খুঁজুন
                               
, ,
           

ম্যানিলায় বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬, ১:২৩ অপরাহ্ণ
ম্যানিলায় বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক

ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় আসিয়ান রিজিওনাল ফোরামের (এআরএফ) পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের সাইডলাইনে বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) পরররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, বৈঠকে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খালিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানান সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. ভিভিয়ান বালাকৃষ্ণান।

জবাবে ড. খালিলুর রহমান বলেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় সিঙ্গাপুরসহ ছোট রাষ্ট্রগুলোর উদ্বেগ ও স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান চমৎকার কূটনৈতিক ও জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ককে আরও কার্যকর ও ফলপ্রসূ উদ্যোগে রূপ দেওয়ার বিষয়ে ঐকমত্য হয়।

এ ক্ষেত্রে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, দক্ষ জনশক্তি অভিবাসন এবং বহুপাক্ষিক সংস্থাগুলোতে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দেশটির অর্থনৈতিক উন্নয়নে বাংলাদেশি প্রবাসীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের প্রশংসা করেন।

একই সঙ্গে তিনি সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশ থেকে আরও দক্ষ জনশক্তি নিয়োগের বিষয়টিকে স্বাগত জানান।

বৈঠকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসিয়ানের সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার হওয়ার বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষায় সিঙ্গাপুরের সহযোগিতা কামনা করেন।

পাশাপাশি রিজিওনাল কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ (আরসিইপি)-এ বাংলাদেশের সম্পৃক্ততার বিষয়েও দেশটির সমর্থন প্রত্যাশা করেন।

এ ছাড়া রোহিঙ্গা সংকটের একটি টেকসই সমাধান খুঁজে বের করতে সিঙ্গাপুরের সহযোগিতা চান ড. খালিলুর রহমান।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরের মধ্যে প্রস্তাবিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) সম্পন্ন করার চলমান প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার বিষয়ে উভয় পক্ষ সম্মত হয়।

দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

 

ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিতে বড় ধাক্কা

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১:২৬ অপরাহ্ণ
ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিতে বড় ধাক্কা

পোশাকের দাম কমিয়েও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাজারে রপ্তানি আয় ধরে রাখতে পারছে না বাংলাদেশ। চলতি বছরের প্রথম আট মাসে ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি থেকে আয় কমেছে ১১ দশমিক ৬৭ শতাংশ। একই সময়ে প্রতি কেজি পোশাকের দাম কমানোর পাশাপাশি রপ্তানির পরিমাণও কমেছে। এতে দেশের তৈরি পোশাক খাতের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ইইউর পরিসংখ্যান সংস্থা ইউরোস্ট্যাটের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি থেকে আয় হয়েছিল ১ হাজার ৩৫০ কোটি ৪৫ লাখ ইউরো। চলতি বছরের একই সময়ে তা কমে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৯২ কোটি ৮০ লাখ ইউরোতে। অর্থাৎ আট মাসে রপ্তানি আয় কমেছে প্রায় ১৫৭ কোটি ৬৫ লাখ ইউরো।

দাম কমিয়েও বাড়েনি রপ্তানি
রপ্তানি আয় ধরে রাখতে বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা পোশাকের গড় দাম কমিয়েছেন। গত বছরের প্রথম আট মাসে প্রতি কেজি পোশাকের গড় দাম ছিল ১৪ দশমিক ৮৭ ইউরো। চলতি বছরের একই সময়ে তা কমে দাঁড়িয়েছে ১৩ দশমিক ৭৬ ইউরোতে। অর্থাৎ প্রতি কেজিতে দাম কমেছে ৭ দশমিক ৪৩ শতাংশ। তবে দাম কমানোর পরও রপ্তানির পরিমাণ বাড়েনি। বরং গত বছরের জানুয়ারি-আগস্ট সময়ে ইউরোপে বাংলাদেশ ৯০ কোটি ৮৩ লাখ ৭০ হাজার কেজি পোশাক রপ্তানি করেছিল। চলতি বছরের একই সময়ে রপ্তানির পরিমাণ কমে দাঁড়িয়েছে ৮৬ কোটি ৬৭ লাখ ৬০ হাজার কেজিতে। এতে রপ্তানির পরিমাণ কমেছে ৪ দশমিক ৫৮ শতাংশ।

বিশ্ববাজারে মন্দা, বাংলাদেশের পতন বেশি
চলতি বছরের প্রথম আট মাসে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের তৈরি পোশাক আমদানির মোট মূল্য কমেছে ৩ দশমিক ৮৩ শতাংশ। আমদানির পরিমাণ কমেছে ২ দশমিক ৫৭ শতাংশ। অর্থাৎ ইউরোপের বাজারে সামগ্রিকভাবে পোশাকের চাহিদা ও আমদানি কমেছে। তবে বৈশ্বিক আমদানি মূল্য কমার তুলনায় বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের পতন অনেক বেশি।

ইউরোপের বাজারে সবচেয়ে বড় পোশাক সরবরাহকারী চীনের রপ্তানি আয় বেড়েছে ২ দশমিক ৩৮ শতাংশ। পঞ্চম বৃহত্তম সরবরাহকারী ভিয়েতনামের আয় বেড়েছে ৪ দশমিক ৪৬ শতাংশ। দেশটি পোশাকের গড় দামও বাড়িয়েছে ১০ দশমিক ১১ শতাংশ। অন্যদিকে তৃতীয় বৃহত্তম সরবরাহকারী তুরস্কের রপ্তানি আয় কমেছে ১১ দশমিক ০২ শতাংশ। চতুর্থ অবস্থানে থাকা ভারতের আয় কমেছে ১০ দশমিক ৮৪ শতাংশ। এ ছাড়া কম্বোডিয়ার রপ্তানি আয় কমেছে ৪ দশমিক ৫১ শতাংশ, পাকিস্তানের ৯ দশমিক ৬৩ শতাংশ, মরক্কোর ৬ দশমিক ১০ শতাংশ, শ্রীলঙ্কার ১১ দশমিক ১২ শতাংশ এবং ইন্দোনেশিয়ার ১১ দশমিক ০৩ শতাংশ।

বাংলাদেশ এখনো ইউরোপীয় ইউনিয়নের দ্বিতীয় বৃহত্তম তৈরি পোশাক সরবরাহকারী দেশ। তবে চীন ও ভিয়েতনামের রপ্তানি আয় বাড়লেও বাংলাদেশের আয় কমেছে। ফলে ইউরোপের বাজারে চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের ব্যবধান আরও বেড়েছে।

কম দামের কৌশল কেন কাজে আসছে না
ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের পোশাকের গড় দাম এখনো ভিয়েতনাম, তুরস্ক ও ভারতের তুলনায় কম। এমনকি ইউরোপীয় ইউনিয়নে সব দেশ থেকে আমদানি করা পোশাকের গড় দামও বাংলাদেশের পোশাকের চেয়ে বেশি। এরপরও কম দাম দিয়ে বাজার ধরে রাখার কৌশল প্রত্যাশিত ফল দিচ্ছে না।

এ বিষয়ে এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক ও নিট তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিকেএমইএ) সাবেক সভাপতি ফজলুল হক বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে পোশাকের আমদানি ও চাহিদা কমে যাওয়ায় ক্রেতারা দাম কমানোর সুযোগ নিচ্ছেন। অন্য দেশগুলোও কম দামে পোশাক সরবরাহ করে বাজার ধরে রাখার চেষ্টা করছে। কিন্তু বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের পক্ষে অনির্দিষ্টকাল দাম কমিয়ে ব্যবসা চালানো সম্ভব নয়। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে অনিশ্চয়তার কারণে চীন ইউরোপের বাজারে বেশি মনোযোগ দিচ্ছে এবং আক্রমণাত্মক দামে পোশাক সরবরাহ করছে। চীনের সঙ্গে এই অসম প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের মতো রপ্তানিনির্ভর দেশের উদ্যোক্তাদের টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়েছে।

গ্যাস-বিদ্যুৎ ও ব্যাংকিং সংকটে উৎপাদন ব্যাহত
দেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যাগুলোও তৈরি পোশাক খাতের প্রতিযোগিতা সক্ষমতাকে প্রভাবিত করছে বলে মনে করেন ফজলুল হক। তাঁর মতে, ব্যাংকিং খাতের জটিলতা এবং কারখানায় গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকটে স্বাভাবিক উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। এতে অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের উৎপাদনশীলতা ও প্রতিযোগিতার সক্ষমতা কমে যাচ্ছে।

এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে উৎপাদনশীলতা বাড়ানো, পোশাকের নকশা ও ধরনে বৈচিত্র্য আনা, নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং ব্যাংকঋণের সুদের হার কমানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। পাশাপাশি রপ্তানিমুখী শিল্পে আর্থিক ও নীতিগত সহায়তা জোরদারের প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন। ফজলুল হক সতর্ক করে বলেন, আগামী দিনে শ্রমিকদের মজুরি পুনর্বিন্যাসসহ আরও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ আসতে পারে। তাই তৈরি পোশাক খাতের সক্ষমতা বাড়াতে এখন থেকেই সমন্বিত প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি।

বাজারে পুনরুদ্ধারের আভাস, তবে রয়েছে শঙ্কা
তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সাবেক পরিচালক এবং বাংলাদেশ অ্যাপারেল এক্সচেঞ্জ (বিএএই) ও বাংলাদেশ অ্যাপারেল ভয়েসের (বিএভি) প্রধান নির্বাহী মো. মহিউদ্দিন রুবেল মনে করেন, বছরের শুরুতে ইউরোপের বাজারে রপ্তানি আয় কমার যে প্রবণতা ছিল, জুলাই-আগস্টে তা কিছুটা কমেছে।

বিএভির পর্যালোচনা তুলে ধরে তিনি জানান, জানুয়ারি-এপ্রিল সময়ে আমদানি প্রায় ১০ শতাংশ কমেছিল। তবে সংস্থাটির হিসাবে, মে-আগস্ট সময়ে ২০২৫ সালের একই সময়ের তুলনায় আমদানি প্রায় ২ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়েছে। তাঁর মতে, বছরের মাঝামাঝি সময়ে বাজারে ধীরে ধীরে পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত মিলেছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ আরও তীব্র ও বিস্তৃত হলে এই পুনরুদ্ধার বাধাগ্রস্ত হতে পারে। মহিউদ্দিন রুবেলের আশঙ্কা, যুদ্ধের প্রভাব দেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতির পাশাপাশি বৈশ্বিক পোশাকবাজারেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।  ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি খাত একদিকে বৈশ্বিক চাহিদা হ্রাস, অন্যদিকে উৎপাদন ব্যয় ও প্রতিযোগিতার চাপে রয়েছে। বাজার ধরে রাখতে শুধু দাম কমানো নয়, উৎপাদনশীলতা, পণ্যের বৈচিত্র্য এবং নীতিগত সহায়তা বাড়ানোও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

শিম চাষে বাম্পার ফলনের আশা, লাভের অপেক্ষায় কৃষক

হবিগঞ্জ সংবাদদাতা,কালের আলো
প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১:১০ অপরাহ্ণ
শিম চাষে বাম্পার ফলনের আশা, লাভের অপেক্ষায় কৃষক

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় শিম চাষে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। অনুকূল আবহাওয়া, রোগবালাইয়ের তুলনামূলক কম উপদ্রব এবং সন্তোষজনক বাজারদরে চলতি মৌসুমে ভালো লাভের স্বপ্ন দেখছেন স্থানীয় কৃষকেরা। উপজেলার বিভিন্ন এলাকার শিমক্ষেত এখন সবুজ গাছে ও সাদা ফুলে ভরে উঠেছে। গাছে গাছে শিমের উপস্থিতিতে ফলন নিয়েও আশাবাদী চাষিরা। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে মাধবপুরে প্রায় ২৮০ হেক্টর জমিতে শিমের আবাদ হয়েছে। নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে এ পরিমাণ ১০ হেক্টর বেশি। মাঠের বর্তমান অবস্থা বিবেচনায় উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রাও ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

সবুজ শিমক্ষেতে ব্যস্ত কৃষকেরা
উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, শিমগাছের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা। লতানো গাছে ঝুলছে শিম, ফুটেছে সাদা ফুল। ফসল ঘরে তোলার আগে গাছের যত্ন নিতে বাড়তি মনোযোগ দিচ্ছেন তাঁরা। অনুকূল আবহাওয়া এবং রোগবালাইয়ের উপদ্রব কম থাকায় এবার ফলন ভালো হওয়ার আশা করছেন চাষিরা। কৃষকদের প্রত্যাশা, মাঠের বর্তমান অবস্থা শেষ পর্যন্ত বজায় থাকলে উৎপাদন ভালো হবে। একই সঙ্গে বাজারে বর্তমান দাম ধরে রাখা গেলে শিম বিক্রি করে কাঙ্ক্ষিত আয় করা সম্ভব হবে।

কেজি ১০০ থেকে ১২০ টাকা
জগদীশপুর এলাকার শিমচাষি সাইফুল ইসলাম জানান, বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি শিম ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এই দাম অব্যাহত থাকলে শিম চাষ করে ভালো লাভের আশা করছেন তিনি।তবে উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগও রয়েছে কৃষকদের মধ্যে। সাইফুল ইসলাম বলেন, সার, বীজ ও শ্রমিকের খরচ আগের তুলনায় বেড়েছে। ফলে ভালো ফলন হওয়ার পাশাপাশি শেষ পর্যন্ত ন্যায্যমূল্য পাওয়াও জরুরি।

আবাদ বেড়েছে, এখন উৎপাদনের প্রত্যাশা
কৃষি সম্প্রসারণ কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১০ হেক্টর বেশি জমিতে শিম চাষ হওয়ায় চলতি মৌসুমে উৎপাদন বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে ফলন ও আয় শেষ পর্যন্ত নির্ভর করবে আবহাওয়া, ফসলের পরিচর্যা এবং বাজারদরের ওপর।
মাধবপুরের শিমচাষিদের মধ্যে এখন আশার সঞ্চার হয়েছে। ফলন ভালো হওয়া এবং বাজারে ন্যায্য দাম পাওয়া গেলে চলতি মৌসুম তাঁদের জন্য লাভজনক হয়ে উঠতে পারে।

কালের আলো/এএএন/এমএসআইপি

কাশিমপুরে গুদামে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৮ ইউনিট

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫৬ অপরাহ্ণ
কাশিমপুরে গুদামে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৮ ইউনিট

গাজীপুরের কাশিমপুরের পশ্চিম শৈলডুবি এলাকায় সুপ্রিম গার্মেন্টসের কার্টন ও সুতার গুদামে আগুন লেগেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের আটটি ইউনিট কাজ করছে। তবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল ১০টা ১৪ মিনিটে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। খবর পাওয়ার পর দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।

প্রথমে পাঁচ ইউনিট, পরে আরও তিনটি
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, আগুন লাগার খবর পাওয়ার পর প্রথম দলটি সকাল ১০টা ২৫ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিকভাবে পাঁচটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজে অংশ নেয়। পরে আগুনের তীব্রতা বাড়ায় পরিস্থিতি মোকাবিলায় আরও তিনটি ইউনিট পাঠানো হয়। বর্তমানে মোট আটটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।

আগুনের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতি জানা যায়নি
ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের কন্ট্রোল রুমের ডিউটি অফিসার রাশেদ বিন খালিদ বাংলানিউজকে আগুনের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গাজীপুরের কাশিমপুরের পশ্চিম শৈলডুবি এলাকায় অবস্থিত সুপ্রিম গার্মেন্টসের কার্টন ও সুতার গুদামে আগুন লেগেছে। আগুন লাগার সুনির্দিষ্ট কারণ এবং এতে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি