খুঁজুন
                               
বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

ঈদের আগে ফ্রিজ পরিষ্কার করার সহজ উপায়

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১১:১৩ পূর্বাহ্ণ
ঈদের আগে ফ্রিজ পরিষ্কার করার সহজ উপায়

দুয়ারে কড়া নাড়ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। আজকের দিনটা পার হলেই কাল ঈদ। এই ঈদে ঘরদোর গোছানো, মসলাপাতি তৈরি ও রান্নাবান্নার নানা প্রস্তুতির মাঝে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজটি হলো ফ্রিজ পরিষ্কার করা। কারণ কোরবানির ঈদে স্বাভাবিকভাবেই ফ্রিজের ওপর সবচেয়ে বেশি চাপ পড়ে। সারা বছর মাছ-মাংস রাখার ফলে ফ্রিজে অনেক সময় রক্তের দাগ বা তরল জমে থাকে, যা থেকে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ছড়ানোর আশঙ্কা বাড়ে। এছাড়া অতিরিক্ত বরফ জমে ফ্রিজের ভেতরের অনেকখানি জায়গা নষ্ট হয়ে যায়, যার ফলে কোরবানির মাংস গুছিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। তাই ঈদের আগেই ফ্রিজটি সুন্দরভাবে পরিষ্কার করে রাখলে উৎসবের দিনগুলোর অনেক বড় ঝামেলা থেকে রেহাই পাওয়া যায়।

নির্দিষ্ট দিন ঠিক করা ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্নকরণ

ফ্রিজ পরিষ্কার করা বেশ সময়সাপেক্ষ কাজ। তাই ঈদের ব্যস্ততা পুরোদমে শুরু হওয়ার আগেই একটি নির্দিষ্ট দিন ঠিক করে নিন। পরিষ্কার করার সুবিধার্থে প্রথমে ফ্রিজের বৈদ্যুতিক সংযোগটি বন্ধ করে দিন এবং ভেতরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক হতে দিন। এরপর ফ্রিজে থাকা পুরোনো খাবার বা কাঁচাবাজারগুলো অন্য কোনো ফ্রিজে কিংবা ঠান্ডা নিরাপদ স্থানে সরিয়ে ফেলুন। দুই থেকে তিন ঘণ্টা অপেক্ষা করলে ভেতরের জমে থাকা বরফ অনেকটাই গলে যাবে।

তাক ও ড্রয়ারগুলো আলাদা করে ধোয়া

ফ্রিজের ভেতরের বরফ গলে এলে সব তাক ও ড্রয়ারগুলো সাবধানে খুলে বাইরে নিয়ে আসুন। ফ্রিজের ভেতরের ঠান্ডা পরিবেশ থেকে বের করেই এগুলোকে সরাসরি অতিরিক্ত গরম পানিতে দেওয়া যাবে না, এতে ফাটল ধরার ঝুঁকি থাকে। তাই কুসুম গরম পানিতে সামান্য ডিটারজেন্ট মিশিয়ে একটি নরম স্পঞ্জের সাহায্যে ঘষে ঘষে তাকের দাগ ও রক্তের ছোপ দূর করুন। এতে দাগ দূর হওয়ার পাশাপাশি এগুলো জীবাণুমুক্ত হবে। এরপর পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে বাতাসে ভালো করে শুকিয়ে নিন।

ফ্রিজের ভেতরের অংশ পরিষ্কারের নিয়ম

ফ্রিজের ভেতরের অংশ পরিষ্কার করতে বেকিং সোডার মিশ্রণ চমৎকার কাজ করে। এক কাপ বেকিং সোডার সাথে সাত কাপ পানি মিশিয়ে একটি তরল মিশ্রণ তৈরি করুন। এবার একটি নরম স্পঞ্জ এই মিশ্রণে ভিজিয়ে ফ্রিজের ভেতরের দেয়াল ও প্রতিটি কোণ ভালোভাবে মুছে নিন। কোণার দুর্গম অংশগুলো পরিষ্কার করতে একটি পুরোনো টুথব্রাশ ব্যবহার করতে পারেন। সবশেষে একটি নরম মাইক্রোফাইবার কাপড় দিয়ে পুরো ভেতরটা শুকিয়ে মুছে নিন এবং শুকিয়ে যাওয়া তাক ও ড্রয়ারগুলো আবার ভেতরে সেট করুন।

বাইরের অংশ ও দরজার রাবার পরিষ্কার

ভেতরের মতো ফ্রিজের বাইরের অংশও দ্রুত নোংরা হয়, বিশেষ করে বারবার হাত দেওয়ার কারণে দরজায় দাগ পড়ে যায়। যেকোনো অল পারপাস ক্লিনজার অথবা ভিনেগার মেশানো পানি দিয়ে ফ্রিজের বাইরের অংশটি চকচকে করে মুছে নিন। একই সাথে ফ্রিজের দরজার চারপাশের রাবারটিও পরিষ্কার করা জরুরি, কারণ সেখানে আঠালো ময়লা জমে ছোট ছোট পোকা বাসা বাঁধতে পারে। পানিতে ভিনেগার মিশিয়ে একটি ব্রাশ ও কাপড়ের সাহায্যে রাবারের ভাঁজগুলো ভালো করে পরিষ্কার করে নিন।

ফ্রিজ ঠান্ডা করা ও ড্রয়ারে কাগজের ব্যবহার

পরিষ্কারের পর্ব শেষ হলে ফ্রিজের প্লাগ লাগিয়ে তা চালু করে দিন। ফ্রিজের ভেতরের তাপমাত্রা যখন ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার নিচে নেমে আসবে, অর্থাৎ ভেতরটা পুরোপুরি ঠান্ডা হবে, তখনই কেবল খাবারগুলো আবার ভেতরে রাখুন। এ ছাড়া ফ্রিজের সবজির ড্রয়ারগুলো সুরক্ষিত রাখতে নিচে মোটা কাগজ বা পুরোনো ক্যালেন্ডারের পাতা বিছিয়ে দিতে পারেন। এতে সবজির খোসা বা ময়লা সরাসরি ড্রয়ারে না লেগে কাগজের ওপর পড়বে এবং পরবর্তীতে শুধু কাগজটি বদলে নিলেই ড্রয়ার পরিষ্কার থাকবে।

ফ্রিজকে দুর্গন্ধমুক্ত রাখার কিছু কার্যকরী কৌশল

মাছ ও মাংসের কারণে ফ্রিজে তৈরি হওয়া ভ্যাপসা দুর্গন্ধ দূর করতে কিছু সহজ ঘরোয়া উপায় অবলম্বন করা যায়। ফ্রিজ পরিষ্কারের পর এক বাটি বেকিং সোডা ফ্রিজের এক কোণে রেখে দিলে তা গন্ধ শুষে নেয়। একইভাবে একটি বাটিতে শুকনো ওটমিল কিংবা কফির গুঁড়ো রেখে দিলেও ফ্রিজ দুর্গন্ধমুক্ত থাকে। এ ছাড়া তুলোর ছোট বল ভ্যানিলা এসেন্সে ডুবিয়ে ফ্রিজে রাখলে চমৎকার সুগন্ধ ছড়ায়। তবে সবচেয়ে ভালো হয় যদি ডিপ ফ্রিজে কোরবানি ও অন্যান্য সময়ের মাছ-মাংস রাখার জন্য এয়ারটাইট জিপ লক প্যাকেট ব্যবহার করা যায়। ঈদের আগেই এই সহজ কাজগুলো সেরে নিলে মাংস সংরক্ষণ নিয়ে আর দুশ্চিন্তা থাকবে না।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ভারতে ভারী বৃষ্টি, সিলেটে আকস্মিক বন্যার শঙ্কা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ণ
ভারতে ভারী বৃষ্টি, সিলেটে আকস্মিক বন্যার শঙ্কা

কয়েকদিন ধরেই টানা বৃষ্টি হচ্ছে সিলেটে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বৃষ্টিপাত আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে। একই সময়ে ভারতের উজানের মেঘালয় রাজ্যেও ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। ফলে পাহাড়ি ঢলে সিলেটের নদ-নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে।

এ অবস্থায় সিলেটে আকস্মিক বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) বলছে, বন্যা হলেও তা দীর্ঘস্থায়ী হবে না।

মেঘালয়ের দৈনিক আবহাওয়া প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যটির বিভিন্ন এলাকায় উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে সোহরা (চেরাপুঞ্জি) এলাকায়—৭২ দশমিক ২ মিলিমিটার।

এছাড়া শিলংয়ে ২১ দশমিক ৬ মিলিমিটার এবং বারাপানিতে ১৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

ভৌগোলিকভাবে মেঘালয়ের সোহরা ও খাসি পাহাড়ি অঞ্চলের টানা বৃষ্টি সিলেটের নদ-নদী ব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, উজান থেকে নেমে আসা পানি সুরমা, কুশিয়ারা ও অন্যান্য পাহাড়ি নদীর প্রবাহ দ্রুত বাড়িয়ে দেয়,

যা স্বল্প সময়ে আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে।

সেখানকার আবহাওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২৬ ও ২৭ মে মেঘালয়ের অধিকাংশ এলাকায় মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়াসহ বজ্রপাত এবং ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ২৮ ও ২৯ মে পর্যন্তও বিভিন্ন এলাকায় বজ্রসহ বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে।

অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট জেলায় সর্বোচ্চ ১১১ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

এছাড়া জেলা ভিত্তিক পাউবোর তথ্য অনুযায়ী, হবিগঞ্জে ৮২ মিলিমিটার, সুনামগঞ্জে ৬৫ মিলিমিটার এবং মৌলভীবাজারে ৪৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।এদিকে, মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুর ৩টার সর্বশেষ তথ্যে সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, জেলার বিভিন্ন নদ-নদীর পানি ক্রমাগত বাড়ছে।

সুরমা নদীর কানাইঘাট পয়েন্টে পানির উচ্চতা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক শূন্য মিটার, যেখানে বিপৎসীমা ১২ দশমিক ৭৫ মিটার। একই নদীর সিলেট পয়েন্টে পানির উচ্চতা ৮ দশমিক ৪৭ মিটার, বিপৎসীমা ১০ দশমিক ৮০ মিটার।

কুশিয়ারা নদীর অমলশীদ পয়েন্টে পানির উচ্চতা ১২ দশমিক ৬৪ মিটার, বিপৎসীমা ১৫ দশমিক ৮০ মিটার। শেওলা পয়েন্টে ১০ দশমিক ৪৩ মিটার, বিপৎসীমা ১৩ দশমিক ০৫ মিটার। ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে ৮ দশমিক ৬১ মিটার, বিপৎসীমা ১০ দশমিক ৮৫ মিটার এবং শেরপুর পয়েন্টে ৭ দশমিক ৪৮ মিটার, যেখানে বিপৎসীমা ৮ দশমিক ৫৫ মিটার।

সারিগোয়াইন নদীর সারিঘাট পয়েন্টে পানির উচ্চতা ৮ দশমিক ৯০ মিটার, বিপৎসীমা ১২ দশমিক ৩৫ মিটার। পিয়াইন নদীর জাফলং পয়েন্টে পানি ৮ দশমিক ১০ মিটার, বিপৎসীমা ১৩ দশমিক শূন্য মিটার এবং গোয়াইনঘাট পয়েন্টে ৭ দশমিক ৮৬ মিটার, যেখানে বিপৎসীমা ১০ দশমিক ৮২ মিটার।

এছাড়া লোভাছড়া নদীর লোভাছড়া পয়েন্টে পানির উচ্চতা ১১ দশমিক ৪২ মিটার এবং ধলা নদীর ইসলামপুর পয়েন্টে ৭ দশমিক ২৯ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে।

তবে এখন পর্যন্ত কোনো নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি।

পানি উন্নয়ন বোর্ড ও আবহাওয়া কর্মকর্তারা বলছেন, উজানের মেঘালয় থেকে নেমে আসা ঢল এবং সিলেটের অভ্যন্তরীণ ভারী বৃষ্টি একসঙ্গে অব্যাহত থাকলে আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে নদ-নদীর পানি দ্রুত বাড়তে পারে।

এতে সিলেটের সীমান্তবর্তী নিচু এলাকা, হাওরাঞ্চল এবং নদীতীরবর্তী গ্রামগুলোতে জলাবদ্ধতা ও আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

সিলেট আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুল মুঈদ বলেন, সিলেটে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকবে এবং উজানের মেঘালয় থেকে নেমে আসা পানির কারণে নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

২৬ মে থেকে ৩০ মে পর্যন্ত সিলেট বিভাগে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির পাশাপাশি কোথাও কোথাও অতিভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে বজ্রপাত ও দমকা হাওয়াও হতে পারে।

এছাড়া সিলেট পানি উন্নয়ন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাশ দাস বলেন, ভারতের উজানে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে পাহাড়ি ঢল সিলেট অঞ্চলের নদীগুলোতে এসে পড়ছে। একই সঙ্গে সিলেটেও টানা বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। উজানে বৃষ্টি ও ঢল চলমান থাকলে সিলেটে আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা রয়েছে।

তিনি আরও জানান, আকস্মিক বন্যা হলেও তা স্বল্পমেয়াদি হবে এবং পানি দ্রুত নেমে যাবে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

সন্ধ্যার মধ্যে ভয়াবহ ঝড়ের আশঙ্কা, নদীবন্দরগুলোকে সতর্কতা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১১:৩৯ পূর্বাহ্ণ
সন্ধ্যার মধ্যে ভয়াবহ ঝড়ের আশঙ্কা, নদীবন্দরগুলোকে সতর্কতা

সন্ধ্যার মধ্যে দেশের সাত জেলায় ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

বুধবার (২৭ মে) সকাল সাড়ে ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এ ছাড়া দেশের অনত্র পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

মগবাজারে আদ-দ্বীন হাসপাতালে ৬ শিশুর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১১:১৩ পূর্বাহ্ণ
মগবাজারে আদ-দ্বীন হাসপাতালে ৬ শিশুর মৃত্যু

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একসঙ্গে ছয় শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তবে কী কারণে শিশুদের মৃত্যু হয়েছে, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনাস্থলে থানা পুলিশসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত রয়েছেন। 

বুধবার (২৭ মে) সকালে ডিএমপির রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ (ডিসি) শেখ জাহিদুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, আমরা খবর পেয়েছি, আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছয় শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। তবে শিশুদের মৃত্যু আসলে কী কারণ, তা আমরা এখনো জানি না। পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে, আমি নিজেও ঘটনাস্থলে যাচ্ছি।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি