খুঁজুন
                               
, ,
           

জলবায়ু পরিবর্তনের চাপে জাপানে ধান গবেষণা, বাংলাদেশের জন্যও হতে পারে গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৩২ অপরাহ্ণ
জলবায়ু পরিবর্তনের চাপে জাপানে ধান গবেষণা, বাংলাদেশের জন্যও হতে পারে গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা

জলবায়ু পরিবর্তন, বৈশ্বিক সংঘাত, মহামারি ও কৃষিশ্রমিক সংকটের কারণে বিশ্বজুড়ে খাদ্যনিরাপত্তা নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। খাদ্য আমদানিনির্ভর শিল্পোন্নত দেশ জাপানও এর বাইরে নয়। দেশটির অভ্যন্তরীণ খাদ্য উৎপাদন ক্যালরির হিসাবে মোট চাহিদার প্রায় ৩৮ শতাংশ। জনসংখ্যা কমে যাওয়া, কৃষিশ্রমিকদের বার্ধক্য এবং নতুন কর্মীর ঘাটতি দেশটির কৃষি খাতের সংকট আরও বাড়াচ্ছে।

তবে ধান উৎপাদনে জাপানের অবস্থান তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী। দেশটির ধানের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন চাহিদার প্রায় ৯৮ শতাংশ পূরণ করে। তাই খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ধান উৎপাদনের ভিত্তি ধরে রাখার পাশাপাশি জলবায়ু সহনশীল নতুন জাত ও পরিবেশবান্ধব কৃষিপদ্ধতি উদ্ভাবনে জোর দিচ্ছে দেশটি।

সম্প্রতি জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আমন্ত্রণে বিদেশি সাংবাদিকদের একটি দল দেশটির অন্যতম প্রধান ধান উৎপাদন অঞ্চল তোহোকুর ইয়ামাগাতা জেলা পরিদর্শন করে। সেখানে টেকসই কৃষি, নতুন ধানের জাত ও জলবায়ু সহনশীল প্রযুক্তি নিয়ে চলমান গবেষণার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।

মিদোরি কৌশলে পরিবেশবান্ধব কৃষি

জাপানের কৃষি, বন ও মৎস্য মন্ত্রণালয় ২০২১ সালে টেকসই খাদ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে ‘মিদোরি কৌশল’ গ্রহণ করে। ২০৫০ সালের মধ্যে কৃষি খাতে কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামানো, রাসায়নিক কীটনাশকের ঝুঁকিভিত্তিক ব্যবহার ৫০ শতাংশ কমানো এবং মোট কৃষিজমির ২৫ শতাংশে জৈব চাষ সম্প্রসারণের লক্ষ্য রয়েছে এ কৌশলে।

এ নীতি বাস্তবায়নে ২০২২ সালে ‘মিদোরি আইন’ কার্যকর করা হয়। এর আওতায় পরিবেশবান্ধব কৃষি প্রযুক্তি, যন্ত্রপাতি ও অবকাঠামোয় বিনিয়োগের জন্য কৃষকদের আর্থিক সহায়তা ও করছাড় দেওয়া হচ্ছে। ২০২৪ সালের জুলাই পর্যন্ত ১৭ হাজারের বেশি উৎপাদক এ সুবিধা পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান।

এ ছাড়া কৃষি খাতে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানোর স্বীকৃতি হিসেবে চালু হয়েছে ‘জে-ক্রেডিট’ ব্যবস্থা। পরিবেশবান্ধব উৎপাদনকে উৎসাহিত করতে খাদ্যপণ্যে পরিবেশগত লেবেলিংও চালু করেছে জাপান।

সোনাই সমভূমিতে ধান গবেষণা

ইয়ামাগাতা জেলার সোনাই সমভূমি জাপানের অন্যতম প্রধান ধান উৎপাদন এলাকা। পাহাড় থেকে নেমে আসা খনিজসমৃদ্ধ পানি, পর্যাপ্ত বৃষ্টি এবং সমুদ্রঘেঁষা আবহাওয়া এ অঞ্চলের ধান চাষের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করেছে।

সুরুওকা শহরের ইয়ামাগাতা সমন্বিত কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের ধান প্রজনন ও শস্যবিজ্ঞান গবেষণা ইনস্টিটিউট দীর্ঘদিন ধরে নতুন জাত উদ্ভাবনে কাজ করছে। ১৯২০ সালে প্রতিষ্ঠার পর প্রতিষ্ঠানটি ১৩০টির বেশি ধানের জাত উদ্ভাবন করেছে। এর মধ্যে হায়েনুকি, সুইয়াহিমে, ইউকিওয়াকামারু ও ইয়ামাগাতামোচি-১২৮ উল্লেখযোগ্য।

গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক রেইকো নাকাবা জানান, বর্তমানে ধান গবেষণায় চারটি বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে—স্বাদ ও গুণমান ধরে রাখা, ফলন বাড়ানো, উচ্চ তাপমাত্রা সহনশীল জাত উদ্ভাবন এবং আধুনিক প্রজনন প্রযুক্তির মাধ্যমে দ্রুত কাঙ্ক্ষিত বৈশিষ্ট্য নির্বাচন।

গরম সহনশীল নতুন জাত

জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ধান চাষের মৌসুমে তাপমাত্রা বাড়ছে। ২০২৩ সালে ইয়ামাগাতায় ধানের দানা পুষ্ট হওয়ার সময় তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল। এতে উন্নতমানের ধানের উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।

এর পর থেকে উচ্চ তাপমাত্রা সহনশীল ধানের জাত উদ্ভাবন গবেষণার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হয়ে উঠেছে। বর্তমানে ‘ইউকিমানতেন’ নামে একটি উচ্চ তাপমাত্রা সহনশীল জাতের উন্নয়ন ও পরীক্ষামূলক চাষ চলছে। ২০২৭ সালে জাতটি বাণিজ্যিকভাবে বাজারে আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

ধানখেতে পানি ব্যবস্থাপনায় কমছে মিথেন

ধান উৎপাদনে পরিবেশগত ক্ষতি কমাতেও জাপানে নানা প্রযুক্তি পরীক্ষা করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে ‘অল্টারনেট ওয়েটিং অ্যান্ড ড্রাইং’ বা AWD পদ্ধতি। এতে ধানখেত সব সময় পানিতে ডুবিয়ে না রেখে নির্দিষ্ট সময় পর পানি বের করে মাটি শুকানোর সুযোগ দেওয়া হয়। পরে আবার খেতে পানি দেওয়া হয়।

এই পদ্ধতিতে পানির ব্যবহার কমানোর পাশাপাশি ধানখেত থেকে মিথেন নিঃসরণও কমানো সম্ভব। গবেষণা অনুযায়ী, ফলন অক্ষুণ্ন রেখে AWD ব্যবহারে মিথেন নিঃসরণ সর্বোচ্চ প্রায় ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমানো যেতে পারে।

জাপানের সহযোগিতায় ফিলিপাইনসহ কয়েকটি আসিয়ান দেশেও এই প্রযুক্তি ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশেও এ প্রযুক্তি প্রয়োগে জাপানের আগ্রহ রয়েছে।

জিনোম প্রযুক্তিতেও গুরুত্ব

ধানের স্বাদ, রোগ প্রতিরোধক্ষমতা ও অন্যান্য কাঙ্ক্ষিত বৈশিষ্ট্য দ্রুত শনাক্ত করতে গবেষকেরা ডিএনএ মার্কার ব্যবহার করছেন। বিভিন্ন জাতের মধ্যে ক্রস-ব্রিডিংয়ের মাধ্যমে নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য নির্বাচন করা হচ্ছে। এর ফলে প্রচলিত পদ্ধতির তুলনায় দ্রুত ও নির্ভুলভাবে নতুন জাত উদ্ভাবনের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

ইয়ামাগাতার গবেষকেরা এমন জাতও উদ্ভাবনের চেষ্টা করছেন, যেগুলো বিদ্যমান জাতগুলোর আগে বা পরে কাটা যাবে। এতে বড় জমিতে সীমিত শ্রমিক দিয়ে ধান চাষ ও ফসল কাটার সময় ভাগ করে নেওয়া সহজ হবে।

বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতার বিষয়ে রেইকো নাকাবা জানান, ইয়ামাগাতা গবেষণা কেন্দ্রের সঙ্গে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের বর্তমানে কোনো যৌথ প্রকল্প নেই। তবে বিভিন্ন দেশের ধান গবেষণা সম্পর্কে তাঁরা অবগত।

জাপানের ইয়ামাগাতার অভিজ্ঞতা দেখাচ্ছে, ভবিষ্যতের খাদ্যনিরাপত্তা শুধু বেশি ধান উৎপাদনের ওপর নির্ভর করবে না। জলবায়ু সহনশীল নতুন জাত, স্মার্ট কৃষি, পানি ব্যবস্থাপনা, পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি এবং কৃষিশ্রমিকের ঘাটতি মোকাবিলার সমন্বিত উদ্যোগই হয়ে উঠতে পারে টেকসই ধান উৎপাদনের ভিত্তি। বাংলাদেশের মতো ধাননির্ভর দেশগুলোর জন্যও এ অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হতে পারে।

কালের আলো/এসএ

‘এক ফোঁটা তেলও যেতে দেব না’, হরমুজ নিয়ে ইরানের হুমকি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ১:৪৩ অপরাহ্ণ
‘এক ফোঁটা তেলও যেতে দেব না’, হরমুজ নিয়ে ইরানের হুমকি

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞা অব্যাহত থাকলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে কোনো ধরনের তেল পরিবহন করতে দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান।

ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের নতুন প্রধান মোহসেন রেজাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় এ হুঁশিয়ারি দেন। তিনি বলেন, ইরানি জনগণের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ‘অর্থনৈতিক যুদ্ধ’ চলতে থাকলে হরমুজ প্রণালি কিংবা পারস্য উপসাগরের কোনো পথ দিয়েই ইরান এক ফোঁটা তেলও বাইরে যেতে দেবে না।

ইরানি এই কর্মকর্তা যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক পদক্ষেপকে অবৈধ বলে দাবি করেন। তাঁর হুঁশিয়ারি, ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন অর্থনৈতিক নীতিকে যেসব দেশ সমর্থন বা সহযোগিতা করবে, তাদের ভূমিকাকে তেহরান ‘যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে বিবেচনা করবে।

এর আগে ইরান জানিয়েছিল, মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক নিরাপত্তা এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির ব্যবস্থাপনা স্থানীয় উপকূলীয় দেশগুলোর হাতেই থাকা উচিত।

এ ছাড়া যেসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিক ঘাঁটি পরিচালনার সুযোগ দেবে কিংবা ওয়াশিংটনকে অন্য কোনো ধরনের সহায়তা করবে, তাদেরও কঠোর জবাবদিহির আওতায় আনার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান।

হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ। পারস্য উপসাগরীয় তেল ও গ্যাস উৎপাদক দেশগুলোর আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে এই সরু জলপথের গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। ফলে এখানে তেল চলাচল বন্ধ বা ব্যাহত হলে বিশ্ববাজারে জ্বালানির সরবরাহ ও দামে বড় ধরনের চাপ তৈরি হতে পারে।

ইরানের এই হুমকি তাই শুধু দেশটির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধের বিষয় নয়; এর প্রভাব বিশ্বের জ্বালানি বাজার ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যেও পড়তে পারে।

কালের আলো/এসএ

ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলের বল বিক্রি ৩৩ লাখ ডলারে

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ১:৩৩ অপরাহ্ণ
ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলের বল বিক্রি ৩৩ লাখ ডলারে

১৯৮৬ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দিয়েগো ম্যারাডোনার বিখ্যাত ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলের বল নিলামে বিক্রি হয়েছে ২৫ লাখ পাউন্ডে, যা ৩৩ লাখ ডলারেরও বেশি। যুক্তরাষ্ট্রের হেরিটেজ অকশনসে শনিবার বলটি বিক্রি হয়।

১৯৮৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২–১ গোলে হারিয়েছিল আর্জেন্টিনা। ম্যাচের প্রথম গোলটি করেছিলেন ম্যারাডোনা—গোলরক্ষক পিটার শিলটনের মাথার ওপর দিয়ে হাত দিয়ে বল জালে পাঠান তিনি। তিউনিসিয়ার রেফারি আলী বিন নাসের গোলটি বৈধ ঘোষণা করেন।

ম্যাচের পর গোলটি নিয়ে ম্যারাডোনা বলেছিলেন, সেটি হয়েছিল ‘কিছুটা ম্যারাডোনার মাথা দিয়ে এবং কিছুটা ঈশ্বরের হাত দিয়ে। এরপর থেকেই গোলটি ফুটবল ইতিহাসে ‘হ্যান্ড অব গড’ নামে পরিচিত হয়ে ওঠে।

একই ম্যাচে ম্যারাডোনা আরও একটি অবিশ্বাস্য গোল করেন। ইংল্যান্ডের পাঁচজন আউটফিল্ড খেলোয়াড়কে ড্রিবল করে পরাস্ত করে গোলটি করেন তিনি। পরে সেটি ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’ হিসেবে পরিচিতি পায়।

নিলামের আগে ধারণা করা হয়েছিল, ঐতিহাসিক অ্যাডিডাস আজটেকা বলটির দাম প্রায় ৭৩ লাখ পাউন্ড বা এক কোটি ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে। তবে শেষ পর্যন্ত এটি বিক্রি হয়েছে ২৫ লাখ পাউন্ডে।

নিলামের আগে হেরিটেজ অকশনসের বিশেষজ্ঞ মাইক প্রোভেনজালে বলটিকে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্মারক হিসেবে উল্লেখ করেন।

ম্যাচের পর বলটি নিজের কাছে রেখে দিয়েছিলেন রেফারি আলী বিন নাসের। তিন দশকেরও বেশি সময় তিনি এটি সংরক্ষণ করেন। ২০২৩ সালে স্বাক্ষর করা এক চিঠিতে বিন নাসের নিশ্চিত করেন, পুরো ম্যাচে এই একটি বলই ব্যবহার করা হয়েছিল। পরে স্বাধীন যাচাইয়েও এর সত্যতা নিশ্চিত হয়।

এর আগে ২০২২ সালে বলটি ২৩ লাখ ৭০ হাজার ডলারে বিক্রি হয়েছিল। পরে ২০২৩ সালে নতুন মালিক আবার সেটি নিলামে তুললেও নির্ধারিত সর্বনিম্ন দাম না ওঠায় বিক্রি হয়নি।

এদিকে ওই ম্যাচে ম্যারাডোনার পরা জার্সিও ২০২২ সালে নিলামে ৭১ লাখ পাউন্ডে বিক্রি হয়েছিল

কালের আলো/এসএ

তৃতীয় বিয়ের গুঞ্জন, যা বললেন প্রভা

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ১:২২ অপরাহ্ণ
তৃতীয় বিয়ের গুঞ্জন, যা বললেন প্রভা

ছোট পর্দার অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা আবারও বিয়ে করেছেন—সম্প্রতি এমন গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। তবে বিষয়টি সরাসরি অস্বীকার করে অভিনেত্রী জানিয়েছেন, তাঁর বিয়ে নিয়ে ছড়ানো খবর সম্পূর্ণ কাল্পনিক ও ভিত্তিহীন।

গুঞ্জন ছড়িয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্রে পরিচয় হওয়া নিজের চেয়ে কম বয়সী এক তরুণকে গোপনে বিয়ে করেছেন প্রভা। এমনকি পারিবারিক আপত্তি উপেক্ষা করে আগস্টের প্রথম সপ্তাহে ব্যাংককে তাঁদের বিয়ে হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রে তাঁদের চুক্তিবদ্ধ বিয়ে হয়েছিল—এমন দাবিও ওঠে।

তবে এসব তথ্যকে পুরোপুরি গুজব বলে উড়িয়ে দিয়েছেন প্রভা।

এর আগেও তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে। অনামিকায় আংটি পরা ছবি, হীরার আংটি ও গোলাপের ছবি, নেপাল ভ্রমণের সময় রোমান্টিক পোস্ট এবং ভালোবাসা-বিচ্ছেদ নিয়ে তাঁর বিভিন্ন বক্তব্যকে কেন্দ্র করে নতুন সম্পর্ক ও বিয়ের গুঞ্জন ছড়িয়েছিল।

প্রভার ব্যক্তিজীবন অবশ্য আগেও আলোচনায় এসেছে। ২০১০ সালে অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্বকে বিয়ে করেছিলেন তিনি। পরের বছর তাঁদের বিচ্ছেদ হয়। পরে মাহমুদ শান্তকে বিয়ে করলেও সেই সংসার ২০১৪ সাল পর্যন্ত টিকে ছিল।

সাম্প্রতিক বিদেশ ভ্রমণ, আংটির ছবি ও রোমান্টিক পোস্ট ঘিরে নতুন করে বিয়ের গুঞ্জন ছড়ালেও প্রভার সরাসরি অস্বীকারের পর আপাতত সেই জল্পনার অবসান হয়েছে।

কালের আলো/এসএ