খুঁজুন
                               
, ,
           

আরএমপি কমিশনারের সঙ্গে রাজশাহী এডিটরস ফোরামের মতবিনিময়

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬, ৮:১৪ অপরাহ্ণ
আরএমপি কমিশনারের সঙ্গে রাজশাহী এডিটরস ফোরামের মতবিনিময়

রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) উদ্যোগে রাজশাহী এডিটরস ফোরামের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকাল ১১টায় আরএমপি সদর দপ্তরের সভাকক্ষে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির।

সভায় এডিটরস ফোরামের নেতারা তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বিদ্যমান বিভিন্ন সুবিধা-অসুবিধা ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন। পাশাপাশি রাজশাহী মহানগরের ট্রাফিকজট, ফুটপাত দখল, অটোরিকশার আধিক্য, মাদক ও জুয়া, সড়কে নির্মাণসামগ্রী ফেলে রাখা এবং কিশোর গ্যাংসহ বিভিন্ন জনদুর্ভোগের বিষয়ও আলোচনায় আসে।

পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির বিষয়গুলো মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং উত্থাপিত প্রতিটি বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দেন। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের যৌক্তিক সমস্যাগুলোর দ্রুত, কার্যকর ও টেকসই সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেন।

তিনি বলেন, গণমাধ্যম ও পুলিশের পারস্পরিক সহযোগিতা এবং সমন্বিত প্রচেষ্টা জনসচেতনতা বৃদ্ধি, সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ ধরনের মতবিনিময় সভা পারস্পরিক আস্থা, সহযোগিতা ও সুসম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

রাজশাহী এডিটরস ফোরামের পক্ষে বক্তব্য রাখেন  সভাপতি ও দৈনিক সোনালী সংবাদের সম্পাদক লিয়াকত আলী, সহসভাপতি ও আমাদের রাজশাহীর সম্পাদক আফজাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ও রাজশাহী সংবাদের সম্পাদক আহসান হাবীব অপু, কোষাধ্যক্ষ ও দৈনিক সানশাইনের সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক ও গণধ্বনি প্রতিদিনের সম্পাদক ইয়াকুব শিকদার, নির্বাহী সদস্য ও দৈনিক সোনার দেশের সম্পাদক আকবারুল হাসান মিল্লাত এবং উত্তরা প্রতিদিনের সম্পাদক এনায়েত করিম।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) মো. ফারুক হোসেন, উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) পদে কর্মরত অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ খোরশেদ আলম, উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি) পদে কর্মরত অতিরিক্ত ডিআইজি মো. মনিরুল ইসলাম, উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. নূর আলম সিদ্দিকী, উপ-পুলিশ কমিশনার (ফোর্স) মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, উপ-পুলিশ কমিশনার (সিটিটিসি) ও আরএমপি’র মুখপাত্র মো. গাজিউর রহমানসহ রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

দেশজুড়ে বৃষ্টির প্রবণতা, কোথাও কোথাও ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
দেশজুড়ে বৃষ্টির প্রবণতা, কোথাও কোথাও ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস

সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আগামী পাঁচদিন বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ সময় অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনাও রয়েছে।

বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ২৬ আগস্ট রংপুর, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা ও খুলনা বিভাগের কিছু এলাকায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। এদিন সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

২৭ ও ২৮ আগস্ট রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং অন্যান্য বিভাগের কিছু এলাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ২৯ ও ৩০ আগস্ট দেশের আট বিভাগের অনেক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।

২৯ আগস্ট সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। ৩০ আগস্ট তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী কয়েকদিন দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টির পাশাপাশি অস্থায়ী দমকা হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় জনসাধারণকে প্রয়োজন অনুযায়ী সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

পার্বত্য জেলা পরিষদকে দলীয় প্রভাবমুক্ত করার দাবি এনসিপির

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৪৮ অপরাহ্ণ
পার্বত্য জেলা পরিষদকে দলীয় প্রভাবমুক্ত করার দাবি এনসিপির

পার্বত্য চট্টগ্রামের খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবান জেলা পরিষদের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদে দলীয় পরিচয়কে প্রাধান্য দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। একই সঙ্গে দ্রুত নির্বাচন আয়োজনের মাধ্যমে তিন পার্বত্য জেলা পরিষদে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে পরিষদ গঠনের দাবি জানিয়েছে দলটি।

বুধবার (২৬ আগস্ট) এনসিপির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব দাবি জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল অঞ্চল। এ অঞ্চলের টেকসই উন্নয়ন, বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর অধিকার, স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ এবং ন্যায়সংগত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পার্বত্য জেলা পরিষদগুলোকে কার্যকর ও জনবান্ধব প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা প্রয়োজন।

এনসিপির অভিযোগ, ২০ আগস্ট গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন পার্বত্য জেলা পরিষদগুলোর চেয়ারম্যান ও সদস্য নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক পরিচয়কে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবান জেলা পরিষদে বিএনপি ছাড়া অন্যান্য রাজনৈতিক মত, সামাজিক শক্তি এবং দলীয় পরিচয়ের বাইরে থাকা মানুষের প্রতিনিধিত্ব কার্যত অনুপস্থিত।

দলটির মতে, এ ধরনের একতরফা রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব জেলা পরিষদগুলোর নিরপেক্ষতা, অন্তর্ভুক্তিমূলক চরিত্র ও জনগণের আস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে। যোগ্যতা, সততা, অভিজ্ঞতা, জনসম্পৃক্ততা এবং বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের ন্যায্য প্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে এসব পরিষদ পরিচালনা করা উচিত বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

এনসিপি আরও বলেছে, পার্বত্য জেলা পরিষদ কোনো রাজনৈতিক দলের সাংগঠনিক প্রতিষ্ঠান নয়, এটি জনগণের প্রতিষ্ঠান। তাই দলীয় আনুগত্যের পরিবর্তে স্থানীয় বাস্তবতা ও জনগণের প্রতিনিধিত্বকে গুরুত্ব দিতে হবে।

বিবৃতিতে পার্বত্য জেলা পরিষদে দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত নির্বাচন না হওয়ার বিষয়টিও তুলে ধরা হয়। দলটি বলছে, ১৯৮৯ সালে পার্বত্য জেলা পরিষদ আইন প্রণয়নের পর ওই বছর একবার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও পরবর্তী সময়ে দীর্ঘ সময় ধরে সরকার মনোনীত বা অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলো পরিচালিত হয়ে আসছে।

‘২৪-এর গণ-অভ্যুত্থান’-পরবর্তী বাংলাদেশে অনির্বাচিত ও দলীয়ভাবে প্রভাবিত স্থানীয় প্রতিষ্ঠান আর দেখতে চায় না এনসিপি। তাদের দাবি, অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ সাময়িক প্রশাসনিক ব্যবস্থা হতে পারে, তবে এটি নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিত্বের বিকল্প নয়।

এনসিপি খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্য পদে সরাসরি, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

একই সঙ্গে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার আগ পর্যন্ত যেকোনো অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থায় রাজনৈতিক আনুগত্যের পরিবর্তে যোগ্যতা, নিরপেক্ষতা, স্থানীয় জনগণের প্রতিনিধিত্ব এবং বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে দলটি।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

অক্টোবরে আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট-ওয়ানডে সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৪১ অপরাহ্ণ
অক্টোবরে আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট-ওয়ানডে সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ

ভারতের বিপক্ষে সিরিজ নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলেও আগামী অক্টোবরে আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ খেলা নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের মধ্যকার এই সিরিজ।

সিরিজে দুই দল খেলবে একটি টেস্ট ও তিনটি ওয়ানডে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ক্রিকেট অপারেশন্স ইনচার্জ শাহরিয়ার নাফীস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তবে এখনো ওয়ানডে সিরিজের নির্দিষ্ট সূচি চূড়ান্ত হয়নি। আফগানিস্তান এই সিরিজের আয়োজক হওয়ায় সীমিত ওভারের ম্যাচগুলোর তারিখ ও ভেন্যু তারাই চূড়ান্ত করবে বলে জানিয়েছেন শাহরিয়ার নাফীস।

সংযুক্ত আরব আমিরাত বাংলাদেশের জন্য অপরিচিত কোনো ভেন্যু নয়। গত বছরও দেশটিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে সীমিত ওভারের সিরিজ খেলেছিল বাংলাদেশ।

সেবার টি-টোয়েন্টি সিরিজে আফগানিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করেছিল টাইগাররা। তবে ওয়ানডে সিরিজে সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র দেখা যায়। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে বাংলাদেশকে ধবলধোলাই করে আফগানিস্তান।

এবার অবশ্য দুই দলের লড়াই হবে আরও বিস্তৃত পরিসরে। ওয়ানডের পাশাপাশি টেস্টেও মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান। ফলে সংযুক্ত আরব আমিরাতের কন্ডিশনে দুই দলের জন্যই সিরিজটি হতে পারে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা।

আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টটি বাংলাদেশের জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের চলমান চক্রে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করতে এই ম্যাচে ভালো ফল করতে চাইবে বাংলাদেশ।

আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ শেষ হওয়ার পরই ব্যস্ত সূচিতে ঢুকে পড়বে বাংলাদেশ। ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ খেলবে টাইগাররা। এরপর দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে বাংলাদেশের সামনে থাকবে দুই টেস্ট, তিন ওয়ানডে ও তিন টি-টোয়েন্টির পূর্ণাঙ্গ সিরিজ।

ফলে পরপর গুরুত্বপূর্ণ টেস্ট সিরিজ সামনে থাকায় আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে ভালো পারফরম্যান্স বাংলাদেশের জন্য আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর পাশাপাশি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের হিসাবেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

এদিকে সেপ্টেম্বরে ভারতের বাংলাদেশ সফর নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি। পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী বাংলাদেশ ও ভারতের সিরিজ হওয়ার কথা থাকলেও সময়সূচি পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে।

একই সময়ে ভারতের আফগানিস্তান সফরের সূচি থাকায় বাংলাদেশ-ভারত সিরিজের সময় নিয়েও নতুন করে সমন্বয়ের প্রয়োজন হতে পারে। ফলে ভারত সিরিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা চললেও আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের অক্টোবরের সিরিজ নিশ্চিত হওয়ায় টাইগারদের আন্তর্জাতিক সূচি অনেকটাই পরিষ্কার হয়েছে।

আফগানিস্তান সিরিজ দিয়ে শুরু হবে বাংলাদেশের ব্যস্ত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মৌসুম। একের পর এক টেস্ট ও সীমিত ওভারের সিরিজ থাকায় খেলোয়াড়দের ফিটনেস, স্কোয়াড ব্যবস্থাপনা এবং কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া হবে দলের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

বিশেষ করে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচগুলোতে ধারাবাহিকতা ধরে রাখা বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে জয় দিয়ে সেই পথ আরও শক্ত করতে চাইবে টাইগাররা।

গতবার ওয়ানডেতে আফগানিস্তানের কাছে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার পর এবার তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগও পাবে বাংলাদেশ। পাশাপাশি টেস্টে প্রথমবারের মতো দুই দলের প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাংলাদেশের জন্য নতুন এক চ্যালেঞ্জ হয়ে আসছে।

সব মিলিয়ে ভারত সিরিজের অনিশ্চয়তার মধ্যেই আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ নিশ্চিত হওয়ায় বাংলাদেশের সামনে এখন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ব্যস্ত সময়। অক্টোবরের এই সফরে টেস্ট ও ওয়ানডে—দুই ফরম্যাটেই ভালো ফল করে পরবর্তী কঠিন সিরিজগুলোর আগে আত্মবিশ্বাস বাড়াতে চাইবে বাংলাদেশ।

সূত্র: বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড

কালের আলো/এসএ