খুঁজুন
                               
, ,
           

নিহত ৪৩ সাংবাদিকের হত্যার দ্রুত বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬, ৩:০৮ অপরাহ্ণ
নিহত ৪৩ সাংবাদিকের হত্যার দ্রুত বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

সাংবাদিক সাগর-রুনি, আসাদুজ্জামান তুহিন, গোলাম রব্বানী নাদিম, শেলু আকন্দসহ বিভিন্ন সময়ে নিহত ৪৩ সাংবাদিকের হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার নিশ্চিত এবং সারাদেশে সাংবাদিক নির্যাতন, হামলা ও হয়রানির প্রতিবাদে রাজধানীতে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ পেশাদার সাংবাদিক ফোরাম (বিপিজেএফ)।

শনিবার (২৫ জুলাই) সকাল ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এ মানববন্ধনে বক্তারা সব নিহত সাংবাদিকের হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান।

পাশাপাশি সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত, পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা, হামলা ও হয়রানি বন্ধ এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ গড়ে তুলতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তারা।

বক্তারা বলেন, সাংবাদিক হত্যা, নির্যাতন ও হামলার ঘটনায় দীর্ঘদিনের বিচারহীনতার সংস্কৃতি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের জন্য বড় হুমকি।

বছরের পর বছর আলোচিত বহু হত্যাকাণ্ডের বিচার সম্পন্ন না হওয়ায় অপরাধীরা আরও উৎসাহিত হচ্ছে।

এ সময় সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত এবং গণমাধ্যমকর্মীদের অধিকার ও নিরাপত্তা রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণেরও দাবি জানানো হয়।

নিহত সাংবাদিকদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। একই সঙ্গে দ্রুত বিচার নিশ্চিত না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা।

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন বিপিজেএফের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কাজী শরিফুল ইসলাম শাকিল। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. রোমান আকন্দ। প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রধান।

প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিলের (ডিএসইসি) সাধারণ সম্পাদক জাওহার ইকবাল খান। সংহতি প্রকাশ করেন বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক সমিতির (বানাসাস) সভাপতি নাসিমা আক্তার সোমা, বাংলাদেশ কংগ্রেসের সভাপতি অ্যাডভোকেট কাজী রেজাউল হোসেন এবং মহাসচিব অ্যাডভোকেট ইয়ারুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) দপ্তর সম্পাদক আল-আমিন, সদস্য রাজু আহমেদ। মানববন্ধনে সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশারমানুষ অংশ নেন।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি

সাহাবুদ্দিনের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে গুলশানের ‘বাড়ি নম্বর ১২৩’

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬, ৪:১৪ অপরাহ্ণ
সাহাবুদ্দিনের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে গুলশানের ‘বাড়ি নম্বর ১২৩’

বঙ্গভবনের জাঁকজমকপূর্ণ চত্বর ছেড়ে এবার চেনা আঙিনায় ফেরার পালা। মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রায় ২১ মাস আগেই দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতির অধ্যায়ের অবসান ঘটিয়েছেন মো. সাহাবুদ্দিন।

সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর থেকেই রাজধানীর গুলশানের ১২৩ নম্বর সড়কের ব্যক্তিগত বাসভবনে শুরু হয়েছে জোরদার প্রস্তুতি। নতুন করে সাজানো হচ্ছে সেই বাড়ি, যেখানে কাটবে তাঁর পরবর্তী দিনগুলো।

শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে গুলশানের ওই বাড়িটিতে গিয়ে দেখা যায় ব্যস্ততার এ চিত্র। বাড়ির নিচতলার বৈঠকখানাটিতে চলছে সংস্কারের কাজ।

দেয়ালের পুরোনো রং তুলে নতুন করে প্রলেপ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন রংমিস্ত্রিরা।

ধুলোবালি থেকে বাঁচাতে ঘরের সোফা আর টেবিলগুলো ঢেকে রাখা হয়েছে পলিথিন দিয়ে।

পাশে থরে থরে সাজানো রঙের কৌটা। কেবল বৈঠকখানাই নয়, আসবাবপত্র পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা থেকে শুরু করে পুরো বাড়িটিকেই যেন নতুন রূপ দেওয়া হচ্ছে।

বাড়ির ব্যবস্থাপক কবির হোসেন জানান, স্যার কবে নাগাদ এখানে এসে উঠবেন, তা এখনো আমরা সুনির্দিষ্টভাবে জানি না। তবে আমাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সবকিছু একদম পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে গুছিয়ে রাখতে। সেই নির্দেশনা অনুযায়ীই কাজ চলছে। ধারণা করছি, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই স্যার বাসায় চলে আসতে পারেন।

তিনি আরও জানান, নিচতলার বৈঠকখানাটি মূলত প্রস্তুত করা হচ্ছে আগত অতিথিদের বসার জন্য। সাহাবুদ্দিনের ফেরার পর অনেকেই তাঁর সঙ্গে দেখা করতে আসবেন, তাই প্রথমত রং করা এবং পরবর্তীতে সোফাগুলো ধুয়ে-মুছে বসার উপযোগী করার কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে।

পাঁচতলা এই সুদৃশ্য ভবনের পঞ্চম তলার ফ্ল্যাটটিতেই মূলত সপরিবারে থাকতেন মো. সাহাবুদ্দিন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বঙ্গভবন ছাড়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পর গত কয়েক দিন ধরেই গুলশানের এই ফ্ল্যাটটিকে বসবাসের উপযোগী করে তোলা হচ্ছে। ইতোমধ্যেই তাঁর পরিবারের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বঙ্গভবন থেকে এই বাসভবনে স্থানান্তর করার প্রক্রিয়া চলছে।

এদিকে শনিবার সকালে বাড়ির সামনে সংবাদমাধ্যমের কর্মীদের উপস্থিতি দেখা গেলেও, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো অতিরিক্ত সদস্যকে সেখানে মোতায়েন থাকতে দেখা যায়নি। ভবনের ভেতরে অন্যান্য ভাড়াটিয়াদের গাড়িচালকদের স্বাভাবিকভাবেই গাড়ি পরিষ্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করতে দেখা যায়।

আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিলেন মো. সাহাবুদ্দিন। পাঁচ বছরের নির্ধারিত মেয়াদ অনুযায়ী ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত তাঁর বঙ্গভবনে থাকার কথা ছিল।

রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার প্রায় পৌনে দুই বছর আগেই রাষ্ট্রপতি পদ থেকে পদত্যাগ করে নিজের চেনা ঠিকানায় ফিরছেন তিনি। গুলশানের ১২৩ নম্বর সড়কের সেই চেনা নিবাসও এখন প্রহর গুনছে তার পুরোনো বাসিন্দাকে স্বাগত জানাতে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

ইত্যাদি এবার লক্ষ্মীপুরে, কী থাকছে আয়োজনে?

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬, ৩:৫২ অপরাহ্ণ
ইত্যাদি এবার লক্ষ্মীপুরে, কী থাকছে আয়োজনে?

নব্বইয়ের দশক থেকেই শিকড়ের সন্ধানে স্টুডিওর চার দেয়াল থেকে বেড়িয়ে দেশের নানা প্রান্তে গিয়ে আয়োজন করা হচ্ছে ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ইত্যাদি। সেই ধারাবাহিকতায় এবারের পর্বের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে নদীঘেরা উপকূলীয় জনপদ লক্ষ্মীপুর জেলাকে।

এ জেলার ইতিহাস ও সৌন্দর্যকে উপজীব্য করে এবার নান্দনিক মঞ্চ নির্মাণ করা হয়েছিল লক্ষ্মীপুর জেলা সদরে অবস্থিত শতবর্ষ প্রাচীন দালাল বাজার জমিদারের স্মৃতিবহনকারী নবীন কিশোর উচ্চ বিদ্যালয়ের উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে।

ইত্যাদির ধারণকে ঘিরে পুরো লক্ষ্মীপুর জুড়েই ছিল উৎসবের আবহ।

দুপুরের পর থেকেই অনুষ্ঠানস্থলের দিকে আসতে শুরু করেন দর্শকরা। প্রতিবারের মত এবারও স্থানীয় জেলা প্রশাসনের মাধ্যমেই বিতরণ করা হয়েছে দর্শকদের আমন্ত্রণপত্র।

দেখতে দেখতে নির্ধারিত সময়ের আগেই অনুষ্ঠান প্রাঙ্গণ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে। অনুষ্ঠানটি জেলা সদরে আয়োজিত হলেও শুধু সদর নয়, জেলার দূর-দূরান্তের উপজেলা এমনকি পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন জেলা থেকেও ছুটে এসেছিলেন বিভিন্ন শ্রেণি পেশার নানা বয়সী দর্শক।

ধারণক্ষমতার চেয়ে বহুগুণ বেশি দর্শক উপস্থিত হওয়ায় চারপাশে তৈরি হয় এক অভাবনীয় দৃশ্য। শত শত প্রাণবন্ত মানুষ স্থান করে নেন আশপাশের বহুতল ভবনের ছাদ, প্রাচীর, রাস্তা আর গাছের ডালে। গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি আর ভ্যাপসা গরমের অস্বস্তি কোনো কিছুই দমাতে পারেনি দর্শকদের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস।

এবারের অনুষ্ঠানে থাকছে দুটি বিশেষ গান। যার একটিতে কণ্ঠ মিলিয়েছেন লক্ষ্মীপুরেরই কণ্ঠশিল্পী তানজিনা রুমা এবং ফেনীর কণ্ঠশিল্পী সাজিয়া সুলতানা পুতুল। গীতিকার কবির বকুলের কথায় দরদী সুরে গানটি সৃষ্টি করেছেন আকাশ মাহমুদ। উপস্থিত দর্শকরা গানটি দারুণভাবে উপভোগ করেছেন।

অন্যদিকে, প্রতিবারের মত এবারও থাকছে জেলা পরিচিতিমূলক নৃত্যগীত। মনিরুজ্জামান পলাশের কথায় গানটির সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন উজ্জ্বল সিনহা। তানজিনা রুমা ও রাজিবের কণ্ঠে গীত এই সুরের মূর্ছনায়, এস কে জাহিদের মনোমুগ্ধকর কোরিওগ্রাফিতে মঞ্চ মাতিয়েছেন স্থানীয় নৃত্যশিল্পীরা।

দর্শকপর্বের নিয়ম অনুযায়ী ধারণস্থান লক্ষ্মীপুরকে ঘিরে করা প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে উপস্থিত দর্শকের মাঝখান থেকে ৪ জন দর্শক নির্বাচন করা হয়। ২য় পর্বে নির্বাচিত দর্শকরা এই পর্বের অতিথি লক্ষ্মীপুর জেলারই সন্তান জনপ্রিয় নাট্যব্যক্তিত্ব শ্রদ্ধেয় দিলারা জামানের সঙ্গে অভিনয় করেন। যা ছিল বেশ উপভোগ্য।

এবারের অনুষ্ঠানে থাকছে পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ এভারেস্ট বিজয়ী প্রথম বাংলাদেশী নারী-লক্ষ্মীপুরের গর্ব নিশাত মজুমদারের একটি বিশেষ সাক্ষাৎকার। এভারেস্ট জয়ের সেই ঐতিহাসিক অভিযাত্রায় নিশাত মজুমদার ও আরেক এভারেস্ট বিজয়ী এম এ মুহিতের হাতে শোভা পাচ্ছিল ‘ইত্যাদি’ লেখা একটি বিশেষ প্ল্যাকার্ড। বলেছেন পর্বতারোহণ ও ইত্যাদি নিয়ে তার অনুভূতির কথা।

প্রতিবারের মত এবারের পর্বেও রয়েছে কয়েকটি অনবদ্য প্রতিবেদন। লক্ষ্মীপুরের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য বিস্তৃত মাঠজুড়ে সয়াবিনের সমারোহ, নারিকেল ও সুপারি গাছের সারি। এসবের চিত্র তুলে ধরার পাশাপাশি অনুষ্ঠানে লক্ষ্মীপুর জেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও গুরুত্বপূর্ণ স্থান-স্থাপনার ওপর রয়েছে একটি তথ্যভিত্তিক প্রতিবেদন।

শিক্ষা ও উদ্দীপনার অনন্য এক উদাহরণ হিসাবে লক্ষ্মীপুরের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উপর রয়েছে উদ্দীপনামূলক প্রতিবেদন।

রয়েছে নদী আর ভাগ্যের সঙ্গে অবিরাম লড়াই করা লক্ষ্মীপুরের এক নিঃস্ব মাঝিকে নিয়ে একটি মানবিক প্রতিবেদন। এক সময় নদী যার আয়ের উৎস ছিল আর আজ সেই নদীই তাদের নিঃস্ব করেছে।

এবারের বিদেশি পর্বে রয়েছে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ফেরত সৈনিকদের তৈরি বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ও চোখধাঁধানো উপকূলীয় পথ বিশ্বের দীর্ঘতম যুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ ‘গ্রেট ওশান রোড’।

থাকছে কাশেম টিভির রিপোর্টার এবং নাতির প্রাণবন্ত আলাপ। এছাড়াও ইত্যাদির নিয়মিত আয়োজন চিঠিপত্র পর্ব ছাড়াও রয়েছে বেশ কিছু সামাজিক অসংগতি ও সমসাময়িক প্রসঙ্গনির্ভর তীক্ষ্ণ ও তীর্যক নাট্যাংশ।

তৈল টিভি, মুখোশের অন্তরালে, স্ক্রিনে বন্দি জীবন, উন্নয়ন প্রতারণা, বিয়ে যন্ত্রণা, সবাই ডাক্তার, ইউটিউব ফিভার, ডিজিটাল চিকিৎসা, খাঁটি সোনা ও নকল সোনাসহ বেশ কয়েকটি নাট্যাংশ।

এবারের ইত্যাদিতে উল্লেখযোগ্য শিল্পীরা হলেন সোলায়মান খোকা, আজম খান, সুভাশিষ ভৌমিক, আবদুল্লাহ রানা, মীর নাসিমুল ইসলাম সেলিম, জিল্লুর রহমান, আব্দুল আজিজ, বড়দা মিঠু, শরাফ আহমেদ জীবন, হারুন রশিদ বান্টি, আশরাফুল আলম সোহাগ, সুমন পাটোয়ারী, আমিন আজাদ,

মুকিত জাকারিয়া, আনন্দ খালেদ, সাইদুর রহমান পাভেল, এমএনইউ রাজু, আনোয়ারুল আলম সজল, আনোয়ার শাহী, জামিল হোসেন, সাবরিনা নিসা, জাহিদ শিকদার, কামাল বায়েজিদ, সাজ্জাদ সাজু, নূরে আলম নয়ন, সুজাত শিমুল, সুর্বনা মজুমদার, তারিক স্বপন, মুকুল সিরাজ, নজরুল ইসলাম, ইকবাল হোসেন, সূচনা শিকদার, নিপু, বেলাল আহমেদ মুরাদসহ আরো অনেকে।

বরাবরের মত এবারও ইত্যাদির শিল্প নির্দেশনা ও মঞ্চ পরিকল্পনায় ছিলেন ইত্যাদির নিয়মিত শিল্প নির্দেশক মুকিমুল আনোয়ার মুকিম। পরিচালকের সহকারী হিসাবে ছিলেন যথারীতি রানা সরকার ও মোহাম্মদ মামুন।

ইত্যাদির এই পর্বটি আগামী ৩১ জুলাই, শুক্রবার রাত ৮টার বাংলা সংবাদের পর প্রচারিত হবে বাংলাদেশ টেলিভিশনে। ইত্যাদি রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ সংকেত। নির্মাণ করেছে ফাগুন অডিও ভিশন। ইত্যাদি স্পন্সর করেছে যথারীতি কেয়া কসমেটিকস লিমিটেড।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

ককরোচদের’ বিক্ষোভের মুখে ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬, ৩:৩২ অপরাহ্ণ
ককরোচদের’ বিক্ষোভের মুখে ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ

ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতৃত্বাধীন ছাত্র-জনতার তীব্র আন্দোলনের মুখে অবশেষে পদত্যাগ করেছেন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। শনিবার (২৫ জুলাই) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন তিনি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ধর্মেন্দ্র এ তথ্য জানান। কেন্দ্রীয় সরকার ও ককরোচ জনতা পার্টির মধ্যে তৃতীয় দফার বৈঠকের কয়েক ঘণ্টা আগে তিনি এ সিদ্ধান্তের কথা প্রকাশ করেন।

দিল্লির যন্তর-মন্তরে এক মাসের বেশি সময় ধরে চলা শিক্ষার্থী আন্দোলনের অন্যতম প্রধান দাবি ছিল শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ।

প্রশ্নপত্র ফাঁস ও পরীক্ষা ব্যবস্থার অনিয়মের অভিযোগ তুলে আন্দোলনকারীরা শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ একাধিক দাবি জানিয়ে আসছিলেন।

তারই মধ্যে ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগপত্র পাঠানোর খবর সামনে এলো।

সূত্র: এনডিটিভি।

কালের আলো/এএন/এমএসআইপি