খুঁজুন
                               
, ,
           

ভয়মুক্ত সাংবাদিকতার পরিবেশ তৈরিতে দৃঢ় অঙ্গীকার তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪৬ অপরাহ্ণ
ভয়মুক্ত সাংবাদিকতার পরিবেশ তৈরিতে দৃঢ় অঙ্গীকার তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

সাংবাদিকদের স্বাধীন ও নির্ভয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালনের পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকারের দৃঢ় প্রত্যয়ের কথা পুনরায় উচ্চারণ করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এমপি। তিনি বলেছেন, ‘বর্তমান সরকার সংবাদমাধ্যমের পূর্ণ স্বাধীনতায় বিশ্বাসী এবং সাংবাদিকরা যেন কোনো ভয়ভীতি ছাড়াই নির্বিঘ্নে তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে পারেন, সরকার সেই পরিবেশ নিশ্চিত করেছে।’ একই সঙ্গে সাংবাদিকদের পেশাগত কল্যাণে সরকারি সহায়তা বাড়ানোর উদ্যোগ গণমাধ্যমবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে সরকারের অগ্রাধিকারকে আরও স্পষ্ট করেছে।

শুক্রবার (০৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলা পাবলিক হলে ‘রফিক হিলালী ইংলিশ এক্সিলেন্স প্রোগ্রাম-২০২৬’-এর ওরিয়েন্টেশন ক্লাস এবং এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষায় কৃতিত্ব অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

  • সংবাদমাধ্যমের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ
  • সাংবাদিক কল্যাণে বরাদ্দ বাড়ানোর উদ্যোগ—গণমাধ্যমকে শক্তিশালী করার প্রত্যাশা

একটি রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক বিকাশে স্বাধীন ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যমের কোন বিকল্প নেই। জনগণের কথা বলা, অনিয়ম তুলে ধরা, রাষ্ট্রের কর্মকাণ্ডের জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের স্বাধীনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই স্বাধীনতাকে প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি দিতে সরকার কাজ করছে। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে তথ্য প্রতিমন্ত্রীর এমন পরিস্কার অবস্থানকে দেশের সাংবাদিকতার বিকাশের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য গণমাধ্যম অঙ্গনেও একটি ইতিবাচক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

সাংবাদিক কল্যাণে বরাদ্দ বাড়ানোর উদ্যোগ
সাংবাদিকদের পেশাগত ও সামাজিক নিরাপত্তার বিষয়টিও প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের পেশাগত কল্যাণ ও বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তথ্য প্রতিমন্ত্রী জানান, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের নির্ধারিত বাজেট বরাদ্দ ৬ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৫ কোটি টাকায় উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং এ সংক্রান্ত প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। এটি নিঃসন্দেহে সাংবাদিক সমাজের মাঝে আশার সঞ্চার করেছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, বর্তমানে সাংবাদিকতা পেশা নানা ধরনের অর্থনৈতিক ও পেশাগত চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে মফস্বল সাংবাদিকদের সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যে দায়িত্ব পালন করতে হয়। কল্যাণমূলক কার্যক্রমে বরাদ্দ বৃদ্ধি করা সম্ভব হলে অসচ্ছল ও সংকটে থাকা সাংবাদিকদের পাশাপাশি তাদের পরিবারের জন্যও তা বাস্তব সহায়তা তৈরি করতে পারে।

হলুদ সাংবাদিকতা ও অপসাংবাদিকতা প্রতিরোধ
প্রতিমন্ত্রী সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রেস কাউন্সিলের মাধ্যমে ‘হলুদ সাংবাদিকতা’ ও অপসাংবাদিকতা প্রতিরোধের কথাও বলেছেন। বিষয়টি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও দায়িত্বশীলতার মধ্যে প্রয়োজনীয় ভারসাম্যের দিকটি সামনে আনে। তিনি বলেছেন, ‘সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রেস কাউন্সিলের মাধ্যমে ‘হলুদ সাংবাদিকতা’ ও অপসাংবাদিকতা রোধে পেশাগত মানদণ্ড বজায় রাখার কাজ চলছে।’

সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা যেমন অপরিহার্য, তেমনি সংবাদ প্রকাশে তথ্যের যথার্থতা, নিরপেক্ষতা, পেশাগত নৈতিকতা ও জনস্বার্থের বিষয়টিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। স্বাধীন সাংবাদিকতা কখনোই দায়িত্বহীন সাংবাদিকতার সমার্থক নয়। বরং স্বাধীনতা যত বেশি থাকবে, সাংবাদিকদের পেশাগত মান ও নৈতিকতার চর্চাও তত বেশি শক্তিশালী হওয়া প্রয়োজন। এতে করে গণমাধ্যমের প্রতি মানুষের আস্থা আরও বাড়াতে পারে।

হাওর শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ভাবনা
এ সময় হাওর অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের সুবিধা ও আলাদা একাডেমি ক্যালেন্ডার প্রণয়নের বিষয়ে সাংবাদিকরা দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটি একটি জাতীয় বিষয়। হাওরাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের যাতায়াত ও পড়ালেখার সুবিধার বিষয়টি সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পর্যালোচনা করছে এবং শিগগিরই ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীর এই বক্তব্য প্রান্তিক শিক্ষার্থীদের শিক্ষা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সরকারের বাস্তবতাভিত্তিক চিন্তার ইঙ্গিত দেয়। প্রতিমন্ত্রী বিষয়টিকে ‘জাতীয় বিষয়’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন—এ বক্তব্যের মধ্য দিয়ে হাওরাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের সমস্যাকে শুধু স্থানীয় সমস্যা হিসেবে না দেখে জাতীয় শিক্ষানীতির অংশ হিসেবে বিবেচনার বার্তা মিলেছে।

শিক্ষার্থীদের মানবিক ও আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে হবে
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধু জিপিএ-৫ বা ভালো ফলাফল অর্জন করলেই চলবে না, শিক্ষার্থীদের মানবিক ও আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। পরিবার, শিক্ষক ও দেশের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে নৈতিকতার চর্চা করলেই প্রকৃত সাফল্য আসবে।

এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন, ভালো ফলাফলের পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধের চর্চার ওপর প্রতিমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ শিক্ষার বৃহত্তর উদ্দেশ্যকে সামনে এনেছে। পরিবার, শিক্ষক ও দেশের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার যে আহ্বান তিনি জানিয়েছেন, তা শিক্ষাকে শুধু পরীক্ষাকেন্দ্রিক না রেখে চরিত্র ও মূল্যবোধ গঠনের সঙ্গে যুক্ত করার একটি দৃষ্টিভঙ্গি বলে মনে করছেন অনেকেই।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী জানান, তৃণমূলের যুবসমাজকে খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করতে মাঠের আধুনিকায়ন করা হচ্ছে এবং অনলাইনে ও টিভিতে চাইনিজ ও অ্যারাবিক ভাষা শিক্ষার বিশেষ কার্যক্রম চালু করা হচ্ছে।

নেত্রকোণা-৩ (কেন্দুয়া-আটপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য ড. রফিকুল ইসলাম হিলালীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ময়মনসিংহ-৮ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মুন মুন জাহান লিজা, কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা চৌধুরী এবং জেলা প্রেসক্লাবের সম্পাদক মাহবুবুল কিবরিয়া চৌধুরী হেলিম।

কালের আলো/এম/এএইচ

রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার পরিদর্শন করবেন ডা. শফিকুর রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:০১ অপরাহ্ণ
রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার পরিদর্শন করবেন ডা. শফিকুর রহমান

হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটে ক্ষতিগ্রস্ত রাজধানীর মিরপুরের রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার পরিদর্শন করবেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টায় মিরপুর-১ নম্বরের রাড্ডা এলাকায় অবস্থিত ক্ষতিগ্রস্ত স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রটি পরিদর্শনে যাওয়ার কথা রয়েছে তার।

জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তরের প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এবং কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য মু. আতাউর রহমান সরকার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়, মুখোশধারী একদল ব্যক্তি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রটিতে প্রবেশ করে নিরাপত্তাকর্মীদের জিম্মি করে মালামাল লুট করে। পরে ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে ভবন ও বিভিন্ন স্থাপনা ভাঙচুর করা হয়।

এ ঘটনায় শাহ আলী থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে। পরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

ঘটনার পর জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটে জড়িতদের শনাক্ত করে কঠোর শাস্তির দাবি জানান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রটিতে হামলার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

জামায়াতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সোমবারের পরিদর্শনকালে ডা. শফিকুর রহমান ক্ষতিগ্রস্ত স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের বিভিন্ন অংশ সরেজমিনে দেখবেন এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলবেন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ ছাড়া আইনশৃঙ্খলা ফিরবে না: নাহিদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৪৩ অপরাহ্ণ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ ছাড়া আইনশৃঙ্খলা ফিরবে না: নাহিদ

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে দায়িত্বে রাখা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ২০২৪ সালের ৬ আগস্টের পর বিএনপির বিরুদ্ধে যে নৈরাজ্য, দখলবাজি, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছিল, তার ধারাবাহিকতা এখনো চলছে বলে তারা মনে করেন। সাম্প্রতিক সময়ে মিরপুরের রাড্ডা সেন্টার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরের ঘটনাকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে তিনি প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ করেন।

তিনি বলেন, এসব ঘটনায় দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে জনগণের সামনে উদ্বেগ স্পষ্ট হয়েছে। এ পরিস্থিতির জন্য বর্তমান সরকার, প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে দায়ী করে নাহিদ বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে দায়িত্বে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা সম্ভব নয়।

মিরপুরের রাড্ডা সেন্টারে ভাঙচুরের প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম স্থানীয় বিএনপির সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলে ধরেন। তাঁর দাবি, পুলিশ প্রশাসনের নীরবতা বা সহযোগিতা ছাড়া রাজধানীতে রাতের বেলায় দীর্ঘ সময় ধরে এ ধরনের ঘটনা ঘটানো সম্ভব নয়। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য সংবাদ সম্মেলনে পাওয়া যায়নি।

দেশের অন্যান্য এলাকার কয়েকটি ঘটনার কথাও তুলে ধরেন এনসিপির এই নেতা। হবিগঞ্জে সিএনজি বা অটোরিকশা স্ট্যান্ড দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ এবং সাভারে মাদরাসা দখলের চেষ্টার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাজধানীর বাইরেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।

নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার কথা বলা হলেও বাস্তবে পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি বলে তারা মনে করেন। তাঁর অভিযোগ, সরকার দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না এবং প্রশাসনের সহযোগিতায় বিভিন্ন স্থানে দখল-বাণিজ্য চলছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের সমালোচনা করে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সংসদে প্রশ্ন বা জবাবদিহির মুখোমুখি হলে মন্ত্রী মূল বিষয় এড়িয়ে বিভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে নাহিদ ইসলাম এনসিপির নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, জনগণের নিরাপত্তার জন্য তাদের পাশে থাকতে হবে। যেখানে দখলদারি, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের ঘটনা ঘটছে, সেখানে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

বায়ুদূষণে বিশ্বের শীর্ষ দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকা

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৩৩ অপরাহ্ণ
বায়ুদূষণে বিশ্বের শীর্ষ দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকা

ঢাকার বাতাসের মান আজ ‘অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ে রয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা ২৯ মিনিটে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা আইকিউএয়ারের সূচকে ১৬০ স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা।

আইকিউএয়ারের তালিকায় ১৭৬ স্কোর নিয়ে শীর্ষে রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই। ১৬৩ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা এবং ১৬১ স্কোর নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ইরাকের বাগদাদ। ১৫৬ স্কোর নিয়ে ভারতের কলকাতা রয়েছে পঞ্চম অবস্থানে।

আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, ০ থেকে ৫০ স্কোরের মধ্যে বায়ুর মান ‘ভালো’ বা ‘অনেক ভালো’ হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ স্কোর হলে তা ‘মাঝারি বা সহনীয়’। ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ এবং ১৫১ থেকে ২০০ স্কোর ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়।

এ ছাড়া ২০১ থেকে ৩০০ স্কোরকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ এবং ৩০১-এর বেশি স্কোরকে ‘দুর্যোগপূর্ণ’ হিসেবে বিবেচনা করে আইকিউএয়ার।

জলবায়ু পরিবর্তন, নির্মাণকাজসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড এবং অন্যান্য কারণে বিশ্বের বিভিন্ন শহরে বায়ুদূষণের মাত্রা বাড়ছে। এর প্রভাব জনস্বাস্থ্যের ওপরও পড়ছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি