খুঁজুন
                               
, ,
           

এলডিসি-উত্তরণ সামনে রেখে পাঁচ বছরের বাণিজ্য পরিকল্পনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ৭:৩৬ অপরাহ্ণ
এলডিসি-উত্তরণ সামনে রেখে পাঁচ বছরের বাণিজ্য পরিকল্পনা

স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে দেশের বাণিজ্য সক্ষমতা বৃদ্ধি, বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়ন এবং বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা জোরদারে নতুন পাঁচ বছর মেয়াদি কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ।

বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডব্লিউটিও) পরিচালিত এনহ্যান্সড ইন্টিগ্রেটেড ফ্রেমওয়ার্ক (ইআইএফ)-এর তৃতীয় ধাপের আওতায় প্রণীত কান্ট্রি প্রোগ্রাম ডকুমেন্ট (সিপিডি) অনুযায়ী এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।

রোববার (১৯ জুলাই) রাজধানীর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সিপিডির ভ্যালিডেশন কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ তথ্য জানান বাণিজ্য সচিব আতাউর রহমান খান।

তিনি বলেন, এলডিসি উত্তরণের পাশাপাশি বাংলাদেশকে বর্তমানে অশুল্ক বাণিজ্য বাধা, আন্তর্জাতিক মান ও কমপ্লায়েন্স নিশ্চিতকরণ এবং বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে।

বাণিজ্য সচিব জানান, ইআইএফ-এর আগের দুই ধাপের অভিজ্ঞতা ও সুপারিশ বিবেচনায় নতুন সিপিডিতে মোট ১২টি অগ্রাধিকারমূলক কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এসব কার্যক্রম দেশের বাণিজ্য সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রমের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নির্ধারণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, শুধু নীতিমালা বা গবেষণা প্রতিবেদন তৈরি করলেই হবে না, বাস্তবায়নের মাধ্যমে এর সুফল মাঠপর্যায়ে পৌঁছে দিতে হবে। এ জন্য বাণিজ্য সহজীকরণ, বাণিজ্য উদারীকরণ, আইন ও বিধিবিধানের সংস্কার এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার মধ্যে সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (ডব্লিউটিও) খাদিজা নাজনীন বলেন, যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও সুইডেনসহ উন্নয়ন সহযোগীদের আর্থিক সহায়তায় ডব্লিউটিওর ইআইএফ কর্মসূচি স্বল্পোন্নত দেশগুলোর বাণিজ্য সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে।

তিনি জানান, বাংলাদেশ ২০০৯ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত প্রথম ধাপ এবং ২০১৬ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত দ্বিতীয় ধাপ সফলভাবে বাস্তবায়ন করেছে। তৃতীয় ধাপ চলতি বছর শুরু হওয়ার কথা রয়েছে এবং সিপিডির ভিত্তিতেই এ কর্মসূচির জন্য আর্থিক সহায়তা পাওয়া যাবে।

ইআইএফ পরামর্শক ও সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. হাফিজুর রহমান জানান, দেশের বিদ্যমান নীতিমালা, রপ্তানি নীতি, শিল্পনীতি, বাণিজ্যনীতি, ডব্লিউটিওর ট্রেড ফ্যাসিলিটেশন এগ্রিমেন্ট এবং বিনিয়োগ সহজীকরণ উদ্যোগের সুপারিশের ভিত্তিতে সিপিডি প্রস্তুত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে ৫২টি প্রকল্প ধারণা বিবেচনায় নেওয়া হলেও বাস্তবায়ন সক্ষমতা ও উন্নয়ন সহযোগীদের সম্ভাব্য সহায়তা বিবেচনায় শেষ পর্যন্ত ১২টি কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

নির্বাচিত কার্যক্রমগুলোর মধ্যে রয়েছে রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধি, বাণিজ্য সহজীকরণ, বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়ন, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রশিক্ষণ, গবেষণা এবং বাণিজ্য খাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ব্যবহার।

কর্মশালায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, সরকারি সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের প্রতিনিধিরা আশা প্রকাশ করেন, ইআইএফ-এর তৃতীয় ধাপ সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে এলডিসি-উত্তর সময়ে আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা আরও বাড়বে এবং নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ সহজ হবে।

কালের আলো/এসএ 

আরএমপি কমিশনারের সঙ্গে রাজশাহী এডিটরস ফোরামের মতবিনিময়

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬, ৮:১৪ অপরাহ্ণ
আরএমপি কমিশনারের সঙ্গে রাজশাহী এডিটরস ফোরামের মতবিনিময়

রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) উদ্যোগে রাজশাহী এডিটরস ফোরামের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকাল ১১টায় আরএমপি সদর দপ্তরের সভাকক্ষে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির।

সভায় এডিটরস ফোরামের নেতারা তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বিদ্যমান বিভিন্ন সুবিধা-অসুবিধা ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন। পাশাপাশি রাজশাহী মহানগরের ট্রাফিকজট, ফুটপাত দখল, অটোরিকশার আধিক্য, মাদক ও জুয়া, সড়কে নির্মাণসামগ্রী ফেলে রাখা এবং কিশোর গ্যাংসহ বিভিন্ন জনদুর্ভোগের বিষয়ও আলোচনায় আসে।

পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির বিষয়গুলো মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং উত্থাপিত প্রতিটি বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দেন। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের যৌক্তিক সমস্যাগুলোর দ্রুত, কার্যকর ও টেকসই সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেন।

তিনি বলেন, গণমাধ্যম ও পুলিশের পারস্পরিক সহযোগিতা এবং সমন্বিত প্রচেষ্টা জনসচেতনতা বৃদ্ধি, সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ ধরনের মতবিনিময় সভা পারস্পরিক আস্থা, সহযোগিতা ও সুসম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

রাজশাহী এডিটরস ফোরামের পক্ষে বক্তব্য রাখেন  সভাপতি ও দৈনিক সোনালী সংবাদের সম্পাদক লিয়াকত আলী, সহসভাপতি ও আমাদের রাজশাহীর সম্পাদক আফজাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ও রাজশাহী সংবাদের সম্পাদক আহসান হাবীব অপু, কোষাধ্যক্ষ ও দৈনিক সানশাইনের সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক ও গণধ্বনি প্রতিদিনের সম্পাদক ইয়াকুব শিকদার, নির্বাহী সদস্য ও দৈনিক সোনার দেশের সম্পাদক আকবারুল হাসান মিল্লাত এবং উত্তরা প্রতিদিনের সম্পাদক এনায়েত করিম।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) মো. ফারুক হোসেন, উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) পদে কর্মরত অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ খোরশেদ আলম, উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি) পদে কর্মরত অতিরিক্ত ডিআইজি মো. মনিরুল ইসলাম, উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. নূর আলম সিদ্দিকী, উপ-পুলিশ কমিশনার (ফোর্স) মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, উপ-পুলিশ কমিশনার (সিটিটিসি) ও আরএমপি’র মুখপাত্র মো. গাজিউর রহমানসহ রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

‘ডিসেম্বর চালু হচ্ছে শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল’

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬, ৭:৫৮ অপরাহ্ণ
‘ডিসেম্বর চালু হচ্ছে শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল’

Oplus_131072

সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী ১৬ ডিসেম্বর শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল চালুর জন্য কাজ করছে বেবিচক। আগস্টের শেষদিকে অথবা সেপ্টেম্বরের শুরুর দিকে থার্ড টার্মিনালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের দায়িত্ব জাপানকে দেয়ার চুক্তি হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক।

সোমবার (২০ জুলাই)  দুপুরে সিভিল অ্যাভিয়েশন এবং এয়ার ট্রাফিক অপারেশন বিষয় কর্মশালায় বক্তব্য এসব কথা বলেন তিনি।

একইসঙ্গে বিমানবন্দরের যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় গণমাধ্যমকর্মীদের বিমানবন্দর এলাকায় ড্রোন না ওড়ানোর অনুরোধ জানিয়ে বলা হয় অত্র এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিতে এ বছরই শাহজালাল বিমানবন্দরের জন্য এন্টি ড্রোন সিস্টেম কেনা হবে।

এ ছাড়াও এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল-এটিসি স্থাপিত হওয়ায় দেশের সমুদ্রসীমায় বিদেশি উড়োজাহাজের ফ্লাইট চার্জের মাধ্যমে প্রতিবছর ৮ শতাংশ রাজস্ব আদায় বাড়বে বলেও জানায় বেবিচক। কর্মশালা শেষে কর্মশালায় অংশ নেয়া সাংবাদিকদের হাতে সনদ তুলে দেন বেবিচক চেয়ারম্যান।

কালের আলো/এসএকে

সাইফুজ্জামানের ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার দেড় হাজার বিলাসবহুল পণ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬, ৬:৫৩ অপরাহ্ণ
সাইফুজ্জামানের ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার দেড় হাজার বিলাসবহুল পণ্য

পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের আলোচিত সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের গুলশানের দুই ফ্ল্যাটে দুই দিনব্যাপী অভিযান শেষ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) বিশেষ টিম।

গুলশানের ৬৬ নম্বর রোডে নর্থওয়েস্ট বি ব্লকের ১১ নম্বর প্লটের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে মোট ২৬৯ ধরনের পণ্য সামগ্রী উদ্ধার করেছে দুদকের টিম। সংখ্যা হিসাবে যার পরিমাণ দেড় হাজার ছাড়িয়ে যাবে। ফ্ল্যাট এ-৭ থেকে প্রায় ১ হাজার ১৩৫টি ও ফ্ল্যাট বি-৭ থেকে প্রায় ৪০০টি পণ্য সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে।

সোমবার (২০ জুলাই) দুদকের প্রাধান কার্যালয়ে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) তানজির আহমেদ এ বিষয়ে ঢাকা পোস্টকে বলেন, দুদকের উপ-পরিচালক মো. মশিউর রহমানের নেতৃত্বে একটি টিম অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছে। আদালতের নির্দেশনা মেনে গতকাল ও আজ ইনভেন্টরি কাজ করেছে। অভিযানে সাবেক ভূমিমন্ত্রীর ফ্ল্যাটে প্রবেশ ও ইনভেন্টরি কার্যক্রমে বিপুল পরিমাণ সম্পদ পাওয়া গেছে। প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী ২৬৯ আইটেমের পণ্য পাওয়া গেছে।

উদ্ধারকৃত পণ্যের মধ্যে রয়েছে ৩০০টির বেশি কোট, ৫৩২টির বেশি টাই, ৮টি ঘড়ির বক্স (এর মধ্যে রোলেক্সের ৪টি), প্রায় ১০০টি কামিজ, মুক্তার (পার্ল) গয়না, ঝাড়বাতি, বেড, সোফা, এসি, সিলিং ফ্যান, ট্রেড মিল, ফ্রিজ, সুটকেস, চেয়ার ও টেবিল ইত্যাদি। বাসা থেকে উদ্ধার হওয়া রোলেক্স ঘড়ির ক্রয় রসিদ অনুযায়ী, প্রতিটি ঘড়ির দাম হতে পারে ১৪ হাজার থেকে ১৭ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার।

ক্ষমতার পট পরিবর্তনের পর সাইফুজ্জামানের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। অনুসন্ধানের শুরুতে ‍দুদক, সিআইডি ও এনবিআরের সমন্বয়ে সাত সদস্যের টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছিল। টিম লিডারের বদলিজনিত কারণে টিম পুনর্গঠন করা হয়েছে। সর্বশেষ ২০২৫ সালের ৯ সেপ্টেম্বর দুদকের উপপরিচারক মশিউর রহমানের নেতৃত্বে ৯ সদস্যের টিম অনুসন্ধান ও তদন্ত কাজ পরিচালনা করছে। অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে একাধিক মামলা করেছে দুদক।

মামলাগুলোতে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, তার স্ত্রী ও ইউসিবি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান রুকমীলা জামানকে আসামি করা হয়েছে। যার সঙ্গে তার প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী ও ইউনাইটেড কমার্সিয়াল ব্যাংকের অর্ধশত কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আসামি করা হয়েছে।

গত ২ জুলাই আদালতের আদেশ দেওয়ার পর সাইফুজ্জামানের গুলশানের দুটি ফ্ল্যাটের সঠিক নিয়ন্ত্রণ, ব্যবস্থাপনা, তদারকি এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নিয়ন্ত্রণে নেয় দুদক। আদালতের চিঠিতে বলা হয়, সাবেক ভূমিমন্ত্রী এবং তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নামীয় সম্পদ ঢাকার গুলশানের রোড নম্বর-৬৬, ব্লক-নর্থওয়েস্ট (বি), প্লট নম্বর-১১, ফ্ল্যাট নম্বর-এ-৭ এর ৩ হাজার ৭৪৭ বর্গফুট আয়তন বিশিষ্ট ফ্ল্যাট এবং গুলশানের রোড নম্বর-৬৬, ব্লক-নর্থওয়েস্ট (বি), প্লট নম্বর-১১, ফ্ল্যাট নম্বর-বি-৭ এর ৩ হাজার ৮৩২ বর্গফুট আয়তন বিশিষ্ট ফ্ল্যাটের সঠিক নিয়ন্ত্রণ, ব্যবস্থাপনা, তদারকি এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য রিসিভার হিসেবে দুদক পরিচালককে (সম্পদ ব্যবস্থাপনা ইউনিট) নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

ফ্ল্যাটে রিসিভারের প্রবেশ এবং মালামালের ইনভেন্টরি করার সময় দায়িত্ব পালনের জন্য গুলশান রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. নিলয় রহমানকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

এর আগে এ বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি সাইফুজ্জামান চৌধুরীর (জাবেদ) নামে যুক্তরাজ্যে থাকা ৫১৮টি ফ্ল্যাট ও অ্যাপার্টমেন্ট ক্রোকের নির্দেশ দেন আদালত। আর ১৩ জানুয়ারি সাইফুজ্জামানের আরব আমিরাতসহ আট দেশে থাকা বাড়ি, ফ্ল্যাট ও অ্যাপার্টমেন্ট জব্দের আদেশ দেন আদালত।

এ ছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রে তার নামে থাকা দুটি কোম্পানিতে করা বিনিয়োগ অবরুদ্ধেরও আদেশ দেওয়া হয়। এসব সম্পদ ও বিনিয়োগের মোট পরিমাণ প্রায় ২ হাজার ৩২০ কোটি ৯২ লাখ টাকা।

সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ ২০১৪ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং ২০১৯ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত একই মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি