল্যও পরিশোধ করেননি।

অন্যদিকে শুরু থেকেই তানজিন তিশার দাবি, শাড়িটি ছিল উপহার। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি লিখেছিলেন, “গিফট নিয়ে হয়ে গেলাম প্রতারক! আর ফটোশুটই যদি করাতে চান, পারিশ্রমিক কই?”

এখন আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী ১৩ আগস্ট আদালতে হাজির হয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরবেন তানজিন তিশা। বহুল আলোচিত এই মামলার পরবর্তী কার্যক্রম ও আদালতের সিদ্ধান্তের দিকেই নজর রয়েছে সংশ্লিষ্টদের।

কালের আলো/এসএ 

গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হাম সন্দেহে চার জনের মৃত্যু হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ৫:৩৯ অপরাহ্ণ
গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হাম সন্দেহে চার জনের মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (১৮ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ৬৯৯ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ১৮ জুলাই পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা এক লক্ষ ১৬ হাজার ৭১০ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ৭৪ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে ১৮ জুলাই পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ১৪ হাজার ৩১৮ জন।

গত ১৫ মার্চ থেকে ১৮ জুলাই পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৯৯ হাজার ২৪৯ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৯৫ হাজার ৫২৯ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে চার জনের মৃত্যু হয়েছে এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ১৮ জুলাই পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট ৬৮৯ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ১৮ জুলাই পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৯৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।

কালের আলো/এএন/এমএসআইপি 

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে লেগুনা চালকদের সংঘর্ষ, যান চলাচলে বিঘ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ৪:১২ অপরাহ্ণ
আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে লেগুনা চালকদের সংঘর্ষ, যান চলাচলে বিঘ্ন

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থেকে গাউছিয়া রুটে চলাচলকারী লেগুনা চালকদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে কয়েকজন চালক আহত হন এবং কিছু সময়ের জন্য সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়।

শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর কাজলা এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এক পক্ষ অপর পক্ষের কয়েকজন চালককে আটকে মারধর করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

যাত্রাবাড়ী-গাউছিয়া রুটে চলাচলকারী লেগুনাগুলোকে বিভিন্ন স্টপেজে যাত্রী ওঠানামা করতে হয়। সম্প্রতি একদল চালক ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার এলাকায় যাত্রী ওঠানো-নামানো বন্ধ করে দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়।

এরই জেরে শনিবারের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী চালক সালাউদ্দিন বলেন, সকালে যাত্রাবাড়ী থেকে গাউছিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দিই।

ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার এলাকায় পৌঁছালে কয়েকজন চালক আমাকে মারধর করে এবং আমার গাড়ি থেকে যাত্রী নামিয়ে দেয়। শুধু আমার নয়, আরও কয়েকটি লেগুনার যাত্রীদেরও জোর করে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনার প্রতিবাদ করতেই আমরা তাদের আটকাই।

লেগুনাচালক সালাউদ্দিন আরও জানায়, যদি ভবিষ্যতে আমাদের সাথে এ ধরনের আচরণ করে তাহলে বড় ধরনের ঘটনা ঘটতেও পারে আমরা কাউকে ছেড়ে দেবো না। সংঘর্ষের একপর্যায়ে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে দুই পক্ষকে সরিয়ে দেন। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

টানা তিন সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে ১৮ হাজার কোটি টাকা

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক, কালের আলো:
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ৪:০৯ অপরাহ্ণ
টানা তিন সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে ১৮ হাজার কোটি টাকা

দেশের পুঁজিবাজারে টানা ইতিবাচক প্রবণতার ধারাবাহিকতায় গত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)-এর বাজার মূলধন ৭ হাজার ৪৯ কোটি টাকা বেড়েছে। একই সঙ্গে প্রধান মূল্যসূচক এবং দৈনিক গড় লেনদেনেও উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। ফলে টানা তিন সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন মোট ১৮ হাজার ৩৫৭ কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।

সপ্তাহজুড়ে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে চার কার্যদিবসেই বাজার ঊর্ধ্বমুখী ছিল। এ সময়ে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২১৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। বিপরীতে ১৫৫টির দাম কমেছে এবং ১৮টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়ায় ৭ লাখ ১০ হাজার ৮৮৩ কোটি টাকা, যা আগের সপ্তাহে ছিল ৭ লাখ ৩ হাজার ৮৩৪ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক সপ্তাহে বাজার মূলধন বেড়েছে ৭ হাজার ৪৯ কোটি টাকা।

সূচকের দিক থেকেও ছিল ইতিবাচক চিত্র। গত সপ্তাহে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ৯৬ দশমিক ৩০ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৬৬ শতাংশ বেড়ে যায়। এর ফলে টানা তিন সপ্তাহে ডিএসইএক্স সূচকের মোট উত্থান হয়েছে ২৪৭ দশমিক ৫৪ পয়েন্ট।

এ ছাড়া শরিয়াহভিত্তিক ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১৭ দশমিক ৭৫ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং ব্লু-চিপ কোম্পানিগুলোর সমন্বয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক ৪৯ দশমিক ৮৭ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ২৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

লেনদেনের পরিমাণও আগের সপ্তাহের তুলনায় বেড়েছে। গত সপ্তাহে ডিএসইতে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৪৭৪ কোটি ৮৪ লাখ টাকা, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় ৯০ কোটি ৯৯ লাখ টাকা বা ৬ দশমিক ৫৮ শতাংশ বেশি।

সপ্তাহজুড়ে টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে লাভেলো আইসক্রিমের শেয়ারে। এর পরের অবস্থানে রয়েছে মালেক স্পিনিং এবং বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি)। এছাড়া শীর্ষ লেনদেনকারী প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক, লাফার্জহোলসিম, সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট, বিএসআরএম স্টিল, বেক্সিমকো ফার্মা, ইস্টার্ন হাউজিং এবং মেঘনা ইন্স্যুরেন্স।

বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, ধারাবাহিকভাবে সূচক, বাজার মূলধন এবং লেনদেনের পরিমাণ বৃদ্ধির প্রবণতা বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরে আসার ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে এই ইতিবাচক ধারা ধরে রাখতে বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানিতে বিনিয়োগের প্রবণতা বৃদ্ধি গুরুত্বপূর্ণ বলে তারা মনে করছেন।

প্রয়োজনে এটি আরও সংবাদপত্রের রিপোর্টিং স্টাইলে বা টিভি নিউজ স্ক্রিপ্টের ভাষায়ও সাজিয়ে দিতে পারি।

কালের আলো/এসএ