খুঁজুন
                               
, ,
           

এজেন্সির বিরোধে ঝুলে গেল রিয়াল মাদ্রিদে দিয়োমান্দের দলবদল

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৪১ অপরাহ্ণ
এজেন্সির বিরোধে ঝুলে গেল রিয়াল মাদ্রিদে দিয়োমান্দের দলবদল

রিয়াল মাদ্রিদে ইয়ান দিয়োমান্দের যোগ দেওয়ার আনুষ্ঠানিকতা প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছালেও শেষ মুহূর্তে জটিলতায় পড়েছে দলবদল। দুই খেলোয়াড় এজেন্সির মধ্যে প্রতিনিধিত্ব-সংক্রান্ত বিরোধের কারণে ১৯ বছর বয়সী আইভরিয়ান উইঙ্গারের স্প্যানিশ জায়ান্টে যোগ দেওয়া অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম এএসদেফেনসা সেন্ট্রাল-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুন্দেসলিগার ক্লাব আরবি লাইপজিগ থেকে দিয়োমান্দেকে দলে টানতে ১০০ মিলিয়ন পাউন্ডের বেশি মূল্যের চুক্তি চূড়ান্ত করার পথে ছিল রিয়াল মাদ্রিদ। এ বিষয়ে র‍্যাপার জে-জির মালিকানাধীন এজেন্সি রক নেশন-এর সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে আসছিল ক্লাবটি। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও এনদ্রিকের মতো খেলোয়াড়দেরও প্রতিনিধিত্ব করে এই সংস্থা।

তবে সাবেক আইভরি কোস্ট ফুটবলার ম্যাক্স গ্রাদেলের প্রতিষ্ঠান ম্যাক্সিদেল ম্যানেজমেন্ট দাবি করেছে, গত বছর লেগানেস থেকে আরবি লাইপজিগে দিয়োমান্দের দলবদল তারাই সম্পন্ন করেছিল। সেই চুক্তি অনুযায়ী লাইপজিগ ছাড়ার আগ পর্যন্ত খেলোয়াড়টির প্রতিনিধিত্বের অধিকার তাদেরই থাকার কথা। এ অভিযোগে তারা ফিফার কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগও দাখিল করেছে।

আইভরিয়ান সাংবাদিক মালিক ত্রাওরের দাবি, পুরো বিষয়টি গোপন রাখায় রক নেশনের ওপর ক্ষুব্ধ রিয়াল মাদ্রিদ। অন্যদিকে এএস-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এজেন্সিগুলোর এই বিরোধ সম্পর্কে আগে থেকে কিছুই জানত না স্প্যানিশ ক্লাবটি।

অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করেছে রক নেশন। সংস্থাটির প্রেসিডেন্ট মাইকেল ইয়োরমার্ক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বিবৃতিতে স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রকাশিত খবরকে ‘ভুয়া’ ও ‘বিভ্রান্তিকর’ বলে দাবি করেছেন।

বিরোধটি শুধু দুই এজেন্সির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ফিফার এজেন্ট-সংক্রান্ত বিধিমালা অনুযায়ী, প্রতিনিধিত্ব নিয়ে চলমান বিরোধ আন্তর্জাতিক দলবদল প্রক্রিয়াকেও প্রভাবিত করতে পারে। ভুল পক্ষকে কমিশন পরিশোধ করলে সংশ্লিষ্ট ক্লাব শাস্তির মুখে পড়তে পারে। এমনকি বিরোধ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত খেলোয়াড়ের আন্তর্জাতিক স্থানান্তর সনদ (আইটিসি) ইস্যুও স্থগিত রাখতে পারে ফিফা।

তবে খেলোয়াড়ের ক্যারিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত না করতে বিশেষ পরিস্থিতিতে ফিফা সাময়িক নিবন্ধনের অনুমতিও দিতে পারে, যাতে দলবদল পুরোপুরি আটকে না যায়।

এদিকে ফিফা জানিয়েছে, ম্যাক্সিদেল ম্যানেজমেন্টের অভিযোগ তারা গ্রহণ করেছে এবং বিষয়টি পর্যালোচনা করছে। ফলে আপাতত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। অন্যদিকে দিয়োমান্দেও ‘অসুস্থতার’ কারণ দেখিয়ে আরবি লাইপজিগের অস্ট্রিয়ায় অনুষ্ঠিত প্রাক্-মৌসুম প্রস্তুতি ক্যাম্পে যোগ দেননি। সব মিলিয়ে তার ভবিষ্যৎ এখন ফিফার সিদ্ধান্তের ওপরই নির্ভর করছে।

কালের আলো/এসএ

ইয়েমেনে হুতিদের হামলায় ৫৮ সেনা নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ২:১৬ পূর্বাহ্ণ
ইয়েমেনে হুতিদের হামলায় ৫৮ সেনা নিহত

ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইয়েমেনে অন্তত ৫৮ সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, গত চার বছরের মধ্যে দেশটিতে এক দিনে এটিই সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলার ঘটনা।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার মারিব প্রদেশের আল-রুওয়াইক এবং সৌদি সীমান্তসংলগ্ন হাদ্রামাউত প্রদেশের আল-আবর ও আল-ওয়াদিয়া এলাকার সামরিক ঘাঁটিগুলোতে একযোগে হামলা চালানো হয়। ইয়েমেনের সামরিক কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, মারিবের একটি সেনা ক্যাম্পে সকালের সমাবেশ চলাকালে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ৪৫ সেনা নিহত হন।

হুতি গোষ্ঠী দাবি করেছে, ‘সৌদি-সমর্থিত সামরিক শক্তি বৃদ্ধি’র জবাব হিসেবেই এই হামলা চালানো হয়েছে।

গোষ্ঠীটির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি বলেন, সরকারি বাহিনীর সামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে।

হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে তিনি আল-রুওয়াইক, আল-থানিয়াহ ও আল-আবর এলাকার নাম উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হলে তা মোকাবিলার জন্য হুতি বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।

এদিকে, সংঘাতের প্রভাব সৌদি আরবেও ছড়িয়ে পড়েছে। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় নাজরান এলাকায় হুতিদের হামলায় অন্তত ১১ জন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন বলে সৌদি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনার পাশাপাশি ইয়েমেনের চলমান সংঘাতও নতুন করে তীব্র হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

পল্লবীতে সন্ত্রাসীর গুলিতে মাদক কারবারি আহত

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০৬ পূর্বাহ্ণ
পল্লবীতে সন্ত্রাসীর গুলিতে মাদক কারবারি আহত

রাজধানীর মিরপুর পল্লবী এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে ‘আলমগীর’ নামে এক চিহ্নিত মাদক কারবারি আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

শুক্রবার বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে মিরপুরের মিল্লাত ক্যাম্প এলাকায় ওই ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়।

এ বিষয়ে পল্লবী থানার ওসি হাসান বসির বলেন, ‘ঘটনা সঠিক। গুলিতে আলমগীর নামে একজন আহত হয়েছেন। তবে আমরা ঘটনাস্থলে এসে তাকে পাইনি। তিনি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গেছেন।’

তবে কে বা কারা গুলি করেছে তা তিনি জানাতে পারেনি। আলমগীরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছেন বলেও জানান ওসি।স্থানীয় সূত্র জানায়, কয়েকজন মিলে মিল্লাত ক্যাম্পে এসে আলমগীরকে প্রকাশ্যে গুলি করে পালানোর চেষ্টা করেন।

এসময় মোটরসাইকেলটি আটকও করা হয়। কিন্তু পরে এলাকাবাসী ভয় পেয়ে তাদের ছেড়ে দেন। এরপর তাদের একজন পুলিশে খবর দিলে সেখানে ‍পুলিশ আসে। কিন্তু কাউকে আটক করতে পারেনি।

জানা গেছে, গুলিতে আহত হওয়া আলমগীর ‍পুরান ঢাকার একজন চিহ্নিত মাদক কারবারি।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

ভারত থেকে ২ দশমিক ৩ মেট্রিক টন টিয়ার গ্যাস আমদানি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ১১:২৭ অপরাহ্ণ
ভারত থেকে ২ দশমিক ৩ মেট্রিক টন টিয়ার গ্যাস আমদানি

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্যবহারের জন্য বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে ২ দশমিক ৩ মেট্রিক টন টিয়ার গ্যাস শেল আমদানি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় চালানটি বন্দর থেকে খালাস করে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে যশোর ক্যান্টনমেন্টে পাঠানো হয়।

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, ভারতের নরেন্দ্র এক্সপ্লোসিভ লিমিটেড ১৪৫টি কাঠের বাক্সে করে টিয়ার গ্যাস শেলের চালানটি বাংলাদেশে পাঠায়। চালানটির আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান সিনসিয়ার ইন্টারন্যাশনাল।

খালাস শেষে ঢাকা মেট্রো-ন-১৯-৩৭৫৩ নম্বরের একটি কাভার্ড ভ্যানে করে চালানটি যশোর ক্যান্টনমেন্টে পাঠানো হয়। সেখানে সংরক্ষণের পর আগামী ৯ আগস্ট ঢাকার উদ্দেশে পাঠানোর কথা রয়েছে।

বেনাপোল স্থলবন্দরের উপপরিচালক রুহুল আমিন বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্যবহারের জন্য ভারত থেকে ২ দশমিক ৩ মেট্রিক টন টিয়ার গ্যাস শেল বেনাপোল বন্দরে এসেছে। বন্দরে পৌঁছানোর পর প্রয়োজনীয় শুল্ক ও আনুষ্ঠানিকতা দ্রুত সম্পন্ন করে চালানটি খালাস দেওয়া হয়েছে। এটি যশোর ক্যান্টনমেন্টে পাঠানো হয়েছে। আগামী ৯ আগস্ট সেখান থেকে ঢাকায় নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, রোববার চালানটি গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুরে বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানায় (বিওএফ) পাঠানো হবে।

চালানটির নিরাপত্তায় বেনাপোল বন্দর থেকে শার্শা পর্যন্ত বিজিবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন। পরে শার্শা থেকে যশোর সেনানিবাস পর্যন্ত নিরাপত্তার দায়িত্ব নেয় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি দল।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি