খুঁজুন
                               
, ,
           

তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে ময়মনসিংহে নাটাবের মতবিনিময় সভা

ময়মনসিংহ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ৬:৩৭ অপরাহ্ণ
তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে ময়মনসিংহে নাটাবের মতবিনিময় সভা

আইন বাস্তবায়নে কঠোর হওয়ার নির্দেশ এডিসি’

ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ আইন-২০০৫ (সংশোধিত ২০২৬) এবং সংশ্লিষ্ট বিধিমালার কার্যকর বাস্তবায়নে স্টেকহোল্ডারদের ভূমিকা জোরদারের লক্ষ্যে ময়মনসিংহে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুর ১২টায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে বাংলাদেশ জাতীয় যক্ষ্মা নিরোধ সমিতি (নাটাব) ময়মনসিংহ জেলা শাখার আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন নাটাব ময়মনসিংহ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রেজা মো. গোলাম মাসুম প্রধান। বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মো. আসাদুজ্জামান।

সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নাটাবের প্রজেক্ট ম্যানেজার মো. ফিরোজ আহমদ। তিনি তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন, সংশোধিত বিধান, আইন প্রয়োগের চ্যালেঞ্জ এবং মাঠপর্যায়ে কর্মকর্তাদের দায়িত্ব ও করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন নাটাবের প্রোগ্রাম অফিসার মো. রবিউল ইসলাম।

প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রেজা মো. গোলাম মাসুম প্রধান বলেন, ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার দেশের জনস্বাস্থ্যের জন্য অন্যতম বড় হুমকি। তামাকজনিত রোগে প্রতিবছর বিপুল সংখ্যক মানুষের মৃত্যু ও অর্থনৈতিক ক্ষতি হচ্ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিদ্যমান আইনের কঠোর প্রয়োগ এবং সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

সভায় জানানো হয়, বাংলাদেশ গেজেটে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের কয়েকটি ধারা সংশোধন করা হয়েছে। সংশোধিত আইনে পাবলিক স্থানে তামাকজাত দ্রব্যের বিজ্ঞাপন, প্রচার ও প্রদর্শন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কর্মকর্তাদের ক্ষমতা আরও সুস্পষ্ট করা হয়েছে।

এছাড়া তামাকজাত পণ্যের প্যাকেট ও মোড়কে নির্ধারিত স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা, ক্ষতিকর দিক নির্দেশক ছবি এবং প্রয়োজনীয় তথ্য বাংলায় স্পষ্টভাবে মুদ্রণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আইন অমান্য করলে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে জরিমানা, কারাদণ্ড এবং প্রয়োজনে লাইসেন্স বাতিলসহ বিভিন্ন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের বিধান রয়েছে বলেও সভায় তুলে ধরা হয়।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত কর্মকর্তারা তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, তদারকি বৃদ্ধি ও আইন প্রয়োগে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা তথ্য অফিসের পরিচালক মীর আকরাম উদ্দীন জায়েদ, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল্লাহিল গালিব, নুরুল হুদা মনির, জামিলুর রহমান, সাব্বির হোসেন ও শানিরুল ইসলাম শাওন, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সিনিয়র হেলথ এডুকেশন অফিসার সৈয়দ জাবেদ হোসেন, ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর জাবেদ ইকবাল, সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. শাহজাহান কবির, দৈনিক ইনকিলাবের ময়মনসিংহ সদর প্রতিনিধি শুভ বসাক, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ইন্সপেক্টর সেন্টু রঞ্জন নাথ, আব্দুল কুদ্দুস, মামুন মিয়া এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, গণমাধ্যমকর্মী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।

আলোচনা সভা শেষে অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তারা জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বরে গণসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এ সময় তারা প্রকাশ্যে ধূমপানকারীদের ধূমপান থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান এবং আশপাশের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে তামাকজাত পণ্যের বিক্রি ও প্রদর্শন সংক্রান্ত আইন মেনে চলার অনুরোধ করেন।

পাশাপাশি তামাকমুক্ত পরিবেশ গড়ে তুলতে সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

সিঙ্গাপুর থেকে এলএনজি আমদানি, ব্যয় ৯৫০ কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ৭:২৯ অপরাহ্ণ
সিঙ্গাপুর থেকে এলএনজি আমদানি, ব্যয় ৯৫০ কোটি টাকা

দেশের গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে আন্তর্জাতিক কোটেশন সংগ্রহ পদ্ধতিতে সিঙ্গাপুর থেকে এক কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এ বাবদ ব্যয় হবে প্রায় ৯৫০ কোটি টাকা।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ-সংক্রান্ত প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রস্তাব অনুযায়ী, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ১০৫-এর উপবিধি (৩)-এর দফা (ক) অনুসরণ করে আন্তর্জাতিক কোটেশন সংগ্রহ পদ্ধতিতে আগামী ১৫-১৬ আগস্ট সরবরাহের জন্য ৪২তম এলএনজি কার্গো কেনা হবে।

এ লক্ষ্যে সিঙ্গাপুরভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ভিটল এশিয়া প্রাইভেট লিমিটেডকে সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির কাছ থেকে প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজি ২২ দশমিক ৩৫ মার্কিন ডলার দরে কেনা হবে।

ক্রয় প্রস্তাব অনুযায়ী, এলএনজি আমদানিতে মোট ব্যয় হবে ৯৪৯ কোটি ৪৩ লাখ ১২ হাজার ১৮৪ টাকা। এ ব্যয়ের মধ্যে অগ্রিম আয়করও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সুপারিশের পর বৈঠকে প্রস্তাবটি চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।

সরকারের মতে, দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা পূরণ এবং গ্যাস সরবরাহ অব্যাহত রাখতেই এ এলএনজি আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কালের আলো/এএএন/এমএসআইপি 

হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার, পরিস্থিতি স্বাভাবিক

হবিগঞ্জ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ৭:১০ অপরাহ্ণ
হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার, পরিস্থিতি স্বাভাবিক

হবিগঞ্জ পৌর এলাকার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় বুধবার জারি করা ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার করেছে জেলা প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. জি এম সরফরাজ এ-সংক্রান্ত আদেশ জারি করেন।

আদেশে বলা হয়, পৌর এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বুধবার (২৯ জুলাই) ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছিল। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সর্বশেষ প্রতিবেদনে পৌর এলাকার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

জনশান্তি ও জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা না থাকায় জনস্বার্থে জারি করা ১৪৪ ধারার আদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে।

বুধবার জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কর্মসূচি এবং বিএনপির পাল্টা কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে হবিগঞ্জে দিনভর উত্তেজনা বিরাজ করে।

এ সময় এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাদের বহর শহরের বাইরে আটকে দেয় পুলিশ।

 

বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, হাসনাত আবদুল্লাহ, সারজিস আলম, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, মাহমুদা মিতুসহ কেন্দ্রীয় নেতারা মৌলভীবাজার থেকে হবিগঞ্জের উদ্দেশে রওনা দেন।

শ্রীমঙ্গলে প্রথমে পুলিশের ব্যারিকেডের মুখে পড়লেও সেটি অতিক্রম করে তারা এগিয়ে যান। পরে বাহুবল উপজেলার কামাইছড়া ও মিরপুর এলাকায় পুলিশের দ্বিতীয় ব্যারিকেডে তাদের বহর থামিয়ে দেওয়া হয়। এ সময় সড়কে আড়াআড়িভাবে ট্রাক রেখে প্রবেশপথ সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেয় পুলিশ।

প্রায় চার ঘণ্টা অপেক্ষার পর পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা বহাল থাকার কারণ দেখিয়ে পুলিশ এনসিপি নেতাদের শহরে প্রবেশের অনুমতি দেয়নি। এতে পুলিশের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন দলটির নেতারা।

রাত ৮টার দিকে শহরে প্রবেশ করতে না পেরে এনসিপি নেতারা বাহুবল উপজেলার কামাইছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে যান। সেখানে আগের দিনের হামলার ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ জমা দেন।

জেলা যুবশক্তির আহ্বায়ক তন্ময় তাহেরের করা অভিযোগে হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমদ রিংগনসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ১০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

পুলিশ সুপার তারেক মাহমুদ বলেন, অভিযোগটি হাতে লেখা হওয়ায় যাচাই-বাছাইয়ের জন্য হবিগঞ্জ সদর থানায় পাঠানো হবে। তদন্ত শেষে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ‘জুলাই পদযাত্রা-২০২৬’ কর্মসূচি শেষে ফেরার পথে হবিগঞ্জে এনসিপি নেতাদের গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটে। এতে সারজিস আলমসহ অন্তত ১০ জন আহত হন। ওই ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার এনসিপি কর্মসূচি ঘোষণা করে। একই দিনে জেলা ছাত্রদল ও বিএনপিও পৃথক কর্মসূচি দিলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসন সকাল থেকেই হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

‘সবাই আমাকে সিঙ্গেল দেখতে চায়’—বিয়ে প্রসঙ্গে আবারও পরীমনি

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ৬:৫৪ অপরাহ্ণ
‘সবাই আমাকে সিঙ্গেল দেখতে চায়’—বিয়ে প্রসঙ্গে আবারও পরীমনি

বিশ্বকাপ ফুটবল চলাকালে আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন হলে আবার বিয়ে করবেন—এমন মন্তব্য করে আলোচনায় এসেছিলেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের অভিনেত্রী পরীমনি। তবে প্রিয় দল ফাইনালে স্পেনের কাছে হেরে যাওয়ায় সেই ‘ঘোষণা’ আর বাস্তবায়ন হয়নি। এবার একটি পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের সংবাদ সম্মেলনে আবারও সেই বিয়ে প্রসঙ্গে কথা বললেন তিনি।

বুধবার রাতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের উদ্দেশে হাস্যরসের ছলে পরীমনি বলেন, “আপনারা আমাকে বিয়ে দিতে চান, না চান না?” তার এই প্রশ্নে উপস্থিত সবাই হাসিতে মেতে ওঠেন। পরে তিনি বলেন, “আমি জানি সবাই আমাকে সিঙ্গেল দেখতে চায়। আমি যদি আমার ভাইয়ের সঙ্গেও ছবি দিই, গালি খাই। সবাই আমাকে সিঙ্গেল দেখতে চায়, আমার বাচ্চাটার সঙ্গে দেখতে চায়। এতে কী আনন্দ, আমি জানি না।”

আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ ফাইনালে হার নিয়ে প্রশ্ন করা হলে পরীমনি মজা করেই বলেন, “ভাই, এই রিস্ক থেকেই তো বলেছিলাম আবার বিয়ে করব।”

বিশ্বকাপ চলাকালে আর্জেন্টিনার প্রতি নিজের সমর্থন বারবার প্রকাশ করেছেন এই অভিনেত্রী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দলের প্রতিটি জয় উদ্‌যাপন করেছেন তিনি। কখনো আকাশি-সাদা জার্সি পরে ভিডিও পোস্ট করেছেন, আবার কখনো লিওনেল মেসির প্রতি নিজের ভালোবাসার কথাও জানিয়েছেন।

আর্জেন্টিনা সেমিফাইনালে ওঠার পর পরীমনি ফেসবুকে লিখেছিলেন, “আর্জেন্টিনা কাপ জিতলে আমি আবার একটা বিয়া করব। ফাইনাল।” মজার ছলে দেওয়া সেই পোস্ট মুহূর্তেই ভাইরাল হয় এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করে।

পরে অবশ্য বিষয়টি নিয়ে অস্বস্তির কথাও জানিয়েছিলেন পরীমনি। তিনি বলেছিলেন, মজা করে দেওয়া পোস্টকে অনেকেই গুরুত্ব দিয়ে বিয়ের প্রস্তাব পাঠাতে শুরু করেছিলেন, যা তিনি কল্পনাও করেননি।

এদিকে সংবাদ সম্মেলনে তার অতীতের আলোচিত মামলায় কারাবাস নিয়ে প্রশ্ন করা হলে পরীমনি এ বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করতে চাননি। তিনি বলেন, “এটা নিয়ে কি আমি কখনো কথা বলেছি? কেউ প্রশ্ন করলে কি উত্তর পেয়েছে? আমার খালি একটাই বিষয় মনে হতো, সত্য একদিন প্রকাশ্যে আসবেই। যত চাপা দিয়ে রাখেন, প্রকাশ পাবেই।”

কালের আলো/এসএ