খুঁজুন
                               
, ,
           

মিরপুরে পুলিশের বিশেষ অভিযান, গ্রেপ্তার ২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬, ৯:০২ অপরাহ্ণ
মিরপুরে পুলিশের বিশেষ অভিযান, গ্রেপ্তার ২৫

রাজধানীর মিরপুর মডেল থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে ২৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দিনগত রাতে মিরপুরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) নিয়াজ মেহেদী গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—আলিফ হাসান (১৯), মো. রহিত (১৯), মো. নিরব হোসেন (১৮), নাইম খান (৩১), মো. তামিম ইকবাল (২১), আবু হুরায়রা (২৮), মো. মোজাম্মেল হোসেন (৪১), সাব্বির পাঠান (২০), মো. শাওন (২০), ইনান হাসান তনায় (২০), মাহফুজ (২৯), মো. ইশাদ (১৯), মো. রাসেল শেখ (২০), মো. হালিম মাহমুদ (৩৪), মো. সাদ্দাম হোসেন (৩৭), মো. জুয়েল (২৭), মো. আ. রহিম (২৭), মো. সাগর (২৪), নাইম খান (২৬), ফাহিম নুর নিশাত (২০), মো. মিলন (২৮), মো. জয়নাল (২৮), মো. শান্ত (৩২), শেখ রোহান ফারদিন (১৯) ও দানিয়েল মন্ডল (২৮)।

মিরপুর মডেল থানা সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলাসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রণে রাখতে এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

সঠিক পরিকল্পনা না করলে বড় সংকটের আশঙ্কা বিদ্যুৎমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬, ৯:০৯ অপরাহ্ণ
সঠিক পরিকল্পনা না করলে বড় সংকটের আশঙ্কা বিদ্যুৎমন্ত্রীর

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, বাংলাদেশ এখন ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে। দেশ এত ঋণগ্রস্ত হয়েছে যে, সঠিকভাবে পরিকল্পনা না করলে একদিন সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন দেওয়াও কঠিন হয়ে যাবে।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেলে সিরাজগঞ্জ পৌরসভার হলরুমে পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, সঠিক পরিকল্পনা ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়। সরকার এমন একটি বাজেট দিয়েছে, যাতে মানুষের ওপর অতিরিক্ত করের চাপ না পড়ে। তবে এই বাজেট বাস্তবায়নে সাধারণ মানুষ ও প্রশাসনকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

এর আগে শহরের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে ব্যবহারের জন্য ড্রামট্রাকসহ ছয়টি গাড়ি বিতরণ করেন মন্ত্রী। এ সময় তিনি নিজে একটি ট্রাকে ওঠেন। বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, অনেকে চায়ের দোকানে এটি নিয়ে সমালোচনা করবেন, তা তিনি জানেন। তবে মানুষকে দেখানোর জন্য তিনি ট্রাকে ওঠেননি। ছোটবেলায় রাস্তা পরিষ্কারের এমন গাড়ি দেখে তাঁর ভালো লাগত। সেই স্মৃতি থেকেই তিনি ট্রাকে উঠেছেন।

তিনি আরও বলেন, পৌরসভার এসব গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব সবার। কারণ, সরকারের বাপ-মা জনগণ।

এর আগে পৌরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের ধানবান্ধি ডোবাপাড়া এলাকায় আরসিসি ড্রেন ও সড়ক নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন মন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম, পৌরসভার প্রশাসক শাহাদাত হুসেইন, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চুসহ স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

বন্ধ বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১ নম্বর ইউনিট

দিনাজপুর প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৪৫ অপরাহ্ণ
বন্ধ বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১ নম্বর ইউনিট

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের ১ নম্বর ইউনিটের পাম্পে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালে হঠাৎ ত্রুটি দেখা দিলে কর্তৃপক্ষ ইউনিটটি বন্ধ করে দেয়।

এটি চালু করতে প্রায় একদিন সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ১ নম্বর ইউনিটের পাম্পের ত্রুটি মেরামতের কাজ চলছে।

শনিবার (১৫ আগস্ট) মধ্যে ইউনিটটি চালু করে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার আশা করা হচ্ছে।

কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, বন্ধ হওয়ার আগে ১ নম্বর ইউনিট থেকে ঘণ্টায় প্রায় ৫০ থেকে ৫৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছিল।

পাম্পে ত্রুটি দেখা দেওয়ার পর ইউনিটটির উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।

এদিকে, বিদ্যুৎকেন্দ্রের ৩ নম্বর ইউনিট বর্তমানে চালু রয়েছে।

এই ইউনিট থেকে জাতীয় গ্রিডে প্রায় ১৭০ থেকে ১৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, কেন্দ্রের ২ নম্বর ইউনিটটি ২০২০ সাল থেকেই বন্ধ রয়েছে। ফলে বর্তমানে ১ নম্বর ইউনিটের মেরামত শেষে দ্রুত উৎপাদনে ফেরানোর দিকেই নজর কর্তৃপক্ষের।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

১৯৪৭ সালে মোদি থাকলে ভারত ভাগ হতো না: যোগী আদিত্যনাথ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৫৪ অপরাহ্ণ
১৯৪৭ সালে মোদি থাকলে ভারত ভাগ হতো না: যোগী আদিত্যনাথ

১৯৪৭ সালে যদি ভারতের নেতৃত্বে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বা তার মতো কোনো নেতা থাকতেন, তবে ভারতের বিভাজন ঘটত না— বলে মন্তব্য করেছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। এছাড়াও বাংলাদেশকে জোর করে হিন্দু গ্রাম দিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) ভারতের ৭৯তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের প্রাক্কালে লখনউতে ‘দেশভাগ বিভীষিকা স্মৃতি দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব দাবি করেন তিনি।

যোগী আদিত্যনাথ দাবি করেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বা সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের মতো কেউ প্রধানমন্ত্রী থাকলে ভারত ভাগ হতো না। বর্তমান বাংলাদেশ, পাকিস্তান সব ভারতের অংশই থাকত। তৎকালীন কংগ্রেস নেতাদের ক্ষমতার লোভ এবং তোষণ নীতির কারণেই দেশভাগ ও এর পরবর্তী সময়ে লাখ লাখ মানুষের ওপর সহিংসতা ও দাঙ্গা নেমে এসেছিল।

তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার সময় (১৯৪৭) নরেন্দ্র মোদী যদি ভারতের প্রধানমন্ত্রী থাকতেন, তাহলে কেউই ভারতের সামান্যতম ক্ষতিও করতে পারত না। যদি সেই সময়ে সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের মতো কেউ প্রধানমন্ত্রী থাকতেন, তাহলে কেউই ভারতকে বিভক্ত করতে পারত না… এই কংগ্রেস সদস্যদের কাপুরুষতার জন্য দেশকে চরম মূল্য দিতে হয়েছে — এমন চরিত্র আপনারা সবাই সিএএ বিক্ষোভের সময় দেখেছেন।’

আদিত্যনাথ আরও দাবি করেন, ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান এমন ভূখণ্ডের অংশ পেয়েছিল, যা তারা কখনও চায়নি। তরে মতে সিন্ধু, পাঞ্জাব ও বাংলার মতো হিন্দু ও বাঙালি অধ্যুষিত অঞ্চলগুলো কংগ্রেসের কারণে জোরপূর্বক পাকিস্তানের (বর্তমানে বাংলাদেশসহ) অংশ করা হয়েছিল।

তিনি বলেন, ‘সিন্ধু ছিল একটি হিন্দু-অধ্যুষিত ও সিন্ধি-অধ্যুষিত এলাকা, যা জোরপূর্বক পাকিস্তানের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল; একইভাবে পাঞ্জাবি-অধ্যুষিত পাঞ্জাবও হস্তান্তর করা হয়েছিল। বাংলা ছিল বাঙালি-শাসিত। সমস্ত হিন্দু গ্রাম জোর করে বর্তমান বাংলাদেশকে দিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এই লজ্জাজনক কাজটি করেছিল কংগ্রেস, যারা ক্ষমতার জন্য অতিরিক্ত অস্থির ছিল এবং যাদের ওপর দেশ আস্থা রেখেছিল। তারা সেই আস্থার প্রতিদান দিয়েছে বিশ্বাসঘাতকতার মাধ্যমে।’

কট্টর হিন্দুত্ববাদী এই নেতা আরও অভিযোগ করেন, বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর হামলার সময়েও কংগ্রেস নীরব ছিল।

তিনি বলেন, ‘তারা আশঙ্কা করেছিল যে বাংলাদেশের ঘটনার প্রতিক্রিয়া দেখালে এখানকার তাদের ভোটব্যাঙ্ক সরে যেতে পারে। তাদের কাছে দলিত হিন্দুদের হত্যার কোনো গুরুত্ব নেই; যা গুরুত্বপূর্ণ তা হলো তাদের নিজেদের ভোটব্যাঙ্ক।’

প্রসঙ্গত, যোগী আদিত্যনাথ ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে একজন কট্টর হিন্দুত্ববাদী নেতা হিসেবে পরিচিত এবং তার বক্তব্য ও নীতি প্রায়শই মুসলিম, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ-বিরোধী হিসেবে আলোচিত হয়।

ভারতের গণমাধ্যম ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তার রাজনৈতিক পরিচয়ের একটি বড় অংশ জুড়ে রয়েছে উগ্র জাতীয়তাবাদ এবং হিন্দু স্বার্থ রক্ষা। রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই তিনি মুসলিম সম্প্রদায় এবং তাদের ধর্মীয় রীতিনীতি নিয়ে বিভিন্ন সময়ে কড়া বক্তব্য দিয়ে আসছেন।

এছাড়াও তার শাসনামলে উত্তর প্রদেশের ‘এলাহাবাদ’-কে ‘প্রয়াগরাজ’, ‘ফয়জাবাদ’-কে ‘অযোধ্যা’ সহ বিভিন্ন মুসলিম নামযুক্ত ঐতিহাসিক শহর ও স্থানের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। এছাড়া গরু জবাই এবং হিন্দু-মুসলিম ‍বিয়ে ঠেকাতে কঠোর আইন প্রণয়ন করায় তাকে মুসলিমবিরোধী হিসেবেই দেখেন বিশ্লেষকরা।

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে, ডেকেন হেরাল্ড

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ