খুঁজুন
                               
, ,
           

৪৯ রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬, ৬:২৯ অপরাহ্ণ
৪৯ রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল

বিদেশে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে বিভিন্ন অনিয়ম ও আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ৪৯টি রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল করেছে সরকার।

রোববার (১৯ জুলাই) এ–সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, লাইসেন্স বাতিল হওয়া এসব রিক্রুটিং এজেন্সির বিরুদ্ধে অনুমোদন ও লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গ, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান আইন, ২০১৩, বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী (সংশোধন) আইন, ২০২৩ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ছাড়া কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর বিভিন্ন ধারায় আদালতে অভিযোগপত্রও দাখিল হয়েছে।

এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইন, ২০১৩–এর ১৩ ধারা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানগুলোর লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।

যেসব প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল হয়েছে, সেগুলো হলো—ইউনিক ইস্টার্ন (প্রা.) লিমিটেড, অরবিটালস এন্টারপ্রাইজ, এম/এস শাহীন ট্রাভেলস, ইরভিং এন্টারপ্রাইজ, হায়দরি ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল, রাব্বি ইন্টারন্যাশনাল, জাহরাত অ্যাসোসিয়েটস, ফোর সাইট ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড, এম/এস বিনিময় ইন্টারন্যাশনাল, আকাশ ভ্রমণ লিমিটেড, এম/এস কিউ.কে. কুইক এক্সপ্রেস লিমিটেড, ইউনাইটেড এক্সপোর্ট লিমিটেড, জিএমজি ট্রেডিং (প্রা.) লিমিটেড, সাদিয়া ইন্টারন্যাশনাল, দ্য সুপার ইস্টার্ন লিমিটেড, এলিগ্যান্টস ওভারসিজ লিমিটেড, এম/এস ক্যাথারসিস ইন্টারন্যাশনাল, মিডওয়ে ওভারসিজ লিমিটেড, মদিনা ওভারসিজ, আল-খামিস ইন্টারন্যাশনাল, নিউ এজ ইন্টারন্যাশনাল, দাহমাশি করপোরেশন লিমিটেড, গ্যালাক্সি করপোরেশন, সুলতান ওভারসিজ, প্রভাতী ইন্টারন্যাশনাল, ম্যানিসপাওয়ার করপোরেশন, আমিন ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস, আহমেদ ইন্টারন্যাশনাল, আইএসএমটি হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড, দরবার গ্লোবাল ওভারসিজ, নাতাশা ওভারসিজ, অপরাজিতা ওভারসিজ, ফাইভ এম ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড, স্ট্যানফোর্ড এমপ্লয়মেন্ট প্রাইভেট লিমিটেড, জান্নাত ওভারসিজ, বিএম ট্রাভেলস লিমিটেড, বিএনএস ওভারসিজ লিমিটেড, রুবেল বাংলাদেশ লিমিটেড, অরবিটালস ইন্টারন্যাশনাল, ট্রান্স এশিয়া ইন্টিগ্রেটেড সার্ভিসেস লিমিটেড, আল ফারাহ হিউম্যান রিসোর্সেস অ্যান্ড কনসালট্যান্সি, এম/এস স্নিগ্ধা ওভারসিজ লিমিটেড, ব্রাদার্স ইন্টারন্যাশনাল, থানেক্স ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড, জিজি আলফালাহ ম্যানেজমেন্ট, ইম্পেরিয়াল রিসোর্সেস লিমিটেড, পি.আর. ওভারসিজ লিমিটেড, এম/এস এমইএফ গ্লোবাল বাংলাদেশ লিমিটেড এবং অনন্য অপূর্ব রিক্রুটিং এজেন্সি।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

বলিউড পরিচালক কুকু কোহলি আর নেই

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ৫:২৯ অপরাহ্ণ
বলিউড পরিচালক কুকু কোহলি আর নেই

বলিউডে ফুল অউর কাঁটে সিনেমার মাধ্যমে অজয় দেবগণ ও মাধুর অভিষেক ঘটানো পরিচালক কুকু কোহলি মারা গেছেন। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, কুকু কোহলির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও নির্মাতা অশোক পণ্ডিত। প্রিয় বন্ধুর আকস্মিক মৃত্যুতে শোকাহত তিনি।

কুকু কোহলির মৃত্যুর বিষয়ে অশোক পণ্ডিত বলেন, কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবেন, তা তিনি বুঝতে পারছেন না। কারণ কুকু কোহলি ছিলেন তাঁর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তিনি জানান, কুকু কোহলি হৃদ্‌রোগে মারা যাবেন—এমনটা কখনো ভাবেননি। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, কুকু কোহলি সম্পূর্ণ সুস্থ ছিলেন এবং খাবারের ব্যাপারেও সচেতন ছিলেন।

অশোক পণ্ডিত আরও বলেন, কুকু কোহলি সব সময় হাসিখুশি ও ইতিবাচক মানসিকতার মানুষ ছিলেন। তাঁকে কখনো বিষণ্ন অবস্থায় দেখেননি। কুকু কোহলির ব্যক্তিত্বের ইতিবাচক দিকটিই তাঁর সবচেয়ে বেশি মনে পড়ছে।

দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের পাশাপাশি কুকু কোহলির সঙ্গে তাঁর পেশাগত সম্পর্কের কথাও স্মরণ করেন অশোক পণ্ডিত। তিনি বলেন, ‘ফুল অউর কাঁটে’ সিনেমার মাধ্যমে অজয় দেবগণকে বলিউডে নিয়ে আসেন কুকু কোহলি। এর আগে দীর্ঘ সময় তিনি কিংবদন্তি নির্মাতা রাজ কাপুরের সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেছিলেন।

বন্ধুর মৃত্যুতে নিজের মানসিকভাবে ভেঙে পড়ার কথাও জানান অশোক পণ্ডিত। তিনি বলেন, কুকু কোহলির মৃত্যুতে তিনি একজন খুব কাছের বন্ধুকে হারিয়েছেন।

১৯৯১ সালে মুক্তি পাওয়া ‘ফুল অউর কাঁটে’ কুকু কোহলির ক্যারিয়ারের অন্যতম উল্লেখযোগ্য সিনেমা। এই সিনেমার মাধ্যমেই বলিউডে অভিষেক হয় অজয় দেবগণ ও অভিনেত্রী মাধুর। সিনেমাটি মুক্তির পর অজয় দেবগণ দ্রুত দর্শকদের নজর কাড়েন।

পরিচালক হিসেবে কুকু কোহলির উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে ‘সুহাগ’ (১৯৯৪), ‘হকীকত’ (১৯৯৫), ‘আনাড়ি নং ১’ (১৯৯৯), ‘জুলমি’ (১৯৯৯) ও ‘ইয়ে দিল আশিকানা’ (২০০২)। তাঁর পরিচালিত সর্বশেষ সিনেমা ‘ওহ তেরা নাম থা’ মুক্তি পায় ২০২৪ সালে।

কুকু কোহলির মৃত্যুতে বলিউডে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। তাঁর দীর্ঘ চলচ্চিত্রজীবন এবং অজয় দেবগণের ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কারণে তাঁকে স্মরণ করছেন চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্টরা।

কালের আলো/এসএ

‘মহানগর ৩’-এর চিত্রনাট্য শেষের পথে, বড় ইঙ্গিত দিলেন আশফাক নিপুণ

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ৫:১৭ অপরাহ্ণ
‘মহানগর ৩’-এর চিত্রনাট্য শেষের পথে, বড় ইঙ্গিত দিলেন আশফাক নিপুণ

দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে। জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ ‘মহানগর’-এর তৃতীয় সিজন নিয়ে বড় ইঙ্গিত দিয়েছেন নির্মাতা আশফাক নিপুণ। নিজের জন্মদিনে প্রকাশ করা এক ভিডিওতে নতুন সিজনের চিত্রনাট্য শেষ করার কথা জানিয়েছেন তিনি। এতে ‘মহানগর ৩’ নিয়ে দর্শকদের অপেক্ষা আরও বাড়ল।

বাংলাদেশে ওয়েব সিরিজের জনপ্রিয়তা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা ‘মহানগর’ প্রথম মুক্তি পায় ২০২১ সালে। দুই বছর পর ২০২৩ সালে দর্শকদের সামনে আসে দ্বিতীয় সিজন। গল্প, চিত্রনাট্য ও অভিনয়ের কারণে সিরিজটি বাংলাদেশ ছাড়িয়ে ভারতেও ব্যাপক সাড়া ফেলে।

দ্বিতীয় সিজনের শেষেই তৃতীয় কিস্তি আসার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল। এরপর প্রায় তিন বছর পেরিয়ে গেলেও ‘মহানগর ৩’ নিয়ে নির্মাতার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। এ সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আশফাক নিপুণের যেকোনো পোস্টে দর্শকদের একটি বড় অংশ তৃতীয় সিজন নিয়ে জানতে চাইতেন।

এর মধ্যে একবার সিরিজটির কাজ শুরুর খবরও সামনে এসেছিল। পরে জানা যায়, বাজেট সংকটের কারণে হইচই বাংলাদেশ তখন ‘মহানগর ৩’ নির্মাণ করতে পারছে না।

তবে এবার খোদ নির্মাতার ইঙ্গিতে নতুন করে আশাবাদী হয়ে উঠেছেন দর্শকেরা। বুধবার (২৬ আগস্ট) নিজের জন্মদিন উপলক্ষে ফেসবুকে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন আশফাক নিপুণ। ভিডিওর একপর্যায়ে তিনি বলেন, ‘যাই হোক, এখন স্ক্রিপ্টটা শেষ করে আসি। সময় হাতে বেশি নেই।’

কোন চিত্রনাট্যের কথা বলছেন, সেটিও খুব বেশি গোপন রাখেননি নির্মাতা। ভিডিওতে তিনি নিজের কণ্ঠে ‘মহানগর’-এর পরিচিত ইন্ট্রো মিউজিক গেয়ে শোনান। এতেই দর্শকদের কাছে পরিষ্কার হয়ে যায়, বহুল প্রতীক্ষিত ‘মহানগর ৩’-এর চিত্রনাট্য নিয়েই কাজ করছেন তিনি।

পরে তাঁর পোস্টের মন্তব্যে এক ভক্ত সরাসরি জানতে চান, ‘তাহলে কি মহানগর ৩ ভায়া?’ জবাবে আশফাক নিপুণ লেখেন, ‘ইয়েস’। নির্মাতার এই সংক্ষিপ্ত উত্তরেই সিরিজটির তৃতীয় সিজন নিয়ে নতুন করে উচ্ছ্বাস তৈরি হয়েছে।

তবে ‘মহানগর ৩’-এর শুটিং কবে শুরু হবে কিংবা সিরিজটি কবে মুক্তি পাবে, সে বিষয়ে এখনো নির্দিষ্ট কোনো সময়সূচি জানানো হয়নি।

সিরিজটির প্রথম দুই সিজনে পুলিশ কর্মকর্তা ওসি হারুন চরিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান মোশাররফ করিম। তৃতীয় সিজনেও তাঁকে একই চরিত্রে দেখা যাবে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি নতুন সিজনে পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় অভিনেতা অনির্বাণ ভট্টাচার্যকে বিশেষ চমক হিসেবে দেখা যেতে পারে বলেও আলোচনা রয়েছে।

কালের আলো/এসএ

২৮ আগস্ট মঞ্চে আসছে ‘দোজখের শেষ মেয়েটি’

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ৫:০৩ অপরাহ্ণ
২৮ আগস্ট মঞ্চে আসছে ‘দোজখের শেষ মেয়েটি’

প্রচলিত নাট্যরীতির বাইরে গিয়ে লিভিং থিয়েটারের নান্দনিকতা ও পরীক্ষামূলক ভাষায় নতুন প্রযোজনা নিয়ে আসছে নাট্যদল নাট্যধারা। ‘দোজখের শেষ মেয়েটি’ শিরোনামের নাটকটির উদ্বোধনী মঞ্চায়ন হবে আগামী ২৮ আগস্ট শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির এক্সপেরিমেন্টাল হলে।

লিভিং থিয়েটারের বৈশিষ্ট্য অনুসরণ করে নির্মিত এ প্রযোজনায় দর্শক ও মঞ্চের প্রচলিত দূরত্ব কমিয়ে নাট্যঘটনাকে আরও প্রত্যক্ষ ও অনুভবনির্ভর করে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে। শরীরী ভাষা, প্রতীকী অভিনয়, আলো-আঁধারি, শব্দ ও আবহ নির্মাণকে নাটকের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।

নাটকটির কেন্দ্রীয় চরিত্র নাদিয়া মুরাদ। ইরাকের ইয়াজিদি সম্প্রদায়ের এই তরুণী উগ্রবাদী সন্ত্রাসীদের হাতে বন্দিত্ব ও নির্যাতনের শিকার হন। পরে সেখান থেকে পালিয়ে ইউরোপে আশ্রয় নিয়ে মানবাধিকার রক্ষায় সোচ্চার হন তিনি। তাঁর সংগ্রাম ও সাহসী ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৮ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন নাদিয়া মুরাদ।

তবে ‘দোজখের শেষ মেয়েটি’ শুধু নাদিয়া মুরাদের ব্যক্তিজীবনের গল্প নয়। যুদ্ধ, রাষ্ট্র, মৌলবাদ, বিশ্বরাজনীতি, অর্থনৈতিক স্বার্থ, জাতিসত্তার ওপর আঘাত এবং মানবিক বিপর্যয়ের মতো সমকালীন নানা সংকটকে নাটকটির বিষয়বস্তু করা হয়েছে।

নাট্যদলের ভাষ্য অনুযায়ী, নাদিয়ার জীবনকাহিনিকে ব্যক্তিগত আত্মজীবনী হিসেবে নয়, বরং সময় ও ইতিহাসের প্রতিচ্ছবি হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হয়েছে। দর্শককে কেবল গল্পের দর্শক না রেখে নাট্যঘটনার মধ্য দিয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের মুখোমুখি করাও এ প্রযোজনার অন্যতম লক্ষ্য।

নাটকের শেষাংশে উঠে আসে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন—নাদিয়াই কি পৃথিবীর দৃশ্যমান ও অদৃশ্য দোজখের শেষ মেয়ে? চলমান যুদ্ধই কি পৃথিবীর শেষ যুদ্ধ? মৌলবাদের তৈরি দোজখই কি পৃথিবীর শেষ দোজখ? নাদিয়াই কি পৃথিবীর শেষ দোজখের শেষ মেয়ে? আর যুদ্ধশিশু কি পরিকল্পিত?

নাটকটি রচনা করেছেন আনিসুর রহমান এবং নাট্যনির্মাণ করেছেন আশীষ খন্দকার। অভিনয়ে রয়েছেন মো. কামাল হোসেন, ফাহমিদা রহমান তৃষা, রিয়াদ মাহমুদ, হাফসা আক্তার, মো. আব্দুল আজিজ, মো. রফিকুল ইসলাম, রহিম পারভেজ, আল হাছিবুর রহমান, জাহাঙ্গীর সিকদার, ইমতিয়াজ আহমেদ দুলু ও হাফসা মাহমুদ ঋদ্ধি।

নাট্যকার হিসেবে রয়েছেন আনিসুর রহমান। নাট্যনির্মাণের পাশাপাশি সঙ্গীত ও পোশাক পরিকল্পনায় আছেন আশীষ খন্দকার। সহযোগী নির্দেশক রিয়াদ মাহমুদ। মঞ্চ ও আলো পরিকল্পনা করেছেন পলাশ সেন হেনরী।

নাটকটির নির্মাণে সহযোগিতা করেছে বিডিজবস ডট কম ও সাইমন কালিনারী ইনস্টিটিউট।

লিভিং থিয়েটারের পরীক্ষামূলক ভাষায় নির্মিত ‘দোজখের শেষ মেয়েটি’ সমকালীন বাংলা মঞ্চনাটকে নতুন অভিজ্ঞতা তৈরি করবে বলে প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। ২৮ আগস্টের উদ্বোধনী মঞ্চায়নের মধ্য দিয়ে শুরু হবে প্রযোজনাটির যাত্রা।

কালের আলো/এসএ