খুঁজুন
                               
, ,
           

‘পাখি’ নয়, বাংলাদেশে ‘চামেলি’ হিসেবেই পরিচিত হতে চান মধুমিতা সরকার

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৩৫ অপরাহ্ণ
‘পাখি’ নয়, বাংলাদেশে ‘চামেলি’ হিসেবেই পরিচিত হতে চান মধুমিতা সরকার

প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে এসে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মধুমিতা সরকার। ছোট পর্দার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘বোঝে না সে বোঝে না’-এর ‘পাখি’ চরিত্র দিয়ে দুই বাংলার দর্শকের হৃদয়ে জায়গা করে নেওয়া এই অভিনেত্রী এবার ঢাকাই চলচ্চিত্রে অভিষেক করতে যাচ্ছেন। পরিচালক মোহাম্মদ ইকবাল নির্মিত ‘গুলশানের চামেলি’ সিনেমায় কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করবেন তিনি।

শনিবার (১ আগস্ট) ঢাকায় পৌঁছানোর পর সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে অনুষ্ঠিত সিনেমাটির মহরত অনুষ্ঠানে অংশ নেন মধুমিতা। প্রথমবার বাংলাদেশে এসে পাওয়া উষ্ণ অভ্যর্থনায় তিনি অভিভূত বলে জানান।

অনুষ্ঠানে মধুমিতা বলেন,
‘এই এক বেলার মধ্যেই এত আন্তরিকতা পেয়েছি যে মনেই হচ্ছে না আমি প্রথমবার কোনো জায়গায় এসেছি। সবাই আমাকে যেভাবে আদর করে স্বাগত জানিয়েছেন, তার জন্য আমি সত্যিই কৃতজ্ঞ। এই ছবির জন্য এসেছি, এত সুন্দর একটা টিমের সঙ্গে কাজ করতে পারছি—নিজেকে সত্যিই ভাগ্যবতী মনে হচ্ছে।’

নতুন সিনেমার গল্প ও নিজের চরিত্র নিয়েও দারুণ আশাবাদী এই অভিনেত্রী। তাঁর ভাষায়,
‘ছবিটির গল্প খুবই আলাদা এবং ইউনিক। এমন ধরনের চরিত্র কলকাতায় আমি আগে করিনি। তাই সিনেমাটি নিয়ে আমি ভীষণ এক্সাইটেড। এত সুন্দর একটি টিমের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়ে আমি আপ্লুত।’

শুটিংয়ের সময় আবার বাংলাদেশে ফিরে এসে এখানকার মানুষ, সংস্কৃতি ও পরিবেশকে আরও কাছ থেকে জানার আগ্রহও প্রকাশ করেন তিনি। মধুমিতার বিশ্বাস, বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসা ও সহযোগিতা তাঁর এই নতুন যাত্রাকে আরও স্মরণীয় করে তুলবে।

তবে অনুষ্ঠানের সবচেয়ে আলোচিত মুহূর্ত ছিল ‘পাখি’ চরিত্র প্রসঙ্গে তাঁর আবেগঘন মন্তব্য। ‘বোঝে না সে বোঝে না’ ধারাবাহিকের ‘পাখি’ চরিত্র তাঁকে বিপুল জনপ্রিয়তা এনে দিলেও বাংলাদেশে তিনি নতুন পরিচয়ে দর্শকদের হৃদয়ে জায়গা করে নিতে চান।

এ প্রসঙ্গে মধুমিতা বলেন,
‘সেই “পাখি” চরিত্রটির জন্য আমি এত ভালোবাসা পেয়েছি, যা সত্যিই অভাবনীয়। আপনারা সবাই আমাকে “পাখি” বলে ডাকেন। কিন্তু আমি চাই, বাংলাদেশে এমন একটি কাজ করি, যার কারণে আপনারা আমাকে নতুন নামে চিনবেন। যেমন “চামেলি”। আলাদা করে যেন “পাখি” বলে পরিচয় করিয়ে দিতে না হয়। আমি চাই এই সিনেমার চামেলি হয়ে সবার ভালোবাসা পেতে। এখানকার দর্শক যেন আমাকে নতুন একটি পরিচয় উপহার দেন।’

‘গুলশানের চামেলি’ সিনেমাটি নির্মিত হচ্ছে অ্যাক্সেল ফিল্ম প্রোডাকশনের ব্যানারে। এর চিত্রনাট্য লিখেছেন আবদুল্লাহ জহির বাবু। রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহার, অভিজাত সমাজের অন্ধকার বাস্তবতা এবং একজন যৌনকর্মীর জীবনসংগ্রামকে কেন্দ্র করে নির্মিত হচ্ছে সিনেমাটি।

এতে মধুমিতা সরকারের পাশাপাশি অভিনয় করছেন রোজিনা, আমিন খান, আজমেরী হক বাঁধন, ওমর সানী, মিশা সওদাগর, আশীষ খন্দকার ও মুকিত জাকারিয়াসসহ আরও অনেক শিল্পী।

সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী নভেম্বর থেকে সিনেমাটির শুটিং শুরু হবে। নির্মাতাদের আশা, ভিন্নধর্মী গল্প ও শক্তিশালী অভিনয়ের মাধ্যমে ‘গুলশানের চামেলি’ দুই বাংলার দর্শকদের কাছেই বিশেষ আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠবে।

কালের আলো/এসএ

সাইবার অপরাধ দমনে বাংলাদেশ পুলিশের পাশে থাকার আগ্রহ এফবিআইয়ের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৪০ অপরাহ্ণ
সাইবার অপরাধ দমনে বাংলাদেশ পুলিশের পাশে থাকার আগ্রহ এফবিআইয়ের

সাইবার অপরাধ দমন, প্রযুক্তিনির্ভর তদন্ত এবং আর্থিক অপরাধ মোকাবিলায় বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই)। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতারণা ও সাইবার স্ক্যাম প্রতিরোধেও বাংলাদেশ পুলিশের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

সোমবার (৩ আগস্ট) রাজধানীর পুলিশ সদর দপ্তরে ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের সঙ্গে এফবিআইয়ের দুই সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন রাইলে পামারট্রি।

পুলিশ সদর দপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশ পুলিশের সাইবার সক্ষমতা বৃদ্ধি, সাইবার স্ক্যাম প্রতিরোধ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম তদারকি, আর্থিক অপরাধ মোকাবিলা এবং প্রযুক্তিনির্ভর তদন্তে সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে মতবিনিময় হয়।

বৈঠকে আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন বিশেষায়িত ইউনিট—পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), অ্যান্টি টেররিজম ইউনিট (এটিইউ) এবং কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের সঙ্গে এফবিআইয়ের পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব, অনলাইন প্রতারণা ও সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে এফবিআইয়ের সহযোগিতা আরও বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন আইজিপি।

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউটের উদ্বোধন করলেন সেনাপ্রধান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৩৩ অপরাহ্ণ
আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউটের উদ্বোধন করলেন সেনাপ্রধান

রাজধানীর জলসিঁড়ি আবাসন প্রকল্প এলাকায় আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউটের উদ্বোধন করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

একইসঙ্গে তিনি ভিডিও টেলিকনফারেন্সের মাধ্যমে বরিশাল, সাভার, বগুড়া, সিলেট, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা এবং যশোরে প্রতিষ্ঠিতব্য আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউটসগুলোর ভিত্তিপ্রস্তর উন্মোচন করেন।

সোমবার (৩ আগস্ট) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) বিষয়টি গণমাধ্যমকে অবগত করে।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তার প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই মানসম্মত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনার মাধ্যমে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং মানবসম্পদ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে।

সময়ের পরিবর্তিত চাহিদার প্রেক্ষাপটে আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে জ্ঞান, নৈতিকতা, নেতৃত্বগুণ ও মানবিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ আদর্শ নাগরিক গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে ক্যামব্রিজ কারিকুলামভিত্তিক ইংরেজি মাধ্যমের আধুনিক শিক্ষাপদ্ধতি এবং মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

আশা করা যায়, প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষা, আদর্শ, ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধ বিকাশের এক উৎকৃষ্ট কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে এবং এখানকার শিক্ষার্থীরা কোরআন-সুন্নাহর আলোকে জ্ঞান, শৃঙ্খলা, নৈতিকতা, দেশপ্রেম ও মানবিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ আদর্শ সুনাগরিক হিসেবে দেশ ও জাতির কল্যাণে আত্মনিয়োগ করবে। একইসঙ্গে জাতীয় ও বৈশ্বিক পরিসরে দায়িত্বশীল নেতৃত্ব গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এই মহতী উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সুদূরপ্রসারী ভূমিকা পালন করবে, এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।

অনুষ্ঠানে সেনাসদরের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারা, বিভিন্ন ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিংরা, ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারা, প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিশিষ্ট ব্যক্তিরা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবকরা এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

টেকসই পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও নদী রক্ষায় এডিবির সহযোগিতা প্রত্যাশা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৬:২৮ অপরাহ্ণ
টেকসই পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও নদী রক্ষায় এডিবির সহযোগিতা প্রত্যাশা

বাংলাদেশের টেকসই পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা, নদী তীর রক্ষায় এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) অব্যাহত সহযোগিতা প্রত্যাশা করেছেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। মানসম্মত অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারে সরকার এডিবির সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী বলে জানান তিনি।

সোমবার (৩ আগস্ট) সচিবালয়ে পানিসম্পদমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর চিংফেং ঝাং সাক্ষাৎ করতে এলে এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন মন্ত্রী। প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

এডিবির নতুন কান্ট্রি ডিরেক্টরকে বাংলাদেশে স্বাগত জানিয়ে পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, টেকসই প্রবৃদ্ধি, দুর্যোগ মোকাবিলায় সক্ষমতা বৃদ্ধি, আঞ্চলিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং মানুষের জীবনমান উন্নয়নে এডিবি আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

এসময় তিনি পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা, কৃষি, পরিবেশ, প্রাকৃতিক সম্পদ ও গ্রামীণ উন্নয়নে বিভিন্ন রূপান্তরমূলক কর্মসূচি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে এডিবিকে আরও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক বাংলাদেশের বিশ্বস্ত উন্নয়ন সহযোগী। পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় অভিজ্ঞতা বিনিময়, শিক্ষা, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণ এবং গবেষণার ক্ষেত্রে এডিবিকে সহযোগিতা বৃদ্ধির অনুরোধ জানান তিনি।

এডিবি কান্ট্রি ডিরেক্টর চিংফেং ঝাং বলেন, বাংলাদেশে সংস্থাটি অন্যতম বৃহৎ দেশভিত্তিক কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারত্ব জোরদার এবং নতুন কান্ট্রি পার্টনারশিপ স্ট্র্যাটেজি প্রণয়নে কাজ করছেন। টেকসই পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা, নদীর তীর সংরক্ষণ ও ভাঙন প্রতিরোধে এডিবি কাজ করতে আগ্রহী বলে তিনি জানান তিনি।

এসময় পানিসম্পদ সচিব ড. এ. কে. এম শাহাবুদ্দিন, অতিরিক্ত সচিব খোন্দকার আজিম উদ্দিন ও অতিরিক্ত সচিব মহা. এনামূল হক উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি