খুঁজুন
                               
, ,
           

সীমান্তে ‘জিরো টলারেন্স’, বিজিবিকে আরও কঠোর হওয়ার বার্তা রাষ্ট্রপতির

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:
প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৪৪ অপরাহ্ণ
সীমান্তে ‘জিরো টলারেন্স’, বিজিবিকে আরও কঠোর হওয়ার বার্তা রাষ্ট্রপতির

দেশের সীমান্ত নিরাপত্তাকে আরও কার্যকর ও প্রযুক্তিনির্ভর করার ওপর জোর দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সীমান্তে চোরাচালান, মাদক ও মানবপাচারের মতো অপরাধের পাশাপাশি ‘পুশ ইন’ এবং সীমান্ত হত্যা বন্ধে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে (বিজিবি) আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার (৩১ আগস্ট) বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীর সৌজন্য সাক্ষাতে সীমান্ত নিরাপত্তার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। বিজিবি মহাপরিচালক রাষ্ট্রপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করায় তাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান। এ সময় বিজিবির সামগ্রিক কার্যক্রম, সীমান্তে নজরদারি জোরদার এবং বাহিনীতে অত্যাধুনিক ড্রোনসহ আধুনিক প্রযুক্তি সংযোজনের উদ্যোগ সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন মহাপরিচালক।

  • চোরাচালান, মাদক ও মানবপাচার ঠেকানোর পাশাপাশি ‘পুশ ইন’ ও সীমান্ত হত্যা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপের তাগিদ
  • নজরদারিতে অত্যাধুনিক ড্রোন ও প্রযুক্তি ব্যবহারের উদ্যোগ

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সচিবরা ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিজিবি মহাপরিচালকের বৈঠক থেকে সীমান্ত নিরাপত্তায় আরও সক্রিয় ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনার প্রত্যাশাই প্রতিফলিত হয়েছে। এখন এই প্রত্যাশাকে বাস্তব ফলাফলে রূপ দিতে বিজিবির সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার এবং মাঠপর্যায়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ওপর জোর দেওয়াই হবে মূল চ্যালেঞ্জ।

শুধু জনবল নয়, প্রযুক্তিনির্ভর সীমান্ত ব্যবস্থাপনা
সীমান্ত নিরাপত্তার প্রচলিত ধারণা এখন অনেকটাই বদলে গেছে। দুর্গম সীমান্ত এলাকা, রাতের অন্ধকার, নদীপথ এবং সীমান্তবর্তী জনপদে অপরাধীদের গতিবিধি নজরদারিতে শুধু জনবলনির্ভর টহল যথেষ্ট নয়। এ বাস্তবতায় ড্রোন, উন্নত নজরদারি ব্যবস্থা ও অন্যান্য আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বিজিবির সক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতে বিজিবির পক্ষ থেকে প্রযুক্তি সংযোজনের যে উদ্যোগের কথা জানানো হয়েছে, তা সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। বিশেষ করে দুর্গম ও বিস্তৃত এলাকায় আকাশপথে নজরদারি বাড়াতে ড্রোন কার্যকর হতে পারে। সন্দেহজনক গতিবিধি শনাক্তের পাশাপাশি দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানানোর ক্ষেত্রেও এসব প্রযুক্তি সহায়ক হতে পারে। রাষ্ট্রপতিও সীমান্ত সুরক্ষায় অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সংযোজনের উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন এবং এ বিষয়ে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।

চোরাচালান ও মাদক: সীমান্ত নিরাপত্তার বড় চ্যালেঞ্জ
বাংলাদেশের সীমান্ত নিরাপত্তার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত অন্যতম বড় সমস্যা চোরাচালান ও মাদকপাচার। সীমান্তের বিভিন্ন রুট ব্যবহার করে অবৈধ পণ্য ও মাদক প্রবেশের সুযোগ তৈরি হলে তা শুধু রাজস্ব ক্ষতিই করে না, দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতার ওপরও প্রভাব ফেলে। এ কারণে বিজিবির নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি এবং সীমান্তবর্তী এলাকায় স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সমন্বয় আরও জোরদার করা প্রয়োজন। প্রযুক্তির ব্যবহার এখানে সহায়ক হলেও কার্যকর গোয়েন্দা তথ্য, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় সমান গুরুত্বপূর্ণ।

‘পুশ ইন’ ও সীমান্ত হত্যা: সংবেদনশীল দুই ইস্যু
রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে ‘পুশ ইন’ ও সীমান্ত হত্যার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। এসব ঘটনা সীমান্ত নিরাপত্তার পাশাপাশি দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রেও সংবেদনশীল। সীমান্তে যেকোনো প্রাণহানি রোধে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, আন্তর্জাতিক ও দ্বিপক্ষীয় নীতিমালা অনুসরণ এবং সংশ্লিষ্ট দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগ জরুরি। একই সঙ্গে সীমান্তে সংঘাতের পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আগেই তা শনাক্ত করে প্রতিরোধের সক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন। রাষ্ট্রপতির নির্দেশনা থেকে স্পষ্ট, সীমান্ত নিরাপত্তাকে শুধু অপরাধ দমন হিসেবে নয়, বরং মানবিকতা, জাতীয় নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক বাস্তবতার সমন্বিত কাঠামোর মধ্যে দেখার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

সামনে বড় চ্যালেঞ্জ বাস্তবায়ন
বিজিবির সক্ষমতা বাড়াতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি যুক্ত করা নিঃসন্দেহে ইতিবাচক পদক্ষেপ। তবে প্রযুক্তি কেনার পাশাপাশি এর যথাযথ ব্যবহার, প্রশিক্ষিত জনবল, রক্ষণাবেক্ষণ এবং তথ্য বিশ্লেষণের সক্ষমতাও নিশ্চিত করতে হবে। সীমান্তে অপরাধের ধরন ক্রমেই পরিবর্তিত হচ্ছে। তাই প্রযুক্তি ও জনবলের সমন্বিত ব্যবহার, গোয়েন্দা সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সীমান্তবর্তী জনগোষ্ঠীর সঙ্গে আস্থার সম্পর্ক তৈরি—এই তিনটি বিষয়কে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

কালের আলো/এমএএএমকে

বেপরোয়া গতিতে পদ্মা সেতুর ঢালে উল্টে গেল বাস, আহত ৮

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৪৫ অপরাহ্ণ
বেপরোয়া গতিতে পদ্মা সেতুর ঢালে উল্টে গেল বাস, আহত ৮

মুন্সিগঞ্জের লৌহজংয়ে পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তের ঢালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নিউ গ্রীন লাইন এক্সপ্রেসের একটি যাত্রীবাহী বাস উল্টে আটজন আহত হয়েছেন।

সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহতদের উদ্ধার করে শ্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে।

মুন্সিগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ফায়ার সার্ভিস জানায়, মাগুরা থেকে ঢাকাগামী নিউ গ্রীন লাইন এক্সপ্রেসের বাসটি পদ্মা সেতুর ঢালে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের রেলিংয়ে ধাক্কা দেয়। পরে বাসটি উল্টে সড়কের পাশে পড়ে যায়।

খবর পেয়ে শ্রীনগর ফায়ার স্টেশনের দুটি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে গিয়ে বাসের ভেতর থেকে আহত যাত্রীদের উদ্ধার করে। পরে ফায়ার সার্ভিসের অ্যাম্বুলেন্সে তাদের শ্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়।

আহতদের মধ্যে রয়েছেন মাগুরা সদর এলাকার সাইফুল্লাহ (৮০) ও লুৎফর (৬৩), চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গার রেবেকা খাতুন (৪০), দামুড়হুদার নূর ইসলাম (৪৬) ও রশিদা (৪০), মাগুরার মোহাম্মদপুরের ফাতেমা (৭), শ্রীপুরের সাইফ (২৩) এবং ফরিদপুরের মধুখালীর আরাফাত (১৩)।

ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা সফিকুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে বাসটির বেপরোয়া গতির কারণে দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। তবে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ ও বাসটির গতিবেগসহ বিস্তারিত বিষয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত করে দেখছে।

দুর্ঘটনার পর বাসটি সড়কের পাশে উল্টে পড়ে থাকায় ওই এলাকায় কিছু সময় যান চলাচলে ধীরগতি সৃষ্টি হয়। দুর্ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি

অবশেষে আমানত ফেরত পাচ্ছেন সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ৭:২৬ অপরাহ্ণ
অবশেষে আমানত ফেরত পাচ্ছেন সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকরা

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ব্যক্তি হিসাবের গ্রাহকদের আমানতের মূল টাকা ফেরত দেওয়ার কার্যক্রম আগামী ৭ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে গ্রাহকেরা তাদের হিসাবের জমা মূল অর্থ এককালীন উত্তোলন বা নগদায়ন করতে পারবেন। তবে এ অর্থের বিপরীতে কোনো মুনাফা দেওয়া হবে না।

এ জন্য আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে ব্যাংকের শাখা ও উপশাখায় আবেদন গ্রহণ করা হবে। ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয় থেকে জারি করা বিশেষ নির্দেশনায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে সংশ্লিষ্ট বিভাগ, জোন ও শাখা ব্যবস্থাপকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১ সেপ্টেম্বর থেকে ব্যক্তি হিসাবে স্বাভাবিক লেনদেন পুনরায় চালুর কথা রয়েছে। তবে নগদ অর্থের চাহিদা, বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে নগদ সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং নিরাপদ ক্যাশ ব্যবস্থাপনার প্রস্তুতির কারণে আমানতের টাকা ফেরত দেওয়ার কার্যক্রম ৭ সেপ্টেম্বর থেকে পূর্ণমাত্রায় শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ব্যাংকের আল-ওয়াদিয়া চলতি হিসাব, মুদারাবা সঞ্চয়ী হিসাব এবং বিভিন্ন মেয়াদি আমানত—যেমন এমটিডিআর ও ডিপিএস—থেকে গ্রাহকেরা মূল টাকা উত্তোলন করতে পারবেন। যারা হিসাব বন্ধ না করে চালু রাখবেন, তারা চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত হারে মুনাফা পেতে থাকবেন।

গ্রাহকদের আস্থা পুনর্গঠনের লক্ষ্যে ১ সেপ্টেম্বরকে বিশেষ দিবস হিসেবে পালনের উদ্যোগ নিয়েছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। এদিন শাখা-উপশাখাগুলো সাজানো, গ্রাহকদের ফুল বা উপহার দিয়ে অভ্যর্থনা এবং জ্যেষ্ঠ নাগরিক, নারী ও প্রতিবন্ধী গ্রাহকদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সেবা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, বিভিন্ন অনিয়ম ও জালিয়াতির কারণে দীর্ঘদিন আমানত ফেরত দিতে না পারা এক্সিম, সোশ্যাল ইসলামী, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী, গ্লোবাল ইসলামী ও ইউনিয়ন ব্যাংক একীভূত হয়ে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠন করে। পাঁচ ব্যাংকে প্রায় ৭৬ লাখ আমানতকারীর মোট ১ লাখ ৪২ হাজার কোটি টাকা জমা রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

আইপিইউ মহাসচিবের সঙ্গে জামায়াত আমিরের সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ৭:২৪ অপরাহ্ণ
আইপিইউ মহাসচিবের সঙ্গে জামায়াত আমিরের সাক্ষাৎ

জাতীয় সংসদকে আরও কার্যকর এবং জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ও সংলাপের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করার বিষয়ে ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) মহাসচিব আন্দা ফিলিপের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

সোমবার (৩১ আগস্ট) জাতীয় সংসদ ভবনে বিরোধীদলীয় নেতার কার্যালয়ে বাংলাদেশে সফররত আইপিইউ মহাসচিবের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকটি সৌহার্দ্যপূর্ণ ও আন্তরিক পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে সংসদীয় গণতন্ত্র শক্তিশালী করতে বিরোধী দলের ভূমিকা এবং সংসদে সরকারি ও বিরোধী দলের সমতাভিত্তিক অংশগ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরেন ডা. শফিকুর রহমান।

বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ইস্যুতে সরকারি দল ও বিরোধী দলের সদস্যদের মধ্যে নিয়মিত আলাপ-আলোচনা ও সংলাপ অব্যাহত রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি সংসদীয় কমিটিগুলোর কার্যকারিতা বাড়ানো এবং তরুণ সংসদ সদস্যদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির বিষয়েও আলোচনা হয়।

আইপিইউ মহাসচিব আন্দা ফিলিপ বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় সংস্থাটির পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন। সাক্ষাৎ শেষে উভয় পক্ষ পারস্পরিক সহযোগিতা ও যোগাযোগ অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করে।

এ সময় আইপিইউ মহাসচিবের সঙ্গে সংস্থাটির প্রোগ্রাম অফিসার রবার্তো রদ্রিগুয়েজ ভ্যালেন্সিয়া এবং সিনিয়র এক্সপার্ট হেরিয়েনো এ এ্যাংগোরো উপস্থিত ছিলেন।

অন্যদিকে বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে জাতীয় সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন, বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান এবং পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ