খুঁজুন
                               
বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

সেনাপ্রধানের নির্দেশে ডেঙ্গু প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকায় সেনাবাহিনী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ আগস্ট, ২০১৯, ১০:৫২ অপরাহ্ণ
সেনাপ্রধানের নির্দেশে ডেঙ্গু প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকায় সেনাবাহিনী

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো :

আক্রান্তের সর্বোচ্চ রেকর্ড নিয়ে এবার গোটা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু ভাইরাস। প্রতিনিয়তই বাড়ছে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা। ভয়াল আতঙ্ক নিয়েই ডেঙ্গু যেন গ্রাস করছে রাজধানী ঢাকার বাসিন্দাদেরও। ঘর থেকে শুরু করে অফিস-আদালত, চা স্টল বা যানবাহন আলোচনা কেবলই ডেঙ্গু নিয়ে।

ডেঙ্গু মহামারী আকার নেওয়ার আগেই ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। দেশের এক নম্বর এ সমস্যা মোকাবেলায় হাত গুটিয়ে বসে না থেকে প্রায় সপ্তাহ দুয়েক আগে দেশপ্রেমিক বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ নিজেই মাঠে নামেন।

ডেঙ্গু নিয়ে তিনি আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে শুধু স্বাস্থ্য সচেতনতা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার মাধ্যমেই ডেঙ্গু রোগের মোকাবেলা সম্ভব বলে মত দেন। মূলত সেনাপ্রধানের কঠোর নির্দেশনা প্রেক্ষিতেই আদাজল খেয়ে পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করেন সেনাবাহিনীর সদস্য থেকে শুরু করে কর্মকর্তারা।

গত কয়েকদিনে এ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের গতি আরও বাড়ানো হয়েছে। তাদের এ পরিচ্ছন্নতা আন্দোলনে যুক্ত হয়েছেন নিজেদের পরিবারের সদস্যরাও।

বুধবার (০৭ আগস্ট) দিনমান দেশের প্রতিটি সেনানিবাসের প্রতিটি সড়ক, কার্যালয়, সৈনিক বাসস্থান এবং পারিবারিক বাসস্থানসমূহ ও এর আশেপাশের স্থানসমূহে পুরোমাত্রায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালানো হয়।

ঈদের আগেই ডেঙ্গু পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতেও পূর্ণোদ্যমে কর্মতৎপরতা চালানো হচ্ছে। প্রত্যেক নাগরিককে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি নিজ নিজ আঙ্গিনা পরিষ্কার করতেও বলা হয়েছে।

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধে ঢাকা সেনানিবাসসহ অন্যান্য সকল সেনানিবাসে বুধবার (০৭ আগস্ট) পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ পরিছন্নতা অভিযানে সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সকল পদবীর সেনাসদস্যরা স্বত:স্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

ঈদের ছুটি শুরু হওয়ার আগেই ব্যাপক আকারে এ পরিবেশ পরিচ্ছন্নতার আয়োজন করা হয়। এ সময় সেনানিবাসের প্রতিটি সড়ক, কার্যালয়, সৈনিক বাসস্থান এবং পারিবারিক বাসস্থানসমূহ ও এর আশেপাশের স্থান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়।

একই সূত্র বলছে, এ পরিছন্নতা অভিযানে সেনা সদস্যদের পাশাপাশি তাদের পরিবারও অংশগ্রহণ করেন । এছাড়াও দেশের সব সেনানিবাসের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীরাও এ পরিছন্নতা কার্যক্রমে যুক্ত হয়েছেন। সেনানিবাসসমুহে ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধের জন্য সকলের মধ্যে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার ব্যাপারে অধিকতর সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ পরিছন্নতা কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় নানাবিধ চলমান কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এদিন এই পরিছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয় এবং নিয়মিত বিরতিতে এই ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে আইএসপিআর।

এর আগে গত ২৫ জুলাই সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ সেনানিবাসের অফিসার্স ক্লাব প্রাঙ্গণে ঢাকা সেনানিবাস এলাকায় ডেঙ্গু নির্মূল অভিযানের উদ্বোধন করেন। এ তাঁর জীবনসঙ্গী বেগম দিলশাদ নাহার আজিজসহ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

বেলুন উড়িয়ে সেই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ বলেছিলেন, ডেঙ্গু যাতে আশঙ্কাজনকভাবে বাড়তে না পারে সে লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সামরিক ও বেসামরিক সদস্য এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে ঢাকা সেনানিবাস ও এর আশপাশের এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ডেঙ্গু রোগের কোন ভ্যাকসিন নেই। কাজেই এর প্রতিরোধে আমাদের অনেক সচেতন হতে হবে। আর ডেঙ্গু প্রতিরোধের মূলমন্ত্রই হলো ব্যক্তিগত সতর্কতা এবং এডিস মশা নিধন বা নির্মূল করা। তিনি বলেন, সবাইকে সচেতন করার পাশাপাশি অফিস-আদালত ও বাসস্থানসমূহের আঙিনা ও ছাদে জমে থাকা পানি পরিষ্কার করতে হবে।

কালের আলো/আরআই/এমএএএমকে

ভারতে ভারী বৃষ্টি, সিলেটে আকস্মিক বন্যার শঙ্কা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ণ
ভারতে ভারী বৃষ্টি, সিলেটে আকস্মিক বন্যার শঙ্কা

কয়েকদিন ধরেই টানা বৃষ্টি হচ্ছে সিলেটে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বৃষ্টিপাত আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে। একই সময়ে ভারতের উজানের মেঘালয় রাজ্যেও ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। ফলে পাহাড়ি ঢলে সিলেটের নদ-নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে।

এ অবস্থায় সিলেটে আকস্মিক বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) বলছে, বন্যা হলেও তা দীর্ঘস্থায়ী হবে না।

মেঘালয়ের দৈনিক আবহাওয়া প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যটির বিভিন্ন এলাকায় উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে সোহরা (চেরাপুঞ্জি) এলাকায়—৭২ দশমিক ২ মিলিমিটার।

এছাড়া শিলংয়ে ২১ দশমিক ৬ মিলিমিটার এবং বারাপানিতে ১৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

ভৌগোলিকভাবে মেঘালয়ের সোহরা ও খাসি পাহাড়ি অঞ্চলের টানা বৃষ্টি সিলেটের নদ-নদী ব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, উজান থেকে নেমে আসা পানি সুরমা, কুশিয়ারা ও অন্যান্য পাহাড়ি নদীর প্রবাহ দ্রুত বাড়িয়ে দেয়,

যা স্বল্প সময়ে আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে।

সেখানকার আবহাওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২৬ ও ২৭ মে মেঘালয়ের অধিকাংশ এলাকায় মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়াসহ বজ্রপাত এবং ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ২৮ ও ২৯ মে পর্যন্তও বিভিন্ন এলাকায় বজ্রসহ বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে।

অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট জেলায় সর্বোচ্চ ১১১ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

এছাড়া জেলা ভিত্তিক পাউবোর তথ্য অনুযায়ী, হবিগঞ্জে ৮২ মিলিমিটার, সুনামগঞ্জে ৬৫ মিলিমিটার এবং মৌলভীবাজারে ৪৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।এদিকে, মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুর ৩টার সর্বশেষ তথ্যে সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, জেলার বিভিন্ন নদ-নদীর পানি ক্রমাগত বাড়ছে।

সুরমা নদীর কানাইঘাট পয়েন্টে পানির উচ্চতা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক শূন্য মিটার, যেখানে বিপৎসীমা ১২ দশমিক ৭৫ মিটার। একই নদীর সিলেট পয়েন্টে পানির উচ্চতা ৮ দশমিক ৪৭ মিটার, বিপৎসীমা ১০ দশমিক ৮০ মিটার।

কুশিয়ারা নদীর অমলশীদ পয়েন্টে পানির উচ্চতা ১২ দশমিক ৬৪ মিটার, বিপৎসীমা ১৫ দশমিক ৮০ মিটার। শেওলা পয়েন্টে ১০ দশমিক ৪৩ মিটার, বিপৎসীমা ১৩ দশমিক ০৫ মিটার। ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে ৮ দশমিক ৬১ মিটার, বিপৎসীমা ১০ দশমিক ৮৫ মিটার এবং শেরপুর পয়েন্টে ৭ দশমিক ৪৮ মিটার, যেখানে বিপৎসীমা ৮ দশমিক ৫৫ মিটার।

সারিগোয়াইন নদীর সারিঘাট পয়েন্টে পানির উচ্চতা ৮ দশমিক ৯০ মিটার, বিপৎসীমা ১২ দশমিক ৩৫ মিটার। পিয়াইন নদীর জাফলং পয়েন্টে পানি ৮ দশমিক ১০ মিটার, বিপৎসীমা ১৩ দশমিক শূন্য মিটার এবং গোয়াইনঘাট পয়েন্টে ৭ দশমিক ৮৬ মিটার, যেখানে বিপৎসীমা ১০ দশমিক ৮২ মিটার।

এছাড়া লোভাছড়া নদীর লোভাছড়া পয়েন্টে পানির উচ্চতা ১১ দশমিক ৪২ মিটার এবং ধলা নদীর ইসলামপুর পয়েন্টে ৭ দশমিক ২৯ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে।

তবে এখন পর্যন্ত কোনো নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি।

পানি উন্নয়ন বোর্ড ও আবহাওয়া কর্মকর্তারা বলছেন, উজানের মেঘালয় থেকে নেমে আসা ঢল এবং সিলেটের অভ্যন্তরীণ ভারী বৃষ্টি একসঙ্গে অব্যাহত থাকলে আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে নদ-নদীর পানি দ্রুত বাড়তে পারে।

এতে সিলেটের সীমান্তবর্তী নিচু এলাকা, হাওরাঞ্চল এবং নদীতীরবর্তী গ্রামগুলোতে জলাবদ্ধতা ও আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

সিলেট আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুল মুঈদ বলেন, সিলেটে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকবে এবং উজানের মেঘালয় থেকে নেমে আসা পানির কারণে নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

২৬ মে থেকে ৩০ মে পর্যন্ত সিলেট বিভাগে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির পাশাপাশি কোথাও কোথাও অতিভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে বজ্রপাত ও দমকা হাওয়াও হতে পারে।

এছাড়া সিলেট পানি উন্নয়ন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাশ দাস বলেন, ভারতের উজানে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে পাহাড়ি ঢল সিলেট অঞ্চলের নদীগুলোতে এসে পড়ছে। একই সঙ্গে সিলেটেও টানা বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। উজানে বৃষ্টি ও ঢল চলমান থাকলে সিলেটে আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা রয়েছে।

তিনি আরও জানান, আকস্মিক বন্যা হলেও তা স্বল্পমেয়াদি হবে এবং পানি দ্রুত নেমে যাবে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

সন্ধ্যার মধ্যে ভয়াবহ ঝড়ের আশঙ্কা, নদীবন্দরগুলোকে সতর্কতা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১১:৩৯ পূর্বাহ্ণ
সন্ধ্যার মধ্যে ভয়াবহ ঝড়ের আশঙ্কা, নদীবন্দরগুলোকে সতর্কতা

সন্ধ্যার মধ্যে দেশের সাত জেলায় ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

বুধবার (২৭ মে) সকাল সাড়ে ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এ ছাড়া দেশের অনত্র পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

মগবাজারে আদ-দ্বীন হাসপাতালে ৬ শিশুর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১১:১৩ পূর্বাহ্ণ
মগবাজারে আদ-দ্বীন হাসপাতালে ৬ শিশুর মৃত্যু

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একসঙ্গে ছয় শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তবে কী কারণে শিশুদের মৃত্যু হয়েছে, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনাস্থলে থানা পুলিশসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত রয়েছেন। 

বুধবার (২৭ মে) সকালে ডিএমপির রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ (ডিসি) শেখ জাহিদুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, আমরা খবর পেয়েছি, আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছয় শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। তবে শিশুদের মৃত্যু আসলে কী কারণ, তা আমরা এখনো জানি না। পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে, আমি নিজেও ঘটনাস্থলে যাচ্ছি।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি