খুঁজুন
                               
, ,
           

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ৭ আসামির রায় অপেক্ষমাণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ৪:০৪ অপরাহ্ণ
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ৭ আসামির রায় অপেক্ষমাণ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও তৎকালীন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির পক্ষে-বিপক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়েছে। শুনানি শেষে মামলাটির রায় অপেক্ষমাণ রেখেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। ফলে যেকোনো দিন এ মামলার রায় ঘোষণা হতে পারে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) মামলার শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল এ সিদ্ধান্ত দেন। মামলায় রাষ্ট্রনিযুক্ত আসামিপক্ষের আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এম হাসান ইমাম ও ইশরাত জাহান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও গাজী এম এইচ তামিম।

এর আগে গত বুধবার রাষ্ট্রপক্ষ তাদের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করে। শুনানিতে প্রসিকিউশন আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানায়। পাশাপাশি আসামিদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার আদেশও চাওয়া হয়।

মামলার সাত আসামির মধ্যে রয়েছেন—ওবায়দুল কাদের, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ ও আসামিপক্ষের বক্তব্যসহ মামলার বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা শেষে এখন ট্রাইব্যুনালের রায়ের অপেক্ষা। রায় ঘোষণার দিন নির্ধারণ না হওয়ায় যেকোনো দিন তা প্রকাশ হতে পারে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

মামলা প্রত্যাহার না করলে প্রণোদনা নয়: বাংলাদেশ ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
মামলা প্রত্যাহার না করলে প্রণোদনা নয়: বাংলাদেশ ব্যাংক

বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ঋণসংক্রান্ত নীতি সহায়তা বা প্রণোদনা পেতে হলে সরকার, বাংলাদেশ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের (এনবিএফআই) বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। মামলা অনিষ্পন্ন থাকলে সংশ্লিষ্ট গ্রাহকের নীতি সহায়তার আবেদন বিবেচনা করা হবে না।

সোমবার (১৭ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্স কোম্পানি প্রবিধি ও নীতি বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার লেটার জারি করেছে। দেশের সব এনবিএফআইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠানো নির্দেশনায় বিষয়টি জানানো হয়।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা পুনর্গঠন, আর্থিক খাতকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। এসব উদ্যোগের আওতায় ঋণগ্রহীতাদের বিভিন্ন প্রণোদনা ও নীতি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের নজরে এসেছে, কিছু গ্রাহক একদিকে নীতি সহায়তা নিচ্ছেন, অন্যদিকে সরকার, বাংলাদেশ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট ফাইন্যান্স কোম্পানির বিরুদ্ধে দায়ের করা রিটসহ বিভিন্ন মামলা চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে আর্থিক খাতে মামলাজট তৈরি হচ্ছে বলে উল্লেখ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, নীতি সহায়তা পেতে হলে সংশ্লিষ্ট গ্রাহককে মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। পাশাপাশি প্রত্যাহার করা মামলার তালিকাসহ একটি হলফনামা দিতে হবে। এতে সরকার, বাংলাদেশ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট ফাইন্যান্স কোম্পানির বিরুদ্ধে কোনো মামলা অনিষ্পন্ন নেই—এ কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, হলফনামা পাওয়ার পর গ্রাহকের জন্য নির্ধারিত নীতি সহায়তা বা প্রণোদনার শর্ত পরিবর্তন করা যাবে না। ফাইন্যান্স কোম্পানির নীতিগত সম্মতির ভিত্তিতেই সহায়তা বাস্তবায়ন করতে হবে।

ফাইন্যান্স কোম্পানি আইন, ২০২৩-এর ৪১ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। সার্কুলারটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি

খাদ্যপণ্যে ট্রান্স ফ্যাটের সর্বোচ্চ মাত্রা ২ শতাংশ নির্ধারণ

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৫২ অপরাহ্ণ
খাদ্যপণ্যে ট্রান্স ফ্যাটের সর্বোচ্চ মাত্রা ২ শতাংশ নির্ধারণ

হৃদরোগসহ বিভিন্ন অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি কমাতে খাদ্যপণ্যে শিল্পোৎপাদিত ট্রান্স ফ্যাটি অ্যাসিড (টিএফএ) নিয়ন্ত্রণে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। এর অংশ হিসেবে ভোজ্যতেল, বনস্পতি, লাচ্চাসেমাই, ডেকোরেটেড কেক, চিপস, চানাচুরসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্যে ট্রান্স ফ্যাটের সর্বোচ্চ মাত্রা ২ শতাংশ নির্ধারণ করে বাংলাদেশ মান (বিডিএস) প্রণয়ন করা হয়েছে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বিএসটিআইয়ের প্রধান কার্যালয়ে বিএসটিআই ও ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘বাংলাদেশে টিএফএ মুক্ত ভোজ্যতেল ও পিএইচও উৎপাদন উৎসাহিতকরণ’ শীর্ষক অংশীজন পরামর্শ সভায় এ তথ্য জানানো হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক (সচিব) কাজী ইমদাদুল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের অধ্যাপক ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী। রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলীম।

অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন ভোজ্যতেল উৎপাদন ও পরিশোধনকারী প্রতিষ্ঠান এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন। এর মধ্যে বসুন্ধরা গ্রুপ, সিটি গ্রুপ, টিকে গ্রুপ, বাংলাদেশ এডিবল অয়েল ও মেঘনা গ্রুপের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

সভায় ‘অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে এসডিজির তাগিদ এবং সরকারের অগ্রাধিকার’ বিষয়ে উপস্থাপনা করেন বিএসটিআইয়ের উপপরিচালক (কৃষি ও খাদ্য) এনামুল হক।

সভায় বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক কাজী ইমদাদুল হক বলেন, ট্রান্স ফ্যাটমুক্ত নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে উৎপাদক ও ব্যবসায়ীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিল্পখাতের বাস্তব সমস্যা, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং উৎপাদন প্রক্রিয়ার বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে মান নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি উৎপাদন পর্যায়ে সচেতনতা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন। এ বিষয়ে শিল্পখাতের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

শিল্পোৎপাদিত ট্রান্স ফ্যাটি অ্যাসিড হৃদরোগসহ বিভিন্ন অসংক্রামক রোগের অন্যতম ঝুঁকি হিসেবে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থা থেকে ট্রান্স ফ্যাট নির্মূল অকালমৃত্যু প্রতিরোধে কার্যকর ও ব্যয়সাশ্রয়ী পদক্ষেপ।

বাংলাদেশেও এ ঝুঁকি মোকাবিলায় ইতোমধ্যে ‘খাদ্যদ্রব্যে ট্রান্স ফ্যাটি অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণ প্রবিধানমালা, ২০২১’ প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রবিধানটির কার্যকর বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বনস্পতি ও নন-ডেইরি ভেজিটেবল ঘিয়ের জন্য প্রণীত বাংলাদেশ জাতীয় মানও সংশোধন করেছে বিএসটিআই।

সংশোধিত মানে ট্রান্স ফ্যাট নিয়ন্ত্রণের আধুনিক প্রয়োজনীয়তা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে খাদ্যশিল্পে টিএফএমুক্ত বা কম ট্রান্স ফ্যাটযুক্ত পণ্য উৎপাদনের জন্য আরও সহায়ক পরিবেশ তৈরি হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

নতুন মান প্রণয়নের মাধ্যমে খাদ্যপণ্যে ট্রান্স ফ্যাটের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে একটি সুস্পষ্ট মানদণ্ড তৈরি হলো। বিশেষ করে ভোজ্যতেল, বনস্পতি, লাচ্চাসেমাই, ডেকোরেটেড কেক, চিপস ও চানাচুরের মতো বহুল ব্যবহৃত খাদ্যপণ্যে ট্রান্স ফ্যাটের সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ ভোক্তা স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অংশীজন সভায় সংশ্লিষ্ট শিল্পপ্রতিষ্ঠান, গবেষক ও বিশেষজ্ঞরা ট্রান্স ফ্যাট নিয়ন্ত্রণে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, উৎপাদন প্রক্রিয়া এবং শিল্পখাতের বাস্তব চ্যালেঞ্জ নিয়ে মতামত দেন। এসব মতামত বিবেচনায় নিয়ে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতে আরও সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

কালের আলো/এম/এএইচ

আল-কায়েদা নিয়ে জাতিসংঘের প্রতিবেদন অনুমাননির্ভর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৩৯ অপরাহ্ণ
আল-কায়েদা নিয়ে জাতিসংঘের প্রতিবেদন অনুমাননির্ভর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশে আল-কায়েদার তৎপরতা নিয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রতিবেদনের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, প্রতিবেদনটি অনুমাননির্ভর হওয়ায় এ বিষয়ে তারা কোনো প্রতিক্রিয়া দিচ্ছেন না।

সোমবার (১৭ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রথমে বলেন, তিনি এখনো প্রতিবেদনটি পড়েননি। পরে এ বিষয়ে আবার জানতে চাইলে তিনি বলেন, পত্রিকায় প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে তিনি প্রতিবেদনটির কথা শুনেছেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, হয়তো প্রতিবেদনে কিছু পর্যবেক্ষণ থাকতে পারে। সেখানে বলা হয়েছে, তারা অনুমান করেছে, এটা হতে পারে। অনুমাননির্ভর প্রতিবেদনের ওপর কোনো প্রতিক্রিয়া দেওয়া যায় না।

সম্প্রতি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অ্যানালিটিক্যাল সাপোর্ট অ্যান্ড স্যাংশনস মনিটরিং টিমের এক প্রতিবেদনে আল-কায়েদা ইন দ্য ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট বা একিউআইএস নিয়ে নতুন তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একিউআইএস একটি খণ্ডিত গোষ্ঠী থেকে আঞ্চলিক সন্ত্রাসী সংগঠনে রূপান্তরিত হচ্ছে। বড় ইউনিটের পরিবর্তে সংগঠনটি এখন বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে থাকা ছোট ছোট সেলের মাধ্যমে কার্যক্রম চালাচ্ছে।

এ ছাড়া সংগঠনটি শক্তিশালী লজিস্টিক ও আর্থিক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

একিউআইএসের কর্মকাণ্ডের উদাহরণ হিসেবে দিল্লির লাল কেল্লায় হামলার বিষয়টিও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ২০২৫ সালের নভেম্বরে হওয়া ওই হামলার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে সংগঠনটিকে দায়ী করা হয়েছে।

প্রতিবেদনের গুরুত্বপূর্ণ একটি পর্যবেক্ষণ হলো, একিউআইএস বাংলাদেশে তাদের সেল গঠনের চেষ্টা করছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, একিউআইএসের শীর্ষ নেতৃত্ব আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে অবস্থান করছে। তাঁদের তালেবানের দেওয়া পরিচয়পত্র বা তাজকিরা দেওয়া হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

গত ১০ আগস্ট প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে ২০২৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের ৯ জুন পর্যন্ত আল-কায়েদা ও সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীগুলোর কার্যক্রম ও পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ