খুঁজুন
                               
শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ২৮ চৈত্র, ১৪৩২
           

সেনাপ্রধানের নির্দেশে ডেঙ্গু প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকায় সেনাবাহিনী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ আগস্ট, ২০১৯, ১০:৫২ অপরাহ্ণ
সেনাপ্রধানের নির্দেশে ডেঙ্গু প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকায় সেনাবাহিনী

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো :

আক্রান্তের সর্বোচ্চ রেকর্ড নিয়ে এবার গোটা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু ভাইরাস। প্রতিনিয়তই বাড়ছে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা। ভয়াল আতঙ্ক নিয়েই ডেঙ্গু যেন গ্রাস করছে রাজধানী ঢাকার বাসিন্দাদেরও। ঘর থেকে শুরু করে অফিস-আদালত, চা স্টল বা যানবাহন আলোচনা কেবলই ডেঙ্গু নিয়ে।

ডেঙ্গু মহামারী আকার নেওয়ার আগেই ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। দেশের এক নম্বর এ সমস্যা মোকাবেলায় হাত গুটিয়ে বসে না থেকে প্রায় সপ্তাহ দুয়েক আগে দেশপ্রেমিক বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ নিজেই মাঠে নামেন।

ডেঙ্গু নিয়ে তিনি আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে শুধু স্বাস্থ্য সচেতনতা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার মাধ্যমেই ডেঙ্গু রোগের মোকাবেলা সম্ভব বলে মত দেন। মূলত সেনাপ্রধানের কঠোর নির্দেশনা প্রেক্ষিতেই আদাজল খেয়ে পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করেন সেনাবাহিনীর সদস্য থেকে শুরু করে কর্মকর্তারা।

গত কয়েকদিনে এ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের গতি আরও বাড়ানো হয়েছে। তাদের এ পরিচ্ছন্নতা আন্দোলনে যুক্ত হয়েছেন নিজেদের পরিবারের সদস্যরাও।

বুধবার (০৭ আগস্ট) দিনমান দেশের প্রতিটি সেনানিবাসের প্রতিটি সড়ক, কার্যালয়, সৈনিক বাসস্থান এবং পারিবারিক বাসস্থানসমূহ ও এর আশেপাশের স্থানসমূহে পুরোমাত্রায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালানো হয়।

ঈদের আগেই ডেঙ্গু পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতেও পূর্ণোদ্যমে কর্মতৎপরতা চালানো হচ্ছে। প্রত্যেক নাগরিককে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি নিজ নিজ আঙ্গিনা পরিষ্কার করতেও বলা হয়েছে।

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধে ঢাকা সেনানিবাসসহ অন্যান্য সকল সেনানিবাসে বুধবার (০৭ আগস্ট) পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ পরিছন্নতা অভিযানে সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সকল পদবীর সেনাসদস্যরা স্বত:স্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

ঈদের ছুটি শুরু হওয়ার আগেই ব্যাপক আকারে এ পরিবেশ পরিচ্ছন্নতার আয়োজন করা হয়। এ সময় সেনানিবাসের প্রতিটি সড়ক, কার্যালয়, সৈনিক বাসস্থান এবং পারিবারিক বাসস্থানসমূহ ও এর আশেপাশের স্থান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়।

একই সূত্র বলছে, এ পরিছন্নতা অভিযানে সেনা সদস্যদের পাশাপাশি তাদের পরিবারও অংশগ্রহণ করেন । এছাড়াও দেশের সব সেনানিবাসের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীরাও এ পরিছন্নতা কার্যক্রমে যুক্ত হয়েছেন। সেনানিবাসসমুহে ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধের জন্য সকলের মধ্যে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার ব্যাপারে অধিকতর সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ পরিছন্নতা কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় নানাবিধ চলমান কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এদিন এই পরিছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয় এবং নিয়মিত বিরতিতে এই ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে আইএসপিআর।

এর আগে গত ২৫ জুলাই সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ সেনানিবাসের অফিসার্স ক্লাব প্রাঙ্গণে ঢাকা সেনানিবাস এলাকায় ডেঙ্গু নির্মূল অভিযানের উদ্বোধন করেন। এ তাঁর জীবনসঙ্গী বেগম দিলশাদ নাহার আজিজসহ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

বেলুন উড়িয়ে সেই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ বলেছিলেন, ডেঙ্গু যাতে আশঙ্কাজনকভাবে বাড়তে না পারে সে লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সামরিক ও বেসামরিক সদস্য এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে ঢাকা সেনানিবাস ও এর আশপাশের এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ডেঙ্গু রোগের কোন ভ্যাকসিন নেই। কাজেই এর প্রতিরোধে আমাদের অনেক সচেতন হতে হবে। আর ডেঙ্গু প্রতিরোধের মূলমন্ত্রই হলো ব্যক্তিগত সতর্কতা এবং এডিস মশা নিধন বা নির্মূল করা। তিনি বলেন, সবাইকে সচেতন করার পাশাপাশি অফিস-আদালত ও বাসস্থানসমূহের আঙিনা ও ছাদে জমে থাকা পানি পরিষ্কার করতে হবে।

কালের আলো/আরআই/এমএএএমকে

পরিবর্তন নেই বাংলাদেশের স্কোয়াডে, যে ব্যাখ্যা দিলেন নির্বাচকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ২:১৭ অপরাহ্ণ
পরিবর্তন নেই বাংলাদেশের স্কোয়াডে, যে ব্যাখ্যা দিলেন নির্বাচকরা

মার্চে পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘরের মাঠে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ২-১ ব্যবধানে জিতেছিল বাংলাদেশ। একই দল নিয়েই নিউজিল্যান্ড সিরিজের প্রথম দুই ওয়ানডেতে নামতে যাচ্ছে মেহেদী হাসান মিরাজের দল। আজ (শনিবার) বিসিবির নবগঠিত নির্বাচক প্যানেল প্রথম দুই ওয়ানডের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। অপরিবর্তিত স্কোয়াড নিয়ে তাদের ব্যাখ্যা– দলে ডাক পাওয়া ক্রিকেটারদের আরও সুযোগ দিতে চান।

মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন বলেন, ‘আমরা যখন দলটা দেখেছি, মনে হয়েছে সর্বশেষ সিরিজ তো সফল ছিল। বাংলাদেশ ভালো ক্রিকেট খেলেছে এবং সেখানে কিছু খেলোয়াড় হয়তো সুযোগ পায়নি একাদশে। কিছু খেলোয়াড় নতুন এসেছে। আমাদের নীতি হলো, যখন কেউ আসবে, তাকে পর্যাপ্ত সুযোগ দিতে হবে। যারা খেলেছে তারা খারাপ খেলেনি। আমরা সুযোগ দেওয়ায় বিশ্বাস করতে চাই, সে কারণে আমরা এই সিরিজে দল পরিবর্তন করিনি।’

এক বছর পরই ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ। এর আগে বড় পরিবর্তন নয়, ম্যাচ জেতার দিকেই মূল নজর নির্বাচকদের। দুটো বিষয়কে প্রাধান্য দেওয়ার কথা জানিয়ে প্রধান নির্বাচক জানান, ‘আমরা বিশ্বকাপের আগে কোনও বড় পরিবর্তন করতে চাই না। যদি কাউকে দেখতে হয়, তবে আগামী ছয় মাস বা এক বছরের মধ্যে দেখে নেব। বাংলাদেশ দলের প্রথম প্রাধান্য হলো ম্যাচ জেতা। জেতার জন্য আমরা সেরা দলটাই বানাব। এর মধ্যে আমরা বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে পরিকল্পনা সাজাচ্ছি। তবে জেতার মানসিকতা ত্যাগ করে নয়।’

এ ছাড়া পেসার ও বিভিন্ন পজিশনের ব্যাটারদের রোটেশন নীতি নিয়ে বাশার বলেন, ‘পেস বোলিং ডিপার্টমেন্টে আমাদের অনেক অপশন আছে। এখানে রোটেশন করলে আমরা খুব একটা কিছু মিস করছি না। ইনজুরি ম্যানেজমেন্টের জন্য আমরা পেসারদের রোটেট করে খেলাব। কিন্তু টপ অর্ডার এবং মিডল অর্ডারে আমাদের সেটেল হওয়া দরকার। সেখানে আমাদের কাজ করার আছে।’

প্রসঙ্গত, আগামী ১৭ এপ্রিল সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড। ২০ এপ্রিল দ্বিতীয় ম্যাচ, প্রথম দুই ওয়ানডে হবে মিরপুর শের-ই বাংলায়। এরপর তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে (২৩ এপ্রিল) খেলতে দুই দল চট্টগ্রামে উড়াল দেবে। ৫০ ওভারের ম্যাচগুলো শুরু হবে বেলা ১১টায়।

কালের আলো/এসএকে

১০০ টাকার নিচে নেই সবজি, পাতে কমছে স্বাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৭ অপরাহ্ণ
১০০ টাকার নিচে নেই সবজি, পাতে কমছে স্বাদ

এক হাতে বাজারের ব্যাগ, আরেক হাতে হিসাব। প্রতিদিনের এই ছোট্ট লড়াইয়ে যেন হার মানছেন সাধারণ মানুষ। সবজির বাজারে ঢুকলেই চোখে পড়ে অস্বস্তির এক চিত্র। ৮০ থেকে ১০০ টাকার নিচে নেই কোনো সবজি। প্রয়োজন থাকলেও সাধ্যের সীমা টেনে ধরছে হাত। অনেকেই এখন কেজির বদলে কিনছেন আড়াইশ গ্রাম। এভাবেই সামলাচ্ছেন সংসার।

জ্বালানি সংকটে পরিবহন খরচ বৃদ্ধি এবং সরবরাহ ঘাটতির কারণে সবজির দাম বেড়েছে বলে দাবি করছেন বিক্রেতারা। অন্যদিকে দাম বাড়ায় সাধারণ মানুষের টিকে থাকা দায় হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ ক্রেতাদের।

শনিবার (১১ এপ্রিল) রাজধানীর মহাখালী, রামপুরাসহ বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেশিরভাগ সবজিই ১০০ টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে। ৮০ টাকার নিচে রয়েছে মাত্র দু-একটি সবজি। গোল ও লম্বা দুই ধরনের বেগুনই কেজিপ্রতি ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা একদিন আগেও ছিল ১০০ টাকা। পটলের কেজি ২০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়।

করলা ১০০-১২০, বরবটি ৮০-৯০, ঢেঁড়শ ৭০-৮০, চিচিঙ্গা ৮০-৯০, ধুন্দল ৬০-৮০, শিম ৮০-৯০, টমেটো ৫০, পেঁপে ৪০-৫০ ও লাউ ৮০-১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এসব সবজির দাম দু’তিন দিন আগেও কেজিপ্রতি ২০-৩০ টাকা কমে কেনা যেত। তবে সবচেয়ে দামি সবজি এখন কাঁকরোল। প্রতি কেজি কাঁকরোল কিনতে ক্রেতাদের ১৬০-১৮০ টাকা গুনতে হচ্ছে। তবে কেজিপ্রতি আলুর দাম এখনও ২৫-৩০ টাকা।

মহাখালী সবজির বাজারে কথা হয় বখতিয়ার শিকদারের সঙ্গে। তিনি একটি বেসরকারি অফিসে পিয়ন হিসেবে কাজ করেন। বিভিন্ন সবজি কেনার ইচ্ছা থাকলেও দাম বাড়ায় আধা কেজি বেগুন ও আলু কিনেই বাসায় ফিরতে হচ্ছে তাকে। তার দাবি, সরকার যদি কিছু নিয়ন্ত্রণ করত, তাহলে নিম্নআয়ের মানুষের উপকার হতো।

তিনি বলেন, মাছ-মাংসের পরিবর্তে আগে সবজি খেয়ে চাহিদা মেটাতাম। এখন সেটাও কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। ৮০-১০০ টাকার নিচে কোনো সবজিই পাওয়া যায় না। স্বাদ জাগলেও আয়ের সঙ্গে কুলাতে না পেরে কোনোভাবে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে সংসার চালাতে হয়। আজ শুধু বেগুন আর আলু কিনেছি। ঘরে থাকা ডিম দিয়ে এসব রান্না হবে।

বখতিয়ার আরও বলেন, ঈদের পরও বেগুনের কেজি ৪০-৬০ টাকা ছিল। এখন দ্বিগুণেরও বেশি। আগে এক কেজি কিনলেও এখন আধা কেজি বা আড়াইশ গ্রাম করে কিনতে হয়। পটল, করলার দামও বেশি। খেতে হয় বলেই সবজি কিনছি, না হলে অনেক সময় না খেয়ে থাকতে হতো।

অনেকটাই বখতিয়ারের সুরে কথা বলেন বেসরকারি চাকরিজীবী আরিফ হোসেন। সাপ্তাহিক ছুটির দিনে বাজার করেন তিনি। দাম বেশি হওয়ায় করলা আধা কেজি, ঢেঁড়শ আড়াইশ গ্রাম, শিম আধা কেজি ও পটল আড়াইশ গ্রাম কিনেছেন। এসব সবজির দাম কম থাকলে এক কেজি করেই কিনতেন বলে জানান তিনি। তার মতে, আগে একজন মানুষ ২০০ গ্রাম খেলে এখন ১০০ গ্রামেই সীমাবদ্ধ থাকতে হচ্ছে।

জোয়ার সাহারা কাঁচাবাজারের বিক্রেতা মাহফুজার রহমান সিয়াম বলেন, দাম বাড়ার কারণ আমরাও স্পষ্ট করে বলতে পারি না। পাইকারি বাজারে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে বলে খুচরা বাজারেও এর প্রভাব পড়ছে। যে টাকা নিয়ে আমরা মালামাল কিনতে যাই, তার চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ দাম দিয়ে কিনতে হচ্ছে। গত সপ্তাহের তুলনায় এই সপ্তাহে প্রায় সবকিছুর দাম বেড়েছে। সরবরাহ কম বা সংকটের কারণেই এমনটি হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।

বিক্রেতারা জানান, চলমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে জ্বালানি সংকটের কারণে পরিবহন খরচ বেড়েছে পাশাপাশি নতুন সবজির সরবরাহেও ঘাটতি রয়েছে। এসব কারণে পাইকাররা বেশি দামে সবজি বিক্রি করছেন। ফলে খুচরা পর্যায়েও বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

কালের আলো/এসএকে

রেশম গোটা দেশের সম্পদ, আমাদের ঐতিহ্য: পাটপ্রতিমন্ত্রী

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৫৮ অপরাহ্ণ
রেশম গোটা দেশের সম্পদ, আমাদের ঐতিহ্য: পাটপ্রতিমন্ত্রী

পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম বলেছেন, রেশম শুধু রাজশাহীর সম্পদ নয়, এটি গোটা বাংলাদেশের সম্পদ। রেশম আমাদের ঐতিহ্য। এই শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

শনিবার (১১ এপ্রিল) বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

১৯৭৭ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান রেশম বোর্ড স্থাপন করেন উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাজশাহী সিল্কের উন্নয়নে করণীয় নির্ধারণে প্রধান উপদেষ্টা নির্দেশনা দিয়েছেন। রাজশাহী সিল্ক কীভাবে আরও উন্নত ও আধুনিকায়ন করা যায়, সে বিষয়ে কাজ চলছে। গবেষণার মাধ্যমে তুঁতের ফলন বৃদ্ধি, তুঁত গাছের উন্নয়ন, রেশম সুতার উন্নয়ন তথা রাজশাহী সিল্কের সার্বিক ঐতিহ্য বৃদ্ধি ও পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে কাজ করা হবে।

এ জন্য স্টেকহোল্ডারদের মূল্যবান পরামর্শ নেওয়া হবে জানিয়ে তিনি বলেন, রেশম সুতার উৎপাদন বৃদ্ধিতে কারখানাগুলোতে বন্ধ পড়ে থাকা লুমগুলো চালুর বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হবে। পরিদর্শনকালে এ সময় উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মিজ বিলকিস জাহান রিমি।

পরে প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড আয়োজিত স্টেকহোল্ডারদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। ‘সিল্কের উন্নয়ন ও বাজারজাতকরণ’ শীর্ষক এই মতবিনিময় সভাটি বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মো. তৌফিক আল মাহমুদ। তিনি প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে মন্ত্রী ও সচিবের কাছে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকাণ্ড তুলে ধরেন।

কালের আলো/এসএকে