খুঁজুন
                               
, ,
           

শিক্ষকদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ইসলামী আন্দোলন পাশে থাকবে: চরমোনাই পীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ৪:২০ অপরাহ্ণ
শিক্ষকদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ইসলামী আন্দোলন পাশে থাকবে: চরমোনাই পীর

স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও শিক্ষকদের অধিকার ও ন্যায্য প্রাপ্তি নিশ্চিত না হওয়াকে দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পীর)। একই সঙ্গে শিক্ষকদের যেকোনো ন্যায্য দাবি আদায়ের আন্দোলনে পাশে থাকার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে জাতীয় শিক্ষক ফোরামের কেন্দ্রীয় সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

চরমোনাই পীর বলেন, রাজনীতি ও রাষ্ট্র পরিচালনার গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় বারবার নৈতিকতাহীন ও প্রতারকরা বসার কারণেই শিক্ষকদের প্রাপ্য অধিকার এখনও অধরা হয়ে আছে। দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের কারণে দেশের শিক্ষা খাত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, দেশে দুর্নীতি বন্ধ করা সম্ভব হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণসহ শিক্ষকদের বিভিন্ন ন্যায্য দাবি পূরণ করা সম্ভব। শিক্ষকরাই আগামী দিনের আদর্শবান বাংলাদেশ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ার মূল কারিগর।

শিক্ষকদের নিজেদের নৈতিকতা ও মান বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, তাদের চরিত্র ও নৈতিকতা নিয়ে যেন কখনো প্রশ্ন না ওঠে, সেভাবেই নিজেদের গড়ে তুলতে হবে।

সম্মেলনে জাতীয় শিক্ষক ফোরামের ২০২৫-২৬ সেশনের কেন্দ্রীয় কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে ২০২৭-২৮ সেশনের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। নতুন কমিটির সভাপতি হিসেবে মাওলানা এবিএম জাকারিয়া, সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে মাওলানা মোহাম্মদ নেছার উদ্দিন এবং সেক্রেটারি জেনারেল হিসেবে মোহাম্মদ আব্দুস সবুরের নাম ঘোষণা করা হয়।

পরে নতুন কমিটির নেতাদের শপথবাক্য পাঠ করান ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির। সম্মেলনের শেষপর্বে দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং শিক্ষক সমাজের সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি

বন্ধকি স্বর্ণ ফেরত দিতে না পেরে ‘আত্মগোপন’, খুঁজে বের করলো পুলিশ

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ৫:২৯ অপরাহ্ণ
বন্ধকি স্বর্ণ ফেরত দিতে না পেরে ‘আত্মগোপন’, খুঁজে বের করলো পুলিশ

চাঁদপুর শহরের পরিচিত স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাস, তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তান—চারজনের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় তৈরি হয়েছিল নানা প্রশ্ন। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ না থাকা এবং হঠাৎ ব্যবসা ও বাসা ছেড়ে চলে যাওয়ায় উদ্বেগ বাড়তে থাকে স্বজন, স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশের মধ্যে। শেষ পর্যন্ত সেই রহস্যের অবসান ঘটেছে চট্টগ্রামের পটিয়ায়।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) ভোরে সেখানকার নিজ এলাকা থেকে চারজনকেই উদ্ধার করেছে চাঁদপুর সদর মডেল থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল। তবে পুলিশি উদ্ধারের পর সামনে এসেছে নিখোঁজ হওয়ার ভিন্ন একটি কারণ। পুলিশের অনুসন্ধান ও স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মানুষের কাছ থেকে স্বর্ণ বন্ধক রেখে তা সময়মতো ফেরত দিতে না পারায় পিন্টু দাস পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আত্মগোপনে চলে গিয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

নিখোঁজের ঘটনায় বাড়ে উদ্বেগ
গত ২৬ আগস্ট পিন্টু দাসসহ পরিবারের চার সদস্য নিখোঁজ হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ে। একই সময়ে রংপুরে একই পরিবারের চারজন নিহত হওয়ার ঘটনা নিয়ে দেশজুড়ে উদ্বেগ ছিল। ফলে চাঁদপুরের একটি পরিবারের চার সদস্যের একসঙ্গে নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টিও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে গুরুত্ব পায়।পুলিশ প্রথমে নিখোঁজের বিষয়টি সাধারণভাবে তদন্ত শুরু করলেও পিন্টুর বাসা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের আশপাশের মানুষের সঙ্গে কথা বলে নতুন তথ্য পায়।

জানা যায়, পিন্টু দাস স্বর্ণ বন্ধক রাখার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং বেশ কিছু মানুষের কাছ থেকে স্বর্ণ নিয়েছিলেন। এসব স্বর্ণ ফেরত দিতে না পারার চাপ থেকেই তিনি পরিবার নিয়ে আত্মগোপনে যেতে পারেন—এমন তথ্যের ভিত্তিতে তদন্তের গতিপথ বদলে যায়।

প্রযুক্তির সহায়তায় শনাক্ত অবস্থান
পিন্টু দাস ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের উদ্ধারে চাঁদপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এবং সদর মডেল থানা পুলিশ যৌথভাবে কাজ শুরু করে। প্রায় দুই দিন তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অনুসন্ধান চালানোর পর পুলিশ তাঁদের অবস্থান শনাক্ত করতে সক্ষম হয়। পরে সদর মডেল থানার একটি বিশেষ দল চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলায় অভিযান চালিয়ে শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে চারজনকে উদ্ধার করে।অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া সদর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কালাম গাজী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়েজ আহমেদ জানান, পিন্টু দাস ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের পাওয়া যাচ্ছে না—এমন সংবাদ প্রকাশের পর পুলিশ তাঁদের উদ্ধারে কার্যক্রম শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাঁদের অবস্থান শনাক্ত করে বিশেষ দলের মাধ্যমে পটিয়া থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁদের চাঁদপুর সদর মডেল থানায় নিয়ে আসা হচ্ছে।

সামনে এখন মূল প্রশ্ন—বন্ধকি স্বর্ণ গেল কোথায়?
পিন্টু দাস ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের উদ্ধার করা গেলেও ঘটনার মূল জটিলতা এখনো কাটেনি। বরং উদ্ধারের পর তদন্তের সামনে এসেছে আরও গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্ন। মানুষের কাছ থেকে ঠিক কত পরিমাণ স্বর্ণ বন্ধক রাখা হয়েছিল? সেই স্বর্ণের বিপরীতে কী ধরনের লেনদেন হয়েছিল? কতজন গ্রাহক এখন তাঁদের স্বর্ণ ফেরত পাচ্ছেন না? স্বর্ণগুলো বর্তমানে কোথায়—এবং সেগুলো বিক্রি, হস্তান্তর কিংবা অন্য কোনোভাবে ব্যবহার করা হয়েছে কি না—এসব প্রশ্নের উত্তর এখন তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ইতোমধ্যে পিন্টু দাসের বিরুদ্ধে বন্ধক রাখা স্বর্ণ ফেরত না পাওয়ার অভিযোগে একাধিক ব্যক্তি চাঁদপুর সদর মডেল থানায় অভিযোগ করেছেন। ফলে ঘটনাটি শুধু একটি পরিবারের নিখোঁজ হওয়ার বিষয় হিসেবে থাকছে না; এর সঙ্গে আর্থিক লেনদেন ও সম্ভাব্য প্রতারণার অভিযোগও যুক্ত হয়েছে।

বাসা ছাড়ার বিষয়েও জিডি
পিন্টু দাস চাঁদপুর শহরের মিজানুর রহমান চৌধুরী সড়কের সৌর ভিলায় ভাড়া থাকতেন। তাঁর হঠাৎ অবস্থান পরিবর্তনের বিষয়টিও পুলিশের নজরে আসে। ওই বাসার মালিকের ছেলে রাসেল খান গত ২২ আগস্ট সদর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এই জিডি, স্বর্ণ বন্ধক সংক্রান্ত অভিযোগ এবং পরিবারের হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার বিষয়গুলো মিলিয়ে দেখলে ঘটনাটির পেছনে আর্থিক চাপের একটি সম্ভাব্য চিত্র পাওয়া যাচ্ছে। তবে সেটি এখনো তদন্তসাপেক্ষ; পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি।

আত্মগোপন, নাকি অন্য কোনো কারণ?
পরিবারের চার সদস্যকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হওয়ায় নিখোঁজের ঘটনায় সবচেয়ে বড় উদ্বেগ আপাতত কেটে গেছে। কিন্তু তাঁরা কেন চাঁদপুর ছেড়ে পটিয়ায় গেলেন, সেখানে কতদিন ছিলেন এবং তাঁদের সঙ্গে থাকা বা না থাকা বন্ধকি স্বর্ণের বিষয়ে কী তথ্য রয়েছে—এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো প্রকাশ্যে আসেনি। পুলিশ জানিয়েছে, তাঁদের নিখোঁজ হওয়ার কারণ এবং স্বর্ণ বন্ধক সংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর বিস্তারিত জানা যাবে।

অর্থাৎ, এই ঘটনায় আপাতত একটি পরিবারের নিখোঁজ হওয়ার রহস্যের সমাধান হলেও শেষ হয়নি মূল তদন্ত। বরং পিন্টু দাসের ব্যবসায়িক লেনদেন, বন্ধকি স্বর্ণের হিসাব এবং অভিযোগকারীদের দাবি যাচাইয়ের মধ্য দিয়েই বেরিয়ে আসতে পারে ঘটনার প্রকৃত চিত্র।

কালের আলো/এম/এএইচ

নেপালের বন্যায় প্রাণহানি বেড়ে ৫৪৭

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ৫:২৬ অপরাহ্ণ
নেপালের বন্যায় প্রাণহানি বেড়ে ৫৪৭

নেপালে হিমবাহ ধসে সৃষ্ট ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানি বেড়ে ৫৪৭ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়াও প্রায় এক হাজার ৪০০ মানুষ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। দুর্গম পার্বত্য এলাকায় উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এনডিআরআরএমএ) এবং পুলিশের হালনাগাদ প্রতিবেদন এই তথ্য জানো হয়েছে।

নেপাল পুলিশ জানিয়েছে, শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকা থেকে ৫৪৭টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি মরদেহ পাওয়া গেছে নওয়ালপরাসি পশ্চিম ও নওয়ালপরাসি পূর্বের নারায়ণী নদী থেকে।

বিভিন্ন জায়গা থেকে উদ্ধার করা মরদেহের সংখ্যা- রাসুয়া- ১২, নুয়াকোট- ৩৭, ধাদিং- ৩৩, খোরখা- ৪৬ (মানুষের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গও রয়েছে), চিতওয়ান – ২৮, নওয়ালপরাসি পশ্চিম – ১৩৪, নওয়ালপরাসি পূর্ব – ২২১।

বন্যায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা রাসুয়া থেকে অধিকাংশ মরদেহ নদীর স্রোতে ভেসে নিচের দিকে চলে গেছে বলেও জানায় পুলিশ।

এদিকে নেপালের সরকার বন্যার পর থেকে এখন পর্যন্ত নিখোঁজ থাকা শত শত পর্যটকের নাম প্রকাশ করেছে। তালিকায় ৫৩৭ জন বিদেশি নাগরিকের নাম, জন্মতারিখ এবং জাতীয়তা উল্লেখ করা হয়েছে, যাদের সঙ্গে বুধবার বন্যা আঘাত হানার পর থেকে আর কোনো যোগাযোগ হয়নি।

এই তালিকায় রয়েছে ১৭৮ জন ভারতীয় নাগরিক, ৬৫ জন মার্কিন নাগরিক, ৫৩ জন ইউক্রেনীয়, ৫১ জন মালয়েশীয়, ৩৩ জন অস্ট্রেলীয় এবং যুক্তরাজ্যের ৩৩ জন নাগরিক।

নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযানের জন্য ১৪ হাজারেরও বেশি নিরাপত্তা কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে এবং এখন পর্যন্ত প্রায় ৩ হাজার ৭৪২ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় যোগাযোগব্যবস্থা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় উদ্ধার তৎপরতা কঠিন হয়ে পড়েছে। দেশটির সেনাবাহিনী হেলিকপ্টারে করে দুর্গম এলাকায় আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে এবং জরুরি ত্রাণ পৌঁছে দিচ্ছে।

অন্যদিকে চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, বুধবারের ভয়াবহ বন্যায় তিব্বতে অন্তত পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও এখনো ৫৫৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে।

সূত্র: বিবিসি, এনডিটিভি

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

দৃষ্টিপাত সম্পাদকের মৃত্যুতে বিএএসপি’র শোক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৪৪ অপরাহ্ণ
দৃষ্টিপাত সম্পাদকের মৃত্যুতে বিএএসপি’র শোক

বাংলাদেশ আঞ্চলিক সংবাদপত্র পরিষদ (বিএএসপি)’র যুগ্ম মহাসচিব, সাতক্ষীরা থেকে প্রকাশিত দৈনিক দৃষ্টিপাত পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক জিএম নূর ইসলাম (৭০) বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুর দেড়টার দিকে ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্না-লিল্লাহ ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

তাঁর মৃত্যুতে বিএএসপি’র সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন মনজু, মহাসচিব জাফর আহমেদ, সহ-সভাপতি দৈনিক আজকের ময়মনসিংহ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক, ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক সন্ধানী বার্তার প্রধান সম্পাদক আলহাজ মোহাম্মদ শামসুল আলম খানসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তাঁরা মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেছেন।

কালের আলো/এম/এএইচ