খুঁজুন
                               
, ,
           

ইন্টার মিলানে যোগ দেওয়ার পথে রোমেরো

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৫৩ পূর্বাহ্ণ
ইন্টার মিলানে যোগ দেওয়ার পথে রোমেরো

টটেনহ্যাম হটস্পারের আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার ক্রিস্তিয়ান রোমেরোকে দলে ভেড়ানোর বিষয়ে ইন্টার মিলানের সঙ্গে সমঝোতা হওয়ার খবর প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই ক্লাবের মধ্যে ট্রান্সফার ফি নিয়ে মৌখিকভাবে ঐকমত্য হয়েছে।

ইএসপিএনের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৪০ মিলিয়ন ইউরো ট্রান্সফার ফির ভিত্তিতে আলোচনা এগিয়েছে। তবে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তি সম্পন্ন হয়নি। রোমেরোর ব্যক্তিগত শর্তাবলী নিয়ে ইন্টার মিলানের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

২০২১ সালে আতালান্তা থেকে ধারে টটেনহ্যামে যোগ দেন রোমেরো। পরের বছর স্থায়ী চুক্তিতে ক্লাবটিতে থেকে যান তিনি। স্পার্সের হয়ে ১২৩ ম্যাচে মাঠে নেমে ১১টি গোল করেছেন এই আর্জেন্টাইন বিশ্বকাপজয়ী ডিফেন্ডার।

গত মৌসুমে সন হিউং-মিন ক্লাব ছাড়ার পর রোমেরোকে দলের অধিনায়ক করা হয়। তবে চলতি গ্রীষ্মকালীন দলবদলের সময় থেকেই নতুন চ্যালেঞ্জ নেওয়ার আগ্রহের কথা বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে আসে।

টটেনহ্যামের প্রধান কোচ রবার্তো ডি জার্বি সম্প্রতি বলেন, খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তকে তিনি সম্মান করেন। তাঁর ভাষায়, রোমেরো একজন পেশাদার এবং বিশ্বের অন্যতম সেরা সেন্টার-ব্যাক।

রোমেরোকে দলে ভেড়ানোর আগ্রহ দেখিয়েছিল বার্সেলোনা ও অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদও। তবে শেষ পর্যন্ত ইন্টার মিলানই আলোচনায় এগিয়ে রয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে।

এদিকে সম্ভাব্য বিদায়ের কথা মাথায় রেখে টটেনহ্যাম ইতোমধ্যে রক্ষণভাগ শক্তিশালী করতে নতুন কয়েকজন ডিফেন্ডারকে দলে নিয়েছে।

তবে রোমেরোর ইন্টার মিলানে যোগ দেওয়ার বিষয়টি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়নি। ব্যক্তিগত চুক্তি ও প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পরই এ বিষয়ে চূড়ান্ত ঘোষণা আসতে পারে।

কালের আলো/এসএ

দাম বাড়ল এলপিজি সিলিন্ডারের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৪৮ অপরাহ্ণ
দাম বাড়ল এলপিজি সিলিন্ডারের

তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম বাড়ালো সরকার। ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের নতুন খুচরা মূল্য ১ হাজার ৫৯৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

গত মাসে ১২ কেজি এলপিজির দাম ছিল ১ হাজার ৫২৮ টাকা। অর্থাৎ দাম বাড়ানো হয়েছে ৭০ টাকা।

রোববার (২ আগস্ট) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে চলতি আগস্ট মাসের জন্য এই মূল্য নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আগস্ট মাসের জন্য তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) নতুন মূল্য ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

ঘোষণা অনুযায়ী, গৃহস্থালিতে বহুল ব্যবহৃত ১২ কেজি ওজনের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৭০ টাকা বাড়িয়ে রিটেইলার পয়েন্টে ভোক্তাপর্যায়ে মূসকসহ নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫৯৮ টাকা, যা আগে ছিল ১৫২৮ টাকা।

নতুন এই দাম রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হবে এবং পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত বহাল থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

‘মুসাফির ক্যাফে’ প্রেম নাকি প্রতারণা?

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৪৫ অপরাহ্ণ
‘মুসাফির ক্যাফে’ প্রেম নাকি প্রতারণা?

নেটফ্লিক্সে মুক্তির পর থেকেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ওয়েব সিরিজ ‘মুসাফির ক্যাফে’। মুক্তির অল্প সময়ের মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সিরিজটি নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা, বিশ্লেষণ, প্রশংসা ও সমালোচনা। প্রেম, বিচ্ছেদ, স্মৃতি এবং সম্পর্কের জটিল মনস্তত্ত্বকে ঘিরে নির্মিত এই সিরিজটি দর্শকদের দুই ভাগে বিভক্ত করে ফেলেছে।

কারও কাছে এটি অসমাপ্ত ভালোবাসার এক আবেগঘন গল্প, আবার কারও মতে এটি নতুন সম্পর্কে থেকেও অতীতের প্রেমকে আঁকড়ে ধরে রাখার এক নির্মম বাস্তবতা, যা মানসিক প্রতারণার শামিল। ফলে সিরিজটি নিয়ে ফেসবুক, এক্স, ইনস্টাগ্রামসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে তুমুল বিতর্ক।

‘মুসাফির ক্যাফে’র গল্পের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে তিনটি চরিত্র—চন্দর, সুধা এবং প্রীতি।

ক্যারিয়ার ও নিজের স্বপ্নকে অগ্রাধিকার দিয়ে চন্দরকে ছেড়ে চলে যায় সুধা। সময়ের সঙ্গে জীবন এগিয়ে যায়, আর চন্দরের জীবনে আসে প্রীতি। নতুন সম্পর্ক শুরু হলেও অতীতের ভালোবাসার স্মৃতি থেকে পুরোপুরি বেরিয়ে আসতে পারে না চন্দর। বর্তমান ও অতীতের এই মানসিক দ্বন্দ্বই সিরিজটির মূল চালিকাশক্তি।

এই জায়গাটিই সবচেয়ে বেশি আলোচনার জন্ম দিয়েছে দর্শকদের মধ্যে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একাংশের দর্শকের দাবি, অতীতকে ভুলতে না পেরে নতুন সম্পর্কে জড়ানো প্রীতির প্রতি অন্যায়। তাঁদের মতে, একজন মানুষ যদি মানসিকভাবে এখনো আগের সম্পর্কে আটকে থাকেন, তাহলে নতুন সম্পর্কে জড়ানো উচিত নয়।

অনেকেই চন্দরের আচরণকে ‘ইমোশনাল চিটিং’ বা মানসিক প্রতারণা বলেও মন্তব্য করেছেন। তাঁদের মতে, ভালোবাসা শুধু সম্পর্কের নাম নয়; এটি একজন মানুষের প্রতি পূর্ণ মানসিক দায়বদ্ধতারও বিষয়।

অন্যদিকে আরেকটি বড় অংশের দর্শকের মতে, প্রথম ভালোবাসা সব সময় সহজে ভোলা যায় না। বাস্তব জীবনেও অনেক মানুষ নতুন সম্পর্কে জড়িয়েও অতীতের স্মৃতি থেকে পুরোপুরি মুক্ত হতে পারেন না। তাই চন্দরের চরিত্র তাঁদের কাছে বাস্তবসম্মত এবং মানবিক।

শুধু চন্দর নয়, বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে সুধা চরিত্রটিও।

একদল দর্শকের মতে, নিজের সিদ্ধান্তে সম্পর্ক ছেড়ে যাওয়ার পর আবার ফিরে এসে পুরোনো সম্পর্কের সমাপ্তি টানতে চাওয়া কিংবা নতুন করে জায়গা করে নেওয়ার চেষ্টা অন্যদের জীবনে অযথা জটিলতা তৈরি করে।

তবে অন্যদের যুক্তি ভিন্ন। তাঁদের মতে, একজন নারীর নিজের স্বপ্ন, ক্যারিয়ার ও ভবিষ্যৎকে অগ্রাধিকার দেওয়া কোনো অপরাধ নয়। জীবনের একটি পর্যায়ে নেওয়া সিদ্ধান্ত পরবর্তী সময়ে বদলাতেই পারে, আর সেটিই বাস্তব জীবনের প্রতিচ্ছবি।

সিরিজটির একটি বিশেষ দৃশ্য ঘিরেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। সেই দৃশ্যের প্রতিবাদ জানিয়ে অনেক দর্শক জুতা হাতে ছবি পোস্ট করেছেন। আবার অনেকে একই দৃশ্যকে ভালোবাসার গভীর আবেগ এবং বাস্তব জীবনের জটিল অনুভূতির প্রতীক হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন।

ফলে একই দৃশ্য একজনের কাছে বিরক্তিকর মনে হলেও অন্য একজনের কাছে সেটিই গল্পের সবচেয়ে শক্তিশালী মুহূর্ত হয়ে উঠেছে।

মনোবিজ্ঞানীদের মতে, একজন মানুষ নিজের অভিজ্ঞতা, বিশ্বাস, সম্পর্ক এবং ব্যক্তিগত স্মৃতির ভিত্তিতেই কোনো গল্প বা চরিত্রকে মূল্যায়ন করেন। ফলে একই গল্প ভিন্ন মানুষের কাছে ভিন্ন অর্থ বহন করাটা খুবই স্বাভাবিক।

‘মুসাফির ক্যাফে’ ঠিক সেই জায়গাতেই দর্শকদের ভাবতে বাধ্য করেছে। কে ঠিক, কে ভুল—তার নির্দিষ্ট উত্তর না দিয়ে সিরিজটি সম্পর্কের জটিল বাস্তবতাকে দর্শকের বিচারেই ছেড়ে দিয়েছে।

বিক্রান্ত ম্যাসি, বেদিকা পিন্টো এবং মাহিমা মাকওয়ানার অভিনয়ে নির্মিত সিরিজটির প্রথম মৌসুম শেষ হলেও গল্পের সব প্রশ্নের উত্তর মেলেনি।

চন্দর শেষ পর্যন্ত কাকে বেছে নেবে? সে কি অতীতের ভালোবাসার কাছে ফিরে যাবে, নাকি বর্তমানকে গ্রহণ করবে? নাকি কোনো সম্পর্কেই নিজেকে খুঁজে পাবে না? এসব প্রশ্নের উত্তর জানতে এখন দ্বিতীয় মৌসুমের অপেক্ষায় দর্শকরা।

প্রেম, বিচ্ছেদ, স্মৃতি এবং মানুষের আবেগের সূক্ষ্ম টানাপোড়েনকে কেন্দ্র করে নির্মিত ‘মুসাফির ক্যাফে’ কেবল একটি ওয়েব সিরিজ নয়; এটি এমন একটি গল্প, যা দর্শকদের নিজেদের সম্পর্ক, সিদ্ধান্ত এবং অনুভূতি নিয়েও নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে। আর সেই কারণেই মুক্তির পর থেকেই এটি হয়ে উঠেছে বছরের অন্যতম আলোচিত ওয়েব সিরিজ।

কালের আলো/এসএ

‘পাখি’ নয়, বাংলাদেশে ‘চামেলি’ হিসেবেই পরিচিত হতে চান মধুমিতা সরকার

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৩৫ অপরাহ্ণ
‘পাখি’ নয়, বাংলাদেশে ‘চামেলি’ হিসেবেই পরিচিত হতে চান মধুমিতা সরকার

প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে এসে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মধুমিতা সরকার। ছোট পর্দার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘বোঝে না সে বোঝে না’-এর ‘পাখি’ চরিত্র দিয়ে দুই বাংলার দর্শকের হৃদয়ে জায়গা করে নেওয়া এই অভিনেত্রী এবার ঢাকাই চলচ্চিত্রে অভিষেক করতে যাচ্ছেন। পরিচালক মোহাম্মদ ইকবাল নির্মিত ‘গুলশানের চামেলি’ সিনেমায় কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করবেন তিনি।

শনিবার (১ আগস্ট) ঢাকায় পৌঁছানোর পর সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে অনুষ্ঠিত সিনেমাটির মহরত অনুষ্ঠানে অংশ নেন মধুমিতা। প্রথমবার বাংলাদেশে এসে পাওয়া উষ্ণ অভ্যর্থনায় তিনি অভিভূত বলে জানান।

অনুষ্ঠানে মধুমিতা বলেন,
‘এই এক বেলার মধ্যেই এত আন্তরিকতা পেয়েছি যে মনেই হচ্ছে না আমি প্রথমবার কোনো জায়গায় এসেছি। সবাই আমাকে যেভাবে আদর করে স্বাগত জানিয়েছেন, তার জন্য আমি সত্যিই কৃতজ্ঞ। এই ছবির জন্য এসেছি, এত সুন্দর একটা টিমের সঙ্গে কাজ করতে পারছি—নিজেকে সত্যিই ভাগ্যবতী মনে হচ্ছে।’

নতুন সিনেমার গল্প ও নিজের চরিত্র নিয়েও দারুণ আশাবাদী এই অভিনেত্রী। তাঁর ভাষায়,
‘ছবিটির গল্প খুবই আলাদা এবং ইউনিক। এমন ধরনের চরিত্র কলকাতায় আমি আগে করিনি। তাই সিনেমাটি নিয়ে আমি ভীষণ এক্সাইটেড। এত সুন্দর একটি টিমের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়ে আমি আপ্লুত।’

শুটিংয়ের সময় আবার বাংলাদেশে ফিরে এসে এখানকার মানুষ, সংস্কৃতি ও পরিবেশকে আরও কাছ থেকে জানার আগ্রহও প্রকাশ করেন তিনি। মধুমিতার বিশ্বাস, বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসা ও সহযোগিতা তাঁর এই নতুন যাত্রাকে আরও স্মরণীয় করে তুলবে।

তবে অনুষ্ঠানের সবচেয়ে আলোচিত মুহূর্ত ছিল ‘পাখি’ চরিত্র প্রসঙ্গে তাঁর আবেগঘন মন্তব্য। ‘বোঝে না সে বোঝে না’ ধারাবাহিকের ‘পাখি’ চরিত্র তাঁকে বিপুল জনপ্রিয়তা এনে দিলেও বাংলাদেশে তিনি নতুন পরিচয়ে দর্শকদের হৃদয়ে জায়গা করে নিতে চান।

এ প্রসঙ্গে মধুমিতা বলেন,
‘সেই “পাখি” চরিত্রটির জন্য আমি এত ভালোবাসা পেয়েছি, যা সত্যিই অভাবনীয়। আপনারা সবাই আমাকে “পাখি” বলে ডাকেন। কিন্তু আমি চাই, বাংলাদেশে এমন একটি কাজ করি, যার কারণে আপনারা আমাকে নতুন নামে চিনবেন। যেমন “চামেলি”। আলাদা করে যেন “পাখি” বলে পরিচয় করিয়ে দিতে না হয়। আমি চাই এই সিনেমার চামেলি হয়ে সবার ভালোবাসা পেতে। এখানকার দর্শক যেন আমাকে নতুন একটি পরিচয় উপহার দেন।’

‘গুলশানের চামেলি’ সিনেমাটি নির্মিত হচ্ছে অ্যাক্সেল ফিল্ম প্রোডাকশনের ব্যানারে। এর চিত্রনাট্য লিখেছেন আবদুল্লাহ জহির বাবু। রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহার, অভিজাত সমাজের অন্ধকার বাস্তবতা এবং একজন যৌনকর্মীর জীবনসংগ্রামকে কেন্দ্র করে নির্মিত হচ্ছে সিনেমাটি।

এতে মধুমিতা সরকারের পাশাপাশি অভিনয় করছেন রোজিনা, আমিন খান, আজমেরী হক বাঁধন, ওমর সানী, মিশা সওদাগর, আশীষ খন্দকার ও মুকিত জাকারিয়াসসহ আরও অনেক শিল্পী।

সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী নভেম্বর থেকে সিনেমাটির শুটিং শুরু হবে। নির্মাতাদের আশা, ভিন্নধর্মী গল্প ও শক্তিশালী অভিনয়ের মাধ্যমে ‘গুলশানের চামেলি’ দুই বাংলার দর্শকদের কাছেই বিশেষ আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠবে।

কালের আলো/এসএ