খুঁজুন
                               
, ,
           

ইত্যাদি এবার লক্ষ্মীপুরে, কী থাকছে আয়োজনে?

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬, ৩:৫২ অপরাহ্ণ
ইত্যাদি এবার লক্ষ্মীপুরে, কী থাকছে আয়োজনে?

নব্বইয়ের দশক থেকেই শিকড়ের সন্ধানে স্টুডিওর চার দেয়াল থেকে বেড়িয়ে দেশের নানা প্রান্তে গিয়ে আয়োজন করা হচ্ছে ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ইত্যাদি। সেই ধারাবাহিকতায় এবারের পর্বের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে নদীঘেরা উপকূলীয় জনপদ লক্ষ্মীপুর জেলাকে।

এ জেলার ইতিহাস ও সৌন্দর্যকে উপজীব্য করে এবার নান্দনিক মঞ্চ নির্মাণ করা হয়েছিল লক্ষ্মীপুর জেলা সদরে অবস্থিত শতবর্ষ প্রাচীন দালাল বাজার জমিদারের স্মৃতিবহনকারী নবীন কিশোর উচ্চ বিদ্যালয়ের উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে।

ইত্যাদির ধারণকে ঘিরে পুরো লক্ষ্মীপুর জুড়েই ছিল উৎসবের আবহ।

দুপুরের পর থেকেই অনুষ্ঠানস্থলের দিকে আসতে শুরু করেন দর্শকরা। প্রতিবারের মত এবারও স্থানীয় জেলা প্রশাসনের মাধ্যমেই বিতরণ করা হয়েছে দর্শকদের আমন্ত্রণপত্র।

দেখতে দেখতে নির্ধারিত সময়ের আগেই অনুষ্ঠান প্রাঙ্গণ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে। অনুষ্ঠানটি জেলা সদরে আয়োজিত হলেও শুধু সদর নয়, জেলার দূর-দূরান্তের উপজেলা এমনকি পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন জেলা থেকেও ছুটে এসেছিলেন বিভিন্ন শ্রেণি পেশার নানা বয়সী দর্শক।

ধারণক্ষমতার চেয়ে বহুগুণ বেশি দর্শক উপস্থিত হওয়ায় চারপাশে তৈরি হয় এক অভাবনীয় দৃশ্য। শত শত প্রাণবন্ত মানুষ স্থান করে নেন আশপাশের বহুতল ভবনের ছাদ, প্রাচীর, রাস্তা আর গাছের ডালে। গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি আর ভ্যাপসা গরমের অস্বস্তি কোনো কিছুই দমাতে পারেনি দর্শকদের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস।

এবারের অনুষ্ঠানে থাকছে দুটি বিশেষ গান। যার একটিতে কণ্ঠ মিলিয়েছেন লক্ষ্মীপুরেরই কণ্ঠশিল্পী তানজিনা রুমা এবং ফেনীর কণ্ঠশিল্পী সাজিয়া সুলতানা পুতুল। গীতিকার কবির বকুলের কথায় দরদী সুরে গানটি সৃষ্টি করেছেন আকাশ মাহমুদ। উপস্থিত দর্শকরা গানটি দারুণভাবে উপভোগ করেছেন।

অন্যদিকে, প্রতিবারের মত এবারও থাকছে জেলা পরিচিতিমূলক নৃত্যগীত। মনিরুজ্জামান পলাশের কথায় গানটির সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন উজ্জ্বল সিনহা। তানজিনা রুমা ও রাজিবের কণ্ঠে গীত এই সুরের মূর্ছনায়, এস কে জাহিদের মনোমুগ্ধকর কোরিওগ্রাফিতে মঞ্চ মাতিয়েছেন স্থানীয় নৃত্যশিল্পীরা।

দর্শকপর্বের নিয়ম অনুযায়ী ধারণস্থান লক্ষ্মীপুরকে ঘিরে করা প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে উপস্থিত দর্শকের মাঝখান থেকে ৪ জন দর্শক নির্বাচন করা হয়। ২য় পর্বে নির্বাচিত দর্শকরা এই পর্বের অতিথি লক্ষ্মীপুর জেলারই সন্তান জনপ্রিয় নাট্যব্যক্তিত্ব শ্রদ্ধেয় দিলারা জামানের সঙ্গে অভিনয় করেন। যা ছিল বেশ উপভোগ্য।

এবারের অনুষ্ঠানে থাকছে পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ এভারেস্ট বিজয়ী প্রথম বাংলাদেশী নারী-লক্ষ্মীপুরের গর্ব নিশাত মজুমদারের একটি বিশেষ সাক্ষাৎকার। এভারেস্ট জয়ের সেই ঐতিহাসিক অভিযাত্রায় নিশাত মজুমদার ও আরেক এভারেস্ট বিজয়ী এম এ মুহিতের হাতে শোভা পাচ্ছিল ‘ইত্যাদি’ লেখা একটি বিশেষ প্ল্যাকার্ড। বলেছেন পর্বতারোহণ ও ইত্যাদি নিয়ে তার অনুভূতির কথা।

প্রতিবারের মত এবারের পর্বেও রয়েছে কয়েকটি অনবদ্য প্রতিবেদন। লক্ষ্মীপুরের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য বিস্তৃত মাঠজুড়ে সয়াবিনের সমারোহ, নারিকেল ও সুপারি গাছের সারি। এসবের চিত্র তুলে ধরার পাশাপাশি অনুষ্ঠানে লক্ষ্মীপুর জেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও গুরুত্বপূর্ণ স্থান-স্থাপনার ওপর রয়েছে একটি তথ্যভিত্তিক প্রতিবেদন।

শিক্ষা ও উদ্দীপনার অনন্য এক উদাহরণ হিসাবে লক্ষ্মীপুরের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উপর রয়েছে উদ্দীপনামূলক প্রতিবেদন।

রয়েছে নদী আর ভাগ্যের সঙ্গে অবিরাম লড়াই করা লক্ষ্মীপুরের এক নিঃস্ব মাঝিকে নিয়ে একটি মানবিক প্রতিবেদন। এক সময় নদী যার আয়ের উৎস ছিল আর আজ সেই নদীই তাদের নিঃস্ব করেছে।

এবারের বিদেশি পর্বে রয়েছে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ফেরত সৈনিকদের তৈরি বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ও চোখধাঁধানো উপকূলীয় পথ বিশ্বের দীর্ঘতম যুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ ‘গ্রেট ওশান রোড’।

থাকছে কাশেম টিভির রিপোর্টার এবং নাতির প্রাণবন্ত আলাপ। এছাড়াও ইত্যাদির নিয়মিত আয়োজন চিঠিপত্র পর্ব ছাড়াও রয়েছে বেশ কিছু সামাজিক অসংগতি ও সমসাময়িক প্রসঙ্গনির্ভর তীক্ষ্ণ ও তীর্যক নাট্যাংশ।

তৈল টিভি, মুখোশের অন্তরালে, স্ক্রিনে বন্দি জীবন, উন্নয়ন প্রতারণা, বিয়ে যন্ত্রণা, সবাই ডাক্তার, ইউটিউব ফিভার, ডিজিটাল চিকিৎসা, খাঁটি সোনা ও নকল সোনাসহ বেশ কয়েকটি নাট্যাংশ।

এবারের ইত্যাদিতে উল্লেখযোগ্য শিল্পীরা হলেন সোলায়মান খোকা, আজম খান, সুভাশিষ ভৌমিক, আবদুল্লাহ রানা, মীর নাসিমুল ইসলাম সেলিম, জিল্লুর রহমান, আব্দুল আজিজ, বড়দা মিঠু, শরাফ আহমেদ জীবন, হারুন রশিদ বান্টি, আশরাফুল আলম সোহাগ, সুমন পাটোয়ারী, আমিন আজাদ,

মুকিত জাকারিয়া, আনন্দ খালেদ, সাইদুর রহমান পাভেল, এমএনইউ রাজু, আনোয়ারুল আলম সজল, আনোয়ার শাহী, জামিল হোসেন, সাবরিনা নিসা, জাহিদ শিকদার, কামাল বায়েজিদ, সাজ্জাদ সাজু, নূরে আলম নয়ন, সুজাত শিমুল, সুর্বনা মজুমদার, তারিক স্বপন, মুকুল সিরাজ, নজরুল ইসলাম, ইকবাল হোসেন, সূচনা শিকদার, নিপু, বেলাল আহমেদ মুরাদসহ আরো অনেকে।

বরাবরের মত এবারও ইত্যাদির শিল্প নির্দেশনা ও মঞ্চ পরিকল্পনায় ছিলেন ইত্যাদির নিয়মিত শিল্প নির্দেশক মুকিমুল আনোয়ার মুকিম। পরিচালকের সহকারী হিসাবে ছিলেন যথারীতি রানা সরকার ও মোহাম্মদ মামুন।

ইত্যাদির এই পর্বটি আগামী ৩১ জুলাই, শুক্রবার রাত ৮টার বাংলা সংবাদের পর প্রচারিত হবে বাংলাদেশ টেলিভিশনে। ইত্যাদি রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ সংকেত। নির্মাণ করেছে ফাগুন অডিও ভিশন। ইত্যাদি স্পন্সর করেছে যথারীতি কেয়া কসমেটিকস লিমিটেড।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

মালদ্বীপে পৌঁছেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬, ৫:৪৮ অপরাহ্ণ
মালদ্বীপে পৌঁছেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মালদ্বীপের স্বাধীনতার ৬১তম বার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দেশটিতে পৌঁছেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।

শনিবার (২৫ জুলাই) মালদ্বীপে পৌঁছালে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরুথিশাম আদম এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাকে স্বাগত জানান।

সফরকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি ড. মোহাম্মদ মুইজ্জুর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এছাড়া দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরুথিশাম আদমের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি।

বৈঠকে মালদ্বীপ ও বাংলাদেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের অংশীদারত্ব আরও জোরদার করা, দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে সহযোগিতার নতুন সুযোগ অন্বেষণের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।

এছাড়া দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় করবেন।

পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বহুপাক্ষিক ফোরামে অব্যাহত সহযোগিতার বিষয়ে নিজেদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করবেন। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি ড. খলিলুর রহমানের প্রথম সরকারি মালদ্বীপ সফর।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, এ সফর মালদ্বীপ ও বাংলাদেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদারের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে থাকবে। একই সঙ্গে আগামী দিনে দুই দেশের মধ্যে বর্ধিত সহযোগিতার পথ সুগম করবে।

ম্যানিলায় আসিয়ান রিজিওনাল ফোরামের সম্মেলন শেষে মালদ্বীপ সফরে গেলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।

কালের আলো/এসআর/এএএন

সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ ও হাফিজ উদ্দিন আহমদের রাষ্ট্রপতির দায়িত্বের প্রজ্ঞাপন জারি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬, ৫:৪২ অপরাহ্ণ
সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ ও হাফিজ উদ্দিন আহমদের রাষ্ট্রপতির দায়িত্বের প্রজ্ঞাপন জারি

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ ও রাষ্ট্রপতির পদে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) জারি করা দুটি প্রজ্ঞাপন শনিবার (২৫ জুলাই) প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি সই করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শুক্রবার গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী স্বীয় পদ ত্যাগ করেছেন। এ পদত্যাগ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

অপর প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শুক্রবার রাষ্ট্রপতির পদ ত্যাগ করায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীর বিক্রম রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নবনিযুক্ত নৌপ্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬, ৫:৩১ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নবনিযুক্ত নৌপ্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ভাইস অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন নবনিযুক্ত বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রধান ভাইস অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম।

শনিবার (২৫ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে দেশের সামুদ্রিক নিরাপত্তা, নৌবাহিনীর পেশাগত সক্ষমতা বৃদ্ধি, বাহিনীর আধুনিকায়ন এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে তাদের মধ্যে মতবিনিময় হয়।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নৌবাহিনীর ভূমিকা এবং বাহিনীর পেশাদারিত্বের প্রশংসা করেন।

একই সঙ্গে তিনি নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধানের দায়িত্ব পালনে সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি