খুঁজুন
                               
, ,
           

ইনফান্তিনোর পুনর্নির্বাচনে সমর্থন প্রত্যাহার করল ওয়েলস

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৫২ অপরাহ্ণ
ইনফান্তিনোর পুনর্নির্বাচনে সমর্থন প্রত্যাহার করল ওয়েলস

ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর নেতৃত্ব নিয়ে বিতর্ক আরও ঘনীভূত হয়েছে। বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক স্বত্ব-সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব বাতিল হওয়ার পর এবার ২০২৭-২০৩১ মেয়াদের জন্য তাঁর পুনর্নির্বাচনের প্রার্থিতায় সমর্থন প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে ওয়েলস ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এফএডব্লিউ)।

এফএডব্লিউ এক বিবৃতিতে জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে সুশাসন, নেতৃত্ব, সিদ্ধান্ত গ্রহণ, অংশীজনদের সঙ্গে সম্পর্ক এবং যোগাযোগে ঘাটতির কারণে ইনফান্তিনোর ওপর তাদের আস্থা নেই। সংস্থাটির মতে, বিশ্ব ফুটবলের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে তিনি ব্যর্থ হয়েছেন, যা গ্রহণযোগ্য নয়।

এর আগে উয়েফা ও কনক্যাকাফও ইনফান্তিনোর নেতৃত্বের প্রতি অনাস্থার কথা জানিয়েছিল। তবে কোনো জাতীয় ফুটবল সংস্থা হিসেবে ওয়েলসই প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর পুনর্নির্বাচনের সমর্থন প্রত্যাহারের ঘোষণা দিল।

সম্প্রতি বিশ্বকাপসহ ফিফার প্রধান প্রতিযোগিতাগুলোর বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি নতুন প্রতিষ্ঠান গঠন এবং সেই প্রতিষ্ঠানের ২০ শতাংশ শেয়ার বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রি করে ৪২০ কোটি মার্কিন ডলার সংগ্রহের পরিকল্পনা করেছিল ফিফা। কিন্তু সদস্য ও অংশীজনদের তীব্র বিরোধিতার মুখে শুক্রবার সেই পরিকল্পনা থেকে সরে আসে সংস্থাটি।

এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই ইনফান্তিনোর নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়ে ওঠে। বিতর্কিত প্রস্তাবের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় উয়েফা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং পরিকল্পনাটি বাতিল হওয়ায় সন্তোষও প্রকাশ করেছে।

এদিকে সম্ভাব্য আইনি পদক্ষেপের অংশ হিসেবে উয়েফা ফিফাকে চিঠি দিয়ে এ-সংক্রান্ত কোনো নথি বা ডিজিটাল তথ্য ধ্বংস, মুছে ফেলা বা পরিবর্তন না করার আহ্বান জানিয়েছে। তবে ফিফার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের সত্যতা এখনো নিশ্চিত করেনি উয়েফা।

২০১৬ সালে সেপ ব্লাটারের স্থলাভিষিক্ত হয়ে ফিফার সভাপতি হন জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। এরপর দুবার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পুনর্নির্বাচিত হন তিনি। চলতি বছরের এপ্রিলে চতুর্থ মেয়াদের জন্যও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দেন।

এতদিন ২০২৭-২০৩১ মেয়াদে তাঁর পুনর্নির্বাচনকে প্রায় নিশ্চিত বলেই মনে করা হচ্ছিল। তবে সাম্প্রতিক বিতর্ক ও সদস্য দেশগুলোর ক্রমবর্ধমান অসন্তোষের কারণে পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করেছে। আগামী মার্চে মরক্কোয় অনুষ্ঠিতব্য ফিফা কংগ্রেসের আগে ইনফান্তিনোর সামনে কঠিন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

কালের আলো/এসএ

আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় ৩১ আগস্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৩৭ অপরাহ্ণ
আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় ৩১ আগস্ট

মাগুরার শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায়ের তারিখ পিছিয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রায় ঘোষণার কথা থাকলেও সেটি হয়নি। আগামী ৩১ আগস্ট রায় ঘোষণা করা হবে জানিয়েছেন হাইকোর্ট।

এর আগে আসামি হিটু শেখের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর শুনানি শেষে সোমবার (২৪ আগস্ট) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ শুনানি শেষে রায়ের জন্য মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দিন ধার্য করেছিলেন।

এর আগে গেল বুধবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আসামির আপিলের শুনানি শুরু হয়।

মামলার প্রধান আসামি শিশু আছিয়ার বোনের শ্বশুর হিটু শেখকে ২০২৫ সালের ১৭ মে মৃত্যুদণ্ড দেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান।

একই রায়ে মামলার অপর তিন আসামি, আছিয়ার বোনের জামাই সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ এবং তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ট্রাইব্যুনালের রায়ের পর মামলার যাবতীয় নথি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে অনুমোদনের জন্য হাইকোর্টে পাঠানো হয়।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর কোনো গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ঘটেনি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৩০ অপরাহ্ণ
সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর কোনো গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ঘটেনি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে দেশে কোনো গুম বা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

নিজের গুম হওয়ার অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন ২০২৬’-এর খসড়াও মন্ত্রিসভায় নীতিগত অনুমোদন লাভ করেছে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP)-এর আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফেন রড্রিগেজ (Stephen Rodriques) সৌজন্য সাক্ষাতের সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এ সময় ইউএনডিপি বাংলাদেশের আইনি ও বিচারিক সংস্কার, সংবিধান সংশোধনসহ সার্বিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় পূর্ণ সহযোগিতা করতে চায় বলে জানানো হয়।

সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে সাংবিধানিক সংস্কার, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সহায়তা, পুলিশের সামর্থ্য বৃদ্ধি, গুজব ও অপতথ্য রোধে প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তা, প্রস্তাবিত জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন এবং গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

বৈঠকে ইউএনডিপি’র আবাসিক প্রতিনিধি বলেন, আমরা বর্তমান সরকারের লক্ষ্য, অগ্রাধিকার ও কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহযোগিতা করতে চাই।

তিনি মন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, আপনি সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত বিশেষ কমিটির সভাপতি মনোনীত হয়েছেন জেনে আমরা আনন্দিত। আপনি চাইলে আমরা এ প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করতে আগ্রহী।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইউএনডিপির ধারাবাহিক সহায়তার ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে এই সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি করার আহ্বান জানান।

বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের (রোহিঙ্গা) জন্য ইউএনডিপির সহায়তার কথা উল্লেখ করে আবাসিক প্রতিনিধি জানান, ক্যাম্প এলাকায় পরিবেশ সুরক্ষা (যেমন- পাহাড় ধস প্রতিরোধ) এবং সামাজিক উন্নয়নমূলক বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে ক্যাম্পের অভ্যন্তরীণ জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ইউএনডিপি কাজ করে যাচ্ছে।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, আমরা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বর্তমান অবকাঠামোর যথোপযুক্ত উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন চাই, তবে বৃহত্তর স্বার্থে সেখানে নতুন করে কোনো অবকাঠামো নির্মাণ করতে চাই না।

আবাসিক প্রতিনিধি জানান, ইউএনডিপি বাংলাদেশ পুলিশের পেশাগত দক্ষতা ও সামর্থ্য বৃদ্ধিতে নাগরিক অধিকার সংরক্ষণ, সংঘাত ও বিরোধ নিষ্পত্তি-সহ নানা বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করছে।

মন্ত্রীও এ সময় পুলিশের দক্ষতা ও সামর্থ্য বৃদ্ধিতে ইউএনডিপি’র সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার প্রতিরোধ প্রসঙ্গে আবাসিক প্রতিনিধি বলেন, বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিভিন্ন গুজব, অপতথ্য ও বিদ্বেষমূলক বক্তব্য ছড়িয়ে পড়ছে। এগুলো কার্যকরভাবে রোধে আমরা তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সাথে কাজ করছি। এ ক্ষেত্রে আমরা প্রযুক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা দিতে চাই, যাতে কোনো লঙ্ঘন ঘটলে দ্রুত প্রতিকার নিশ্চিত করা যায়।

মন্ত্রী এ বিষয়ে বলেন, সাইবার সুরক্ষা আইন ইতোমধ্যে পাস হয়েছে। আপনারা এ আইনের সফল বাস্তবায়নে লজিস্টিক সহায়তা প্রদান করতে পারেন।

প্রস্তাবিত মানবাধিকার কমিশন আইন সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন ২০২৬’-এর খসড়া মন্ত্রিসভায় চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে এবং জাতীয় সংসদের আগামী অধিবেশনে এটি পাস হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

তিনি বলেন, আইনটি প্রণয়নে ইউএনডিপি, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা, বিদেশি মিশন, উন্নয়ন অংশীদার, পত্রিকার সম্পাদক ও আইনজীবী-সহ বিভিন্ন অংশীজনের মতামত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দেশের সামাজিক মনস্তত্ব ও ধর্মীয় অনুভূতিকে বিবেচনায় রাখা হয়েছে। আশা করা যায়, এটি একটি যুগোপযোগী ও গ্রহণযোগ্য আইন হিসেবে স্বীকৃতি পাবে।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বাংলাদেশের সঠিক ভাবমূর্তি তুলে ধরার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে আবাসিক প্রতিনিধি বলেন, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সবসময় বাংলাদেশের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরে না।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ একটি উদার ও ধর্মীয় সহনশীল দেশ এবং ইউএনডিপি এ ইতিবাচক ভাবমূর্তি বাস্তবায়নেও কাজ করতে আগ্রহী।

সাক্ষাৎকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক ও বহিরাগমন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, রাজনৈতিক-১ অধিশাখার যুগ্মসচিব রেবেকা খান এবং ইউএনডিপি বাংলাদেশের প্রোগ্রাম ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড পার্টনারশিপ সাপোর্ট স্পেশালিস্ট সাইফ ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

চীনের তৈরি জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কিনবে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ৪:১৯ অপরাহ্ণ
চীনের তৈরি জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কিনবে সরকার

চীনের তৈরি জে-১০সিই মাল্টিরোল যুদ্ধবিমান ও অ্যাটাক হেলিকপ্টার কেনার বিষয়ে একটি খসড়া চুক্তিপত্র প্রস্তুত করেছে এ নিয়ে কাজ করা কমিটি। একই সঙ্গে যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়ে সরকার ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।

জে-১০ যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়ে জাহেদ উর রহমান বলেন, সাম্প্রতিক ভারত-পাকিস্তান সংঘাতে এই যুদ্ধবিমানের কার্যকারিতার বাস্তব অভিজ্ঞতা পাওয়া গেছে। ওই সংঘাতে ভারতীয় রাফাল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার ক্ষেত্রে জে-১০ ব্যবহারের তথ্য এখন প্রতিষ্ঠিত বলেও দাবি করেন তিনি।

তথ্য উপদেষ্টার ভাষ্য, জে-১০ একটি মাল্টিরোল যুদ্ধবিমান। অন্যদিকে রাফালকে বিশ্বের অন্যতম আধুনিক ৪.৫ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান হিসেবে বিবেচনা করা হয়। রাফালের বিরুদ্ধে জে-১০ ভালো পারফর্ম করায় বাংলাদেশ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। এ বিষয়ে সরকার ভালোভাবেই এগিয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

জাহেদ উর রহমান বলেন, রাফাল বা ইউরোফাইটার টাইফুনের মতো ইউরোপীয় যুদ্ধবিমানের তুলনায় চীনের তৈরি যুদ্ধবিমানের দাম তুলনামূলকভাবে কম। প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে এ বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।

জনগণের প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেবে বলে জানান তিনি। দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও উল্লেখ করেন তথ্য উপদেষ্টা।

প্রেস ব্রিফিংয়ে ২০২৪ সালের ঘটনাকে ‘দ্বিতীয় স্বাধীনতা’ হিসেবে দেখার বিষয়ে সরকারের অবস্থানও তুলে ধরেন জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, সরকার ২০২৪ সালের ঘটনাকে ১৯৭১ সালের সঙ্গে তুলনা করে না। তবে ৫ আগস্টের পর দেশের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা নীতিতে নিজস্ব স্বার্থে কৌশলগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে মনে করে সরকার।

তাঁর ভাষ্য, ৫ আগস্টের আগে জে-১০ যুদ্ধবিমান কেনার মতো আলোচনা করা সম্ভব হতো না। এই অর্থে ২০২৪ সালের ঘটনাকে সরকার স্বাধীনভাবে কৌশলগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ হিসেবে দেখছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ